Category Archives: Fatiha

প্রসঙ্গ “আমীন” ও একটি পর্যালোচনাঃভুল.sgis

logon-

fb-loudlyAmeen,controverse?

প্রসঙ্গ “আমীন” ও একটি পর্যালোচনাঃ

ইবনে যুবাইর রাযি. ও তাঁর পিছনে যারা মুসল্লি ছিলো, সকলেই “আমীন” বলেছেন এবং মসজিদ গুন্জরিত হয়ে উঠলো । ( বুখারি)
এই আছর কে আমাদের কিছু “সালাফী বন্দুরা “জোরে আমীন” বলার প্রমান হিসাবে উপন্থাপন করে থাকেন।
এখানে আমাদের কিছু কথা :
(ক) সাহাবাদের কথা,আমল আপনাদের মতে দলিল নয়, তাহলে ইবনে যুবাইর রাযি.’র আমল কিভাবে দলিল হইলো?

(খ) এবর্ণনা “মুাল্লক” এরই কারনে ইমাম বুখারি শিরনামে এনেছেন। হাদিসের আলোচনায় আনেন নি । কারন ” মুক্তাদিরা জোরে আমীন” বলার কোন সহিহ হাদিস নেই, তাই বুখারি রাহ. “আমীন বলার অধ্যায়ে” উল্লেখ করেন নি। বরং তাতে এমন হাদিস এনেছেন, যাতে “উচ্চস্বরে” বলার কথা নেই।

(গ) এই হাদিসের সঠিক অনুবাদ এরকম- ইবনে যুবাইর রাযি. ও তাঁর পিছনে যারা মুসল্লি ছিলো, সকলেই “আমীন” বলেছেন এবং মসজিদ গুজ্ঞরিত হয়ে উঠলো।
অথচ আহলে হাদিস গুরু হাকেম শিয়ালকোটি অপব্যাখ্যা করে বলেন- ইবনে যুবাইর রাযি. ও তাঁর পিছনে যারা মুসল্লি ছিলো তারা “এত জোরে” আমীন বলতেন……. ।

দেখুন!! তিনি “এত জোরে” কথাটি নিজ পক্ষ থেকে বাড়িয়েছেন। এখন আমার প্রশ্ন তিনি ইহা কোথায় পেলেন?
কোন আরবী শব্দের অনুবাদ ইহা?

(৪) এই আছরে আছে- ইবনে যুবাইর রাযি. ও তাঁর পিছনে যারা মুসল্লি ছিলো, সকলেই “আমীন” বলেছেন এবং মসজিদ গুজ্ঞরিত হয়ে উঠলো।
অথচ এই শায়খ অনুবাদ করলেন “এত জোরে” আমীন বলতেন , এখানে “বলতেন” অর্থাৎ মাজি মত্বলক কে মাজি ইস্তেমরারি বানিয়ে ফেলেছেন।
( নাউযুবিল্লাহ) ( সুত্র: সলাতুর রসুল পৃ ১৯৭)

(5) ” লাজ্জতুন” এর অর্থ “গুন্জনধবনি ” একথা কোথায় লেখা?
(6) · এঘটনাকে তিনি মসজিদে নববীর সাথে সম্পৃক্ত করেছেন , ইহা কোথায় পেলেন?
(7) কিসের ভিত্তিতে এঘটনাকে ” মসজিদে নববীর” সাথে জুড়িয়ে দিয়েছেন, অথচ তাদের আরেন ধর্মীয় গ্রন্থ ” ইমতিয়াযি মাসাইল” এ মসজিদে মক্কার কথা বলা হয়েছে।
————
দেখুনঃ একটি হাদিসের মধ্য তাদের কত মতভেদ”!!! এখন মোরা জানতে চাই কোনটি সঠিক? আরো
মজার ব্যাপার হইলো শিয়ালকুটি সাহেব বলেন- আজও পর্যন্ত মসজিদে নববীতে “আমীনের গুন্জন ” অব্যাহত আছে, বিশ্বাস না করলে হাজীদেরকে জিজ্ঞাস করুন।
— একথা বলে স্বয়ং শিয়ালকুটি সাহেব নিজেই বেকায়দায় পড়েছেন, কারন মসজিদে নববীতে হানাফি শাফেঈ, হাম্বলী, মালেকী সবই নামায পড়ে, এখন যদি ৫ লক্ষ মুসল্লি থেকে ২ লক্ষ “জোরে আমীন” বলে তাহলে মসজিদ গুন্জরিত হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু অপর দিকে যে, আরো কত লোক ” আস্তে আমীন” বলল তারা কি ” আহলে হাদিসদের রঙ্গিন চশমার নজরে ভেসেছে?

এ নিয়ে তাদের এত লম্ফযম্ফ অথচ মক্কা-মদিনার ইমামরা “তাকলিদ করেন, মাযহাব মানেন, খুতবা আরবীতেই প্রদান করেন, ৩ রাকাত বিতর পড়েন, ২০ রাকাত তারাবিহ পড়েন ও জুমুআয় ২ টি আযান দেন এসব কি তাদের চুখে পড়েনা?
না পড়লে আমি বলব হাজীদেরকে জিজ্ঞেস করে সত্যতা জেনে আজই এসবের ওপর আমল চালু করুন ।

না হলে আমাদের জানতে মন চায় “আমীনের ব্যাপারে ” মসজিদে নববী দলিল হলে অন্যথায় হবেনা কেন?
জনৈক কবি কতই সুন্দর বলেন-
“আমীন বিল জাজরের ক্ষেত্রে হারামের আমলকে পেশ করে দলিল হিসাবে :
তারাবির বেলায় যখন বলি হারামের কথা , তখন চলে যায় অন্য কথায় :
দেখুন: তাদের কারচুপি!!
এভাবেই শায়খরা ” আমার মত অশিক্ষিত, অন্দ্ব, জাহেল মুরিদ কে উল্লু বানিয়ে অজাচিত প্রতারিত করছে।
আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুক। আমীন #
লিখনে: মুহা. উবায়দুল্লাহ আসআদ সিলেট

স্বলাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করার বিধান & salat in jamat

sourse link

প্রশ্নঃ স্বলাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করার বিধান কি?
উত্তরঃ স্বলাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করার ব্যাপারে বিদ্বানদের থেকে নিম্নরূপ মত পাওয়া যায়।
প্রথম মতঃ স্বলাতে কখনই সূরা ফাতিহা পাঠ করা ওয়াজিব নয়। স্বরব, নীরব কোন স্বলাতেই ইমাম, মুক্তাদী, একাকী- কারো জন্য পাঠ করা ওয়াজিব নয়। ওয়াজিব হচ্ছে কুরআন থেকে সহজ যে কোন কিছু পাঠ করা। তাদের দলীল হচ্ছেঃ আল্লাহবলেন, فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنْ الْقُرْآنِ “অতএব তোমরা কুরআন থেকে সহজ কোন কিছু পাঠ কর।” (সূরা মুযাম্মিল- ২০) তাছাড়া নবী (ﷺ) স্বলাত শেখাতে গিয়ে গ্রাম্য লোকটিকে বলেছিলেন, “কুরআন থেকে তোমার জন্য সহজ হয় এমন কিছু পাঠ করবে।”

দ্বিতীয় মতঃ স্বরব, নীরব সকল স্বলাতে ইমাম, মুক্তাদী, একাকী- সবার জন্য সূরা ফাতিহা পাঠ করা রুকন বা অবশ্য কর্তব্য। অনুরূপভাবে মাসবূক এবং স্বলাতের প্রথম থেকে জামাআতে শামিল ব্যক্তির জন্যও রুকন।

তৃতীয় মতঃ ইমাম ও একাকী ব্যক্তির জন্য সূরা ফাতিহা পাঠ করা রুকন। কিন্তু স্বরব বা নীরব কোন স্বলাতেই মুক্তাদীর জন্য ওয়াজিব নয়।

চতুর্থ মতঃ ইমাম ও একাকী ব্যক্তির জন্য স্বরব বা নীরব স্বলাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করা রুকন। কিন্তু মুক্তাদীর জন্য নীরবের স্বলাতে রুকন স্বরব স্বলাতে নয়।

আমার মতে প্রাধান্যযোগ্য মতটি হচ্ছেঃ স্বরব, নীরব সকল স্বলাতে ইমাম, মুক্তাদী, একাকী- সবার জন্য সূরা ফাতিহা পাঠ করা রুকন বা ফরদ্ব। তবে মাসবূক যদি ইমামের রুকূর সময় স্বলাতে শামিল হয়, তবে সূরা ফাতিহা পাঠ করা রহিত হয়ে যাবে। একথার দলীল হচ্ছে নবী (ﷺ) এর সাধারণ বাণীঃ তিনি বলেন,
لاصَلاةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ
“যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করবে না তার স্বলাত হবে না।”
তিনি আরো বলেন,
مَنْ صَلَّى صَلَاةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ ثَلَاثًا غَيْرُ تَمَامٍ
“যে ব্যক্তি স্বলাত আদায় করবে অথচ তাতে উম্মুল কুরআন সূরা ফাতিহা পাঠ করবে না তার স্বলাত অসম্পূর্ণ- রাসূলুল্লাহ্(ছাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) কথাটি তিনবার বলেছেন।” অর্থাৎ- তার স্বলাত বাতিল।

উবাদা বিন ছামেত বর্ণিত হাদীছে নবী (ﷺ) একদা ফজরের স্বলাত শেষ করে ছাহাবীদের লক্ষ্য করে বললেনঃ
]لَعَلَّكُمْ تَقْرَءُونَ خَلْفَ إِمَامِكُمْ قُلْنَا نَعَمْ هَذًّا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ لَا تَفْعَلُوا إِلَّا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَإِنَّهُ لَا صَلَاةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِهَا[
“তোমরা কি ইমামের পিছনে কোন কিছু পাঠ কর? তাঁরা বললেন, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! দ্রুত পাঠ করে থাকি। তিনি বললেন, তোমরা এরূপ করো না। তবে উম্মুল কুরআন সূরা ফাতিহা পাঠ করবে। কেননা যে ব্যক্তি উহা পাঠ করবে না তার স্বলাত হবে না।” স্বশব্দের স্বলাতের ক্ষেত্রে এটি সুস্পষ্ট দলীল যে, সূরা ফাতিহা ছাড়া স্বলাত হবে না।

কিন্তু মাসবূকের জন্য সূরা ফাতিহা পাঠ করা রহিত হয়ে যাবে। একথার দলীল হচ্ছেঃ আবু বাকরা (রাঃ) এর হাদীছ। তিনি নবী (ﷺ)কে রুকূ অবস্থায় পেলেন। তখন দ্রুতগতিতে কাতারে পৌঁছার আগেই তিনি রুকূ করলেন। এরপর ঐ অবস্থায় হেঁটে হেঁটে কাতারে প্রবেশ করলেন। নবী (ﷺ) স্বলাত শেষ করে জিজ্ঞেস করলেন, কে এরূপ করেছে? আবু বাকরা বললেন, আমি হে আল্লাহর রাসূল! নবী (ﷺ) বললেনঃ زَادَكَ اللَّهُ حِرْصًا وَلَا تَعُدْ “আল্লাহ তোমার আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দিন। তবে এরূপ আর কখনো করিও না।” এ হাদীছে দেখা যায় আবু বাকরা যে রাকাআতটি ছুটে যাওয়ার ভয়ে তাড়াহুড়া করলেন, নবী (ﷺ) তাকে ঐ রাকাআতটি পুনরায় আদায় করার আদেশ করলেন না। এটা ওয়াজিব হলে নবী (ﷺ)সে আদেশ করতেন। যেমনটি আদেশ করেছিলেন ঐ ব্যক্তিকে যে কিনা তাড়াহুড়া করে স্বলাত আদায় করেছিল, আর স্বলাতের রুকন্তওয়াজিব যথাযথভাবে আদায় করছিল না। তখন নবী (ﷺ) তাকে স্বলাত ফিরিয়ে পড়ার আদেশ করেছিলেন।

মাসবূকের সূরা ফাতিহা পাঠ রহিত হওয়ার যুক্তিগত দলীল হচ্ছেঃ এই মাসবূক তো কিরআত পাঠ করার জন্য দাঁড়ানোর সুযোগই পায়নি। অতএব সুযোগ না পেলে তার আবশ্যকতাও রহিত হয়ে যাবে। যেমন্ত হাত কাটা ব্যক্তি ওযু করার সময় তার হাতের কাটা অংশের পরিবর্তে বাহু ধৌত করবে না। বরং ধৌত করার স্থান উপস্থিত না থাকার কারণে এ ফরদ্ব রহিত হয়ে যাবে। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি ইমামকে রুকূ অবস্থায় পেল তার জন্য সূরা ফাতিহা পাঠ করা রহিত হয়ে যাবে। কেননা ক্বিরআত পাঠ করার জন্য দন্ডায়মান হওয়ার সুযোগই সে পায়নি। আর ইমামের অনুসরণ করতে গিয়ে এখানে দন্ডায়মান হওয়াও রহিত হয়ে যাবে।

আমার দৃষ্টিতে এমতটিই সর্বাধিক বিশুদ্ধ। পূর্বোল্লেখিত উবাদা বিন ছামেত (রাঃ) এর হাদীছটি- (ফজরের স্বলাতে ক্বিরআত পাঠ সংক্রান্ত হাদীছটি) যদি না থাকতো, তবে স্বরবে কিরাআত বিশিষ্ট স্বলাতে মুক্তাদীর সূরা ফাতিহা পাঠ করা আবশ্যক হতো না। আর সেটাই হতো প্রাধান্যযোগ্য মত। কেননা নীরবে শ্রবণকারী পাঠকের মতই ছাওয়াবের অধিকারী হয়। এজন্যই আল্লাহ তা‘আলা মূসা (আঃ)কে বলেনঃ قَدْ أُجِيبَتْ دَعْوَتُكُمَا “তোমাদের উভয়ের দু’আ কবূল করা হয়েছে।” (সূরা ইউনূসঃ ৮৯) অথচ সে সময় দু’আ শুধু মাত্র মূসা (আঃ) এককভাবে করেছিলেন।

আল্লাহ বলেনঃ
]وَقَالَ مُوسَى رَبَّنَا إِنَّكَ آتَيْتَ فِرْعَوْنَ وَمَلَأَهُ زِينَةً وَأَمْوَالًا فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا رَبَّنَا لِيُضِلُّوا عَنْ سَبِيلِكَ رَبَّنَا اطْمِسْ عَلَى أَمْوَالِهِمْ وَاشْدُدْ عَلَى قُلُوبِهِمْ فَلَا يُؤْمِنُوا حَتَّى يَرَوْا الْعَذَابَ الْأَلِيمَ[
“আর মূসা বললেন, হে আমাদের পালনকর্তা! নিশ্চয় আপনি ফেরাউন ও তার সভাসদদের প্রদান করেছো দুনিয়ার জীবনের চাকচিক্য, সৌন্দর্য ও সম্পদ। হে আমাদের পালনকর্তা! ওরা আপনার পথ থেকে বিভ্রান্ত করে। হে আমাদের পালনকর্তা! তাদের সম্পদ নিশ্চিহ্ন করে দিন, তাদের হৃদয় কঠোর করে দিন, যাতে তারা ঈমান না আনে। যাতে করে তারা যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি প্রত্যক্ষ করতে পারে।” (সূরা ইউনূসঃ ৮৮) এখানে কি আল্লাহ হারূনের দু’আর কথা উল্লেখ করলেন? উত্তরঃ না। তারপরও আল্লাহ বললেনঃ “তোমাদের উভয়ের দু’আ কবূল করা হয়েছে।” বিদ্বানগণ বলেনঃ এক ব্যক্তি দু’আ করা সত্বেও দ্বিবচন শব্দ এখানে উল্লেখ করার কারণ হচ্ছে, মূসা (আঃ) দু’আ করছিলেন আর হারূন (আঃ) আমীন বলছিলেন।

আর আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদীছ: (من كان له إمام، فقراءة الإمام له قراءة) “যার ইমাম রয়েছে, তার ইমামের ক্বিরাতই তার ক্বিরাত (হিসেবে যথেষ্ট)।” কিন্তু হাদীছের সনদ যঈফ (দুর্বল)। কেননা তা মুরসাল সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। যেমন হাফেয ইবনু কাছীর তাঁর তাফসীর গ্রন্থের ভূমিকায় বলেছেন। আরো কয়েকটি সূত্রে হাদীছটি নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত হয়েছে, কিন্তু কোনটিই ছহীহ নয়। তারপরও হাদীছটি দ্বারা যারা দলীল নিয়ে থাকে তারা সাধারণভাবে বলেন না যে, কোন অবস্থাতেই সূরা ফাতিহা পাঠ করতে হবে না। বরং তাদের মধ্যে অনেকে বলেনঃ নীরবের স্বলাতে মুক্তাদীকে অবশ্যই সূরা ফাতিহা পড়তে হবে।

যদি প্রশ্ন করা হয়ঃ ইমাম যদি না থামেন (অর্থাৎ- ফাতিহা শেষ করার পর মুক্তাদীদের ফাতিহা পাঠ করার সুযোগ দেয়ার জন্য কিছু সময় নিরব না থাকেন।) তবে মুক্তাদী কখন সূরা ফাতিহা পাঠ করবে?

উত্তর হচ্ছেঃ ইমামের পড়ার সময়ই মুক্তাদী পড়বে। কেননা ছাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ্(ﷺ)এর পড়ার সাথে সাথেই পড়তেন। তখন তিনি তাদেরকে বলেনঃ
(لَا تَفْعَلُوا إِلَّا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَإِنَّهُ لَا صَلَاةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِهَا)
“তোমরা উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) ছাড়া অন্য কিছু পাঠ করবে না। কেননা যে ব্যক্তি তা পাঠ করবে না তার স্বলাত হবে না।”

ইমামের পিছনে মুক্তাদী কখন সূরা ফাতিহা পাঠ করবে?
প্রশ্নঃ মুক্তাদী কখন সূরা ফাতিহা পাঠ করবে? ইমামের ফাতিহা পাঠ করার সময়? নাকি ইমাম সূরা ফাতিহা শেষ করে অন্য সূরা পাঠ শুরু করলে?
উত্তরঃ উত্তম হচ্ছে ইমামের ফাতিহা পাঠ শেষ হওয়ার পর মুক্তাদী ফাতিহা পাঠ করবে। কেননা ফরদ্ব ক্বিরআত পাঠ করার সময় নীরব থাকা রুকন। ইমামের পড়ার সময় যদি মুক্তাদীও পাঠ করে তবে রুকন আদায় করার সময় নীরব থাকা হল না। আর ফাতিহা পাঠ করার পর যখন ইমাম অন্য ক্বিরআত শুরু করবে, সে সময় তা শোনার জন্য নীরব থাকা মুস্তাহাব। অতএব উত্তম হল, ফাতিহা পাঠ করার সময় নীরব থাকবে। স্বলাতের সুন্নাত ক্বিরআত পাঠের সময় নীরব থাকার চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে অন্যতম রুকন সূরা ফাতিহা পাঠ করার সময় নীরব থেকে তা শ্রবণ করা। তাছাড়া ইমামের ‘ওয়ালায্যওয়াল্লীন’ বলার সময় মুক্তাদীও (‘ওয়ালায্যওয়াল্লীন’) পাঠ করলে তাঁর সাথে ‘আমীন’ বলা সম্ভব হবে না।
সংগৃহীত


salat in jamat-

http://sharifkhanbd.blogspot.com/2016/11/blog-post_24.html

সর্বাবস্থায় ছালাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করার দলীল সমূহ

ইজমা বা সংখ্যাধিক্য লোকের মতামত

http://ohirgyan.com/ohirgyan/2016/04/10/%E0%A6%87%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%87/

+++++++++++++++++

(Recite surah fatiha behind immam:-
হযরত ওবাদাহ বিন ছামিত (রাঃ) বলেন, আমরা একদা ফজরের জামা‘আতে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর পিছনে ছালাত রত ছিলাম। এমন সময় মুক্তাদীদের কেউ সরবে কিছু পাঠ করলে রাসূল (ছাঃ)-এর জন্য ক্বিরাআত কঠিন হয়ে পড়ে। তখন সালাম ফিরানোর পরে তিনি বললেন, সম্ভবতঃ তোমরা তোমাদের ইমামের পিছনে কিছু পড়ে থাকবে? আমরা বললাম, হ্যাঁ। জবাবে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, لاَ تَفْعَلُوْا إِلاَّ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَإِنَّهُ لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِهَا ‘এরূপ করো না কেবল সূরায়ে ফাতিহা ব্যতীত। কেননা ছালাত সিদ্ধ হয় না যে ব্যক্তি ওটা পাঠ করে না’।[29]

ঘটনা এই যে, প্রথম দিকে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সাথে সাথে অনেকে ইমামের পিছনে সরবে ক্বিরাআত করত। অনেকে প্রয়োজনীয় কথাও বলত। তাতে ইমামের ক্বিরাআতে বিঘ্ন ঘটতো। তাছাড়া মুশরিকরাও রাসূল (ছাঃ)-এর কুরআন পাঠের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে শিস দিত ও হাততালি দিয়ে বিঘ্ন ঘটাতো। সেকারণ উপরোক্ত আয়াত (আ‘রাফ ৭/২০৪) নাযিলের মাধ্যমে সকলকে কুরআন পাঠের সময় চুপ থাকতে ও তা মনোযোগ দিয়ে শুনতে আদেশ করা হয়েছে।[30] এই নির্দেশ ছালাতের মধ্যে ও বাইরে সর্বাবস্থায় প্রযোজ্য। অতঃপর পূর্বোক্ত উবাদাহ, আবু হুরায়রা ও আনাস (রাঃ) প্রমুখ বর্ণিত হাদীছ সমূহের মাধ্যমে জেহরী ছালাতে ইমামের পিছনে কেবলমাত্র সূরায়ে ফাতিহা নীরবে পড়তে ‘খাছ’ ভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অন্য কোন সূরা নয়।

অতএব উক্ত ছহীহ হাদীছ সমূহ পূর্বোক্ত কুরআনী আয়াতের (আ‘রাফ ৭/২০৪) ব্যাখ্যা হিসাবে এসেছে, বিরোধী হিসাবে নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর উক্ত ব্যাখ্যা নিঃসন্দেহে ‘অহি’ দ্বারা প্রত্যাদিষ্ট, তাঁর নিজের পক্ষ থেকে নয়। অতএব অহি-র বিধান অনুসরণে সর্বাবস্থায় ছালাতে সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করা অবশ্য কর্তব্য।

[29] . তিরমিযী (তুহফা সহ) হা/৩১০; মিশকাত হা/৮৫৪, ‘ছালাতে ক্বিরাআত’ অনুচ্ছেদ-১২; আহমাদ হা/২২৭৯৮, সনদ হাসান -আরনাঊত্ব; হাকেম ১/২৩৮, হা/৮৬৯। আলবানী অত্র হাদীছ দ্বারা জেহরী ছালাতে মুক্তাদীর জন্য সূরা ফাতিহা পাঠ করাকে ‘জায়েয’ বলেছেন, কিন্তু ‘ওয়াজিব’ বলেন নি (দ্র: মিশকাত হা/৮৫৪-এর টীকা) । + ইমাম বুখারী ‘জেহরী ও সের্রী সকল ছালাতে ইমাম ও মুক্তাদী উভয়ের জন্য সূরা ফাতিহা পাঠ করা ওয়াজিব’ বলে অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন (বুখারী, ‘আযান’ অধ্যায়-১০, অনুচ্ছেদ-৯৫)।

[30] . কুরতুবী, উক্ত আয়াতের তাফসীর দ্রষ্টব্য, ৭/৩৫৪ পৃঃ।##
===========================
Note…sgis..
+পরবর্তীতে উক্ত হাদীছকে যঈফ বলেছেন (আবুদাঊদ হা/৮২৩)। এমনকি তিনি অন্যত্র জেহরী ছালাতে ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা পাঠ ‘মনসূখ’ বলেছেন (ছিফাত ৭৯-৮১)। পক্ষান্তরে))

—————————

ফাতিহা- http://hadithbd.com/showqa.php?d=1277

৫. (ক) সর্বাবস্থায় ছালাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করার দলীল সমূহ-

(أدلة قراءة الفاتحة في الصلاة) :

ইমাম ও মুক্তাদী সকলের জন্য সকল প্রকার ছালাতে প্রতি রাক‘আতে সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করা ফরয। প্রধান দলীল সমূহ :-

————-++++++++++ —-

(৫) আল্লাহ বলেন, وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوْا لَهُ وَأَنْصِتُوْا… (‘ওয়া এযা কুরিয়াল কুরআ-নু ফাসতামি‘ঊ লাহূ ওয়া আনছিতূ’)। অর্থ : ‘যখন কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তোমরা তা মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ কর ও চুপ থাক’… (আ‘রাফ ৭/২০৪)

আনাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীছে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মুছল্লীদের উদ্দেশ্যে বলেন, أَتَقْرَءُوْنَ فِيْ صَلاَتِكُمْ خَلْفَ الْإِمَامِ وَالْإِمَامُ يَقْرَأُ ؟ فَلاَ تَفْعَلُوْا وَلْيَقْرَأْ أَحَدُكُمْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فِيْ نَفْسِهِ، أَخْرَجَهُ ابْنُ حِبَّانَ- ‘তোমরা কি ইমামের ক্বিরাআত অবস্থায় পিছনে কিছু পাঠ করে থাক? এটা করবে না। বরং কেবলমাত্র সূরায়ে ফাতিহা চুপে চুপে পাঠ করবে’।[26]

২৬. বুখারী, জুয্উল ক্বিরাআত; ত্বাবারাণী আওসাত্ব, বায়হাক্বী, ছহীহ ইবনু হিববান হা/১৮৪৪; হাদীছ ছহীহ- আরনাঊত্ব; তুহফাতুল আহওয়াযী, ‘ইমামের পিছনে ক্বিরাআতঅনুচ্ছেদ-২২৯, হা/৩১০-এর ভাষ্য (فالطريقان محفوظان) , ২/২২৮ পৃঃ; নায়লুল আওত্বার ২/৬৭ পৃঃ, ‘মুক্তাদীর ক্বিরাআত ও চুপ থাকাঅনুচ্ছেদ।

+++++++++

(৬) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, مَنْ صَلَّى صَلاَةً لَمْ يَقْرَأْ فِيْهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ، فَهِيَ خِدَاجٌ، فَهِيَ خِدَاجٌ، غَيْرُ تَمَامٍ ‘যে ব্যক্তি ছালাত আদায় করল, যার মধ্যে ‘কুরআনের সারবস্ত্ত’ অর্থাৎ সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করল না, তার ঐ ছালাত বিকলাঙ্গ, বিকলাঙ্গ, বিকলাঙ্গ, অপূর্ণাঙ্গ’…। রাবী হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) -কে বলা হ’ল, আমরা যখন ইমামের পিছনে থাকি, তখন কিভাবে পড়ব? তিনি বললেন, إقْرَأْ بِهَا فِيْ نَفْسِكَ (ইক্বরা’ বিহা ফী নাফসিকা) ‘তুমি ওটা চুপে চুপে পড়’। তাছাড়া উক্ত হাদীছে সূরা ফাতিহাকে আল্লাহ ও বান্দার মাঝে অর্ধেক করে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে وَلِعَبْدِيْ مَا سَأَلَ ‘আর আমার বান্দা যা চাইবে, তাই পাবে’।[27] ইমাম ও মুক্তাদী উভয়েই আল্লাহর বান্দা। অতএব উভয়ে সূরা ফাতিহা পাঠের মাধ্যমে আল্লাহর নিকটে ‘ছিরাতে মুস্তাক্বীম’-এর সর্বোত্তম হেদায়াত প্রার্থনা করবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও তাঁর ছাহাবীগণ আমাদেরকে যেদিকে পথনির্দেশ দান করেছেন।

উল্লেখ্য যে, উক্ত হাদীছে সূরা ফাতিহাকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ১ম ভাগে আলহামদু… থেকে প্রথম তিনটি আয়াতে আল্লাহর প্রশংসা এবং ২য় ভাগে ইহ্দিনাছ… থেকে শেষের তিনটি আয়াতে বান্দার প্রার্থনা এবং ইইয়াকা না‘বুদু…-কে মধ্যবর্তী আয়াত হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। যা আল্লাহ ও বান্দার মাঝে বিভক্ত। এর মধ্যে বিসমিল্লাহ-কে শামিল করা হয়নি। ফলে অত্র হাদীছ অনুযায়ী বিসমিল্লাহ সূরা ফাতিহার অংশ নয়।

‘খিদাজ’ (خِدَاجٌ) অর্থ : সময় আসার পূর্বেই যে সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়, যদিও সে পূর্ণাংগ হয় (আল-মু‘জামুল ওয়াসীত্ব)। খাত্ত্বাবী বলেন, ‘আরবরা ঐ বাচ্চাকে ‘খিদাজ’ বলে, যা রক্তপিন্ড আকারে অসময়ে গর্ভচ্যুত হয় ও যার আকৃতি চেনা যায় না’। আবু ওবায়েদ বলেন, ‘খিদাজ’ হ’ল গর্ভচ্যুত মৃত সন্তান, যা কাজে আসে না’। [28] অতএব সূরায়ে ফাতিহা বিহীন ছালাত প্রাণহীন অপূর্ণাংগ বাচ্চার ন্যায়, যা কোন কাজে লাগে না।

[27] . মুসলিম, মিশকাত হা/৮২৩, ‘ছালাতে ক্বিরাআত’ অনুচ্ছেদ-১২; নায়ল ৩/৫১-৫২।

[28] . তিরমিযী (তুহফা সহ) হা/২৪৭-এর ভাষ্য ২/৬১ পৃঃ; আবুদাঊদ (আওন সহ) হা/৮০৬-এর ভাষ্য, ৩/৩৮ পৃঃ ।

++++++++

(৭) হযরত ওবাদাহ বিন ছামিত (রাঃ) বলেন, আমরা একদা ফজরের জামা‘আতে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর পিছনে ছালাত রত ছিলাম। এমন সময় মুক্তাদীদের কেউ সরবে কিছু পাঠ করলে রাসূল (ছাঃ)-এর জন্য ক্বিরাআত কঠিন হয়ে পড়ে। তখন সালাম ফিরানোর পরে তিনি বললেন, সম্ভবতঃ তোমরা তোমাদের ইমামের পিছনে কিছু পড়ে থাকবে? আমরা বললাম, হ্যাঁ। জবাবে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, لاَ تَفْعَلُوْا إِلاَّ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَإِنَّهُ لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِهَا ‘এরূপ করো না কেবল সূরায়ে ফাতিহা ব্যতীত। কেননা ছালাত সিদ্ধ হয় না যে ব্যক্তি ওটা পাঠ করে না’।[29]

ঘটনা এই যে, প্রথম দিকে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সাথে সাথে অনেকে ইমামের পিছনে সরবে ক্বিরাআত করত। অনেকে প্রয়োজনীয় কথাও বলত। তাতে ইমামের ক্বিরাআতে বিঘ্ন ঘটতো। তাছাড়া মুশরিকরাও রাসূল (ছাঃ)-এর কুরআন পাঠের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে শিস দিত ও হাততালি দিয়ে বিঘ্ন ঘটাতো। সেকারণ উপরোক্ত আয়াত (আ‘রাফ ৭/২০৪) নাযিলের মাধ্যমে সকলকে কুরআন পাঠের সময় চুপ থাকতে ও তা মনোযোগ দিয়ে শুনতে আদেশ করা হয়েছে।[30] এই নির্দেশ ছালাতের মধ্যে ও বাইরে সর্বাবস্থায় প্রযোজ্য। অতঃপর পূর্বোক্ত উবাদাহ, আবু হুরায়রা ও আনাস (রাঃ) প্রমুখ বর্ণিত হাদীছ সমূহের মাধ্যমে জেহরী ছালাতে ইমামের পিছনে কেবলমাত্র সূরায়ে ফাতিহা নীরবে পড়তে ‘খাছ’ ভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অন্য কোন সূরা নয়।

অতএব উক্ত ছহীহ হাদীছ সমূহ পূর্বোক্ত কুরআনী আয়াতের (আ‘রাফ ৭/২০৪) ব্যাখ্যা হিসাবে এসেছে, বিরোধী হিসাবে নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর উক্ত ব্যাখ্যা নিঃসন্দেহে ‘অহি’ দ্বারা প্রত্যাদিষ্ট, তাঁর নিজের পক্ষ থেকে নয়। অতএব অহি-র বিধান অনুসরণে সর্বাবস্থায় ছালাতে সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করা অবশ্য কর্তব্য।

[29] . তিরমিযী (তুহফা সহ) হা/৩১০; মিশকাত হা/৮৫৪, ‘ছালাতে ক্বিরাআত’ অনুচ্ছেদ-১২; আহমাদ হা/২২৭৯৮, সনদ হাসান -আরনাঊত্ব; হাকেম ১/২৩৮, হা/৮৬৯। আলবানী অত্র হাদীছ দ্বারা জেহরী ছালাতে মুক্তাদীর জন্য সূরা ফাতিহা পাঠ করাকে ‘জায়েয’ বলেছেন, কিন্তু ‘ওয়াজিব’ বলেন নি (দ্র: মিশকাত হা/৮৫৪-এর টীকা) । পরবর্তীতে উক্ত হাদীছকে যঈফ বলেছেন (আবুদাঊদ হা/৮২৩)। এমনকি তিনি অন্যত্র জেহরী ছালাতে ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা পাঠ ‘মনসূখ’ বলেছেন (ছিফাত ৭৯-৮১)। পক্ষান্তরে ইমাম বুখারী ‘জেহরী ও সের্রী সকল ছালাতে ইমাম ও মুক্তাদী উভয়ের জন্য সূরা ফাতিহা পাঠ করা ওয়াজিব’ বলে অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন (বুখারী, ‘আযান’ অধ্যায়-১০, অনুচ্ছেদ-৯৫)।

[30] . কুরতুবী, উক্ত আয়াতের তাফসীর দ্রষ্টব্য, ৭/৩৫৪ পৃঃ।

+++++++++++++

 (১) হযরত উবাদাহ বিন ছামিত (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَّمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ، مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ(‘লা ছালা-তা লিমান লাম ইয়াক্বরা’ বিফা-তিহাতিল কিতা-ব’) ‘ঐ ব্যক্তির ছালাত সিদ্ধ নয়, যে ব্যক্তি সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করে না’। [22]

(২) ছালাতে ভুলকারী (مسئ الصلاة) জনৈক ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণ দিতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, … ثُمَّ اقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ وَبِمَا شَآءَ اللهُ أَنْ تَقْرَأَ ‘অতঃপর তুমি ‘উম্মুল কুরআন’ অর্থাৎ সূরায়ে ফাতিহা পড়বে এবং যেটুকু আল্লাহ ইচ্ছা করেন কুরআন থেকে পাঠ করবে’…। [23]

(৩) আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন, أُمِرْنَا أَنْ نَقْرَأَ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَمَا تَيَسَّرَ ‘আমরা আদিষ্ট হয়েছিলাম যেন আমরা সূরায়ে ফাতিহা পড়ি এবং (কুরআন থেকে) যা সহজ মনে হয় (তা পড়ি)’।[24]

(৪) আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, أَمَرَنِيْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ أُنَادِيَ أَنَّهُ لاَ صَلاَةَ إِلاَّ بِقِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَمَا زَادَ- ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আমাকে নির্দেশ দেন যেন আমি এই কথা ঘোষণা করে দেই যে, ছালাত সিদ্ধ নয় সূরায়ে ফাতিহা ব্যতীত। অতঃপর অতিরিক্ত কিছু’।[25] এখানে প্রথমে সূরায়ে ফাতিহা, অতঃপর কুরআন থেকে যা সহজ মনে হয়, সেখান থেকে অতিরিক্ত কিছু পড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফুটনোটঃ[
22] . মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/৮২২ ‘ছালাতে ক্বিরাআত’ অনুচ্ছেদ-১২; কুতুবে সিত্তাহ সহ প্রায় সকল হাদীছ গ্রন্থে উক্ত হাদীছটি বর্ণিত হয়েছে।

[23] . আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৮০৪; আবুদাঊদ হা/৮৫৯ ‘ছালাত’ অধ্যায়-২, অনুচ্ছেদ-১৪৯।

[24] . আবুদাঊদ হা/৮১৮।

[25] . আবুদাঊদ হা/৮২০।

৫. (খ) বিরোধীদের দলীলসমূহ ও তার জওয়াব

(أدلة المخالفين للقراءة وجوابها) :

ইমামের পিছনে জেহরী বা সের্রী কোন প্রকার ছালাতে সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করা যাবে না -এই মর্মে যাঁরা অভিমত পোষণ করেন, তাঁদের প্রধান দলীল সমূহ নিম্নরূপ :

(১) সূরা আ‘রাফ ২০৪ আয়াতে ক্বিরাআতের সময় চুপ থেকে মনোযোগ দিয়ে তা শুনতে বলা হয়েছে। সেখানে বিশেষ কোন সূরাকে ‘খাছ’ করা হয়নি। এক্ষণে হাদীছ দ্বারা সূরায়ে ফাতিহাকে খাছ করলে তা কুরআনী আয়াতকে ‘মনসূখ’ বা হুকুম রহিত করার শামিল হবে। অথচ ‘হাদীছ দ্বারা কুরআনী হুকুমকে মানসূখ করা যায় না’। [31]

জবাব : এখানে ‘মনসূখ’ হবার প্রশ্নই ওঠে না। বরং হাদীছে ব্যাখ্যাকারে বর্ণিত হয়েছে এবং কুরআনের মধ্য থেকে উম্মুল কুরআনকে ‘খাছ’ করা হয়েছে (হিজর ১৫/৮৭)। যেমন কুরআনে সকল উম্মতকে লক্ষ্য করে ‘মীরাছ’ বণ্টনের সাধারণ আদেশ দেওয়া হয়েছে (নিসা ৪/৭,১১)। কিন্তু হাদীছে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সম্পত্তি তাঁর উত্তরাধিকারী সন্তানগণ পাবেন না বলে ‘খাছ’ ভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।[32]

মূলতঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর আগমন ঘটেছিল কুরআনের ব্যাখ্যাকারী হিসাবে[33] এবং ঐ ব্যাখ্যাও ছিল সরাসরি আল্লাহ কর্তৃক প্রত্যাদিষ্ট।[34] অতএব রাসূল (ছাঃ)-এর প্রদত্ত ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করা ‘অহিয়ে গায়ের মাতলু’ বা আল্লাহর অনাবৃত্ত অহি-কে প্রত্যাখ্যান করার শামিল হবে।

(২) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, একদা এক জেহরী ছালাতে সালাম ফিরিয়ে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মুছল্লীদের জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কেউ কি এইমাত্র আমার সাথে কুরআন পাঠ করেছ? একজন বলল, জি-হাঁ। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, তাই বলি, مَا لِيْ أُنَازِعُ القُرْآنَ ‘আমার ক্বিরাআতে কেন বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে’? রাবী বলেন,- فَانْتَهَى النَّاسُ عَنِ الْقِرَاءَةِ مَعَ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيْمَا جَهَرَ فِيْهِ ‘এরপর থেকে লোকেরা জেহরী ছালাতে রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে ক্বিরাআত করা থেকে বিরত হ’ল’।[35]

জবাব : হাদীছের বক্তব্যে বুঝা যায় যে, মুক্তাদীগণের মধ্যে কেউ রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে সাথে সরবে ক্বিরাআত করেছিলেন। যার জন্য ইমাম হিসাবে রাসূল (ছাঃ)-এর ক্বিরাআতে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছিল। ইতিপূর্বে আনাস ও আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদীছ দু’টিতে নীরবে পড়ার কথা এসেছে, যাতে বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়। শাহ অলিউল্লাহ দেহলভী (রহঃ) বলেন,فَإنْ قَرَأَ فَلْيَقْرَءِ الْفَاتِحَةَ قِرَاءَةً لاَ يُشَوِّشُ عَلَي الْإِمَامِ- ‘জেহরী ছালাতে মুক্তাদী এমনভাবে সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করবে, যাতে ইমামের ক্বিরাআতে বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়’।[36] অতএব নীরবে ইমামের পিছনে সূরায়ে ফাতিহা পড়লে ইমামের ক্বিরাআতে বিঘ্ন সৃষ্টির প্রশ্নই আসে না। উল্লেখ্য যে, হাদীছের শেষাংশে ‘অতঃপর লোকেরা ক্বিরাআত থেকে বিরত হ’ল’ কথাটি ‘মুদরাজ’ (مدرج), যা সনদভুক্ত অন্যতম বর্ণনাকারী ইবনু শিহাব যুহরী কর্তৃক সংযুক্ত। শিষ্য সুফিয়ান বিন ‘উয়ায়না বলেন, যুহরী (এ বিষয়ে) এমন কথা বলেছেন, যা আমি কখনো শুনিনি’। [37]

(৩) আবু হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, إِنَّمَا جُعِلَ الْإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوْا وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوْا- ‘ইমাম নিযুক্ত হন তাকে অনুসরণ করার জন্য। তিনি যখন তাকবীর বলেন, তখন তোমরা তাকবীর বল। তিনি যখন ক্বিরাআত করেন, তখন তোমরা চুপ থাক’। [38]

জবাব : উক্ত হাদীছে ‘আম’ ভাবে ক্বিরাআতের সময় চুপ থাকতে বলা হয়েছে। কুরআনেও অনুরূপ নির্দেশ এসেছে (আ‘রাফ ৭/২০৪)। একই রাবীর (আবু হুরায়রা) ইতিপূর্বেকার বর্ণনায় এবং আনাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীছে সূরায়ে ফাতিহাকে ‘খাছ’ ভাবে চুপে চুপে পড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অতএব ইমামের পিছনে চুপে চুপে সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করলে উভয় ছহীহ হাদীছের উপরে আমল করা সম্ভব হয়।

(৪) হযরত জাবের (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, مَنْ كَانَ لَهُ إِمَامٌ فَقِرَاءَةُ الْإِمَامِ لَهُ قِرَاءَةٌ ‘যার ইমাম রয়েছে, ইমামের ক্বিরাআত তার জন্য ক্বিরাআত হবে’।[39]

জবাব : (ক) ইবনু হাজার আসক্বালানী বলেন, যতগুলি সূত্র থেকে হাদীছটি বর্ণিত হয়েছে সকল সূত্রই দোষযুক্ত। সেকারণ ‘হাদীছটি সকল বিদ্বানের নিকটে সর্বসম্মতভাবে যঈফ (إِنَّهُ ضَعِيْفٌ عِنْدَ جَمِيْعِ الْحُفَّاظِ)’।[40]

(খ) অত্র হাদীছে ‘ক্বিরাআত’ কথাটি ‘আম’। কিন্তু সূরায়ে ফাতিহা পাঠের নির্দেশটি ‘খাছ’। অতএব অন্য সব সূরা বাদ দিয়ে কেবল সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করতে হবে।

(৫) لاَ صَلاَةَ إِلاَّ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ (‘লা ছালা-তা ইল্লা বি ফা-তিহাতিল কিতাব’) বা ‘সূরায়ে ফাতিহা ব্যতীত ছালাত নয়’ [41] অর্থ ‘ছালাত পূর্ণাংগ নয়’ (لاَ صَلاَةَ بِالكَمَالِ) । যেমন অন্য হাদীছে রয়েছে, لاَ إِيْمَانَ لِمَنْ لاَ أَمَانَةَ لَهُ وَلاَ دِيْنَ لِمَنْ لاَ عَهْدَ لَهُ (‘লা ঈমা-না লিমান লা আমা-নাতা লাহূ, ওয়ালা দ্বীনা লিমান লা ‘আহ্দা লাহূ’) ‘ঐ ব্যক্তির ঈমান নেই, যার আমানত নেই এবং ঐ ব্যক্তির দ্বীন নেই যার ওয়াদা ঠিক নেই’[42] অর্থ ঐ ব্যক্তির ঈমান পূর্ণ নয়, বরং ত্রুটিপূর্ণ।

জবাব : (ক) কুতুবে সিত্তাহ সহ প্রায় সকল হাদীছ গ্রন্থে বর্ণিত উপরোক্ত মর্মের প্রসিদ্ধ হাদীছটি একই রাবী হযরত উবাদাহ বিন ছামিত (রাঃ) হ’তে দারাকুৎনীতে ছহীহ সনদে বর্ণিত হয়েছে এভাবে, لاَ تُجْزِئُ صَلاَةٌ لاَ يَقْرَأُ الرَّجُلُ فِيْهَا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ- ‘ঐ ছালাত সিদ্ধ নয়, যার মধ্যে মুছল্লী সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করে না’।[43] অতএব উক্ত হাদীছে ‘ছালাত নয়’ অর্থ ‘ছালাত সিদ্ধ নয়’।

(খ) অনুরূপভাবে’ ‘খিদাজ’ বা ত্রুটিপূর্ণ- এর ব্যাখ্যায় ইবনু খুযায়মা স্বীয় ‘ছহীহ’ গ্রন্থে ‘ছালাত’ অধ্যায়ে ৯৫ নং দীর্ঘ অনুচ্ছেদ রচনা করেন এভাবে যে,

بَابُ ذِكْرِ الدَّلِيلِ عَلَى أَنَّ الْخِدَاجَ الَّذِي أَعْلَمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي هَذَا الْخَبَرِ هُوَ النَّقْصُ الَّذِي لاَ تُجْزِئُ الصَّلاَةُ مَعَهُ، إِذِ النَّقْصُ فِي الصَّلاَةِ يَكُوْنُ نَقْصَيْنِ، أَحَدُهُمَا لاَ تُجْزِئُ الصَّلاَةُ مَعَ ذَلِكَ النَّقْصِ، وَالآخَرُ تَكُوْنُ الصَّلاَةُ جَائِزَةً مَعَ ذَلِكَ النَّقْصِ لاَ يَجِبُ إِعَادَتُهَا، وَلَيْسَ هَذَا النَّقْصُ مِمَّا يُوجِبُ سَجْدَتَيِ السَّهْوِ مَعَ جَوَازِ الصَّلاَةِ- (صحيح ابن خزيمة، كتاب الصلاة، باب ৯৫)-

‘ঐ ‘খিদাজ’-এর আলোচনা যে সম্পর্কে রাসূল (ছাঃ) অত্র হাদীছে হুঁশিয়ার করেছেন যে, ঐ ত্রুটি থাকলে ছালাত সিদ্ধ হবে না। কেননা ত্রুটি দু’প্রকারেরঃ এক– যা থাকলে ছালাত সিদ্ধ হয় না। দুই– যা থাকলেও ছালাত সিদ্ধ হয়। পুনরায় পড়তে হয় না। এই ত্রুটি হ’লে ‘সিজদায়ে সহো’ দিতে হয় না। অথচ ছালাত সিদ্ধ হয়ে যায়’।

অতঃপর তিনি আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) -এর হাদীছ উদ্ধৃত করেন যে, لاَ تُجْزِئُ صَلاَةٌ لاَ يُقْرَأُ ا فِيْهَا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ ‘ঐ ছালাত সিদ্ধ নয়, যাতে সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করা হয় না’…..। [44]

এক্ষণে ‘লা ছালা-তা বা ‘ছালাত নয়’-এর অর্থ যখন স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ‘লা তুজযিউ’ অর্থাৎ ‘ছালাত সিদ্ধ নয়’ বলে ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন, তখন সেখানে আমাদের নিজস্ব ব্যাখ্যার কোন অবকাশ নেই। অতএব ‘খিদাজ’ অর্থ ‘অপূর্ণাঙ্গ’ করাটা অন্যায়। বরং এটি ‘ক্রটিপূর্ণ’। আর ত্রুটিপূর্ণ ছালাত প্রকৃত অর্থে কোন ছালাত নয়।

++++++++++++++++++

অতএব রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ছহীহ হাদীছ, অধিকাংশ ছাহাবী ও তাবেঈন এবং ইমাম মালেক, শাফেঈ ও আহমাদ সহ অধিকাংশ মুজতাহিদ ইমামগণের সিদ্ধান্ত ও নিয়মিত আমলের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে সর্বাবস্থায় সকল ছালাতে সূরায়ে ফাতেহা পাঠ করা অবশ্য কর্তব্য। নইলে অহেতুক যিদ কিংবা ব্যক্তি ও দলপূজার পরিণামে সারা জীবন ছালাত আদায় করেও ক্বিয়ামতের দিন স্রেফ আফসোস ব্যতীত কিছুই জুটবে না। যেমন আল্লাহ বলেন, যেদিন অনুসরণীয় ব্যক্তিগণ তাদের অনুসারীদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবে ও সকলে আযাবকে প্রত্যক্ষ করবে এবং তাদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক সমূহ ছিন্ন হবে’। ‘যেদিন অনুসারীগণ বলবে, যদি আমাদের আরেকবার ফিরে যাওয়ার সুযোগ হ’ত, তাহ’লে আমরা তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতাম, যেমন আজ তারা আমাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। এমনিভাবে আল্লাহ সেদিন তাদের সকল আমলকে তাদের জন্য ‘আফসোস’ হিসাবে দেখাবেন। অথচ তারা কখনোই জাহান্নাম থেকে বের হবে না’ (বাক্বারাহ ২/১৬৬-৬৭)।

+++++++++

[31] . নূরুল আনওয়ার ২১৩-১৪ পৃঃ; নায়লুল আওত্বার ৩/৬৭ পৃঃ।

[32] . যেমন আল্লাহ বলেন, وَلَقَدْ آتَيْنَاكَ سَبْعًا مِّنَ الْمَثَانِيْ وَالْقُرْآنَ الْعَظِيْمَ ‘আমরা আপনাকে দিয়েছি সাতটি আয়াত (সূরা ফাতিহা), যা পুন: পুন: পঠিত হয় এবং মহান কুরআন’ (হিজর ১৫/৮৭)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, إِنَّا مَعْشَرَ الأَنْبِيَاءِ لاَ نُورَثُ مَا تَرَكْنَاهُ صَدَقَةٌ ‘আমরা নবীগণ! কোন উত্তরাধিকারী রাখি না। যা কিছু আমরা রেখে যাই, সবই ছাদাক্বা’। =কানযুল উম্মাল হা/৩৫৬০০; নাসাঈ কুবরা হা/৬৩০৯; মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/৫৯৭৬ ‘ফাযায়েল ও শামায়েল’ অধ্যায়-২৯, অনুচ্ছেদ-১০।

[33] . নাহল ১৬/৪৪, ৬৪।

[34] . নাজম ৫৩/৩-৪ وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوَى، إِنْ هُوَ إِلاَّ وَحْيٌ يُوحَى, ক্বিয়ামাহ ৭৫/১৯ ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا بَيَانَهُ ।

[35] . আবুদাঊদ, নাসাঈ, তিরমিযী , মিশকাত হা/৮৫৫, ‘ছালাতে ক্বিরাআত’ অনুচ্ছেদ-১২।

[36] . হুজ্জাতুল্লা-হিল বা-লিগাহ (কায়রো : দারুত তুরাছ ১৩৫৫/১৯৩৬), ২/৯ পৃঃ।

[37] . আবুদাঊদ হা/৮২৭; আওনুল মা‘বূদ হা/৮১১-১২, অনুচ্ছেদ-১৩৫; নায়লুল আওত্বার ৩/৬৫।

[38] . আবুদাঊদ, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৮৫৭।

[39] . ইবনু মাজাহ হা/৮৫০; দারাকুৎনী হা/১২২০; বায়হাক্বী ২/১৫৯-৬০ পৃঃ; হাদীছ যঈফ।

[40] . ফাৎহুল বারী ২/২৮৩ পৃঃ, হা/৭৫৬ -এর আলোচনা দ্রষ্টব্য; নায়লুল আওত্বার ৩/৭০ পৃঃ। আলবানী হাদীছটিকে ‘হাসান’ বলেছেন। অতঃপর ব্যাখ্যায় বলেন যে, হাদীছটির কোন সূত্র দুর্বলতা (ضعف) হ’তে মুক্ত নয়। তবে দুর্বল সূত্র সমূহের সমষ্টি সাক্ষ্য দেয় যে, এর কিছু ভিত্তি আছে (أن للحديث أصلا) (ইরওয়া হা/৫০০, ২/২৭৭)। তাঁর উপরোক্ত মন্তব্যই ইঙ্গিত দেয় যে, হাদীছটি আসলেই যঈফ, যা অন্যান্য মুহাদ্দিছগণ সর্বসম্মত ভাবে বলেছেন।

[41] . ত্বাবারাণী, বায়হাক্বী, সৈয়ূত্বী, আল-জামে‘উল কাবীর হা/১১৯৪; আলবানী, তামামুল মিন্নাহ পৃঃ ৩২৯।

[42] . বায়হাক্বী, মিশকাত হা/৩৫ ‘ঈমান’ অধ্যায়-১, সনদ জাইয়িদ।

[43] . দারাকুৎনী (বৈরূত : দারুল কুতুবিল ইলমিয়াহ ১৪১৭/১৯৯৬) হা/১২১২, ১/৩১৯ পৃঃ, সনদ ছহীহ।

[44] . ছহীহ ইবনু খুযায়মা হা/৪৯০, ১/২৪৭-৪৮ পৃঃ সনদ ছহীহ। أجزأ الشيئ فلانا اي كفاه অর্থাৎ ‘এটি তার জন্য যথেষ্ট হয়েছে’ ; আল-মু‘জামুল ওয়াসীত্ব ১১৯-২০ পৃঃ।

##

ইমামের পিছনে সুরা ফাতিহা পড়া/না পড়া

সালাতে ইমামের পিছনে চুপ থাকার সবচে
পোক্ত দলিল হলো কুরআআনের আয়াত,
তা হলো [যখন কুরআন তেলাওয়াত
করা হবে তখন মনোযোগ দিয়ে শুনবে
ও চুপ থাকবে”(আরাফ ২০৪)]..কিন্তু উক্ত
আয়াত সুরা ফাতেহা পড়ার পক্ষে কোন
অন্তরায় নয়, কারন উক্ত আয়াত নাযিল
হওয়ার পরও সালাতে কথা বলা জায়েজ
ছিল, সুতরাং যে আয়াত সালাতে কথা বলা
মানসুখ করে নাই তা সুরা ফাতেহা পড়াও
রহিত করবে না..
যায়েদ বিন আকরাম রাঃ বলেন :
আমরা সালাতের সময় কথা
বলতাম, এবং আমাদের একজন
তার সঙ্গীদেরকে তার প্রয়োজনের
কথা বলত,এ আয়াত [“আর তুমি
তোমরা সালাতকে কঠোরভাবে
সংরক্ষন কর, বিশেষ করে মধ্যভাগের সালাত,
এবং আল্লাহর সামনে আনুগত্যশীল হয়ে
দাড়াও” (২.২৩৮)] নাযিল হওয়ার আগ
পর্যন্ত । এরপর থেকে আমাদের
নীরব থাকার নির্দেশ দেওয়া হয় ।
[বুখারী-৪৫৩৪]
যায়েদ বিন আকরাম রাঃ মদিনার
সাহাবী ।তার মানে সালাতে কথা বলা নিষিদ্ধ
হওয়ার আয়াতও মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে।
তার মানে এই আয়াত নাযিলের পুর্বে
অর্থাৎ মক্কার সালাতে কথা বলা জায়েয
ছিলো । আর [যখন কুরআন তেলাওয়াত
করা হবে তখন মনোযোগ দিয়ে শুনবে
ও চুপ থাকবে”(আরাফ ২০৪)] এই আয়াত
মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। আর সালাতে
কথা বলা নিশিদ্ধ হওয়ার আয়াত
মাদানী । অর্থাৎ, [যখন কুরআন তেলাওয়াত
করা হবে তখন মনোযোগ দিয়ে শুনবে
ও চুপ থাকবে”(আরাফ ২০৪)] এই আয়াত
নাযিল হয়েছে সালাতে কথা বলা নিষিদ্ধ
হওয়ার আয়াতের অনেক আগে। তাহলে
বুঝা গেলো, [যখন কুরআন তেলাওয়াত
করা হবে তখন মনোযোগ দিয়ে শুনবে
ও চুপ থাকবে”(আরাফ ২০৪)] এই আয়াত
নাযিল হবার পরও সালাতে কথা বলা
জায়েজ ছিল অর্থাৎ এ আয়াত সালাতে
কথা বলা নিষিদ্ধ করেনি, বরং সালাতে কথা
বলা নিষিদ্ধ করেছে এই আয়াতের অনেক
পরে মদিনায় অবতীর্ণ আয়াত..
তাহলে যে আয়াত সালাতে কথা বলা’ই
নিষিদ্ধ করেনি, সে আয়াত কি করে সালাতে
সুরা ফাতেহা পড়া নিষিদ্ধ করে?
এ থেকে বুঝা যায়, [যখন কুরআন
তেলাওয়াত করা হবে তখন মনোযোগ
দিয়ে শুনবে ও চুপ থাকবে”(আরাফ ২০৪)]
আয়াত সালাতে কথা বলা এবং
সুরা ফাতেহা পড়া কোনটাকেই নিশিদ্ধ
করেনি ।
তাছারা ইমামের সাথে সাথে
সুরা ফাতেহা পড়ারও হাদিস
রয়েছে ।
মুহাম্মাদ বিন উবাইদিল্লাহ+আব্দুল আজিজ
বিন আবু হাজিম+আলা বিন আব্দুর
রহমান+আব্দুর রহমান বিন ইয়াকুব+আবু
হুরায়রা রাঃ থেকে বর্নত:
তিনি(আবু হুরায়রা) বলেন,
ইমাম যখন সুরা ফাতেহা তিলাওয়াত করবে
তখন তুমিও তা তিলাওয়াত করবে এবং
ইমামের আগেই তিলাওয়াত শেষ
করবে, এভাবে ইমাম যখন বলবে
“ওয়ালাদ দল্লিন” তখন ফেরেশতারা বলে
“আমিন” এবং এভাবে তোমাদের কারো
আমিন যদি ফেরেশতাদের আমিনের
সাথে মিলে যায় তাহলে তার
দোয়া কবুল হয়ে যাবে ।[বুখারী,জুযুল কিরাত
২৩৭ নং]হাদিসটি সহীহ এবং এর রাবীগন
বিশ্বস্ত। আল্লামা নিমভী হানাফিও(রহঃ) তার
আসার আস সুনানে এর সনদকে
হাসান বলেছেন ।
সালাতে ইমামের পিছনেও সুরা ফাতেহা
পড়াই নিরাপদ, আমাদের দেশে ইমাম যেহেতু
সাকতা করেন না, তাই ইমামের সাথে সাথে
সুরা ফাতেহা পড়ে এরপর বাকি কিরাত
চুপ কতে শুনলে কুরআন এবং হাদিস উভয়ই
আমল হয়ে যায় যা অধিক সমন্বয় মূলক এবং
নিরাপদ..


comments:-

ইমামের পিছনে সুরা ফাতিহা না পড়া সংক্রান্ত সবচেয়ে বড় দলিলের পর্যালোচনা ।


f1

Abu daud-hadith nos.823,824,825 all da’if – http://hadithbd.com/show.php?BookID=4&HadithNo=823%2C824%2C825


আমি আপনাকে সাতটি বার বার পঠিতব্য আয়াত এবং মহান কোরআন দিয়েছি।(সূরা হিজর ৮৭) এই আয়াত এর তাফসির করেন তার পর দেখন কোরআন পাঠের সময় চুপ থাকার কথা বলা হয়েছে কিন্তু সাতটি আয়াত মানে সূরা ফাতি হা পড়ার সময় তো বলা হয়নি??


ব্যাখ্যা ও তাফসীর নিয়েছি শায়েখ যুবায়ের আলী জাই এর “কওলুল মাতিন” থেকে.. এটা সুরা ফাতেহা পড়ার পক্ষে খুব তথ্যবহুল কিতাব


জুবাইর আলী যাঈ রহি. সত্যিই একজন জিনিয়াস ছিলেন। তার কিতাবগুলোর জবাব দেওয়ার সাহস কারো হয় নি।


বিগত শতাব্দী থেকে নিয়ে বর্তমান সময় পর্যন্ত শেইখ যুবাইয়ের আলী যাঈ রহিমাহুল্লাহর মত আলেম আরব ও আজমে খুব কমই দেখা গেছে। আল্লাহ সুবহানাহুয়া তা’য়ালা যেন এই মহান মুহাদ্দিসের ক্ববরকে জান্নাতের নুর দিয়ে উদ্ভাসিত করে দেন।


আমি নিশ্চিত করে বলিনি যে তিনিই হচ্ছেন একমাত্র হক্ব ব্যক্তি ! তিনি ছাড়া বাকী সবাই গোমরাহ ! তিনি ছাড়াও আরো অনেক রব্বানী আলেম ছিলেন এবং আছেন।


উলামাদের তাজকিয়া দেয়ার হকদার কিবারুল উলামারাই। আমার-আপনার মতো layman-রা না।

https://www.facebook.com/photo.php?fbid=10207440888761283&set=pb.1259665408.-2207520000.1454933842.&type=3&theater

—————————-

এখানে যাদের নাম দিয়েছেন তাদের অনেকেই তো হাফিজ যুবায়ের আলী যাঈ রহিমাহুল্লাহর ছাত্র হবারও যোগ্যতা রাখেননা। শেইখ যুবায়ের আলী যাঈ রহিমাহুল্লাহ হচ্ছেন শেইখ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহর লেভেলের মুহাদ্দিস। এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে শেইখ আলবানী রহিমাহুল্লাহর চেয়েও ঢের এগিয়ে।
——————————————-
আমার ওস্তাদসহ অনেকেই বলেছেন। তাছাড়া আমি শেইখ বিন বাজ, শেইখ উসাইমিন ও শেইখ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহর বই পড়েছি। তাছাড়া শেইখ সালেহ আল ফাওযানের অনেক তাকরীর ও ফতোয়া সউদি রেডিওতে সরাসরি শুনেছি এবং তাঁর বইও পড়েছি। সকল বই পড়ে এবং লেকচার শুনে আমার এমনই বিশ্বাস জন্মেছে। এটা আমার নিতান্তই ব্যক্তিগত মত। আপনি দ্বীমত করতেই পারেন। আপনার দেওয়া তালিকা আপনার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, কিন্তু অন্যান্যদের কাছে নাও হতে পারে। আমি আপনার সাথে আর কোন কমেন্ট করতে চাইনা। মা’য়াস সালাম।
————————–

যখন বলা হয়, একমাত্র আমারটাই সহীহ্ সুন্নাহ্ ! তখনই মনটা খারাপ হয়ে যায় । অথচ এটা ইখতিলাফ যুক্ত মাসআলা

ফিকহে হানাফীর মত, মুক্তাদী কোন অবস্থাতেই ক্বিরাত পড়বে না ।

ফিকহে মালিকীর মত, পড়া না পড়া মুক্তাদীর ইখতিহার ।

ফিকহে শাফেয়ীর মত, সর্ব অবস্থায় মুক্তাদী ক্বিরাত পড়বে ।

ফিকহে হাম্বলীর মত, উচ্চ স্বরের ক্বিরাতে মুক্তাদী ক্বিরাত পড়বে না, কিন্তু নিম্ন স্বরের ক্বিরাতে মুক্তাদী ক্বিরাত পড়বে ।

এতে দেখা যায়, অন্তত চার মতের তিন মত এই – মুক্তাদী উচ্চ স্বরের ক্বিরাতে চুপ থাকবে ।

আর নিম্ন স্বরের ক্বিরাতে না পড়ার পক্ষে দুই ও পড়ার পক্ষে দুই মত ।

এখন সিদ্ধান্ত আপনার ।

——————–
অাল্লাহর রসুল (স) বলেন মুজতাহিদ ভুল বললে এক নেকি আর সঠিক বললে দুই নেকি পাবে তার মানে মুজতাহিদ ভুলও করবে আর আপনারাও দেখবেন ইমাম আবু হানিফার ফতোয়ার দুই-তৃতীয়াংশ মাসালা তার ছাত্র ইমাম আহমাদ, ইউসুফ মেনে নেয়নি আর ১৩০০ বছর পর সকল সহি হাদিস পাওয়ার পরও আপনি/ আপনারা সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। ইমামদের ভুলগুলো বাদ দিয়ে সহিটা মেনে নিলে তাদের অবমাননা হয় না বরং তাদের আনুগত্য করা হয় কারন ইমাম আবু হানিফা(রহ) বলেন সহি হাদিস যেটা পাবা সেটাই আমার মাযহাব। এবার বুঝ আপনার।
————————
h13
—————————–
 মদিনা ইউনিভার্সিটিতে সকল মাজহাবের উপরই পড়ানো হয়, নির্দিষ্ট কোন মাজহাব নয়। কিন্তু দেওবন্দীরা নির্দিষ্ট একটি মাজহাবকে ফরজ বলে আর সেটাই সবার ঘাড়ে চাপাতে চায়। এখানেই সমস্যা।
[নির্দিষ্ট এক মাযহাব মানা ফরজ নয়=ইমাম ইবনু বায রহঃ এর নেতৃত্বে সাউদী ফাতাওয়া বোর্ড।]
—————————-

মুহাম্মাদ মুসা বিন নাসির সর্বাবস্হায় ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা পাঠ করা অধিক সতর্কতামূলক। মুহাদ্দিস সম্রাট ইমাম বুখারী (রহঃ) কেবল এই বিষয়ের উপর আলোকপাত করে “জুযুউল ক্বিরাআত” নামক কিতাব লিখেছেন। অধিকাংশ সাহাবী, তাবেঈ, তাবে-তাবেঈন, ইমাম শাফেঈ ও ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল এ মতের পক্ষে। ইমাম আব্দুল্লাহ ইবনু মোবারক (রহঃ) বলেন, “কূফার একটি সম্প্রদায় ব্যতীত আমিও ইমামের পিছনে ক্বিরাআত করি এবং অন্যরাও করে। তবে ইমামের পিছনে যারা ক্বিরাআত করে না তাদের সালাতও জায়েয হবে বলে আমি মনে করি”।

 

Al Imran
Al Imran সুরা ফাতিহা পড়া নিয়ে সম্ভবত মোট ৪ টি আলাদা কিতাব আছে যার মধ্যে ইমাম বুখারীর একটি। সত্য কথা হলো তাদের যতই দলিল দিন দিনশেষে ফলাফল একই। আর যারা সত্য খুঁজে ফিরে তাদের ব্যাপার আলাদা। আল্লাহু আলাম।
——————————–
—x—

Whoever does not recite Al-Fatiha in his prayer, his prayer is invalid.

av

Narrated ‘Ubada bin As-Samit:

Allah’s Messenger (ﷺ) said, “Whoever does not recite Al-Fatiha in his prayer, his prayer is invalid.”

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ ‏”‏‏.‏
Reference  : Sahih al-Bukhari 756
In-book reference  : Book 10, Hadith 150
USC-MSA web (English) reference  : Vol. 1, Book 12, Hadith 723
  (deprecated numbering scheme)

ooooooooooooooooooooooooooo

Narrated Ubadah ibn as-Samit:

We were behind the Messenger of Allah (ﷺ) at the dawn prayer, and he recited (the passage), but the recitation became difficult for him. Then when he finished, he said: Perhaps you recite behind your imam? We replied: Yes, it is so, Messenger of Allah. He said: Do not do so except when it is Fatihat al-Kitab, for he who does not recite it is not credited with having prayed.

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، قَالَ كُنَّا خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي صَلاَةِ الْفَجْرِ فَقَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَثَقُلَتْ عَلَيْهِ الْقِرَاءَةُ فَلَمَّا فَرَغَ قَالَ ‏”‏ لَعَلَّكُمْ تَقْرَءُونَ خَلْفَ إِمَامِكُمْ ‏”‏ ‏.‏ قُلْنَا نَعَمْ هَذَا يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏”‏ لاَ تَفْعَلُوا إِلاَّ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَإِنَّهُ لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِهَا ‏”‏ ‏.‏
Grade Da’if (Al-Albani)   ضعيف   (الألباني) حكم     :
Reference  : Sunan Abi Dawud 823
In-book reference  : Book 2, Hadith 433
English translation  : Book 3, Hadith 822

oooooooooooooooooooooooo

The Obligation to recite Fatihatil-Kitab in the prayer
(24)
باب إِيجَابِ قِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ فِي الصَّلاَةِ

It was narrated from Ubadah bin As-Samit that :
The Prophet (ﷺ) said: “There is no Salah for one who does not recite Fatihatil-Kitab.”
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ ‏”‏ ‏.‏
Grade Sahih (Darussalam)
Reference  : Sunan an-Nasa’i 910
In-book reference  : Book 11, Hadith 35
English translation  : Vol. 2, Book 11, Hadith 911

It was narrated that Ubadah bin As-Samit said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) said: “There is no Salah for one who does not recite Fatihatil-Kitab or more.'”
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ “‏ لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَصَاعِدًا ‏”‏ ‏.‏
Grade Sahih (Darussalam)
Reference  : Sunan an-Nasa’i 911
In-book reference  : Book 11, Hadith 36
English translation  : Vol. 2, Book 11, Hadith 912

oooooooooooooooooooooooo

What Has Been Related About: “There Is No Salat Except With Fatihatil-Kitab”
(69)
باب مَا جَاءَ أَنَّهُ لاَ صَلاَةَ إِلاَّ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ

Ubadah bin As-Samil narrated that :
the Prophet said: “There is no Salat for the one who does not recite Fatihatil-Kitab.”
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ أَبِي عُمَرَ الْمَكِّيُّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْعَدَنِيُّ، وَعَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَعَائِشَةَ وَأَنَسٍ وَأَبِي قَتَادَةَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عُبَادَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَيْهِ عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْهُمْ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَعَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ وَجَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ وَعِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ وَغَيْرُهُمْ قَالُوا لاَ تُجْزِئُ صَلاَةٌ إِلاَّ بِقِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ ‏.‏ وَقَالَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ كُلُّ صَلاَةٍ لَمْ يُقْرَأْ فِيهَا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَهِيَ خِدَاجٌ غَيْرُ تَمَامٍ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ ابْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي عُمَرَ يَقُولُ اخْتَلَفْتُ إِلَى ابْنِ عُيَيْنَةَ ثَمَانِيَةَ عَشْرَ سَنَةً وَكَانَ الْحُمَيْدِيُّ أَكْبَرَ مِنِّي بِسَنَةٍ ‏.‏ وَسَمِعْتُ ابْنَ أَبِي عُمَرَ يَقُولُ حَجَجْتُ سَبْعِينَ حَجَّةً مَاشِيًا عَلَى قَدَمَىَّ ‏.‏
Grade Sahih (Darussalam)
Reference  : Jami` at-Tirmidhi 247
In-book reference  : Book 2, Hadith 99
English translation  : Vol. 1, Book 2, Hadith 247

oooooooooooooooooooooooo

It Is Obligatory To Recite Al-Fatihah In Every Rak’ah; If A Person Cannot Recite Al-Fatihah Or Cannot Learn It, Then He Should Recite Whatever Else He Can Manage
(11)
باب وُجُوبِ قِرَاءَةِ الْفَاتِحَةِ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ وَإِنَّهُ إِذَا لَمْ يُحْسِنِ الْفَاتِحَةَ وَلاَ أَمْكَنَهُ تَعَلُّمُهَا قَرَأَ مَا تَيَسَّرَ لَهُ مِنْ غَيْرِهَا

‘Ubada b. as-Samit reported from the Messenger of Allah (may peace be upon him ):

He who does not recite Fatihat al-Kitab is not credited with having observed the prayer.
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، جَمِيعًا عَنْ سُفْيَانَ، – قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، – عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‏ “‏ لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ ‏”‏ ‏.‏
Reference  : Sahih Muslim 394 a
In-book reference  : Book 4, Hadith 37
USC-MSA web (English) reference  : Book 4, Hadith 771
  (deprecated numbering scheme)

Ubada b. as-Samit reported:

The Messenger of Allah (ﷺ) said: He who does not recite Umm al-Qur’an is not credited with having observed the prayer.
حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، ح وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي مَحْمُودُ بْنُ الرَّبِيعِ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ “‏ لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْتَرِئْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ ‏”‏ ‏.‏
Reference  : Sahih Muslim 394 b
In-book reference  : Book 4, Hadith 38
USC-MSA web (English) reference  : Book 4, Hadith 772
  (deprecated numbering scheme)

Mahmud b. al-Rabi’, on whose face the Messenger of Allah (ﷺ) squirted water from the well, reported on the authority of ‘Ubada b. as- Samit that the Messenger of Allah (ﷺ) said:

He who does not recite Umm al-Qur’an is not credited with having observed prayer.
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ مَحْمُودَ بْنَ الرَّبِيعِ الَّذِي، مَجَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي وَجْهِهِ مِنْ بِئْرِهِمْ أَخْبَرَهُ أَنَّ عُبَادَةَ بْنَ الصَّامِتِ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ ‏”‏ ‏.‏
Reference  : Sahih Muslim 394 c
In-book reference  : Book 4, Hadith 39
USC-MSA web (English) reference  : Book 4, Hadith 773
  (deprecated numbering scheme)

This hadith has also been transmitted by Ma’mar from al-Zuhri with the same chain of transmitters with the addition of these words:

” and something more”.
وَحَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ وَزَادَ فَصَاعِدًا ‏.‏
Reference  : Sahih Muslim 394 d
In-book reference  : Book 4, Hadith 40
USC-MSA web (English) reference  : Book 4, Hadith 774
  (deprecated numbering scheme)

Abu Huraira reported:

The Apostle of Allah (ﷺ) said: If anyone observes prayer in which he does not recite Umm al-Qur’an, It is deficient [he said this three times] and not complete. It was said to Abu Huraira: At times we are behind the Imam. He said: Recite it inwardly, for he had heard the Messenger of Allah (ﷺ) declare that Allah the Exalted had said: I have divided the prayer into two halves between Me and My servant, and My servant will receive what he asks. When the servant says: Praise be to Allah, the Lord of the universe, Allah the Most High says: My servant has praised Me. And when he (the servant) says: The Most Compassionate, the Merciful, Allah the Most High says: My servant has lauded Me. And when he (the servant) says: Master of the Day of judg- ment, He remarks: My servant has glorified Me. and sometimes He would say: My servant entrusted (his affairs) to Me. And when he (the worshipper) says: Thee do we worship and of Thee do we ask help, He (Allah) says: This is between Me and My servant, and My servant will receive what he asks for. Then, when he (the worshipper) says: Guide us to the straight path, the path of those to whom Thou hast been Gracious not of those who have incurred Thy displeasure, nor of those who have gone astray, He (Allah) says: This is for My servant, and My servant will receive what he asks for. Sufyan said: ‘Ala b. ‘Abd al-Rahman b. Ya’qub narrated it to me when I went to him and he was confined to his home on account of illness, and I asked him about it.
وَحَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏”‏ مَنْ صَلَّى صَلاَةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَهْىَ خِدَاجٌ – ثَلاَثًا – غَيْرُ تَمَامٍ ‏”‏ ‏.‏ فَقِيلَ لأَبِي هُرَيْرَةَ إِنَّا نَكُونُ وَرَاءَ الإِمَامِ ‏.‏ فَقَالَ اقْرَأْ بِهَا فِي نَفْسِكَ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏”‏ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى قَسَمْتُ الصَّلاَةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي نِصْفَيْنِ وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ فَإِذَا قَالَ الْعَبْدُ ‏{‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ‏}‏ ‏.‏ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى حَمِدَنِي عَبْدِي وَإِذَا قَالَ ‏{‏ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ‏}‏ ‏.‏ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى أَثْنَى عَلَىَّ عَبْدِي ‏.‏ وَإِذَا قَالَ ‏{‏ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ‏}‏ ‏.‏ قَالَ مَجَّدَنِي عَبْدِي – وَقَالَ مَرَّةً فَوَّضَ إِلَىَّ عَبْدِي – فَإِذَا قَالَ ‏{‏ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ‏}‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ ‏.‏ فَإِذَا قَالَ ‏{‏ اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ * صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ‏}‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا لِعَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ سُفْيَانُ حَدَّثَنِي بِهِ الْعَلاَءُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْقُوبَ دَخَلْتُ عَلَيْهِ وَهُوَ مَرِيضٌ فِي بَيْتِهِ فَسَأَلْتُهُ أَنَا عَنْهُ ‏.‏
Reference  : Sahih Muslim 395 a
In-book reference  : Book 4, Hadith 41
USC-MSA web (English) reference  : Book 4, Hadith 775
  (deprecated numbering scheme)

oooooooooooooooooooooooo

oooooooooooooooooooooooo

oooooooooooooooooooooooo