Category Archives: Masail section

যে ব্যক্তি রসুন কিংবা পেঁয়াজ খাবে, সে যেন আমাদের থেকে দূরে থাকে:রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

আস্ সালামু আলাইকুম🌍
📇বিষয়:কাঁচা পেঁয়াজ খেয়ে মসজিদে যাওয়ার সম্পর্কে 👓👓👓👇👇👇🌍🌍🌍👈👇

(১৫. পেঁয়াজ-রসুন কিংবা দুর্গন্ধযুক্ত বস্তু খেয়ে মসজিদে গমন)

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَٰبَنِيٓ ءَادَمَ خُذُواْ زِينَتَكُمۡ عِندَ كُلِّ مَسۡجِدٖ﴾ [الاعراف: ٣١]
“হে বনু আদম! তোমরা প্রতি সালাতের সময় তোমাদের সৌন্দর্যকে ধারণ কর” [সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ৩১] [অর্থাৎ তোমরা পোশাক পরিধান কর ও শালীন পরিবেশ বজায় রাখ। কিন্তু দুর্গন্ধ পরিবেশকে কলুষিত করে তোলে।]

জাবির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«مَن أَكلَ ثوماً أو بصَلاً فليعتَزِلْنا، أو قالَ: فليَعتزلْ مسجدَنا، وليقعُدْ في بيتهِ، وفي روايةٍ: فلا يَغشانا في مساجدِنا».
“যে ব্যক্তি রসুন কিংবা পেঁয়াজ খাবে, সে যেন আমাদের থেকে দূরে থাকে। অথবা তিনি বলেছেন, সে যেন আমাদের মসজিদ থেকে দূরে থাকে এবং নিজ বাড়ীতে বসে থাকে”।(সহীহ বুখারী; সহীহ মুসলিম; মিশকাত, হাদীস নং ৪১৭৯।)

সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে,
«مَنْ أَكَلَ مِنْ هَذِهِ الْبَقْلَةِ، الثُّومِ – وقَالَ مَرَّةً: مَنْ أَكَلَ الْبَصَلَ وَالثُّومَ وَالْكُرَّاثَ فَلَا يَقْرَبَنَّ مَسْجِدَنَا، فَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ تَتَأَذَّى مِمَّا يَتَأَذَّى مِنْهُ بَنُو آدَمَ»
“যে ব্যক্তি পেঁয়াজ, রসুন ও কুর্রাছ[কুর্রাছ এক প্রকার গন্ধযুক্ত সব্জি।] খাবে, সে যেন কখনই আমাদের মসজিদ পানে না আসে। কেননা বনী আদম যাতে কষ্ট পায় ফিরিশতারাও তাতে কষ্ট পায়”।(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৬৪।)

উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু একদা জুমু‘আর খুৎবায় বলেছিলেন, হে লোক সকল! তোমরা দু’টি গাছ খেয়ে থাক। আমি ঐ দু’টিকে কদর্য ছাড়া অন্য কিছু মনে করি না। সে দু’টি হচ্ছে পেঁয়াজ ও রসুন। কেননা আমি রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি,
«إِذَا وَجَدَ رِيحَهُمَا مِنَ الرَّجُلِ فِي الْمَسْجِدِ، أَمَرَ بِهِ فَأُخْرِجَ إِلَى الْبَقِيعِ، فَمَنْ أَكَلَهُمَا فَلْيُمِتْهُمَا طَبْخًا»
“কারো মুখ থেকে তিনি এ দু’টির গন্ধ পেলে তাকে মসজিদ থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দিতেন। ফলে তাকে বাক্বী‘ গোরস্থানের দিকে বের করে দেওয়া হতো। সুতরাং কাউকে তা খেতে হলে সে যেন পাকিয়ে খায়”।(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৬৭।)

অনেকেই কাজ-কর্ম শেষে হাত-মুখ ধোয়ার আগেই মসজিদে ঢুকে পড়ে। এদিকে ঘামের জন্য তার বগল ও মোজা দিয়ে বিশ্রী রকমের গন্ধ বের হতে থাকে। এ ধরনের লোকও উক্ত বিধানের আওতায় পড়বে।
আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট হল ধূমপায়ীরা। তারা হারাম ধূমপান করতে করতে মুখে চরম দুর্গন্ধ জন্মিয়ে নেয়। এ অবস্থায় মসজিদে ঢুকে তারা আল্লাহর মুসল্লী বান্দা ও ফিরিশতাদের কষ্ট দেয়।
———————-
Harun Rashid

তাস ও দাবা খেলা বৈধ কি?

strick on photo=

ch

যুহায়র ইবন হারব (র)……বুরায়দা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সা) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নরদশীর (পাশা) খেলা খেলল, সে যেন তার হাত শুকরের মাংস ও রক্তে রঞ্জিত করল ।

সহিহ মুসলিম :: বই ২৮ :: হাদিস ৫৬১২

দুনিয়ার সবকিছু পাক, সেইগুলো ছাড়া যেইগুলোকে কুরআন ও হাদীসে নাপাক বলে ঘোষণা করা হয়েছে

বাজার থেকে নতুন পোষাক কিনে সেটা দিয়ে নামায পড়া যাবে?

“”””””””””

বাজার থেকে নতুন পোষাক কিনে সেটা দিয়ে নামায পড়া যাবে, কারণ সেটা পাক। কোন কিছু নাপাক বলতে হলে সেটার জন্য প্রমান থাকতে হবে, দুনিয়ার সবকিছু পাক, সেইগুলো ছাড়া যেইগুলোকে কুরআন ও হাদীসে নাপাক বলে ঘোষণা করা হয়েছে। আর এমনিভাবে যেকোন স্থান বা মাটিতে নামায পড়া জায়েজ ও পাক, যদিনা সেই জায়গায় স্পষ্ট কোনো নাপাকী চোখে পড়ে। অহেতুক সন্দেহ বা ধারণা থেকে কোনো কিছুকে হারাম বা নাপাক বলার অধিকার কারো নাই। তবে হ্যা, কোন একটা কিছু সন্দেহ হলে বা পছন্দ না হলে আর এর পরিবর্তে সন্দেহমুক্ত কিছু থাকলে সেটাই গ্রহন করা উত্তম।

আর খাবার জিনিস সবকিছু হালাল, শুধুমাত্র সেইগুলো ছাড়া যেইগুলোকে কুরআন ও হাদীসে হারাম বলে ঘোষণা করা হয়েছে। হারাম জিনিসের মাঝে রয়েছে – মদ, শূকর, রক্ত, মৃত প্রাণী, হিংস্র প্রাণী ইত্যাদি এমন। এছাড়া সব হালাল। ব্যতিক্রম হচ্ছে মাছ ও আরব দেশের একপ্রকার ঘাসফড়িং (Locust) আছে যেটা খাওয়া হালাল – এইগুলো মৃত হলেও খাওয়া যায়। কেউ যদি কোনটাকে হারাম/মাকরুহ বলতে চায়, তাহলে আমাদেরকে সেটা যে হালাল তার জন্য দলীল পেশ করতে হবেনা, বরং কেউ যদি হারাম/মাকরুহ বলতে চায় – তাহলে তার সেই কথার দলীল দিতে হবে কুরআন ও হাদীস থেকে। কোনো ইমাম বা আলেম, কোন মাযহাব, কোন বুজুর্গ কোনো কিছুকে হারাম/মাকরুহ সাব্যস্ত করতে পারেনা, কুরআন ও হাদীসের দলীল ছাড়া।

এই বিষয়ে সুন্দর একটা উদাহরণ হচ্ছে চিংড়ি মাছ। যদিও চিংড়ি কোন মাছ না, এটা একটা Arthropoda প্রাণী, কিন্তু যেহেতু মানুষ এটাকে খাদ্য হিসেবে খায় আর কুরআন ও হাদীসে কোথাও এটা খাওয়া যাবেনা – এই কথা বলা নাই – সুতরাং এটা খাওয়া সম্পূর্ণ হালাল। অনেকে বিশেষ করে হানাফী মাযহাবের কিছু লোক বলে – এটা মাকরুহ বা আপছন্দনীয় – এই কথার দলীল নেই, তাই আমরা এটাকে হালাল বলেই মনে নেব, মাকরুহ বা আপছন্দনীয় বলবোনা।

ইমামের ইক্তিদা প্রসংগে জরুরী কিছু কথাঃ

03

ইমামের ইক্তিদা প্রসংগে জরুরী কিছু কথাঃ
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি (ক) আমাদের ন্যায় সালাত আদায় করে, (খ) আমাদের ক্বিবলাহমুখী হয় আর (গ) আমাদের যবেহ করা প্রাণী খায়, সে ব্যক্তি একজন মুসলিম, যার জন্য আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যিম্মাদার। সুতরাং তোমরা আল্লাহর যিম্মাদারীতে বিশ্বাসঘাতকতা করো না।”
সহীহুল বুখারী। তাওহীদঃ ৩৯১, আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৪।
হাদীসে বর্ণিত এই তিনটি শর্ত পূরণ করে, এমন যেকোন মুসলিম ব্যক্তির ইমামতিতে সালাত আদায় করা জায়েজ। সুতরাং হানাফীদের ইমামতিতে কোন আহলে হাদীসের এবং, আহলে হাদিসের ইমামতিতে কোন হানাফী সালাত আদায় করতে পারবে, এ ব্যপারে কোন ইখতিলাফ নেই। তবে মুসলিম দাবীদার কোন ব্যক্তি যদি স্পষ্ট কোন শিরকি বা কুফুরী আকীদাহ রাখে বা এমন কোন কাজে লিপ্ত হয়, তাহলে তার পেছনে সালাত আদায় করা শুদ্ধ নয়। কিছু স্পষ্ট শিরকি কুফুরী আকিদাহর নমুনা নিচে দেওয়া হলো।
(১) যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআ’লা আরশের উর্ধে, এই কথাকে অস্বীকার করে এবং আক্ষরিক অর্থেই বিশ্বাস করে যে আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান। অর্থাৎ, মহাবিশ্বের সর্বত্র এবং সবকিছুর মাঝেই আল্লাহ আছেন। নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক, শিরকি আকিদাহ।
শায়খ আব্দুল আ’জিজ বিন বাজ রাহিমাহুল্লাহ বলেন, “যে ব্যক্তি বলে যে, আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান অথবা, যে আল্লাহ সবকিছুর উর্ধে এ কথাকে অস্বীকার করে, সে ব্যক্তি কাফির। কারণ, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের কথাকে মিথ্যা বলেছে এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামআ’তের ইজমাকে অস্বীকার করেছে।”
(২) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম নূরের তৈরী। নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক, কুফুরি আকিদাহ।
(৩) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম গায়েব জানেন। নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক, শিরকি আকিদাহ।
শায়খ মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-উসায়মিন রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
“যে ব্যক্তি এই বিশ্বাস করবে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর নূর (বা আল্লাহর যাতী নূর) মানুষ নন, তিনি গায়েবের খবর জানেন, সে আল্লাহ এবং রাসূলের সাথে কুফরী করল। সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের দুশমন, বন্ধু নয়। কেননা তার কথা আল্লাহ ও রাসূলকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল, সে কাফের।”
শায়খ আরো বলেছেন, “যে ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম-কে নূরের তৈরী বলে বিশ্বাস করে, তাকে ইমাম নিয়োগ করা এবং তার পিছনে সালাত আদায় করা জায়েজ নয়।”
ফতোয়া আরকানুল ইসলাম, ঈমান অধ্যায়, প্রশ্ন নং-৪৭।
(৪) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম রিফায়ী নামক একজন বিদ’আতী সূফীর জন্যে কবর থেকে হাত বের করে দিয়েছিলেন। এটা তাবলিগ জামাতের কিতাব “ফাজায়েলে হজ্জে” লিখা আছে।
এ ব্যপারে সম্মানিত মুফতিরা উল্লেখ করেছেন, “যে ইমাম এই কাহিনী বিশ্বাস করে তার পেছনে সলাত আদায় করা জায়েজ হবে না, কারণ তিনি তাঁর আক্কিদাগত দিক দিয়ে খাঁটি মুসলিম নন এবং তিনি কুসংস্কারে বিশ্বাস করেন।”
ফাতাওয়া লাজনাহ দাইমাহ, ফতোয়া নং- ২১৪১২, খণ্ড- ২, পৃষ্ঠা- ২৮২-২৮৪।
(৫) হুসাইন আহমাদ মাদানির ডাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম কবর থেকে উঠে এসেছিলেন। এটা হাটহাজারি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল এবং হেফাজতে ইসলামের প্রধান, আহমাদ শফী তার কিতাব “ইরশাদাতে মুরশিদীতে” লিখেছেন।
(৬) মানসুর হাল্লাজ, বায়েজীদ বুস্তামীদের হুলুল, আনাল হক্ক্, ওহদাতুল ওজুদের মতো শিরকি আকিদায় যারা বিশ্বাসী এবং তাদেরকে আল্লাহর ওয়ালী মনে করে।
(৭) যারা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর সম্মানিত সাহাবিদেরকে বা কোন একজন সাহাবীকে গালি-গালাজ করে, তাঁদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করে, এটা একটা কবীরাহ গুনাহ। যদিও এটা শিরক বা কুফুরী নয়, তবে শায়খ ওয়াসী উল্লাহ আব্বাস হা’ফিজাহুল্লাহ এমন ফাসেক ইমামদেরকে বর্জন করতে উপদেশ দিয়েছেন। বিশেষ কিছু রাজনৈতিক দলের মুকাল্লিদরা আমীরে মুয়াবিয়া, আমর ইবনে আস রাদিয়াল্লাহু আ’নহুমা কে গালি দেয়, এমনকি শায়খ নিজে মসজিদুল হারামে এই জঘন্য কাজে লিপ্ত হতে দেখেছেন কিছু জাহিলকে, তাদের ব্যপারে আলোচনা প্রসংগে শায়খ এই কথা বলেছিলেন।

[তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অভিমূখী হও এবং তাঁর আজ্ঞাবহ হও]

+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

কামেন্তঃ-

Habibur Rahman সাওক আমি আপনাকে অনেক ভাল বাসি। আমরা যারা ঢাকাতে থাকি।আমাদের বাসাই আলাদা ওযু খানা নাই তাই টইলেটের বেসিনে দাড়িয়ে ওযু করতে হয়।এতে আমার খুব খারাপ লাগে। আমার ওযু কি হয়?

Like · Reply · 2 · 6 hrs
তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অভিমূখী হও এবং তাঁর আজ্ঞাবহ হও
তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অভিমূখী হও এবং তাঁর আজ্ঞাবহ হও আল্লাহ আপনাকেও ভালোবাসুন, বসে করা সম্ভব না হলে দাঁড়িয়ে ওযু করলে ওযু হবে ইন শা আল্লাহ

Like · Reply · 1 · 2 hrs
রফিক উদ্দিন
রফিক উদ্দিন ভাই, আপনার কিছু কিছু পোস্ট আমার মাথা ধরিয়া দে।

তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অভিমূখী হও এবং তাঁর আজ্ঞাবহ হও
Iqbal Khan
Iqbal Khan Tor proman thak tor kache! toder jonno aj joto sob gondogol! kno bose esob debate koris na!

Hasan Ali
Hasan Ali যে ইমাম এই আকিদা রাখে যে আল্লাহ সুবহানু ওয়া তায়ালা রাসুলুল্লাহ সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে সৃষ্টি না করলে কিছুই সৃষ্টি করতেন না এবং তার উসিলায় দুয়া করে তার পিছনে সালাত আদায় করা যাবে

Like · Reply · 1 · 1 hr
Iqbal Khan
Iqbal Khan Tui thik korchis proman dili i debate e Amader songe

ঈমাম হওয়ার সর্বাধিক বেশী যোগ্য কে?

0

জেনে নিন- ইসলামিক প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্নঃ-ঈমাম হওয়ার সর্বাধিক বেশী যোগ্য কে?

উত্তর;-ইমামতির সবচেয়ে বেশী যোগ্য তিনি, যিনি কুরআনের হাফেয; যিনি (তাজবীদ সহ্‌) ভালো কুরআন পড়তে পারেন। তাজবীদ ছাড়া হাফেয ইমামতির যোগ্য নয়। পূর্ণ হাফেয না হলেও যাঁর পড়া ভালো এবং বেশী কুরআন মুখস্থ আছে তিনিই ইমাম হওয়ার অধিক যোগ্য।

মহানবী (সাঃ) বলেন, “তিন ব্যক্তি হলে ওদের মধ্যে একজন ইমামতি করবে। আর ইমামতির বেশী হ্‌কদার সেই ব্যক্তি, যে তাদের মধ্যে বেশী ভালো কুরআন পড়তে পারে।” (মুসলিম, মিশকাত ১১১৮নং)

তিনি আরো বলেন, “লোকেদের ইমাম সেই ব্যক্তি হবে যে বেশী ভালো কুরআন পড়তে পারে। পড়াতে সকলে সমান হলে ওদের মধ্যে যে বেশী সুন্নাহ্‌ জানে, সুন্নাহর জ্ঞান সকলের সমান থাকলে ওদের মধ্যে যে সবার আগে হিজরত করেছে, হিজরতেও সকলে সমান হলে ওদের মধ্যে যার বয়স বেশী সে ইমাম হবে। আর কোন ব্যক্তি যেন অপর ব্যক্তির জায়গায় তার বিনা অনুমতিতে ইমামতি না করে এবং না কেউ কারো ঘরে তার বসার জায়গায় তার বিনা অনুমতিতে বসে।” (আহমাদ, মুসনাদ, মুসলিম, মিশকাত ১১১৭নং)

উল্লেখ্য যে, সাধারণ নামাযীর মত ইমামতির জন্যও সুন্নতী লেবাস উত্তম। তবে মাথায় পাগড়ী, রুমাল বা টুপী হওয়া কিংবা মাথা ঢাকা ইমামতির জন্য শর্ত, ফরয বা জরুরী নয়। (ফাতাওয়া ইবনে উষাইমীন ১/৩৮৬, ৩৮৯) সুতরাং যার মাথা ঢাকা আছে তার থেকে যার মাথা ঢাকা নেই, সে ভালো কুরআন পড়তে পারলে সেই ইমামতির হ্‌কদার।
——-শাইখ আব্দুল হামিদ ফাইজি

নিফাছ:নৱজাত শিশু প্ৰসৱ হোৱাৰ সময়ত আৰু তাৰ পিছত ৰেহেম (মাতৃগৰ্ভ)ৰ পৰা যি তেজ ওলায় সেইটোকে নিফাছ বোলে।

IslamHouse.com Assamese

‪#‎ড‬-ছলেহ-ফাওজান-হাফিজাহুল্লাহ

নিফাছ:
১. নিফাছৰ সংজ্ঞা আৰু সময়:
নৱজাত শিশু প্ৰসৱ হোৱাৰ সময়ত আৰু তাৰ পিছত ৰেহেম (মাতৃগৰ্ভ)ৰ পৰা যি তেজ ওলায় সেইটোকে নিফাছ বোলে। এইবোৰ দৰাচলতে গৰ্ভকালীন সময়ত গৰ্ভশয়ত জমা হোৱা তেজ, শিশু প্ৰসৱ হ’লে অলপ অলপকৈ বাহিৰ হৈ থাকে। প্ৰসৱৰ সংকেত আৰম্ভ হোৱাৰ পিছত যি তেজ বাহিৰ হয় সেয়াও নিফাছ, যদিও প্ৰসৱ দেৰিকৈ হয়। ফকিহসকলে কৈছে, প্ৰসৱ হোৱাৰ দুদিন বা তিনি দিন আগত হ’লে সেয়া নিফাছ অন্যথা নিফাছ বুলি গণ্য নহয়। নিফাছৰ তেজ সাধাৰণতে প্ৰসৱৰ লগত আৰম্ভ হয়। প্ৰসৱৰ বাবে পৰিপূৰ্ণ শিশু ভূমিষ্ঠ হোৱা জৰুৰী, তাৰ পৰৱৰ্তী তেজ নিফাছ হিচাপে গণ্য হ’ব। মাকৰ পেটত সৰ্বনিম্ন একাশী (৮১) দিন সম্পন্ন হ’লে শিশুৰ শৰীৰৰ গঠন আকৃতি পূৰ্ণ হয়, যদি ইয়াৰ আগত ৰেহেমৰ পৰা কিবা ওলায় আৰু লগতে তেজও ওলায়, তেনেহ’লে ই নিফাছ হিচাপে গণ্য নহ’ব, ছালাত আৰু ছিয়াম যথাৰীতি আদায় কৰিব, কাৰণ ই দূষিত তেজ আৰু তেজক্ষৰণ হিচাপে নিৰ্গত, ইয়াৰ বিধান মুস্তাহাজা নাৰীৰ বিধান।
নিফাছৰ সৰ্বাধিক সময় চল্লিশ দিন, যাৰ সূচনা হয় প্ৰসৱৰ পৰা অথবা তাৰ দুদিন বা তিনি দিন আগৰ পৰা, যিটো আগতে আলোচনা কৰা হৈছে। উম্মে ছালামা ৰাদিয়াল্লাহু ‘আনহাৰ পৰা বৰ্ণিত হাদীছত আহিছে:
»كانت النفساء تجلس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم أربعين يوما«
“নবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লামৰ যুগত নিফাছ আক্ৰান্ত নাৰীসকলে চল্লিশ দিন বিৰতি লৈছিল”।
নিফাছৰ সৰ্বোচ্চ সময় চল্লিশ দিন। এই বিষয়ে সকলো আহলে ইল্ম একমত। ইমাম তিৰমিজী প্ৰমুখসকলে আলিমসকলৰ এই ঐক্যমত বৰ্ণনা কৰিছে। আৰু যিয়ে চল্লিশ দিনৰ আগতেই পৱিত্ৰ হয়, যেনে তাইৰ তেজ বন্ধ হয়, তাই গুছল কৰিব আৰু ছালাত আদায় কৰিব। নিফাছৰ সৰ্বনিম্ন কোনো নিৰ্ধাৰিত সময় নাই। কাৰণ ইয়াৰ নিৰ্দিষ্ট সময় নবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লামৰ পৰা বৰ্ণিত হোৱা নাই। যদি চল্লিশ দিন পূৰ্ণ হোৱাৰ পিছতো তেজ বন্ধ নহয়, তেনেহ’লে সেইটো যদি হায়েজৰ সময় হয় হায়েজ গণ্য হ’ব, যদি হায়েজৰ সময় নহয় ইস্তেহাজাহ বুলি গণ্য হ’ব, সেয়ে চল্লিশ দিন পাৰ হ’লে ইবাদত ত্যাগ নকৰিব। যদি তেজ বাহিৰ হোৱাৰ সময়কাল চল্লিশ দিনৰ বেছি হয়, কিন্তু বিৰতি লৈ তেজ ওলায়, যাৰ লগত হায়েজৰ অভ্যাসৰ মিল নাই, তেন্তে এইটো ইখতিলাফৰ বিষয়।
খ. নিফাছ সংক্ৰান্ত বিধান:
তলত বৰ্ণনা কৰা অৱস্থাত নিফাছৰ বিধান হায়েজৰ বিধানৰ দৰে:
১. নিফাছ আক্ৰান্ত নাৰীৰ লগত সহবাস কৰা হাৰাম। যেনে হায়েজ অৱস্থাত থকা নাৰীৰ লগত সহবাস কৰা হাৰাম, কিন্তু সহবাসৰ বাহিৰে অন্যান্য পদ্ধতিত ভোগ কৰা বৈধ।
২. হায়েজ আক্ৰান্ত নাৰীৰ দৰে নিফাছ আক্ৰান্ত নাৰীসকলৰ বাবেও ছিয়াম ৰখা, ছালাত আদায় কৰা আৰু বায়তুল্লাহৰ তাৱাফ কৰা হাৰাম।
৩. নিফাছ আক্ৰান্ত নাৰীসকলৰ বাবে কোৰআন তিলাৱাত আৰু স্পৰ্শ কৰা হাৰাম, কিন্তু পাহৰি যোৱাৰ আশংকা থাকিলে বৈধ। যেনে, হায়েজা নাৰীৰ বাবে বৈধ।
৪. হায়েজা নাৰীৰ দৰে নিফাছ আক্ৰান্ত নাৰীৰ বাবেও এৰি যোৱা ছিয়াম কাজা কৰা ওৱাজিব।
৫ হায়েজা নাৰীৰ দৰে নিফাছ আক্ৰান্ত নাৰীৰ নিফাছ শেষত গুছল কৰা ওৱাজিব। প্ৰমাণ:
ক. উম্মে ছালামাহ ৰাদিয়াল্লাহু ‘আনহাৰ পৰা বৰ্ণিত, তেওঁ কৈছে:
»كانت النفساء تجلس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم أربعين يوما«
“নবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লামৰ যুগত নিফাছ আক্ৰান্ত নাৰীসকলে চল্লিশ দিন বিৰতি লৈছিল”।
‘আল-মুনতাকা’ গ্ৰন্থত মাজদ ইবনে তাইমিয়্যাহ ৰাহিমাহুল্লাহে কৈছে: “হাদীছৰ অৰ্থ হৈছে তেওঁলোকক চল্লিশ দিন বিৰতি লোৱাৰ নিৰ্দেশ প্ৰদান কৰা হৈছিল। এইটোৱেই চূড়ান্ত অৰ্থ, তেওঁলোক সকলোৰে নিফাছ চল্লিশ দিন পৰ্যন্ত থাকিছিল এই অৰ্থ কেতিয়াও নহয়; বৰং এই অৰ্থ কৰিলে বাস্তৱতাৰ ক্ষেত্ৰত হাদীছটো মিছা প্ৰমাণিত হ’ব, যিহেতু কোনো যুগতেই হায়েজ বা নিফাছৰ সময়সীমা সকলো নাৰীসকলৰ একেই হোৱাটো সম্ভৱ নহয়”।
খ. উম্মে ছালামাহ ৰাদিয়াল্লাহু ‘আনহাৰ পৰা বৰ্ণিত, তেওঁ কৈছে:
»كانت المرأة من نساء النبي تقعد في النفاس أربعين ليلة لا يأمرها النبي بقضاء صلاة النفاس«
“নবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লামৰ কিছুমান স্ত্ৰীৰ নিফাছ হ’লে চল্লিশ দিন বিৰতি লৈছিল, তেখেতে তেওঁক নিফাছৰ ছালাত কাজা কৰাৰ নিৰ্দেশ দিয়া নাছিল”।
চল্লিশ দিনৰ আগতেই যদি নিফাছৰ তেজ বন্ধ হয়:
জ্ঞাতব্য-১: যদি নিফাছ আক্ৰান্ত নাৰীৰ চল্লিশ দিনৰ আগতেই তেজ বন্ধ হয় আৰু তাই গুছল কৰি ছালাত আদায় কৰে আৰু ছিয়াম ৰাখে, তাৰ পিছত চল্লিশ দিন শেষ নহওঁতেই আকৌ তেজ আহে, তেনেহ’লে বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী এই সময়কো নিফাছ বুলি গণ্য কৰিব আৰু বিৰতি লব। মধ্যৱৰ্তী সময়ত কৰা ইবাদত শুদ্ধ হ’ব, ইয়াৰ কাজা কৰাৰ প্ৰয়োজন নাই।
নিফাছৰ তেজৰ কাৰণ সন্তান প্ৰসৱ, আৰু ইস্তেহাজাৰ তেজ বেমাৰৰ দৰে সাময়িক, আৰু হায়েজৰ তেজ নাৰীৰ স্বভাৱজাত তেজ:
জ্ঞাতব্য-২: শ্বাইখ আব্দুৰ ৰহমান ইবনে ছা’দিয়ে কৈছে: পূৰ্বৰ আলোচনাৰ পৰা স্পষ্ট হ’ল যে, সন্তান প্ৰসৱৰ কাৰণে নিফাছৰ তেজ প্ৰবাহিত হয়। ইস্তেহাজাৰ তেজ বেমাৰ-আজাৰ হলে প্ৰবাহিত হয় যিটো সাময়িক; আৰু হায়েজৰ তেজ নাৰীৰ নাৰীত্বৰ স্বভাৱজাত প্ৰকৃত তেজ। আল্লাহেই সৰ্বজ্ঞানী।
টেবলেট ব্যৱহাৰ কৰা: শাৰীৰিক ক্ষতি নহ’লে হায়েজ বন্ধকাৰী টেবলেট ব্যৱহাৰ কৰা দোষণীয় নহয়। টেবলেট ব্যৱহাৰৰ ফলত তেজ বন্ধ হ’লে ছিয়াম ৰাখিব, ছালাত আদায় কৰিব আৰু তাৱাফ কৰিব পাৰিব। এই সময়ত তাইৰ সকলো ইবাদত সঠিক হ’ব, যেনেকৈ অন্যান্য পৱিত্ৰ নাৰীসকলৰ ইবাদত সঠিক।
গৰ্ভপাত কৰাৰ বিধান: হে মুছলিমা নাৰী, আল্লাহে তোমাৰ গৰ্ভত যি সৃষ্টি কৰে সেই বিষয়ে তুমি আমানতদাৰ। এতেকে, তুমি আমানত গোপন নকৰিবা। আল্লাহ তা‘আলাই কৈছে:
﴿وَلَا يَحِلُّ لَهُنَّ أَن يَكۡتُمۡنَ مَا خَلَقَ ٱللَّهُ فِيٓ أَرۡحَامِهِنَّ إِن كُنَّ يُؤۡمِنَّ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِۚ﴾ [البقرة: ٢٢٨]
“আৰু আল্লাহে তেওঁলোকৰ গৰ্ভত যি সৃষ্টি কৰিছে, সেয়া গোপন কৰা তেওঁলোকৰ বাবে বৈধ নহয়, যদি তেওঁলোকে আল্লাহ আৰু শেষ দিৱসৰ প্ৰতি বিশ্বাস ৰাখে”। [ আল-বাকাৰা, আয়াত: ২২৮]
গৰ্ভপাত ঘটোৱা বা যেনেকৈ হওক তাৰ পৰা নিষ্কৃতি পাবলৈ বাহানা কৰিব নালাগে। কাৰণ, আল্লাহে তোমাৰ বাবে ৰমজান মাহত পানাহাৰ বৈধ কৰিছে যদি ছিয়াম পালন কৰা তোমাৰ বাবে ক্ষতিকৰ হয়। যদি গৰ্ভত থকা শিশুৰ ৰূহ সঞ্চাৰ কৰা হয় আৰু গৰ্ভপাত ঘটোৱাৰ ফলত মৃত্যুবৰণ কৰে, তেনেহ’লে এইটো অন্যায় হত্যাৰ অন্তৰ্ভূক্ত, যিটো আল্লাহে হাৰাম কৰিছে। গৰ্ভত থকা শিশুৰ হত্যাকাৰীক ক্ষতিপূৰণ দিব লাগিব, যদিও ইয়াৰ পৰিমাণ ব্যাখ্যা সাপেক্ষে নিৰ্ধাৰিত। কিছুমান আহলে ইল্মে কৈছে, কাফফাৰা দিয়াটো ওৱাজিব। অৰ্থাৎ মুমিন দাসী মুক্ত কৰা, যদি মুমিন দাসী পোৱা নাযায় তেন্তে একেলেঠাৰিয়ে দু’মাহ ছিয়াম পালন কৰা। আন কিছুমান আহলে ইল্মে গৰ্ভৰ শিশু হত্যাক এক প্ৰকাৰ জীৱিত দাফন বুলি গণ্য কৰিছে। শ্বাইখ মুহাম্মাদ ইব্ৰাহীম ৰাহিমাহুল্লাহে কৈছে: “গৰ্ভত থকা শিশু গৰ্ভপাত কৰা হালাল নহয়, যদি তাৰ মৃত্যু নিশ্চিত নহয়, মৃত্যু নিশ্চিত হ’লে গৰ্ভপাত কৰাত কোনো অসুবিধা নাই”।
‘হাইআতু কিবাৰিল উলামা (বিজ্ঞ আলিমসকলৰ সংস্থা)ৰ সভাত গৰ্ভপাত ঘটোৱাৰ ক্ষেত্ৰত নিম্নৰূপ সিদ্ধান্ত গ্ৰহণ কৰা হয়:
১. শ্বৰ‘ঈ কাৰণৰ বাহিৰে গৰ্ভৰ যিকোনো পৰ্যায়ৰ শিশু পেলাই দিয়া বৈধ নহয়।
২. গৰ্ভ যদি প্ৰথম পৰ্যায়ত থাকে, যাৰ বয়স চল্লিশ দিন, আৰু গৰ্ভপাত কৰাৰ কাৰণ যদি হয় সন্তান লালন-পালন কৰাৰ কষ্ট অথবা সিহঁতৰ ভৰণ-পোষণ কৰাৰ দুশ্চিন্তা অথবা ভৱিষ্যৎ গঢ়াৰ চিন্তা অথবা সিহঁতৰ যি সন্তান আছে সেইখিনিকে যথেষ্ট বুলি ভবা, তেনেহ’লে বৈধ নহয়।
৩. ৰক্তপিণ্ড অথবা মাংসপিণ্ডত থকা অৱস্থাত গৰ্ভপাত ঘটোৱা বৈধ নহয়, কিন্তু যদি নিৰ্ভৰযোগ্য চিকিত্সকসকলে কয় যে, গৰ্ভ থাকিলে মাকৰ জীৱনৰ আশংকা আছে তেনেহ’লে বৈধ, কিন্তু এইটো অৱশ্যই গৰ্ভধাৰী মাকক শংকামুক্ত কৰাৰ সকলো প্ৰচেষ্টা প্ৰয়োগ কৰাৰ শেষত হ’ব লাগিব।
৪. গৰ্ভ যদি তৃতীয় স্তৰ পাৰ কৰে আৰু তাৰ চাৰি মাহ পূৰ্ণ হয়, তেনেহ’লে গৰ্ভপাত কৰা বৈধ নহয়, কিন্তু বিশেষজ্ঞ নিৰ্ভৰযোগ্য চিকিত্সকসকলৰ এটা দলে যদি কয় যে, পেটত শিশু থাকিলে মাকৰ মৃত্যুৰ আশংকা আছে তেনেহ’লে বৈধ। নিশ্চয় এইটো হ’ব লাগিব শিশুৰ জীৱন ৰক্ষা কৰাৰ সকলো প্ৰচেষ্টা ব্যয় কৰাৰ শেষত। এই সুযোগ প্ৰদান কৰা হৈছে দুটা ক্ষতিৰ পৰা ডাঙৰ ক্ষতি দূৰ কৰা আৰু দুটা কল্যাণৰ পৰা ডাঙৰ কল্যাণ অৰ্জন কৰাৰ স্বাৰ্থত।
বিজ্ঞ আলিমসকলে সভাত এই সিদ্ধান্ত গ্ৰহণৰ শেষত আল্লাহৰ তাক্বৱা আৰু বিষয়টো গভীৰভাৱে পৰ্যবেক্ষণ কৰাৰ উপদেশ দিছে। আল্লাহেই একমাত্ৰ তাওফিক দানকাৰী। আমাৰ প্ৰিয় নবী মুহাম্মাদ, তেওঁৰ পৰিয়ালবৰ্গ আৰু ছাহাবীসকলৰ ওপৰত আল্লাহে শান্তি বৰ্ষণ কৰক।
‘নাৰীসকলৰ স্বাভাৱিক ঋতু সংক্ৰান্ত পুস্তিকাত’: (পৃ. ৬০) শ্বাইখ মুহাম্মাদ উছাইমীন ৰাহিমাহুল্লাহে কৈছে: “যদি গৰ্ভত থকা শিশুৰ ৰূহ অহাৰ পিছত গৰ্ভপাত কৰি সন্তান নষ্ট কৰা হয় তেনেহ’লে নিসন্দেহে হাৰাম। কাৰণ এইটো অন্যায়ভাৱে প্ৰাণ হত্যাৰ অন্তৰ্ভূক্ত, নিৰ্দোষ প্ৰাণক হত্যা কৰা কোৰআন, ছুন্নাহ আৰু উম্মতৰ ইজমা অনুযায়ী হাৰাম”।
ইবনুল জাওযী ৰাহিমাহুল্লাহে “আহকামুন নিছা”: (পৃ. ১০৮ আৰু ১০৯) গ্ৰন্থত কৈছে: “বিবাহৰ উদ্দেশ্য যেতিয়া সন্তান অৰ্জন কৰা, আৰু এইটোও সত্য যে সকলো বীৰ্যৰ পৰা সন্তান নহয়, এতেকে স্ত্ৰীৰ গৰ্ভত সন্তান জন্মিলে বিবাহৰ উদ্দেশ্য অৰ্জন হ’ল, ইয়াৰ পিছত গৰ্ভপাত ঘটোৱা বিবাহৰ হিকমতৰ পৰিপন্থী। গৰ্ভপাত যদি গৰ্ভৰ শিশুৰ ৰূহ সঞ্চাৰ কৰাৰ আগতে হয় তেন্তে ডাঙৰ পাপ, আৰু যদি ৰূহ সঞ্চাৰ কৰাৰ পিছত গৰ্ভপাত কৰা হয় সেইটো হ’ব মুমিন প্ৰাণক হত্যা কৰাৰ দৰে। আল্লাহ তা‘আলাই কৈছে:
﴿وَإِذَا ٱلۡمَوۡءُۥدَةُ سُئِلَتۡ ٨ بِأَيِّ ذَنۢبٖ قُتِلَتۡ ٩﴾ [التكوير: ٨، ٩]
“আৰু যেতিয়া জীৱিত দাফনকৃত কন্যাক সোধা হ’ব, কি অপৰাধত হত্যা কৰা হৈছিল”। [ আত-তাকৱীৰ, আয়াত: ৮-৯] সমাপ্ত
এতেকে, হে মুছলিমা নাৰী আল্লাহক ভয় কৰা, যিকোনো উদ্দেশ্য হওক এই জাতীয় অপৰাধত অগ্ৰসৰ নহ’বা। পথভ্ৰষ্টসকলৰ প্ৰচাৰণা আৰু পাপিষ্ঠসকলৰ অনুসৰণ কৰি প্ৰতাৰণাত পতিত নহ’বা, সিহঁতৰ কৰ্মৰ লগত বিবেক আৰু দ্বীনৰ কোনো সম্পৰ্ক নাই।

Semen is pure have the following evidence to support their opinion

Semen to be pure have the following evidence to support their opinion:-

The report narrated by Muslim (288) from ‘Aa’ishah (may Allah be pleased with her) who said: I remember scratching it (maniy) from the garment of the Messenger of Allah (blessings and peace of Allah be upon) thoroughly, then he prayed in it. It is well-known that scratching is not sufficient to remove impurity, which indicates that it is pure. 

A.(1) Alqama and Aswad reported: A person stayed in the house of A’isha and in the morning began to wash his garment. A’isha said: In case you saw it (i. e. drop of semen), it would have served the purpose (of purifying the garment) if you had simply washed that spot; and in case you did not see it, it would have been enough to sprinkle water around it, for when I saw that on the garment of the Messenger of Allah (may peace be upon him). I simply scraped it off and he offered prayer, while putting that on. (sahih muslim.Book #002, Hadith #0566)

(2) Al-Aawad and Hammam reported A’isha as saying: I used to scrape off the (drop of) semen from the garment of the Messenger of Allah (may peace be upon him). (sahih muslim.Book #002, Hadith #0567)
B.(3) Narrated ‘Aisha: I used to wash the traces of Janaba (semen) from the clothes of the Prophet and he used to go for prayers while traces of water were still on it (water spots were still visible). (sahih bukhari.Book #4, Hadith #229)

(4) Narrated Sulaiman bin Yasar: I asked ‘Aisha about the clothes soiled with semen. She replied, “I used to wash it off the clothes of Allah’s Apostle and he would go for the prayer while water spots were still visible. ” (sahih bukhari.Book #4, Hadith #231)

(5) Narrated ‘Amr bin Maimun: I heard Sulaiman bin Yasar talking about the clothes soiled with semen. He said that ‘Aisha had said, “I used to wash it off the clothes of Allah’s Apostle and he would go for the prayers while water spots were still visible on them. (sahih bukhari.Book #4, Hadith #232)

(6) Narrated ‘Aisha: I used to wash the semen off the clothes of the Prophet and even then I used to notice one or more spots on them. (sahih bukhari.Book #4, Hadith #233)
** The narration is also related in Sunan al-Tirmidhî, Sunan Abî Dâwûd, Sunan al-Nasâ’î, Sunan Ibn Mâjah, Sunan al-Bayhaqî, Sunan al-Dâraqutnî, and other sources.

——————————————————–

They cite the hadîth of `A’ishah that is under discussion, where she says that she rubbed or scraped the semen off his clothing and he would pray in it. They argue that if semen were impure, it would not be sufficient to merely rub or scrape it off. Even after it had dried, merely scraping it off would not remove the semen that had been absorbed by the fibers of the clothing. Therefore, scraping it off when it is dry – and likewise washing it off while it is still moist – must be merely a preferable act of cleanliness and not a required act of purification.

——————————————————–

Read More:-http://en.islamtoday.net/artshow-377-3283.htm