Category Archives: shrik.bidath

ডান হাতে তাসবীহ গণনা করা উচিত অ্যান্ড কোন দানা বা কংকরে গণনা করা বেদাত

তাসবীহ পাঠের সুন্নাতী নিয়ম ঃ
আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ)-কে ডান হাতের মুষ্টি বেধে আঙ্গুল দিয়ে তাসবীহ পাঠ করতে দেখেছি।
(আবু দাউদ, তিরমীযি, মিশকাত হা/২৩১৬; নায়ল ২/৩১৬)।
রাসূলুল্লাহ(ছাঃ)ডান হাতে তাসবীহ গণনা করতেন।
(আবু দাউদ, হা/১৫০২, বায়হাকী হা/১৮৭)।
এক মুহাজের নারী ইয়ুসায়ারা (রাঃ) তসবীহ গণনার সহীহ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, রাসূল(ছাঃ)তাকে আঙ্গুল গুলো মুষ্টি বেধে তসবীহ পাঠের নির্দেশ দেন — এবং এ কথাও বলেছেন, কিয়ামতের দিন তসবীহ গণনার জন্য আঙ্গুলগুলো আল্লাহর কাছে সাক্ষী দেবেন। (আবূ দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, মিশকাত ২০২ পৃষ্ঠা)।
‘রাসূল(ছাঃ)আঙ্গুল গুলো মুষ্টি বেধে তসবীহ পাঠের নির্দেশ দেন’ এই প্রসঙ্গে সৌদী আরবের স্থায়ী ফতওয়া বোর্ডের সাবেক প্রধান বলেছেন নবী করিম (ছাঃ)এর অনুসরণের মধ্যে রয়েছে সকল কল্যান।(ফতওয়ায়ে আরকানূল ইসলাম)।
কোন দানা বা কংকর কিয়ামতের দিন স্বাক্ষী প্রদান করবে বলে কোন জাল হাদীসও পাওয়া যায় না। বাজারে ‘হাযারী তাসবীহ’ নামে যে তাসবীহ প্রচলিত আছে তা বানোয়াট।(পিস টিভি আলোচক)।
তাসবীহ ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুল দিয়ে শুরু করতে হয়।
আলবানী বলেন, শারঈ যিকর গণনা এটাই সুন্নাত যা কেবল ডান হাত দিয়ে গুনতে হয়। আর বাম হাত বা দুই হাত একসঙ্গে কিংবা কংকর দ্বারা গণনা সবই সুন্নাত বিরোধী। কংকর দ্বারা এমনকি দানা দ্বারা গণনা করা বিশুদ্ধভাবে সাব্যস্ত হয় নি।
তাসবীহ, পূথী বা দানা দ্বারা তাসবীহ গননা করাঃ
কংকর, পাথর, পুথি দ্বারা তাসবীহ গণনাকারী রিয়া কারী হিসাবে গণ্য (রিয়া করা অর্থাৎ ছোট শিরক করা)।এবং কংকর,পাথর,পুথি দ্বারা তাসবীহ গণনার পক্ষে যে বর্ণনাগুলো আছে তা জাল।
(হাদীস মওযু, জ্বাল, আল বিদউ হা/২১, সিলসিলা যঈফাহ হা/৪৩ এর আলোচনা সনদ সহীহ, মুসনাদে দায়লামী হা/৮৩)।
আমাদের সমাজে দামী পাথর দ্বারা তৈরি তসবীহ দিয়ে যিকর-আযকার করা ব্যাপকভাবে চলছে। অথচ এর কোন সহীহ ভিত্তি নেই।
১। আয়েশা বিনতে সা’দ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তার পিতা রাসূল(ছাঃ) এর সাথে এক মহিলার কাছে প্রবেশ করেন। তখন স্ত্রী লোকটি সম্মুখে কিছু খেজুরের বিচি অথবা কংকর ছিল, যার দ্বারা সে তসবীহ গণনা করছিল।রাসূল (ছাঃ)বললেন, আমি কি তোমাকে এমন কিছু বলে দিব না, যা এটা অপেক্ষা সহজ বা উত্তম হবে? তা হচ্ছে ——। (তিরমিযী হা/৩৫৬৮, আবু দাউদ হা/১৫০০, মিশকাত হা/২৩১১)।
বিশ্লেষণ ঃ উক্ত বর্ণনাটি যঈফ। উক্ত বর্ণনার সনদে খুযায়ামা ও সাঈদ ইবনে আবী হেলাল নামে দুই জন ত্রুটিপূর্ণ রাবী রয়েছেন। তাছাড়া এটি সহীহ হাদীসের বিরোধী। কারণ রাসূল(ছাঃ)ডান হাতের আঙ্গুলে তসবীহ গণনা করতেন। (যঈফ আবু দাউদ হা/১৫০০, যঈফ আত তারগীব হা/৯৫৯, সিলসিলাহ যঈফাহ হা/৮৩)।
২। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ)যে দানা দ্বারা যিকর করে সে কতই না উত্তম।
(দায়লামী, মুসনাদুল ফেরদাউদ ৪/৯৮ পৃষ্ঠা)।
বিশ্লেষণ ঃ বর্ণনাটি জাল। উক্ত বর্ণনার প্রত্যেক রাবীই ত্রুটিপূর্ণ।
(সিলসিলা যঈফাহ হা/৮৩)।
উক্ত পর্যালোচনার পর আলবানী বলেন, নিশ্চয়ই তাসবীহ দানা বিদ’আত। এটা রাসূল(ছাঃ)এর যুগে ছিল না, বরং তার পরে সৃষ্টি হয়েছে।
(সিলসিলা যঈফাহ হা/৮৩ এর আলোচনা)।
৩। আবু হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত নবী করিম(ছাঃ)কংকর দ্বারা তাসবীহ গণনা করতেন।(আবুল কাশেম জুরজানী, তারীখে জুরজান হা/৬৮)।
বিশ্লেষণ ঃ বর্ণনাটি জাল। এর সনদে কুদামা বিন মাযউন এবং ছালেহ ইবনু আলী নামে অভিযুক্ত রাবী আছেন। (সিলসিলাহ যঈফাহ হা/১০০২)।
কংকর বা তাসবীহ দানা দ্বারা তাসবীহ পাঠ করার বিপক্ষে সাহাবীগণ ছিল খড়গহস্ত।
৪। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাস’উদ (রাঃ) এর কাছে কুফার এমন কিছু লোক সম্পর্কে উল্লেখ করা হলো; যারা মসজিদে ছোট ছোট পাথর একত্রিত করে তা দ্বারা গুনে গুনে তাসবীহ পড়ছিল। অতঃপর তিনি তাদের কাছে এসে দেখতে পেলেন যে, তাদের প্রত্যেকের সামনেই ছোট ছোট পাথরের এক একটি স্তুপ রয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি তাদের পাথর নিক্ষেপ করে মসজিদ থেকে বের করে দেন। এবং বলেন, তোমরা অবশ্যই একটি বিদ’আত ও অন্ধকারের উদ্ভাবন করছো। জ্ঞানের রাজ্যে মোহাম্মদ(ছাঃ)এর সাহাবীদের চেয়ে তোমরা প্রাধান্য লাভ করেছো?
(আল ইতিসাম ২/৩০৮ পৃষ্ঠা ইমাম শাতিবী )
৫। ছালত ইবনে বুহরাম (রাঃ) বলেন ইবনে মাসউদ (রাঃ) এক মহিলার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন তার কাছে দানা ছিল তা দ্বারা সেই মহিলা তাসবীহ গননা করছিল। ইবনে মাসউদ তাকে পা দ্বারা লাথি মারলেন। তার পর বললেন, তোমরা অগ্রগামী হয়েছো! তোমরাই কি মোহাম্মদ (ছাঃ)এর সাহাবী হিসাবে ইলমের দিক থেকে বিজয় হয়েছ!
(ইবনে ওয়াযযাহ, আল-বিদিউ পৃষ্ঠা-২৩, হা/২১, সিলসিলাহ যঈফাহ হা/৪৩ এর আলোচনা, সনদ সহীহ)।
৬। ইবনে মাসউদ(রাঃ)এর ছাত্র বিশিষ্ট তাবেঈ ইব্রাহীম আন-নাখ’ঈ তার মেয়েকে মহিলাদের তাসবীহর সুতা (তা দ্বারা তসবীহ পাঠ করার জন্য)পাকিয়ে দিয়ে সহযোগীতা করতে নিষেধ করেছিলেন।
(মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ ২/৮৯/২,যঈফ ও জাল হাদীস সিরিজ, আলবানী হা/৮৩ এর আলোচনা)।
পাথর, পুথি ও দানা দ্বারা তাসবীহ গণনা যায়েজ করা হয়েছে যেভাবে ঃ
সাহাবী আবু হুরায়রা (রাঃ)এর কাছে একটা সুতা ছিল যাতে দুহাজার গিরা ছিল। তিনি যতক্ষন ঐ গিরা গুলো দ্বারা তাসবীহ না পড়তেন ততক্ষন শুতে যেতেন না। (মুসনাদে আহমাদ) এই বর্ণনা সহ কয়েকটি দুর্বল বর্ণনা একত্রে করে কোন কোন আলেম তাসবীহর ছড়া ব্যবহার কে যায়েজ বলেছেন। তবে তারা আঙ্গুলে তাসবিহ গননাকেই উত্তম বলেছেন।

তারা জ্বীন,তাবীজ কন্ট্রোল করতে পারে তারা মূলত ভন্ড

z3

যারা বলে, তারা জ্বীন কন্ট্রোল করতে পারে
তারা মূলত ভন্ড। তারা কন্ট্রোল করে না।
তারা করে দুষ্ট জ্বীনদের সাথে চুক্তি। এর
জন্য তারা কিছু শিরকি ও কুফরি কাজ করবে
এবং যারা তাদের কাছে যাবে তাদের
দিয়েও কিছু কুফরি কাজ করাবে। যেমন-
তাকে বলবে আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কারোর
নামে কোন প্রাণী হত্যা করতে।
অনেকের মুখ থেকে হয়ত শুনবেন তাবীজ কাজ
করার কথা। মূলত তাবীজ কোন কাজই করে না।
এটি হল শয়তান বা দুষ্ট জ্বীনের সাথে ওঝা
বা ঐ ভন্ড কবিরাজ বা ভন্ড হুজুরের সাথে
একটি চুক্তি। অর্থাৎ তার দেয়া তাবীজ বা
আংটি পরলে যেন ক্ষতি না করে।
আবূ দাউদ ৩৮৪৩. মুহাম্মাদ ইবন আলা (রহঃ) – – –
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ
আমি রাসূলুল্লহ (সঃ) কে বলতে শুনেছিঃ
মন্ত্র, তাবিজ ও তাওলা* করা শিরক। একথা
শুনে যয়নব (রাঃ) বলেনঃ তুমি এ কি বলছ,
আল্লাহর শপথ ! আমার চোখে ব্যথা হলে আমি
একজন ইয়াহূদীর কাছে যেতাম, যে মন্ত্র
পাঠের পর আমার চোখে ফু দিলে ব্যথার উপশম
হতো। তখন আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেনঃ এতো
শয়তানের অপকর্ম ছিল, যে তার হাত দিয়ে
চোখে ব্যথা দিত। আর যখন ঐ ইয়াহূদী তাতে ফু
দিত, তখন সে বিরত থাকতো। তোমার জন্য তা-
ই পাঠ করা উচিত ছিল, যা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)
পাঠ করতেন। আর তা হলোঃ হে মানব জাতির
রব! যন্ত্রণা দূর করে দিন, আরোগ্য দান করুন,
আপনিই আরোগ্যদাতা, আপনার দেয়া নিরাময়ই
যথার্থ নিরাময়, যার পরে আর কোন রোগ
বাকী থাকে না।
* তাওলা এক প্রকার যাদু, যা দিয়ে বেগানা
স্ত্রী-পুরুষের মধ্যে অবৈধ প্রেম সৃষ্টি করা হয়।
নিঃসন্দেহে এটি হারাম কাজ। হাদিসের
মানঃ সহিহ (Sahih)
বুখারী ৪৪৭। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ)…….
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন;
গত রাতে একটা অবাধ্য জ্বীন হঠাৎ করে
আমার সামনে প্রকাশ পেল। রাবী বলেন,
অথবা তিনি অনুরূপ কোন কথা বলেছেন, যেন
সে আমার সালাত (নামায/নামাজ) বাধা সৃষ্টি
করে। কিন্তু আল্লাহ আমাকে তার উপর ক্ষমতা
দিলেন। আমি ইচ্ছা করেছিলাম যে, তাকে
মসজিদের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখি, যাতে
ভোরবেলা তোমরা সবাই তাকে দেখতে পাও।
কিন্তু তখন আমার ভাই সুলায়মান (আলাইহিস
সালাম) এর উক্তি আমার স্মরণ হল, “হে রব!
আমাকে দান কর এমন রাজত্ব যার অধিকারী
আমার পরে কেউ না হয়। ”(৩৮:৩৫)(বর্ণনাকারী)
রাওহ (রহঃ) বলেন; নাবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই শয়তানটিকে
অপমানিত অবস্থায় তাড়িয়ে দিলেন।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
অর্থাৎ সুলাইমান (আ) এর অধিকার এটি। কিন্তু
আমাদের নবী (স) কে এই অধিকার ঐ সময়ের
জন্য দেয়া হলেও তিনি তা করেননি। সুতরাং
যারা বলে কন্ট্রোল করতে পারে তারা ভন্ড।
তাবীজ যারা দেয় তারাও ভন্ড। এর সুধু চুক্তি
করে। আর এসবের চিকিৎসার সুরা রয়েছে।
তাবীজ নয়।
——————–

মানুষের শির্ক করার কিছু নমুনা

মানুষের শির্ক করার কিছু নমুনা >>>
وَإِذَا مَسَّ النَّاسَ ضُرٌّ دَعَوْا رَبَّهُمْ مُنِيبِينَ إِلَيْهِ ثُمَّ إِذَا أَذَاقَهُمْ مِنْهُ رَحْمَةً إِذَا فَرِيقٌ مِنْهُمْ بِرَبِّهِمْ يُشْرِكُونَ
মানুষকে যখন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে তখন তারা তাদের রবকে তাঁরই অভিমুখী হয়ে ডাকে, তারপর যখন তিনি তাদের রহমত আস্বাদন করান, তখন তাদের মধ্যকার একটি দল তাদের রবের সাথে শরীক করে। আর-রূম, ৩০/৩৩
وَإِذَا مَسَّ الإنْسَانَ الضُّرُّ دَعَانَا لِجَنْبِهِ أَوْ قَاعِدًا أَوْ قَائِمًا فَلَمَّا كَشَفْنَا عَنْهُ ضُرَّهُ مَرَّ كَأَنْ لَمْ يَدْعُنَا إِلَى ضُرٍّ مَسَّهُ كَذَلِكَ زُيِّنَ لِلْمُسْرِفِينَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ
আর যখন মানুষকে দুঃখ-মসিবত স্পর্শ করে তখন সে শুয়ে, বসে বা দাঁড়িয়ে আমাকে ডাকতে থাকে, তারপর যখন আমি তার দুঃখ-মসিবত দূর করে দেই, তখন সে এমনভাবে চলতে থাকে যেন তাকে কোন বিপদ স্পর্শ করার কারণে সে আমাকে ডাকেইনি, এভাবেই সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য তারা যা আমল করে তা সুশোভিত করে দেয়া হয়েছে। ইউনুস, ১০/১২

وَإِذَا مَسَّكُمُ الضُّرُّ فِي الْبَحْرِ ضَلَّ مَنْ تَدْعُونَ إِلا إِيَّاهُ فَلَمَّا نَجَّاكُمْ إِلَى الْبَرِّ أَعْرَضْتُمْ وَكَانَ الإنْسَانُ كَفُورًا
যখন সমুদ্রের মধ্যে তোমাদেরকে বিপদ স্পর্শ করে, তখন তিনি (আল্লাহ) ব্যতীত যাদেরকে তোমরা ডাক, তারা (তখন তোমাদের মন থেকে) হারিয়ে যায়; অতঃপর যখন তিনি তোমাদেরকে স্থলে উদ্ধার করে আনেন, তখন তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, আর মানুষ হল বড়ই অকৃতজ্ঞ। আল-ইসরা, ১৭/৬৭

فَإِذَا رَكِبُوا فِي الْفُلْكِ دَعَوُا اللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ فَلَمَّا نَجَّاهُمْ إِلَى الْبَرِّ إِذَا هُمْ يُشْرِكُونَ
যখন তারা নৌযানে আরোহণ করে তখন তারা একনিষ্ঠভাবে আল্লাহকে ডাকে তারপর যখন তিনি তাদেরকে স্থলে পৌঁছে দেন তখনই তারা শির্কে লিপ্ত হয়। আল-আনকাবূত, ২৯/৬৫

‘বিদাত’ কাক কয়?

Afjal Hussain প্রশ্নঃ ‘বিদাত’ কাক কয়?
‘বিদাতে হাচানাহ’ (অর্থাত ভাল বিদাত) বুলি কোনো বিদাত আছেনে?
আৰু এই বিদাতি সকলৰ পৰিনতি কি হব?

উত্তৰঃ বিদাত হল- দ্বীনি বিষয়ক কোনো নতুন কর্ম, যাৰ কোনো দলীল শৰীয়তত নাই। অর্থাত বিদাত হল- কোনো নতুন ইবাদত, যিটো কোৰ’আন আৰু চহীহ হাদিছত নাই।

কিছুমান মানুহে আকৌ প্রশ্ন কৰে যে, তেনেহলে-কি ফেন, চাইকেল, বাইক, গাড়ি ইত্যাদি, এইবোৰো কি বিদাত নেকি?
ইয়াত মন কৰা দৰকাৰ যে এইবোৰৰ লগত ইছলামৰ কোনো সম্পর্ক নাই। গতিকে এইবোৰ বিদাত নহয়।

মহানবী (ছাঃ)-এ কৈছে, “ নিশ্চয় তোমালোকৰ মাজত যিহতে মোৰ বিদায়ৰ পিছত জীবিত থাকিব সিহঁতে বিভিন্ন প্ৰকাৰৰ মতভেদ দেখিবলৈ পাব। গতিকে তোমালোকে মোৰ আৰু মোৰ সুপথপ্রাপ্ত খোলাফায়ে ৰাচেদীনৰ ছুন্নত অবলম্বন কৰা, সেয়া দাঁতৰ দ্বাৰা দৃঢ়তাৰ সৈতে ধাৰণ কৰা(তাত যি পোৱা মান্য কৰা অন্যান্য কোন মতৰ পিনে আকৃষ্ট নহবা।) আৰু (দ্বীনত) নবৰচিত কর্মসমূহৰ পৰা সাবধান! কাৰণ, নিশ্চয় প্রত্যেক বিদাত (নতুন আমল) হল ভ্রষ্টতা (গোমৰাহী)।”
(আবু দাঊদ ৪৪৪৩, তিৰমিযী ২৮১৫, ইবনে মাজাহ ৪২ নং)

আৰু নাসাঈৰ এক বর্ণনাত আছে, “ আৰু প্রত্যেক ভ্রষ্টতা (গোমৰাহী) জাহান্নামত (লৈ যায়)।”
(নাছাঈ, ১৫৭৮ )

উক্ত হাদীছৰ পৰা এই কথাও প্রমাণিত হয় যে, বিদাতে হাছানাহ (ভাল বিদাত) বুলি কোন বিদাতনাই। কাৰণ মহানবী (ছাঃ)-এ কৈছে, “প্রত্যেক বিদাতেই হল ভ্রষ্টতা।”

✽ বিদাতী সকলৰ পৰিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হব। যিদৰে আল্লাহ কৈছে,
‘আপনি জনাই দিয়ক, মই কি তোমালোকক ক্ষতিগ্রস্ত আমলকাৰী সকলৰ সম্পর্কে জনাই দিম? (দুনিয়াবী জীবনত) যিহতৰ সমস্ত আমল বৰবাদ হৈ গেছে।অথচ সিহতে ভাবে যে, সিহতে সুন্দৰ আমল কৰি গৈ আছে’৷ (কাহফ, ১০৩-৪)।

ৰাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কৈছে, ‘তোমালোকে দ্বীনৰ (ইছলামৰ) ভিতৰত নতুন সৃষ্টি কৰাৰ পৰা বিৰত থকা। নিশ্চয ধর্মৰ মাজত় প্রত্যেক নতুন সৃষ্টিয়েই বিদ‘আত আৰু প্রত্যেক বিদ‘আতেই গোমৰাহী ৷
(আহমাদ, আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/১৬৫)।

বিদ‘আতী সকলৰ আমল কবুল নহয় ৷ (বুখাৰী হা/৩১৮০)

বিদ‘আতী সকলৰ উপৰত আল্লাহৰ আৰু ফেৰেশতা আৰু সকল মানুহৰ লানত বর্ষিত হয় ৷
(বুখাৰী হা/৩১৮০)।

আপোলোকে যিবোৰ আমল কৰি আছে, তাক এবাৰ কোৰ’আন আৰু হাদিছৰ দ্বাৰা পৰীক্ষা কৰক ।

শুভ-অশুভ , মংগল অমংগলের লক্ষণ, এই সবগুলো ভ্রান্ত শিরকি বিশ্বাস

kk

শনি বারে যাত্রা করলে অশুভ…
রাতের বেলা পেঁচা ডাকলে অমংগল হবে…
অসময়ে কুকুর ডাকলে বাড়ির কেউ মারা যাবে…
দুই শালিক মংগল, এক শাকিল কুফা…
অমুক জিনিসটা কুফা অমুক জিনিসটা লক্ষী (ভালো)…
হাতের অমুক জায়গায় তিল থাকলে টাকা পয়সা হবে, অমুক জায়গায় থাকলে বউ মারা যাবে…
সাবধান !
এই রকম যত্তগুলো ভালো বা মন্দ / শুভ-অশুভ / মংগল অমংগলের লক্ষণ আছে এই সবগুলো ভ্রান্ত শিরকি বিশ্বাস। তাকদীরের ভালো বা মন্দের একমাত্র মালিক আল্লাহ তাআ’লা। অন্য কোনো কিছু তাকদীরের জন্য ভালো বা মন্দের কারণ মনে করা ঈমান বিরোধী কুসংস্কার। অনেকে বলে, আমরা এইগুলো বিশ্বাস করিনা, আমিতো এইগুলো মজা করে বলছি। আপনার জানা থাকা উচিত, সব কিছু নিয়ে মজা করা চলেনা। কেউ যদি মজা করে দুর্গাকে সেজদা করে সেটা শিরক। কেউ যদি মজা করেও শিরকি কুফুরী কথা বলে সেটা শিরকি কুফুরী বলেই গণ্য হবে !
আল্লাহ আমাদের শিরকি কুফুরী থেকে হেফাজত করুন, আমিন।
_________________________________
কুফা শিরক হবে কেনো?
কুফা মানে হচ্ছে কোনো মানুষ, দিন, সময়, জায়গা, বস্তু ইত্যাদিকে খারাপ মনে করা – এবং এইগুলোকে ভাগ্যের খারাপ কোনো কিছুর কারণ মনে করা।
যেমন বলে অমুক “কুফা” – সে আসছে বলে আমার ব্যবসার এই ক্ষতি হয়েছে।
অথচ ব্যবসার ক্ষতি, রিযিক, সম্পদ – সবকিছুই নিয়ন্ত্রন করেন একমাত্র আল্লাহ তাআ’লা। সবকিছুই আগে থেকে নির্ধারণ করে রাখেন আল্লাহ।
এখন আল্লাহকে বাদ দিয়ে অথবা (তাঁর প্রতি বিশ্বাস থাকা অবস্থায়) অন্য কাউকে বা কোনো কিছুকে ভাগ্য নিয়ন্ত্রন করতে পারে আমন ধারণা রাখা – এক কথায় যাকে কুফা বলা হয় – এটা শিরক হয়ে যায়।
কারণ এর দ্বারা সে যাকে কুফা বলছে – তাকে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করছে – ভাগ্য নিয়ন্ত্রনকারী হিসেবে – আল্লাহর ক্ষমতার সাথে তাকেও শরীক করছে। যদিও এখানে মন্ধ ভাগ্য – কিন্তু মূল বিষয়টা এখানেই। ঈমানের ৬ নাম্বার পিলার “ওয়াল ক্বাদরী খাইরিহি ওয়া শাররিহি” – ভাগ্যের ভালো ও মন্দের নিয়ন্ত্রনকারী হচ্ছেন মহান আল্লাহ।
যদি বুঝাতে ব্যর্থ হই – তাহলে সেটা আমার ব্যর্থতা। আপনারা দয়া করে একজন আলেমের কাছে থেকে বিস্তারিত জেনে নেবেন।
————————

মোৰ ছূন্নাহ আৰু সুপথপ্রাপ্ত খুলাফায়ে ৰাশ্বিদীনৰ ছূন্নাতক সুদৃঢ়ৰুপে অনুসৰণ কৰিবা,বিদআতেই পথভ্রষ্টতা,মতবিৰোধ দেখা পাব,মুমিন ব্যক্তি বাধ্যগত উটৰ দৰে,

Arfan Ali :-ইৰবায (ৰাঃ) য়ে কৈছে, এদিন ৰাছূলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে আমাক লৈ ফজৰৰ চালাত আদায় কৰিলে। ইয়াৰপিছত তেওঁ আমাৰ ফালে মূখ ঘূৰাই অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী ভাষাত নছীহত কৰিলে। যি ওৱায শুনি (শ্রোতাসকলৰ) চকুসমূহ অশ্রুশিক্ত হৈ পৰে আৰু হৃদয়বোৰ ভীত-বিহ্বল হৈ যায়। তেতিয়া এজন ব্যক্তিয়ে ক’লে, হে আল্লাহৰ ৰাছূল, চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লাম! আপোনাৰ এই ওৱায যেন বিদায়ী ওৱায। তেনেহলে আপুনি আমাক কি দায়িত্ব প্রদান কৰিছে? তেওঁক’লে, মই তোমালোকক অছিয়ত কৰিছো, আল্লাহক ভয় কৰিবলৈ বা তাকওৱা অৱলম্বন কৰিবলৈ আৰু ৰাষ্ট্রীয় নেতৃত্বৰ আনুগত্য কৰিবলৈ, যদিও সেই প্রশাসক হাবশী হয়। আৰু তোমালোকৰ মাজৰ পৰা যিসকলে মোৰ পিছতো বাচি থাকিব তেওঁলোকে অচিৰেই বহু মতবিৰোধ দেখিবলৈ পাব। গতিকে তোমালোকে মোৰ ছূন্নাহ আৰু সুপথপ্রাপ্ত খুলাফায়ে ৰাশ্বিদীনৰ ছূন্নাতক সুদৃঢ়ৰুপে অনুসৰণ কৰিবা। তোমালোকে সেয়া দৃঢ়ভাৱে খামূচি ধৰিবা আৰু দাতেৰে কামুৰি ধৰি থাকিবা। খৰবদাৰ! তোমালোকে নৱ-উদ্ভাৱিত বিষয়াৱলীৰ পৰা আত্মৰক্ষা কৰিবা। কাৰণ প্রত্যেক নৱ-উদ্ভাৱিত বিষয়েই বিদআত আৰু প্রত্যেক বিদআতেই পথভ্রষ্টতা। (অন্য এক বর্ণনাতো ইৰবায(ৰাঃ) য়ে অনুৰুপ বিৱৰণ দিছে।) এই বর্ণনাত তেওঁ কৈছে, কলো, হে আল্লাহৰ ৰাছূল চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লাম আপোনাৰ এই বক্তব্য এজন বিদায়ীৰ বক্তব্যৰ দৰে। তেনেহলে আপুনি আমাক (দায়িত্ব হিচাপে) কি নির্দেশ প্রদান কৰিছে? তেওঁ, চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে কৈছে, মই তোমালোকক ফটফটীয়া বগা পৰিষ্কাৰ ৰাজপথৰ ওপৰত ৰাখি গৈছো। যি পথৰ ৰাতিও দিনৰ দৰেই আলোকিত। এই পথৰ পৰা যিয়ে ইফালে সিফালে আতৰি যাব, সিয়েই ধ্বংসপ্রাপ্ত হব। আৰু তোমালোকৰ ভিতৰত যিসকলে মোৰ পিছতো বাচি থাকিব তেওঁলোকে বহু মতবিৰোধ দেখা পাব। ... গতিকে তোমালোকে মোৰ যি ছূন্নাত আৰু ৰীতি জানা সেই ছূন্নাতক সুদৃঢ়ৰুপে পালন কৰিবা … দাতেৰে কামূৰি ধৰি থাকিবা, কাৰণ মুমিন ব্যক্তি একান্ত অনুগত আৰু বাধ্যগত উটৰ দৰে, যেনেকৈ যিফালে তাক টানি নিয়া হয় সেই ফালেই সি চলে। (অর্থাৎ মুমিনৰ নিজস্ব কোনো মত নাই। অনুগত উট যেনেকৈ নিজৰ অসুবিধা বা কষ্ট বিবেচনা নকৰি মালিকৰ নির্দেশনা মতে চলি থাকে, মুমিনৰো দায়িত্ব হ’ল তেনেকৈ নিজৰ পছন্দ-অপছন্দ বা সুবিধা-অসুবিধাৰ বিবেচনা নকৰি ৰাছূলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ আৰু খুলাফায়ে ৰাশ্বিদীনৰ ছূন্নাত বা ৰীতিৰ হুবহু অনুকৰণ কৰি থকা)। ( তিৰিমিযী, আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, ইবন হিব্বান, হাকিম। তিৰমিযী, হাকিম আৰু অন্য মুহাদ্দিছসকলে হাদীছটোক ছহীহ বুলি উল্লেখ কৰিছে)। আৰু অলপ বুজি লওঁক। চাৰি মাজহাব আৰু বিদআতৰ পৰা সাৱধান। এইবোৰ হাৰাম। জাপ মাৰি নুঠিব মই কোৱা নাই। মই কেৱল অনুবাদ খিনিহে আগবঢ়াইছো। মাজহাব এটাই !!!!!!!!!!! ইছলাম!!!!!!!!!! দলীল কাৰ চাই লওঁক, চাৰি মাজহাবৰ অসাৰতা স্পষ্ট। মুছনাদে আহমদ :: কুৰআন আৰু ছূন্নাহৰ পৰিপূৰ্ণ অনুসৰন পৰিচ্ছেদ, অধ্যায় ৫ :: হাদীছ ৭

সকলো প্ৰকাৰ তাবিজেই শ্বিৰ্কঃ

সকলো প্ৰকাৰ তাবিজেই শ্বিৰ্কঃ
———————————————

হাদীছঃ
*********
নাবী চাল্লাল্লাহ আলাইহি ৱাছাল্লামে কৈছে,
“যি ব্যক্তিয়ে তাবিজ ওলোমালে সি শ্বির্ক কৰিলে”
[ আহমাদ ৪থ খণ্ড, ১৫৬পৃঃ,চনদ ছহীহ]
১ম কথাঃ

ওপৰোক্ত হাদীছৰ পৰা এইটোৱেই কব বিচাৰোঁ, ইয়াত সকলো প্রকাৰ তাবিজক অন্তর্ভুক্ত কৰাই হ’ল অধিক তাকওৱাৰ কাম, সেয়া কুৰআনৰ আয়াতেই হওঁক বা আন যিকোনো পদাৰ্থ।

ভাল তাবিজ (!) (কুৰআনৰ আয়াতৰ দ্বাৰা লিখা) বা অন্য তাবিজ (বিভিন্ন নক্সাৰ দ্বাৰা অঁকা) যিয়েই নহওঁক কিয় সকলো তাবিজেই শ্বির্কৰ অন্তর্ভুক্ত, যিহেতু নাবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে এইবিলাকৰ মাজত কোনো পার্থক্য কৰি দিয়া নাই। গতিকে সকলো প্রকাৰ তাবিজেই পৰিতাজ্য——-এইটোৱেই ইনচাফভিত্তিক কথা আৰু এইটোৱেই নিৰাপদ ইন শ্বা আল্লাহ। অহেতুক কিছু অযুক্তিকৰ আৰু জিলাপী খোৱা মৌলবীসকলৰ দোহাই দি নাবী চাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লমৰ সুষ্পষ্ট হাদীছৰ বিপৰীত কাম নকৰাই উত্তম। মনত ৰখা উচিত, কোনো বিষয় যদি এনেকুৱা হয় যি, বিষয়টি শ্বিৰ্ক‌ হোৱাৰ ক্ষেত্ৰত কিছু আলিমে কৈছে¸ এইটো শ্বিৰ্ক আৰু কিছু আলিমে কৈছে¸ এইটো শ্বিৰ্ক নহয় এনে অৱস্থাত মুমিনৰ উচিত হ’ব ক্ষতিৰ দিশটো বিবেচনা কৰি তাৰ পৰা আঁতৰি থকা অর্থাৎ শ্বিৰ্ক বুলি ভাৱি আঁতৰি থকা উচিত। মনত ৰখা উচিত, যদিও শ্বিৰ্কৰ প্রকাৰভেদ আছে তথাপিও এইটোৱেই স্বীকৃত যে, উভয় শ্বির্ককাৰীৰ কাৰণে আছে আখিৰাতত শাস্তিৰ অংগীকাৰ। মহান আল্লাহে কৈছেঃ
” যিয়ে আল্লাহৰ সৈতে শ্বৰীক স্থিৰ কৰিলে আল্লাহে তাৰ কাৰণে জান্নাত হাৰাম কৰি দিব, জাহান্নামেই হ’ব তাৰ আবাসস্থল (মায়িদা ৭২)”
চাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু মাছউদ, ইবনু আব্বাছ, হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান, উকবা বিন আমীৰ, আব্দুল্লাহ ইবনু উকাইম (ৰাঃ আনহুমা) এওঁলোক সকলোৱেই “সর্বপ্রকাৰ ” তাবীযকেই অবৈধ বুলি কৈছে।

গতিকে কবৰ পুজাৰ দৰে ডাঙৰ শ্বির্ক হওঁক আৰু তাবিজ ব্যৱহাৰৰ দৰে সৰু(!) শ্বির্ক হওঁক পৰিণতি একেই আৰু সি হ’ল জাহান্নাম। মহান আল্লাহে আমাক হিফাযত কৰক।

২য় কথাঃ

★ মহান আল্লাহে কৈছেঃ
“তুমি (নাবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লাম) আল্লাহৰ সৈতে শ্বিৰ্ক স্থিৰ কৰিলে তোমাৰ সকলো আমল বৰবাদ হৈ যাব আৰু তুমি হ’বা ক্ষতিগ্রস্থ।”(যুমাৰ,৬৫)।

★ “তুমি আল্লাহৰ সৈতে কোনো মাবুদ স্থিৰ নকৰিবা, কৰিলে তুমি নিন্দিত আৰু আল্লাহৰ অনুগ্রহৰ পৰা বঞ্চিত হৈ জাহান্নামত নিক্ষিপ্ত হ’বা।”( ইছৰা ৩৯)।

উল্লেখ্য, যদিও আয়াতসমূহত ডাঙৰ শ্বির্কৰ বিষয়ে কোৱা হৈছে তথাপিও চাহাবীসকলে এই আয়াতসমূহ সৰু শ্বির্ককাৰীসকলৰ বিৰুদ্ধেও উল্লেখ কৰিছিল।

মহান আল্লাহে যেতিয়া নাবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামকেই এনেকুৱা কথা কব পাৰে যে, তেওঁৰ আমল ‘বৰবাদ’ হৈ যাব, তেওঁক ‘জাহান্নাম’ত নিক্ষেপ কৰা হ’ব, তেওঁ ‘নিন্দিত’ হ’ব, তেওঁ আল্লাহৰ ‘অনুগ্রহ’ৰ পৰা বঞ্চিত হ’ব——-তেনেহ’লে হে বৰ্তমানৰ মুছলিমসকল,
আপোনালোকৰ/আমাৰ আমলৰ কি পৰিণতি হ’ব??????
মহান আল্লাহে ইমানবোৰ ধমক কিয় দিলে নাবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামক???
শ্বিৰ্কৰ কাৰণেইতো দিলে, যাতে শ্বিৰ্ক কৰা নহয়; নহয় জানোঁ????
তেনেহ’লে তাবিজওৱালা শ্বিৰ্ক সম্বন্ধে আপোনাৰ আমাৰ কি হব???
কিয় তাবিজওৱালা শ্বিৰ্কৰ বিষয়ত আপুনি আমি ইমান নীৰব????
কা-ৰ-ণ, আমিতো বৰ্তমান তাবিজক শ্বিৰ্ক বুলি নাভাৱি আৰোগ্য বা সুস্থ হোৱাৰ মাধ্যম বুলি ভাৱিছোঁ!!!!!!!
আচৰিত হোৱাৰ কথা এই যে,
নাবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামেই যেতিয়া শ্বিৰ্ক কৰিলে জাহান্নামত যাব লাগিব তেনেহ’লে আপুনি মই তাবিজ লোৱাৰ দৰে শ্বিৰ্ক কৰিও জান্নাতত যাম—–এয়া কি সম্ভৱ????
মহান আল্লাহৰ ওচৰতেই সকলো ভৰষা।

তাবিজ-আঙুঠি বনাম ইছলামী শ্বৰীয়াহঃ
——————————————————-
.
বর্তমানে কিছু সংখ্যক মুছলিমক তাবিজ ব্যৱহাৰ কৰা দেখা যায় আৰু কিছুমানক আঙুঠি ব্যৱহাৰ কৰা দেখা যায়।
.
বিভিন্ন কাৰণত তেওঁলোকে এইবোৰ ব্যৱহাৰ কৰে। যেনে: ভোক নলগা, টোপনি নধৰা….. ইত্যাদি ইত্যাদি।
.
ইছলামী শ্বৰীয়াতৰ সৈতে ইয়াৰ কি সম্পর্ক? আহঁক চাই লওঁ….
.
আব্দুল্লাহ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৰ পৰা বৰ্ণিত।
তেওঁ কৈছে-
“মই ৰাছূলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামক কোৱা শুনিছোঁ যে¸ মন্ত্র, তাবিজ আৰু তাওলা কৰা শ্বিৰ্ক”। এই কথা শুনি যয়নব ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহাই ক’লে- “তুমি এয়া কি কৈছা! আল্লাহৰ শপত! মোৰ চকুৰ অসুখ হোৱাত মই এজন ইয়াহূদীৰ ওচৰলৈ গৈছিলোঁ, যিয়ে মন্ত্র পাঠ কৰি মোৰ চকুত ফুঁক দিয়াত বিষ উপশম হৈছিল”। তেতিয়া আব্দুল্লাহ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৱে ক’লে- “এইটো শ্বয়তানৰ অপকর্ম আছিল, যিয়ে তাৰ হাতৰ দ্বাৰা চকুত কষ্ট দিছিল আৰু যেতিয়া সেই ইয়াহূদীয়ে তাতে ফুঁক দিছিল, তেতিয়া সি আঁতৰি গৈছিল। তোমাৰ কাৰণে সেইটোৱেই পাঠ কৰা উচিত আছিল, যিটো ৰাছূলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে পাঠ কৰিছিল”। আৰু সেইটো হ’ল- “হে মানৱ জাতিৰ ৰব্ব! যন্ত্রণা দূৰ কৰি দিয়া, আৰোগ্য দান কৰা, আপুনিয়েই আৰোগ্যদাতা, আপোনাৰ দিয়া নিৰাময়েই যথার্থ নিৰাময়, যাৰ পিছত আৰু কোনো ৰোগ বাকী নাথাকে”।
.
নোট: তাওলা এক প্রকাৰ যাদু, যাৰ দ্বাৰা বেগানা স্ত্রী পুৰুষৰ মাজত অবৈধ প্রেম
সৃষ্টি কৰা হয়। নিঃসন্দেহে এইটো হাৰাম কাম।
(ছুনান আবু দাউদ (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ২২/ চিকিৎসা, হাদীছ নম্বৰঃ ৩৮৪৩)।
.
এইটো স্পষ্ট যে এইবোৰ কৰা শ্বির্ক। আনকি এইটো শ্বির্কে আকবৰ!!!!! যিয়ে এজন মুছলিমক ইছলামৰ পৰা খাৰিজ কৰি দিয়ে!!!
.
ঈছা ইবনু আব্দুৰ ৰহমান ইবনু আবূ লাইলা (ৰহঃ)ৰ পৰা বর্ণিত আছে, তেওঁ
কৈছে- মই আব্দুল্লাহ ইবনু উকাইম আবূ মা’বাদ আল-জুহানীৰ অসুস্থ অৱস্থাত তেওঁক দেখা কৰিবলৈ গ’লো। তিনি বিষাক্ত ফোঁৰাত আক্রান্ত আছিল। মই ক’লো, এই তাবিজবোৰ কিয় তুমি ওলোমাই ৰাখিছা? তেওঁ ক’লে, মৃত্যু তো ইয়াতকৈও ওচৰত। নাবী চাল্লাল্লাহু
আলাইহি ৱাছাল্লামে কৈছে- যি মানুহে যিকোনো ওলোমাই ৰাখে (তাবিজ-তুমাৰ) তাক তাৰ ওপৰতেই সমর্পন কৰা হয়।
(ছুনান আত তিৰমিজী [তাহক্কীক্ককৃত],
অধ্যায়ঃ ২৬/ চিকিৎসা, হাদীছ নং: ২০৭২)
.
মুছলিম মানে যিয়ে নিজকে আল্লাহৰ ওচৰত সমর্পন কৰে। কোনোবাই যদি মুক্তি কৰাৰ তাবিজ-আঙুঠি ব্যৱহাৰ কৰে, তেনেহ’লে সি নিজকে তাবিজ-আঙুঠিৰ ওপৰত সমর্পন কৰিলে। সি হৈ যাব এজন মুশ্বৰিক। যাৰ কাৰণে থাকিব চিৰস্থায়ী জাহান্নাম!!!
.
আব্দুল্লাহ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৰ স্ত্রী যয়নব ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহাৰ দ্বাৰা বর্ণিত। তেওঁ কৈছে, এজনী বৃদ্ধা আমাৰ এইফালে আহিছিল আৰু তাই চৰ্মপ্রদাহৰ জৰা-ফুঁকা
কৰিছিল। আমাৰ এখন লম্বা পা-বিশিষ্ট খাট আছিল। আব্দুল্লাহ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৱে ঘৰত প্রৱেশৰ সময়ত সশব্দে কাঁহ মাৰিছিল। এদিন বৃদ্ধাজনী আমাৰ ঘৰত প্রৱেশ কৰিলে। তাই তেওঁৰ গলৰ আওৱাজ শুনিবলৈ পাই লুকাই পৰিল। তেওঁ আহি মোৰ কাষত বহিল আৰু মোক স্পর্শ কৰিলে এগছি সুতাৰ স্পর্শ পালে।
তেওঁ প্ৰশ্ন কৰিলে, “এইডাল কি”? মই ক’লো, “চর্মপ্রদাহৰ কাৰণে জৰা-ফুঁকা কৰা সূতা বান্ধিছোঁ”। তেওঁ সেইডাল মোৰ গলৰ পৰা টানি ছিঙি পেলালে আৰু তাক দলিয়াই পেলাই দি ক’লে, “আব্দুল্লাহৰ পৰিবাৰ শ্বিৰ্কমুক্ত হ’ল”। মই ৰাছূলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামক কোৱা
শুনিছোঁ- ‘‘মন্ত্র, ৰক্ষাকবচ, গিটযুক্ত মন্ত্রপূত সূতা হ’ল শ্বিৰ্কৰ অন্তর্ভুক্ত’’। মই ক’লো, মই এদিন বাহিৰলৈ গৈছিলোঁ, তেতিয়া অমুক ব্যক্তিজনে মোক দেখিলে। মোৰ যিটো চকুৰ দৃষ্টি তাৰ ওপৰত পৰিল সেইটো চকুৰ পৰা পানী ববলৈ ধৰিলে। মই তেওঁৰ মন্ত্র পঢ়ি ফুঁক দিয়াত তাৰ পৰা পানী ওলোৱা বন্ধ হ’ল আৰু মন্ত্র পঢ়া বন্ধ কৰিলেই পুনৰ পানী ববলৈ ধৰে। তেওঁ ক’লে, এইটো শ্বয়তানৰ কাম। তুমি
শ্বয়তানৰ আনুগত্য কৰিলে সি তোমাক ৰেহাই দিয়ে আৰু তাৰ আনুগত্য নকৰিলে সি তোমাৰ চকুত তাৰ আঙুলিৰ খোঁচা মাৰে। কিন্তু তুমি যদি তাকেই কৰা, যিটো ৰাছূলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে কৰিছিল, তেনেহ’লে সেইটো তোমাৰ কাৰণে উপকাৰী হ’ব আৰু আৰোগ্য লাভতো অধিক সহায়ক হব। তুমি নিম্নোক্ত দোৱা পঢ়ি পানীত ফুঁক দি সেই পানী তোমাৰ চকুত ছটিয়াই দিয়া-

‘‘আযহিবিল বাচ ৰব্বান নাচ, ইশফি আনতাশ শাফী, লা শিফাআ ইল্লা শিফাউকা শিফাআন লা ইউগাদিৰু
চাকামান’’
(হে মানুহৰ ৰব্ব! কষ্ট দূৰ কৰি দিয়া, আৰোগ্য দান কৰা, তুমিয়েই আৰোগ্য
দানকাৰী, তোমাৰ আৰোগ্যদানৰ বাহিৰে আৰোগ্য লাভ কৰা নাযায়, এনেভাৱে আৰোগ্য দান কৰা যাতে কোনো ৰোগেই নাথাকে)।
(ছুনানে ইবনে মাজাহ,
অধ্যায়ঃ ২৫/ চিকিৎসা,
হাদীছ নম্বৰঃ ৩৫৩০)

তাবীজৰ বিপক্ষে আৰু বহুত হাদীছ আছে।

মনত ৰাখিব “যিয়ে তাবীজ ওলোমালে সি শ্বিৰ্ক কৰিলে”।

আমাক সকলো প্ৰকাৰ শ্বিৰ্কৰ পৰা আল্লাহে হিফাযাতে ৰাখক। আমিন।

তলত মতিউৰ ৰহমান মাদানীৰ তাবিজ সম্পৰ্কে এটা সুন্দৰ অ ডি অ’ লেকচাৰৰ Link দিয়া হৈছে। শুনিব in sha Allah.

Bangla Waz MP3(NEW) Download by Motiur Rahman Madani …

http://server1.quraneralo.com/lectu…/…/137-Tabiz%20Koboz.mp3

আল্লাহ কি সব জায়গায় বিরাজমান ?

১জন মুসলিম এবং হিন্দুর মধ্যে পার্থক্য
কোথায় !!!
আল্লাহ কি সব জায়গায় বিরাজমান ??
Ans: আল্লাহ আরশে সমাসীন এ মর্মে
পবিত্র কুরআনে ৭টি আয়াত বর্ণিত হয়েছে।
(১) আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের
প্রতিপালক হচ্ছেন সেই আল্লাহ যিনি
আসমান ও যমীনকে ছয় দিনে সৃষ্টি
করেছেন, অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন
হন’ ( সুরা আ‘রাফ ৭/৫৪)।
( সুরা ইউনুস ১০/৩)।
( সুরা রা‘দ ১৩/২)
( সুরা ত্ব-হা ২০/৫)।
( সুরা ফুরক্বান ২৫/৫৯)।
( সুরা সাজদাহ ৩২/৪)।
( সুরা হাদীদ ৫৭/৪)।
উল্লেখিত আয়াতগুলো দ্বারা প্রতীয়মান
হয় যে, আল্লাহ তা‘আলা আরশে সমাসীন
আছেন। কিভাবে সমাসীন আছেন, একথা
বলতে নিষেধ করা হয়েছে।
(উল্লেখ্য যে সমাসীন শব্দের জায়গায় শব্দটা “সমুন্নত” বললে অারও উক্তম হবে)
আল্লাহ
তা‘আলা আসমানের উপর আছেন।
এ মর্মে মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা কি
(এ বিষয়ে) নিরাপদ হয়ে গেছ যে, যিনি
আকাশের উপর রয়েছেন তিনি তোমাদের সহ
ভূমিকে ধসিয়ে দিবেন না? আর তখন ওটা
আকস্মিকভাবে থরথর করে কাঁপতে থাকবে।
অথবা তোমরা কি নিরাপদ হয়ে গেছ যে,
আকাশের উপর যিনি রয়েছেন তিনি
তোমাদের উপর পাথর বর্ষণকারী
বঞ্ঝাবায়ু প্রেরণ করবেন না? তখন তোমরা
জানতে পারবে কিরূপ ছিল আমার
সতর্কবাণী’? ( সুরা মুলক ৬৭/ ১৬-১৭)।
ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) বলেন,‘যে বলবে
যে, আল্লাহ আসমানে আছেন, না যমীনে তা
আমি জানি না, সে কুফরী করবে। কেননা
আল্লাহ বলেন, রহমান আরশে সমাসীন। আর
তার আরশ সপ্ত আকাশের উপর। (ইজতিমাউল
জুয়ূশিল ইসলামিয়্যাহ, পৃঃ ৯৯)
ইমাম মালেক (রহঃ) বলেন,‘আল্লাহ
আকাশের উপর এবং তাঁর জ্ঞানের পরিধি
সর্বব্যাপী বিস্তৃত। কোন স্থানই তাঁর
জ্ঞানের আওতার বহির্ভূত নয়’।
(ইজতিমাউল জুয়ূশিল ইসলামিয়্যাহ,পৃঃ
১০১)

ভেজাল আলিম চিনাৰ কিছুমান উপায়

ভেজাল আলিম চিনাৰ কিছুমান উপায়—
🔱

লিখিছে – জাহিদ আহমেদ
🗼

১। আল্লাহ নিৰাকাৰ, তেওঁ সকলোতে বিৰাজমান, য’তেই কল্লা ত’তেই আল্লা, মুমিনৰ হৃদয়ত আল্লাহৰ আৰশ্ব এইবোৰ শ্বিৰ্কযুক্ত কুফৰিমূলক আক্কিদাত বিশ্বাসী ।

২। অমুক আউলিয়াই পানীৰ ওপৰত জায়নামাজ পাৰি নামায পঢ়িছিল। ইমাম আযমে ঈছাৰ অজুৰ দ্বাৰা চল্লিশ বছৰ ফজৰৰ নামায পঢ়িছে ইত্যাদি কয়, মাকৰ পেটত থকা অৱস্থাত সম্পূৰ্ণ কুৰআন মুখস্ত কৰিছে এনেবোৰ অযৌক্তিক কথা কয়।

৩। কথায় কথায় আমাৰ অমুক আলিম মুফতি, অমুক হৈছে শ্বাইখুল হাদীছ, অমুক দেওবন্দ পাছ, অমুক টাইটেল পাছ আলিম এনেকুৱা অহংকাৰ কৰিবই ।

৪। বুখাৰী মুছলিমৰ কথা শুনিলেই অজুহাত পেচ কৰি কয়, সেই দুখন হাদীছৰ বাহিৰে পৃথিৱীত আন কোনো হাদীছৰ কিতাপ নাই নেকি ?? অথচ সকলো আলিমেই একমত যে বুখাৰী, মুছলিমৰ সকলোবোৰ হাদীছ ছহীহ।

আনকি মুজতাহিসকলে অন্যান্য হাদীছগ্রন্থসমূহৰ অধিকাংশ হাদীছক ছহীহ আৰু জঈফ বুলি নির্ধাৰণ কৰিছে বুখাৰী মুছলিমৰ সূত্রানুযায়ী।

৫। ইমামে আজম কি কম ডাঙৰ আলিম আছিল নেকি ?? ‘আমাৰ বাপ দাদাসকল বহুত পৰহেযগাৰ আছিল তেওঁলোকে কি ভুল কৰিব পাৰে’ এইবোৰ কথা কয়¸ অথচ ভুল সকলোৱেই কৰে। তেওঁলোকৰ নামত অতিৰঞ্জিত কথা কয়।

আনকি এন চি টি ভিৰ নৱম- দশম শ্রেণীৰ ইছলাম আৰু নৈতিক শিক্ষা কিতাপৰ ১৬৯ পৃষ্ঠাত লিখা আছে, ইমাম আবু হানিফা (ৰহ:)-য়ে একেৰাহে ত্রিশ বছৰ ৰোজা ৰাখিছিল, চল্লিশ বছৰ ৰাতি শোৱা নাই, তেওঁ প্রতি ৰমজানত ৬১ বাৰ কুৰআন খতম কৰিছিল। সাধাৰণ মানুহৰ ওচৰত আমাৰ প্রশ্ন, প্রতি ৰমজান মাহত ৬১ বাৰ কুৰআন খতম কৰাটো সম্ভৱ নেকি ??

কিয় আপোনালোকে নিজৰ বিবেকক প্রশ্ন নকৰে? দুনিয়াবি কামত বৈজ্ঞানিকভাৱে চলে¸ ইছলাম কাল্পনিক ধর্ম নেকি ?? বৰং ইছলাম পুৰাপুৰি বৈজ্ঞানিকভাৱে সমর্থিত জীৱন-ব্যৱস্থা।

৬। বক্তৃতাৰ আৰম্ভণিতে উর্দু ফাৰ্চী কবিতা গাণ ইত্যাদি কয়। বক্তৃতাত সুৰ দি শ্রোতাৰ মন আকর্ষণ কৰে অথচ তেওঁলোকে কুৰআন হাদীছৰ ৰেফাৰেন্স খুব কমেই দিয়ে। আৰু সাধাৰণ মানুহে ভাৱে কি সুন্দৰ ভাষণ!

আচলতে এই বক্তাই যে সুৰে সুৰে তাওহীদ বিৰোধী শ্বিৰ্ক প্রচাৰ কৰিছে এইটো কেইজনে বুজিছে ??

যেনে- হিন্দী হাৰাম গাণ মানুহে নিয়মিত শুনি গৈছে¸ কিন্তু কেইজনে ইয়াৰ অর্থ বুজি শুনিছে ?? বৰং নিজে কি শুনিছে নিজেই নাজানে।

৭। তাবিজ, কবজ গণণাত কেৱল বিশ্বাসীয়েই নহয় বৰং তাক মজবুত কৰাৰ কাৰণে জাল হাদীছ পেচ কৰি কয় এইটো তাবিজ লোৱাৰ হাদীছ। অথচ ছহীহ হাদীছটো গোপন কৰি যায় ।

৮। তেওঁলোকক কেতিয়াও শ্বিৰ্ক বিদায়াত তাওহীদ ইত্যাদি সম্পর্কে ওৱাজ কৰা দেখা নাপাব। কি কি কাম কৰিলে ইমান ভঙ্গ হব এইবোৰৰ বিষয়েও তেওঁলোকে একো নকয়। কিন্তু অলি-আউলিয়াসকলৰ গল্প খুব ভালকৈ কব পাৰে।

৯। নিষ্ঠাৱান আলিমসকলে ভুলবোৰ আঙুলিয়াই দিলে তেওঁলোকক তিৰস্কাৰ কৰে। কথায় কথায় তাৰিকাত¸ হাকিকত আৰু মাৰিফতৰ ধোৱা তুলি কন্দা-কটা কৰে।

তেওঁলোকৰ কথাত আপুনি কেতিয়াও নম্রতা বিচাৰি নাপায়। নিজৰ পৰিবাৰ পৰিজনৰ কোনো খবৰ নাই। তেওঁলোকৰ মাজত ইছলামিক আচৰণ বিচাৰি নাপাব। শিষ্টাচাৰ কাক কয় তেওঁলোকে নাজানে।

১০। এইসকল আলিমৰ অহংকাৰ ইমান বেছি যে তেওঁলোকে নিজকে বহুত শিক্ষিত বুলি ভাৱে। এইকাৰণেই কয় তুমি কি বুজিবা ইছলামৰ আমি টাইটেল পাছ। আমি তোমাতকৈ ভালদৰে বুজো। অথচ তেওঁলোকৰ উচিত আছিল যে নজনাজনক ইছলাম সম্পর্কে বুজাই দিয়া যাতে তেওঁ ইছলামী জীৱন বিধান অনুযায়ী চলিব পাৰে।

এওঁলোকে কুৰআনৰ অর্থ বুজি পঢ়াৰ প্রতি মানুহক উৎসাহিত নকৰে। এওঁলোকে এনেকুৱা কৰে যে এওঁলোকৰ কোনো ভুলেই নাই আৰু নিজকে বহুত ডাঙৰ পৰ্যায়ৰ আলিম বুলি পৰিচয় দিয়ে। নিজৰ মাজত সংশোধন বোলা বস্তুটো নাই।

১১। বিদআত সম্পর্কে পৰিপূর্ণ ধাৰণা নিদিয়ে। আৰু বক্তব্যৰ কাৰণে মঞ্চত উঠাৰ সময়ত সকলোৱে মিলি শ্লোগান দিলে বেছি খুছী হয়।

ওৱাজ কৰিবলৈ গ’লে তেওঁলোকৰ মাজত মোটা অংকৰ ধনৰ চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী টকা গণি গণি লয় ।

১২। এইসকল আলিমে সন্মিলিতভাৱে দলবদ্ধ যিকিৰ কৰে আৰু ওৱাজৰ মাজতে কৈ থাকে কওঁক চুুবহানাল্লাহ, আৰু জোৰে কওঁক। আৰে গলৰ জোৰ কমি গ’ল যে।

আকৌ যিকিৰ কৰে প্রথমে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ তাৰ পিছত ইল্লাল্লাহ ইল্লাল্লাহ তাৰ পিছত আল্লাহ আল্লাহ তাৰ পিছত হু হু হু । এনেদৰে যিকিৰৰ বাক্যক কমাই অনাৰ দায়িত্ব তেওঁলোকক কোনে দিলে ??

শেষত যি কম সেইটো হৈছে , এতিয়া কাৰ যুগত ভেজাল আলিমৰ সংখ্যা বহুগুণ বাঢ়ি গৈছে। সঠিক দ্বীন ইছলাম প্রচাৰ কৰা আলিম খুব কম ।

এইটো কিয়ামতৰ এটা লক্ষণ। সেয়ে যিসকল আলিম লেবাচধাৰীৰ ডাঙৰ ডাঙৰ ডিগ্রী আছে , আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মুফাচ্ছিৰে কুৰআন বুলি যিসকলে পৰিচয় দিয়ে তেওঁলোকে সঠিকভাৱে কুৰআন – হাদীছ প্রচাৰ কৰিছেনে ?? তাক ভাৱি চোৱাৰ বাবে অনুৰোধ থাকিল।

ইয়াৰ কাৰণে আপুনি কুৰআন হাদীছৰ চর্চা কৰিব লাগিব। কুৰআন হাদীছ সম্পর্কে ন্যূনতম জ্ঞান নাথাকিলে আপুনি কেতিয়াও এইসকল ভেজাল আলিমক চিনিব নোৱাৰিব যিসকলে আপোনাৰ ঈমান বিক্রী কৰিছে ।
🔗🔗🔗🔗🔗🔗🔗🔗🔗🔗🔗🔗

কিয়ামতৰ দিনা সত্য প্রকাশ হৈ যাব। কিন্তু তেতিয়া আৰু সুযোগ নাপাব সত্য বিচৰাৰ কাৰণে। সেয়ে সময় থাকোতে সতর্ক হওঁক। আৰু এটা কথা- আমি কিন্তু কোৱা নাই যে¸ ভেজাল আলিমসকলৰ সকলো কথাই মিছা।

নাই, তেওঁলোকে সত্যৰ সৈতে মিছা মিহলাই দিয়ে। এই কাৰণে, আলিমসকলক চিনি লওঁক। আল্লাহে আমাক সত্য বাহিৰ কৰাৰ তৌফিক দিয়ক।

ছুৰা নাহল:101 – আৰু যেতিয়া আমি এক আয়াতৰ স্থলত অন্য আয়াত উপস্থিত কৰোঁ আৰু আল্লাহে যি অৱতীর্ণ কৰে তেৱেঁই সেই সম্পর্কে ভালদৰে জানে; তেতিয়া সিহঁতে কয়ঃ আপুনি তো মনেগঢ়া উক্তি কৰে; বৰং সিহঁতৰ অধিকাংশ লোকেই নাজানে।

Translated by Juber Rahman