Category Archives: Operation Farazi etc

L.R.Farazi ইছলামৰ বাবে এক ভয়ঙ্কৰ কলংক and many on talaq

Rafik Ali চাহেবে লুটফুৰ ৰহমান ফৰেজীৰ নেগুৰত ধৰি থাকিলে সদায় গুমৰাহে হৈ থাকিব।

Rafik/Faraziয়ে একেলগে তিনি তালাকক তিনি তালাক বুলি কবলৈ চেষ্টা কি জালিয়তীৰ আশ্রয় লৈছে।

1]- D’aif হাদিস ব্যৱহাৰ কৰিছে। যিটো গ্রহন যোগ্য নহয়।

Pl.log-on- http://sunnah.com/abudawud/13/25

2]- বুখাৰৰ হাদিসক জাল[maniputate] কৰি জঘণ্য ইছলাম বিৰুধী কাম কৰিছে।তেওঁলোকে উল্লেখ কৰা হাদিস এনে ধৰণৰ-

হযরত নাফে রহ. বলেন,যখন হযরত ইবনে উমর রাঃ এর কাছে ‘এক সাথে তিন তালাক দিলে ‎তিন তালাক পতিত হওয়া না হওয়া’ (রুজু‘করা যাবে কিনা) বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলো,‎তখন তিনি বলেন-“যদি তুমি এক বা দুই তালাক দিয়ে থাকো তাহলে ‘রুজু’ [তথা স্ত্রীকে বিবাহ করা ছাড়াই ফিরিয়ে আনা] করতে পার। ‎কারণ,রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এরকম অবস্থায় ‘রুজু’ করার আদেশ দিয়েছিলেন। ‎যদি তিন তালাক দিয়ে দাও তাহলে স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে, সে তোমাকে ছাড়া অন্য স্বামী গ্রহণ করা পর্যন্ত। {সহীহ বুখারী-২/৭৯২, ২/৮০৩}

ইয়াক মূল হাদিসৰ লগত compare কৰক-

Pl.log-on- http://hadithbd.com/show.php?BookID=1&HadithNo=4946

3]- ইয়াত চালেই গম পাব একেলগে তিনি তালাকযে তিনি তালাক নহয়(Rafik/Faraziএ সুৰা বাকৰাৰ 130নং আয়াত উল্লেখ কৰিছে)। 229,230,231 একেলগে চাওঁক।

Pl.log-on- https://quran.com/2/229-231

L.R.Farazi ইছলামৰ বাবে এক ভয়ঙ্কৰ কলংক।।-sgis-

******    ******    **********

At a time three talaq considered as one,evidence from Quran ,hadith and sahabah ra..video by world known dai Dr.zakir naik:-

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=310753529300387&id=100010972264385

***************************

Prepared by afjal hussain….

Rofik Ali , Iftikhar Nessar , Afreen Sultana☞☞ তালাকের বিধান🅾🅾🅾🅾🅾#সমস্তপ্রসংশা এক আল্লাহর জন্য★#তালাকেরসময়#স্ত্রীগর্ভবতী থাকলে অথবা পবিত্রা থাকলে এবং ঐ পবিত্রতায় কোন সঙ্গম না করে থাকলে এক তালাক দেবে।,,,১আর এর ব্যাপারে দুই ব্যক্তিকে সাক্ষী রাখবে।,,২======================#ইদ্দতের_সময়#অতঃপরস্বামী স্ত্রীকে ঘর থেকে যেতে বলবে না এবং স্ত্রীও স্বামী-গৃহ ত্যাগ করবে না।বরং গর্ভকাল বা তিন মাসিক পর্যন্ত অপেক্ষা করবে।এই ইদ্দতের মাঝে স্ত্রী ভরণ-পোষণও পাবে।মহান আল্লাহ বলেন,(★হে নবী! তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে ইচ্ছা কর তখন ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে তালাক দিও, ইদ্দতের হিসাব রেখো এবং তোমাদের প্রতিপালককে ভয়করো। তোমরা ওদেরকে সবগৃহ হতে বের করো না এবং ওরাও যেনসে ঘর হতে বের না হয়; যদি না ওরা লিপ্ত হয় স্পষ্ট অশ্লীলতায়। এ হল আল্লাহর বিধান, যে আল্লাহর বিধান লঙ্ঘন করে, সে নিজেরই উপর অত্যাচার করে। তুমি জান না, হয়তো আল্লাহ এরপর কোন উপায় বের করে দেবেন,,,৩অতঃপর ভুল বুঝে স্বামীর মন ও মতের পরিবর্তন ঘটলে যদি স্ত্রী ত্যাগ করতে না চায়, তাহলে ইদ্দতের ভিতরেই (তিনমাসিকের পূর্বে পূর্বেই) তাকে ফিরিয়ে নিতে পারে। তবেফিরিয়ে নেবার সময়ও দুই ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিকে সাক্ষীরাখবে।======================#মত_বিনিময়ে_সাক্ষি_রাখাউল্লেখ্য যে, স্ত্রী প্রত্যানীতা করার সময় তার সম্মতি জরুরী নয়।,,৪কিন্তু মন বা মতের পরির্বতন না হলে ও স্ত্রীকে তার জীবন থেকে আরো দূর করতে চাইলে দ্বিতীয় পবিত্রতায় দ্বিতীয় তালাক দেবে এবং অনুরূপ সাক্ষী রাখবে।এরপরও স্ত্রী স্বামীগৃহ ত্যাগ করবে না এবং স্বামীও তাকে বের করতে পারবে না। পরন্তু তাকে উত্যক্ত করে সংকটে ফেলাও বৈধ নয়।,,৫এ ক্ষেত্রে স্ত্রীর উচিৎ, নানা অঙ্গসজ্জা ও বিভিন্ন প্রেম-ভঙ্গিমা প্রদর্শন করে স্বামীর মনকে নিজের দিকে আকর্ষণ করার চেষ্টা করা।এখনও যদি মত পরিবর্তন হয়, তাহলে স্বামী তাকে ফিরিয়ে নিতে পারে। নচেৎ একেবারে চিরতরে বিদায় করতে চাইলে তৃতীয় পবিত্রতায় তৃতীয় তালাক দিয়ে বিবাহ চিরতরে বিচ্ছেদ করবে এবং যথানিয়মে সাক্ষী রাখবে। এরপর স্ত্রী স্বামীগৃহ ত্যাগ করবে, আর তার জন্য কোন ভরণ-পোষণ নেই।,,,৬=====================#তৃতীয়_তালাক_হলে_স্ত্রীহারাম।#তৃতীয়তালাকের পর স্বামী চাইলেও স্ত্রীকে আর ফিরিয়ে আনতে পারে না।নতুন মোহর ও বিবাহ আকদেও নয়। হ্যাঁ, তবে যদি ঐ স্ত্রী সেবচ্ছায় দ্বিতীয় বিবাহ করে, স্বামী-সঙ্গম করে এবং সে স্বামী সেবচ্ছায় তালাক দেয় অথবা মারা যায়, তবে ইদ্দতের পর পুনরায় প্রথম স্বামী নব-বিবাহ-বন্ধনেঐ স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে পারে। এর পূর্বে নয়।,,৭======================#পাতানো_বিবাহ_নিষেধ#এক্ষেত্রে পরিকল্পিতভাবে যদি কেউ ঐ নারীকে তার স্বামীর জন্য হালাল করার উদ্দেশ্যে বিবাহ ক’রে ২/১ রাত্রি সহবাস ক’রে তালাক দেয়, তবুও পূর্ব স্বামীর জন্য সে বৈধ হবে না।কারণ, এ কাজ পরিকল্পিতভাবেই করা হয় এবং স্ত্রীও অনেক ক্ষেত্রে এ কাজে রাজী থাকে না।পরন্তু হাদীস শরীফে এই হালালকারী দ্বিতীয় স্বামীকে ‘ধার করা ষাঁড় ও অভিশপ্ত বলা হয়েছে।’৮======================
… continue ..

Rofik Ali , Iftikhar Nessar, Afreen Sultana, #দ্বীতিয়_তালাকে_ফিরত_নিলেআক্বদ ও মোহরানা ধার্য করা।#পক্ষান্তরেএক অথবা দুই তালাক দেওয়ার পর ফিরিয়ে না নিলে এবং তার বাকী ইদ্দত তালাক না দিয়ে অতিবাহিত হলে স্ত্রী হারাম হয়ে যায় ঠিকই;কিন্তু তারপরেও যদি স্বামী-স্ত্রী পুনরায় সংসার করতে চায়, তবে নতুন মোহর দিয়ে নতুনভাবে বিবাহ (আক্দ) পড়ালে এই পুনর্বিবাহে উভয়ে একত্রিত হতে পারে। আর এ ক্ষেত্রে ঐ শাস্তি নেই।কিন্তু পূর্বে যে এক অথবা দুই তালাক সে ব্যবহার করেছে,তা ঐ স্ত্রীর পক্ষে সংখ্যায় গণ্য থাকবে। সুতরাং দুই তালাক দেওয়ার পর ফিরিয়ে নিয়ে থাকলে বা ইদ্দত পার হয়ে যাওয়ার পর পুনর্বিবাহ করে থাকলে সে আর একটিমাত্র তালাকের মালিক থাকবে।আর একটিবার তালাক দিলে স্ত্রী এমন হারাম হবে যে, সে দ্বিতীয় বিবাহের স্বামী তাকে সেবচ্ছায় তালাক না দিলে বা মারা না গেলে পূর্ব স্বামী আর তাকে (বিবাহের মাধ্যমে) ফিরে পাবে না।======================#তিন_ইদ্দতে_তিন_তালাকইসর্বচ্চ মেয়াদ#অতএবসারা জীবনে একটি স্ত্রীর ক্ষেত্রে স্বামী মাত্র ৩ বার তালাকেরই মালিক হয়।১০ বছর পর পর ৩ বার তালাক দিলেও শেষ বারে পূর্ব অবস্থা ছাড়া আর ফিরিয়ে নিতে বা পুনর্বিবাহ করতে পারেনা।৯=====================অবশ্য দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করার পর তালাক বা মৃত্যুর কারণে ইদ্দতের পর প্রথম স্বামী যখন নতুন মোহর সহ পুনর্বিবাহ করে, তখন আবার সে নতুন করে­ই তিন তালাকের মালিক হয়।১০======================#অভিভাবকের_বাধা_দেওয়াউচিত নয়#তালাকপ্রাপ্তানারী যদি বিধিমত তার স্বামীকে পুনর্বিবাহ করতে চায় বা অন্য স্বামী গ্রহণ করতে চায়, তবে কোন স্বার্থ, রাগ বা বিদ্বেষবশতঃ তাকে এতে বাধা দেওয়া তার অভিভাবকের জন্য বৈধ নয়।#মহানআল্লাহ বলেন,﴿وَإِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَبَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَلاَ تَعْضُلُوهُنَّ أَنْ يَنْكِحْنَ أَزْوَاجَهُنَّ إِذَا تَرَاضَوْا بَيْنَهُمْ بِالْمَعْرُوفِ﴾‘‘আর তোমরা যখন স্ত্রী বর্জন কর এবং তারা তাদের ইদ্দতকাল অতিবাহিত করে তখন তাদেরকে তাদের স্বামী গ্রহণ করতে বাধা দিও না; যদি তারা আপোসে খুশীমত রাজী হয়ে যায়।,,,১১======================#মাসিক_অবস্থায়_তালাক_নিষেধ,,#স্ত্রীরমাসিকাবস্থায় তালাক দিলে স্বামী গোনাহগারহবে এবং সে তালাক গণ্য হবে না।পবিত্রাবস্থায় তালাক দিলেই তবে তা গণ্য হবে। স্ত্রীর মাসিকের খবর না জেনে তালাক দিলে গোনাহগার হবে না এবং তালাকও নয়। পক্ষান্তরে জেনে-শুনে দিলেই গোনাহগার হবে।১২======================#এক_মজলিসে_তিন_তালাকহারাম#অনুরূপএক মজলিসে তিন তালাক হারাম।সুতরাং যদি কেউ তার স্ত্রীকে লক্ষ্য করে ‘তোমাকে তালাক, তালাক, তালাক, অথবা ‘তোমাকে তিন তালাক’ বলে বা এর অধিক সংখ্যা উল্লেখ করে, তবে তা কেবল এক তালাকই গণ্য হবে।এইভাবে এক সঙ্গে তিন তালাক দেওয়ার পর ভুল বুঝে পুনরায় যথারীতি ইদ্দতে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে চাইলে বা ইদ্দতের পর যথানিয়মে পুনর্বিবাহ করতে কোন বাধা নেই।১৩কিন্তু অনুরূপ তিনবার করে থাকলে পূর্বোক্ত নিয়মানুযায়ী চাইলে পুনঃ সংসার করতে পারে। নচেৎ না।অনিয়মে তালাক দেওয়া আল্লাহর নির্ধারিত সীমালঙ্ঘন করার অন্তর্ভুক্ত।,,,১৪সুতরাং সময় ও সংখ্যা বুঝে তালাক দেওয়া তালাকদাতার জন্য ফরয।====================== … continue. .

Rofik Ali Iftikhar Nessar Afreen Sultana
#অমুককাজ করলে, অমুক জায়গায় গেলে তালাক#যদিস্বামী তার স্ত্রীকে বলে ‘যদি তুমি অমুক কাজ কর বা অমুক জায়গায় যাও, তাহলে তোমাকে তালাক’ এবং এই বলাতে যদি সত্য সত্যই তালাকের নিয়ত থাকে,তবে এমন লটকিয়ে রাখা তালাক স্ত্রীর ঐ কাজ করার সাথে সাথে গণ্য হয়ে যায়।অবশ্য তালাকের নিয়ত না থেকে যদি স্ত্রীকে ভয় দেখিয়ে কেবল ঐ কাজে কঠোর নিষেধ করাই উদ্দেশ্য থাকে, তাহলে তালাক গণ্য হবে না।তবে স্ত্রীর ঐ কাজ করার পর স্বামীকে কসমের কাফ্ফারা লাগবে।,১৫অনুরূপ তালাকের উপর কসম খেলেও। যেমন যদি কেউ তার ভাইকে বললে, ‘তুই যদি এই করিস, তাহলে আমার স্ত্রী তালাক’ বা ‘আমি যদি তোর ঘর যাই, তাহলে আমার স্ত্রী তালাক’, তবে এ ক্ষেত্রেও নিয়ত বিচার্য।তালাকের প্রকৃত নিয়ত হলে তালাক হবে; নচেৎ না। তবে কসমের কাফ্ফারা অবশ্যই লাগবে। অনুরূপ তর্কের সময়ও যদি কেউ বলে ‘এই যদি না হয় তবে আমার স্ত্রী তালাক’ অথচ বাস্তব তার প্রতিকূল হয়, তাহলে ঐ একই বিধান প্রযোজ্য।তবে তালাক নিয়ে এ ধরনের খেল খেলা স্বামীর জন্য উচিৎ নয়।,,১৬======================#কি_করলেতালাক গন্য হবেনা#কেউযদি স্বামীকে তালাক দিতে বাধ্য করে, তবে এই জোরপূর্বক অনিচ্ছাকৃত তালাক গণ্য নয়। অনুরূপ নেশাগ্রস্ত মাতালের তালাক।১৭চরম রেগে হিতাহিত জ্ঞানহীন ক্রুদ্ধ ব্যক্তির তালাক।১৮ভুল করে তালাক, অতিশয় ভীত-বিহ্বল ব্যক্তির তালাক গণ্য নয়।,,১৯মরণ-শয্যায় শায়িত স্বামী তার মীরাস থেকে স্ত্রীকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে তালাক দিচ্ছে বলে জানা গেলে তাও ধর্তব্য নয়।সুতরাং সে তার ওয়ারেস হবে এবং স্বামী-মৃত্যুর ইদ্দত পালন করবে।২০======================#তালাক_নিয়ে_মজা_করতে_নেই,,#স্বামীতালাকের ব্যাপারে স্ত্রীকে এখতিয়ার দিলে এবং স্ত্রী তালাক পছন্দ করলে তালাক হয়ে যাবে।বিবাহ ও তালাক নিয়ে কোন ঠাট্টা-মজাক নেই। মজাক করেও স্ত্রীকে তালাক দিলে তা বাস্তব।২১বিবাহ প্রস্তাবের পর কোন মনোমালিন্য হলে স্বামী তার বাগদত্তা স্ত্রীর উদ্দেশ্যে যদি তালাক বা হারাম বলে উল্লেখ করে, তবে তা ধর্তব্য নয়। অবশ্য বিবাহের পর তাকে কসমের কাফ্ফারা লাগবে।,,,,২২তালাকের খবর স্ত্রী না পেলেও তালাক গণ্য হবে।,,২৩আল্লাহ, তাঁর রসূল বা দ্বীনকে স্বামী গালি দিলে স্ত্রী তালাক হয়ে যাবে। ফিরে নিতে চাইলে তওবা করে নতুন মোহরে পুনর্বিবাহ করতে হবে।,,২৪চিঠির মাধ্যমে তালাক দিলে তা গণ্য হবে। অনুরূপ বোবা যদি ইঙ্গিতে তালাক দেয় তবে তাও গণ্য। অবশ্য লিখতে জানলে তার ইঙ্গিত গণ্য নয়।,,,২৫======================
.. continue. .

এতিয়া দলীল বিলাক চাই লওক

☞☞ ১,,,,,,(বুখারী,মুসলিম)২,,,,(সূরা আত্-ত্বলাক (৬৫) : ২, সআবু দাঊদ ১৯১৫নং)৩,,,(আলকুরআন কারীম ৬৫/১)৪,,(মাজাল্লাতুলবহুসিল ইসলামিয়্যাহ ৯/৬৬)৫,,,(সূরা আত-ত্বলাক্ব (৬৫) : ৬)৬,,,(ফিকহুস সুন্নাহ ২/১৬৭)৭,, (সূরা আল-বাক্বারা (২ ) : ২৩০)৮,, (ইরঃ ৬/৩০৯, ইবনে মাজাহ ১৯৩৬নং, মিশকাতুল মাসাবীহ ৩২৯৬নং)৯,,,(ফিকহুস সুন্নাহ ২/২৪৭)১০,,,(ফিকহুস সুন্নাহ ২/২৪৯)১১,,(সূরা আল-বাক্বারাহ (২) : ২৩২)১২,,,(ফাতাওয়াল মারআহ ৬৩-৬৪ পৃঃ)১৩,,,(মাজাল্লাতুল বহুসিল ইসলামিয়্যাহ ৩/১৭১-১৭৩, ২৬/১৩৩, তুহফাতুল আরূস, ১৪৮ ও ২২৮ পৃঃ)১৪,,, (সূরা আল-বাক্বারা (২) ; ২২৯, ৬৫/১)১৫,,,(মাজাল্লাতুল বহুসিল ইসলামিয়্যাহ ৫/৯৪)১৬,,, (কিতাবুদ দাওয়াহ২/২৪২, ফাতাওয়া ইবনে উসাইমীন ২/৭৯১)১৭,,(মাজাল্লাতুল বহুসিল ইসলামিয়্যাহ ৩২/২৫২)১৮,,, (মাজাল্লাতুল বহুসিল ইসলামিয়্যাহ ১৬/৩৪৭, ২৬/১৩৩)১৯,, (ফিকহুস সুন্নাহ ২/২২১)২০,,, (ফিকহুস সুন্নাহ ২/২৪৯)২১,,(ইরুওয়াউল গালীল ১৮২৬নং)২২,,,(মাজাল্লাতুল বহুসিল ইসলামিয়্যাহ ৯/৫৮, আল-ফাতাওয়া আল- ইসলামিয়্যাহ ২/৭৮৭)২৩,,,(ফাতাওয়া ইবনে উসাইমীন ২/৮০৪)২৪,,(ফাতাওয়া ইবনে উসাইমীন ২/৭৮৩)২৫,,,,(ফিকহুস সুন্নাহ ২/২২৯)end this.

**************************

Apuni aitur answer diok.
“O you who believe! when you
marry the believing women,
then divorce them before you
touch them, you have in their
case no term which you should
reckon; so make some
provision for them and send
them forth a goodly sending
forth.”
— Qur’an, Sura 33 (Al-Ahzab),
ayat 49
👆there are many verses of Quran on divorce. But I have a question on above verse. If someone divorce her wife before touching her then there is no period of iddah. That means she can marry another person after divorce instantly. Now my question is that, how does this type of divorce occur? Three talak in one sitting? Or one talak in one month?
explaination..
http://www.islamicstudies.info/tafheem.php?sura=33&verse=49&to=50

 

 

[4]-OPERATION FARAZI-[by-sgis]

[4]-OPERATION FARAZI-[by-sgis]-
++++++++++++++++++++++++++
Sub:- Rafee-yadin.
বাংলাৰ ধূৰন্ধৰ মিছলীয়া মুফতি লুতফুৰ ফৰায়েজীয়ে কৈছেযে ৰাসুলে(সাঃ) অভ্যাগত ভাবেই ৰফউল ইয়াদায়েন বাদ দিছিল, আৰু তেওঁ(সাঃ)সাহাবিসকলক কৈছিল “তোমালোকে বনৰীয়া ঘোঁৰাৰ(headstrong horses) নেজৰ দৰে ৰফউল ইয়াদায়েন কিয় কৰিছা , সালাতত এনেধৰণৰ আৰু নকৰিবা।

–ফাৰাযিয়ে কিন্তু ছহী-মুছলীমৰ-৮৫২ হাদিছেৰে মানুহক ৰাসুলে(সাঃ)অভ্যাগত ভাবেই ৰফউল ইয়াদায়েন বাদ দিছিল,তাক প্রতিপন্ন কৰিছে।[হাদিছটো চাওঁক-
http://hadithbd.com/show.php?BookID=2&HadithNo=852
http://sunnah.com/muslim/4/130 ]

–এইটো দেখা/শুনাৰ পিছত সাধাৰণ মানুহটো বাদেই আমাৰ ছহী হাদিছৰ জ্ঞান নথকা দেওবন্দীৰ আলিমৰো উল্লাখিতহৈ ফাৰাযৰ শৰণাপন্ন হব।
+++++++++++++++++++++++++++++++++++
+++++++++++++++++++++++++++++++++++
OPERATION:- OPERATION:- OPERATION:-

–লুতফুৰ ফাৰাযিৰ এইটো প্রকাশ্য মিছা অপবাদ দিয়া হল ৰাসুল(সাঃ)ৰ প্রতি; কাৰণ তেওঁ(সাঃ)কেতিয়াও ৰুকুৰ সময়ত ৰফউল ইয়াদায়েনক ঘোঁৰাৰ নেজৰ দৰে উঠা-নমা কৰাৰ কথা কোৱা নাই আৰু সাহাবিসকলেও কোনোৱেই এইকথা কোৱা নাই আৰু এনে কৰাও নাছিল।

তেনেহলে ৰাসুল(সাঃ)ৰ ওপৰত অপবাদ আৰু হাদিসকলৈ কৰা জালিয়াতিৰ বাবে লুতফুৰক কি ধূৰন্ধৰ মিছলীয়া মুফতি কোৱা নেযাবনে?
ধূৰন্ধৰটোৱে সহীহ মুসলিম (ইফাঃ)ৰ ৮৫৩,৮৫৪,৮৫৫এই হাদিসকেইটা গোপন কৰি লেকছৰ মাৰিছে।৮৫৩ নংত ৮৫২নংৰ হাদিসটোক(সালাম ফিরাতাম, হাত দিয়ে ইশারা করে বলতাম, ‘আসসালামু আলাইকুম’) স্পস্ট কৰা হৈছে। তলত মন কৰক আৰু লিংক চাওঁক।

–“বইঃ সহীহ মুসলিম (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ৪/ কিতাবুস স্বলাত, হাদিস নম্বরঃ ৮৫৩
জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাত (নামায/নামাজ) পড়েছি। আমরা যখন সালাম ফিরাতাম, হাত দিয়ে ইশারা করে বলতাম, ‘আসসালামু আলাইকুম’। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দৃষ্টি আকর্ষন করে বললেনঃ কি ব্যাপার তোমরা হাত দিয়ে ইশারা করছ- মনে হচ্ছে যেন দুষ্ট ঘোড়ার লেজ। তোমাদের কেউ যখন সালাম করে সে যেন তার সাথের লোকের দিকে ফিরে সালাম করে এবং হাত দিয়ে ইশারা না করে”।
লিংকঃ-
http://hadithbd.com/show.php…
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

–লুতফুৰ ফাৰাযিয়ে কেনেকৈ মানুহক গুমৰাহ বনাইছে নিজেই চাওঁক।।
https://youtu.be/PJFtHFhwD7w
examined and compiled by-sgis-

[3]-OPERATION FARAZI-[by-sgis]

[3]-OPERATION FARAZI-[by-sgis]
……………………………………………….
(A)প্রশ্নোত্তৰত লুতফুৰ ফৰায়েজীঃ-

লুতফর ফারায়েজীর মূর্খতার পরিচয়ঃ ”নামায আদায়ের পদ্ধতিতে পুরুষ এবং মহিলার পার্থক্য আছে”!

……………………………………………….

(B)Operation-by-লুতফর ফারায়েজীর মূর্খতার জবাব দিচ্ছেন বিশ্ববিখ্যাত ইসলামিক স্কলারগণ!!

Link- http://sgi-qhmadinah.blogspot.in/2016/09/blog-post.html

[2]-OPERATION FARAZI-[by-sgis]

[2]-OPERATION FARAZI-[by-sgis]
……………………………………………….
(A)প্রশ্নোত্তৰত লুতফুৰ ফৰায়েজীঃ-
সহীহ হাদীস হলেই সেটি আমার মাযহাব?
উপরোক্ত বক্তব্যের ক্ষেত্রে আমাদের কয়েকটি কথা। যথা-

উক্ত কথাটি ইমামগণ বলেছেন, মর্মে ইমামগণ পর্যন্ত কোন বিশুদ্ধ সনদ কি কোন লা-মাযহাবী দেখাতে পারবে?
আর বিশুদ্ধ সনদ ছাড়া কথা কি তারা গ্রহণ করে? তাহলে এ কথা নিয়ে কেন এত লাফালাফি?

উক্ত কথাটিকে লা-মাযহাবী বন্ধুগন যেভাবে ব্যবহার করেন, সেই অর্থে কোন বিজ্ঞ ব্যক্তি উক্ত আহমকী কথা বলতেই পারেন না। কারণ হাদীস বিশুদ্ধ হলেই সেটি কারণ পথ বা মাযহাব হয়ে যেতে পারে না।
[link- http://sgi-qhmadinah.blogspot.in/2016/…/ans-by-farazi_5.html ]
——————————————————-
(B)Operation-by-sgis

All Four Imam said follow the Qur’an and Sunnah.
All the four great Imams said that if any of their Fatwas or teachings contradict Allah’s word, i.e. the Qur’an, or the sayings of the Prophet (pbuh) i.e. authentic Hadith, then that particulars Fatwa of theirs should be rejected, and the Sunnah of the Prophet should be followed.
Refer:
a. Eeqaadh al-Himam, Al Fulaanee (Imam Abu Hanifa)
b. Al-Majmoo’ of an-Nawawee (1/63) (Imam Shafi)
c. Jaami ‘Bayan al-Ilm, Ibn Abdul-Barr (Imam Malik)
d. Eeqaadh al-Himam (Imam Hanbal)
[ link- http://sgi-qhmadinah.blogspot.in/…/all-four-imam-said-follo… ]

[1]-OPERATION FARAZI-[by-sgis]

[1]-OPERATION FARAZI-[by-sgis]
……………………………………………….
(A)প্রশ্নোত্তৰত লুতফুৰ ফৰায়েজীঃ-
…………………………….
লা-মাযহাবীরা বলেন, মুক্তাদী সূরা ফাতিহা না পড়লে তার নামায হবে না, কিন্তু মুক্তাদী যদি সূরা ফাতিহার পর সূরা না মিলায় তাহলে তার নামায হয়ে যাবে।তখন ইমাম যে সূরা মিলাবে, তা মুক্তাদীর পক্ষ থেকে হয়ে যাবে।
আমরা বলি মুক্তাদীর কোন কিরাতই পড়তে হবে না। কারণ ইমামের কিরাতই মুক্তাদীর কিরাত। ইমাম সূরা ফাতিহার পর বাকি সূরা মিলালে যেমন তা মুক্তাদীর পক্ষ থেকে হয়ে যায়, তেমনি সূরা ফাতিহা পড়লেও তা মুক্তাদীর পক্ষ থেকে হয়ে যাবে। মুক্তাদীর আলাদাভাবে সূরা ফাতিহা ও পড়তে হবে না, সেই সাথে অতিরিক্ত সূরাও মিলাতে হবে না।[link- http://ahlehaqmedia.com/4937-2/ ]
………………………….
(B)Operation-by-sgis.
–ফৰায়েজী চাহাবে ছুৰা ফাতেহাক কিৰাত হিচাবে ধৰিলৈ উত্তৰ দিছে, যদিও ছুৰা ফাতেহাক আল্লাহ তা’লাই special Categoriesত ৰাখিছে। যিটো ফৰায়েজীয়ে সাংঘাতিক ভুল কৰি সম্পূর্ণ ছালাতকেই নষ্ট কৰি মানুহবোৰক গুনাহগাৰ কৰিছে।
–আমাৰ কথাৰ সঁচা-মিছা নিজেই পৰীক্ষা কৰক। অথবা দলিল ভিত্তিত মিছা বুলি প্রমাণ কৰক।
আমাৰ দলিলঃ-
1-A]-http://sunnah.com/abudawud/2/431 [sahih hadith]
1-B]-http://hadithbd.com/show.php?BookID=4&HadithNo=821
2-মুসলিম হা/৭৭৬, আবুদাউদ হা/৮২১, মিশকাত হা/৮২৩ ‘সালাতে কিৰায়াত’ অনুচ্ছেদ-১২