Category Archives: I-Tabligh & F.amal

ই.তবলীগ,afjal hissain

#প্রশ্নঃ- প্ৰচলিত ইলয়াছি তবলীগ জামাত আৰু ইলয়াছি তবলীগ তাবলীগ জামাতৰ বিশ্ব ইজতেমা বিদ‘আত কেনেকৈ হ’ল? ইলয়াছি তাবলীগ জামাতে তো ভাল কথাই কয়? #উত্তৰঃ- হয়¸ বিদ‘আত। প্ৰচলিত ইলয়াছি তাবলীগ জামাতৰ লোকসকলে তো ভাল কথাই কয়, দ্বীনৰ দাওৱাত দিয়ে, নামাযৰ দাওৱাত দিয়ে, তেনেহ’লে তেওঁলোকক বেয়া বুলি কিয় কৈছে? এই যুক্তি বহুতো সাধাৰণ মুছলিম ভায়ে উত্থাপন কৰি থাকে। এইসকল ভাইৰ প্ৰশ্নোত্তৰত সামান্য মন্তব্য দাঙি ধৰিলোঁ, হয়তো বহুতে বুজিব বেয়াটো ক’ত? ১- ইয়াতে কোনো সন্দেহ নাই যে, নবী মুহাম্মদ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লাম সকলোতকৈ ডাঙৰ ও সত্য মুবাল্লিগ (তাবলীগকাৰী)। ইয়াৰ পিছত তেওঁৰ চাহাবাসকল¸ যিসকলে গোটেই বিশ্বত নবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ নিয়মত তাবলীগ কৰি গৈছে। কিন্তু বর্তমান যুগৰ তাবলীগ জামা‘আতে সেই নবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লাম আৰু তেওঁৰ চাহাবাসকলৰ তাবলীগ বাদ দি কেইটামান দশকৰ পুর্বে ভাৰতৰ চাহাৰানপুৰৰ ইলিয়াছ চাহেবে তৈয়াৰ কৰা বৰং সপোনত পোৱা তাবলীগ গ্ৰহণ কৰিছে। নবী চাল্লাল্লাহ আলাইহি ৱাছাল্লাম আৰু তেওঁৰ চাহাবাসকলৰ তাবলীগ যথেষ্ট নহয় নেকি? সেইটো উত্তম তাবলীগ নহয় নেকি? নে এই যুগত সি অচল? ২- নবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ তাবলীগৰ মূল কথা আছিল বৰং ইছলামৰ মূল কথাই হৈছে, ‘তাওহীদ’। কিন্তু বর্তমানৰ তাবলীগত তাওহীদৰ দাওৱাত নাই। ৩- নবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ তাবলীগত যি বিষয়ৰ পৰা সকলোতকৈ বেছি সতর্ক কৰা হৈছে সেইটো হ’ল, ‘শির্ক’ৰ পৰা সতর্কতা। ইলিয়াছী তাবলীগত শ্বির্কৰ কথা কোৱা নহয়; অথচ দেশৰ চুকে-কোণে অহৰহ শ্বির্ক ও শ্বির্কৰ আড্ডা বিদ্যমান। ৪-নবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ দাওৱাতৰ সকলোতকৈ ডাঙৰ অংশ আছিল, মুশ্বৰিকসকলক ইছলামৰ দাওৱাত দিয়া। কিন্তু বর্তমান তাবলীগ জামাতত তেওঁলোকক দাওৱাত দিয়া নহয়। অথচ তাবলীগ জামাতৰ জনক ইলিয়াছ ও যাকাৰিয়া চাহেবৰ দেশ এখন মুশ্বৰিক দেশ।
Continue …..

-৫- মহান আল্লাহে, পবিত্র কুৰআন যদি আমাৰ হেদায়েতৰ কাৰণে অৱতীর্ণ কৰিছে, তেনেহ’লে তাক বাদ দি ফাযায়েলে আমলৰ শিক্ষা দিয়া হয় কিয়? অনুৰূপ নবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ হাদীছ উত্তম বাণী নহয় নেকি? তেনেহ’লে এতিয়াও কিয় সাধাৰণ লোকক কোৱা হয় যে, এইবোৰ তোমালোকে নুবুজিবা? মানুহে যদি নুবুজে¸ তেনেহ’লে এইবোৰ কাৰ কাৰণে অৱতীৰ্ণ কৰা হৈছে? ৬- ইছলাম কেৱল ফযীলতৰ নাম নেকি? ইছলামৰ সকলোবোৰ বিধান বাদ দি কেৱল ফাযায়েল বর্ণনা কৰাটো কেনেকুৱা ইছলাম! ধৰক নামায এটা ইছলামৰ বিধান। এই সম্পর্কে মোটামুটি যিবোৰ আছে সেয়া হ’ল, নামায কি, নামাযৰ গুৰুত্ব, নামায এৰাৰ বিধান, নামাযৰ ৰুকন, ওৱাজিব আৰু মুস্তাহাব, নামাযৰ পদ্ধতি আৰু নামাযৰ লাভ বা ফযীলত। ইয়াতে সকলোবোৰ বাদ দি কেৱল ফযীলত কিয়? ৭- যি তাবলীগৰ ইমান প্রসংশা আৰু ফযীলত বর্ণনা কৰা হৈছে, কিন্তু কেতিয়াবা চিন্তা কৰিছেনে সেই তাবলীগি নেচাবত অযু কৰা আৰু নামায পঢ়াৰ নিয়ম-পদ্ধতিও লেখা নাই। অন্যান্য বিষয়সমূহৰ বর্ণনা তো দূৰৰ কথা। ৮- ইছলামৰ ৰুকন ৫টা আৰু ঈমানৰ ৬টা, যিটো হাদীছে জিব্ৰীলত বর্ণিত হৈছে¸ কিন্তু এনেকুৱা এটি মৌলিক বিষয়ৰ তাবলীগ বাদ দি ৬ উছূল আৱিষ্কাৰ কোন দলীলৰ ভিত্তিত কৰা হৈছে? ইকৰামে মুছলিম বা মুছলিমৰ সন্মানৰ নামত নীতি তৈয়াৰ কৰা হৈছে, কিন্তু সত্য হৈছে তাবলীগত তাবলীগিসকলকেই সন্মান কৰা হয়, অন্যসকলৰ ছায়াটোকও তেওঁলোকে দেখিবলৈ পছন্দ নকৰে। ৯- তাবলীগৰ কাৰণে কুৰআন ছুন্নাহ যথেষ্ট নহয় নেকি? শত শত মনেসজা কিচ্ছা কাহিনীৰ আশ্রয় লোৱা হয় কিয়? তাৰ ওপৰিও সেইবোৰ কিচ্ছাত আছে চুফীসকলৰ কাশ্বফ, কাৰামত, সপোন, ইল্কা, ইলহাম ও ফয়েযৰ কথা। ১০- শ্বৰীয়াতৰ কোনো মাছ‘আলাত আমীৰ চাহেবে পোনপটীয়াকৈ কুৰআন ছুন্নাহৰ পৰা সমাধান নিদি দেওবন্দলৈ পঠাই কিয়? এনেকুৱা তো নহয় যে, আপোনালোকে তাবলীগৰ নামত দেওবন্দৰ প্রচাৰ-প্রসাৰ কৰিছে!!! ১১- আপোনালোকে ফাযায়েলে আমল কিতাপখন একাধিক ভাষাত অনুবাদ কৰিছে¸ কিন্তু এতিয়াও আৰবী ভাষাত তাক অনুবাদ কৰা হোৱা নাই কিয়? আপোনালোকৰ মাজত আৰবী শিক্ষিত ব্যক্তিত্ব নাই, নে গুমৰ ফাঁচ হোৱাৰ ভয়ত এইটো নকৰে? ১২- মুঠ কথা নবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লাম আৰু চাহাবাসকলৰ দাওৱাত-তাবলীগেই হৈছে ছহীহ, বিশুদ্ধ, পূর্ণ ও যথেষ্ট তাবলীগ। আনহাতে অন্যান্য তাবলীগৰ অসংখ্যই হৈছে, ভুল, অশুদ্ধ ও অপূর্ণাঙ্গ আৰু নতুন তাবলীগ। সেয়ে আমাৰ ওচৰত সেই মুহাম্মদী তাবলীগেই যথেষ্ট। [ফালিল্লাহিল হামদ]

-by afjal hn

Main link..

https://m.facebook.com/groups/179408725766336?view=permalink&id=369414666765740

বাংলা ফাজায়েলে আমল এবং ফাজায়েলে সাদাকর ১০১০ + ৪৫৬ পৃষ্টার বিশাল ২টি কিতাবের লেখাকে ১৩২ পৃষ্টায় আরবী অনুবাদ!

বিষ খেতে রাজী আছে, কিন্তু ফাজায়েলে আমলের আরবী অনুবাদ বের করতে রাজী না!
.
উপরোক্ত উক্তিটি ছিলো তাবলীগ জামায়াত এর ভাইদের প্রতি সালাফী ও আহলুল হাদীসগণের বিরাট একটা চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ-এ বহুকাল জয়ী হয়ে ছিলো সহীহ আক্বীদার ভাইগণ। কিন্তু সেই চ্যালেঞ্জকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অবশেষে ফাজায়েলে আমলের আরবী অনুবাদ বের করা হয়েছে। এই বই যেন সহীহ আক্বীদার ভাইদের মুখে চুন-কালি লেপে দিলো !
.
এই বইটিতে তেমন কোন সমস্যা নাই। সমস্যা শুধু এক জায়গায়, তা হলো বইটি ডায়েরীরা আক্রান্ত রোগীর মতো হ্যাংলা পাতলা। মাত্র ১৩২ পৃষ্টা এই বইটিকে বলা হচ্ছে ফাজায়েলে আমল ও ফাজায়েলে সাদাকাত এর আরবী অনুবাদ। অথচ বাংলা ফাজায়েলে আমল ১০১০ পৃষ্টা এবং ফাজায়েলে সাদাকত ৪৫৬ পৃষ্টা !
.
১০১০ + ৪৫৬ পৃষ্টার বিশাল ২টি কিতাবের লেখাকে ১৩২ পৃষ্টায় নিয়ে আসার জন্য যা করতে হয়েছে তা হলো, জাল/জঈফ হাদীস বাদ দিতে হয়েছে, বাদ দিতে হয়েছে ফায়দার নামে শিরকী ও কুফূরী কিচ্ছা কাহিনীগুলো। মূল বই এর হবুহু অনুবাদ আছে এমন একটি অধ্যায় বা অনুচ্ছেদ এই বইটিতে নাই। নিঃসন্দেহে এটা একটা মহৎ উদ্যোগ,
আলহামদুলিল্লাহ !
.
কিন্তু তাদের এই মহৎ কর্মটির পিছনে যে একটা মহা প্রতারণা লুকিয়ে আছে তা একটু চিন্তা করলেই বোঝা যায়। যেমন এখন আরব দেশ হতে আগত কেউ এই ফাজায়েলে আমল পড়লে বুঝবে রিয়াযুস সালেহীনে জঈফ হাদীস থাকলেও ফাজায়েলে আমলে কোন জাল হাদীস তো দূরের কথা জঈফ হাদীসও নাই। অসাধারণ এক কিতাব! কেউ যদি এই আরবদেরকে ফাজায়েলের কিতাব সমুহে সমস্যা আছে বলে, তখন তারা বিশ্বাস-ই করবে না।
.
আর তাদের এই কাজটির পিছনে যদি কোন প্রতারণার ইচ্ছা না থাকে, তবে বাংলাদেশের তাবলীগ জামায়াতের ভাইদের নিকট আমার অনুরোধ, এই বইটি-ই আবার বাংলা অনুবাদ করুন। অতপর বাদ এশা তালিমী বৈঠকের সময় এটাই পড়ানো হউক বাংলাদেশের সকল মসজিদগুলোতে। আরবরা পড়বে জাল/জঈফ হাদীস বিহীন, শিরকী ও কুফূরী আক্বীদা মুক্ত সহীহ বই, আর আমরা বাংগালীরা পড়বো জাল/জঈফ হাদীস, শিরকী ও কুফূরী আক্বীদা সম্বলিত পুরাতন বই?
এটা হতে পারে না।
.
সুতরাং আর জাল/জঈফ হাদীস, শিরকী ও কুফূরী আক্বীদা সম্বলিত পুরাতন বইটি ছুড়ে ফেলে দিন নর্দমায়-ডাস্টবিন-এ অথবা আগুন লাগিয়ে পুড়ে ফেলুন। আপনার যা খুশী তাই করুন, কিন্তু নতুন ঐ আরবী বই হউক ফাজায়েলে আমলের একমাত্র আমলযোগ্য বই ! দাওয়াত ও তাবলীগের সহযোগী হিসাবে আমাকেও পাবেন, ইন-শা-আল্লাহ!
.
কি রাজী?

main sourse

No automatic alt text available.
Sardar Didarul Alam সুন্দর বলেছেন – ডাইরিয়ার রোগী। হা হা হা, আল্লাহ্‌ তাদের গোমরাহীগুলোকেও ডাইরিয়া আক্রান্ত করুন, আমীন!
Like · Reply · 1 · 10 mins

Abu Anas
Abu Anas আমিন, সুম্মা আমিন…!

Sardar Didarul Alam
Sardar Didarul Alam Abu Anas ভাই, কপি আছে নাকি এটার? দেখি আরবী ভার্সনে কী কী আছে।
Like · Reply · 1 · 11 mins

Abu Anas
Abu Anas This product is currently out of stock
https://idarastore.com/fazail-ul-amaal-arabic.html

idarastore.com – Online Islamic Bookstore India offers Islamic books for adults and children according to Quran and Sunnah, Holy Quran, Quran stories, Muslim, history, Hadith, Prophet Muhammad, dictionary, women, Ramadan, gifts – we are also a Printer, Publisher, Distributor, Exporter
idarastore.com

Sardar Didarul Alam
Sardar Didarul Alam হা হা, কোন এক সময় স্টক এ ছিল কী?

ভাই, পিডিএফ করা যায় না?

Abu Anas
Abu Anas খুজলে পাওয়া যেতে পারে..!
সময় করে একবার খুঁজবো।

Sogood Islam Syeds
Write a reply…
Rajib Hasan
Rajib Hasan আল্লাহু আকবর! এরা দ্বীন বিক্রি করা লোক;
এদের উপর যা হওয়ার কথা তাই হউক!

#লা হাওলা ওয়ালা কুই-উয়াতা ইল্লা বিল্লাহ

Like · Reply · 2 · 3 hrs

Abu Anas
Abu Anas আমিন…!

Rezwan Khan
Rezwan Khan Assalamualikum,alhamdulillah,insha Allah Odur Vobisshote Hoyto Allah Subhanahu Wa Taala Ai Dol Tike Hoq Pothe Dawater Toufic Dan Korben,jar Onek Nidorson Dekha Jascee,allahu Alam,allah Amader O Sokol Muslimder Hoq Pothe Cholar Toufic Dan Korun,ameen,
Like · Reply · 1 · 19 mins

Abu Anas
Abu Anas আমিন…!

MD Arafat
MD Arafat insha ALLAH amakeo paben . abu anas bhaier sathe ami o akmot
Like · Reply · 2 · 39 mins

Monir Khan
Monir Khan আফসোস ওদের জন্যে! তাহলে এরাই সেই যাহেল, যালেম তাই এদের ব্যাপারে মহান রব কি বলছেন দেখুন………… সূরা আন নিসা:115 – যে কেউ রসূলের বিরুদ্ধাচারণ করে, তার কাছে সরল পথ প্রকাশিত হওয়ার পর এবং সব মুসলমানের অনুসৃত পথের বিরুদ্ধে চলে, আমি তাকে ঐ দিকেই ফেরাব যে দিক সে অবলম্বন করেছে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব। আর তা নিকৃষ্টতর গন্তব্যস্থান।
Like · Reply · 1 · 2 hrs

Tanvir Ahmed
Tanvir Ahmed তাবলিগি আকিদা : বিশ্বব্যপী তাবলিগের দাওয়াত চলছে । তাবলিগের কল্যানে ও তাবলিগি ভাইদের চেষ্টা বা মুজাহিদের কারনে বিশ্বব্যপী মুসলিম হয়েছে । সঠিক আকীদা :” তোমার প্রতি যে কিতাব নাযিল করেছি তা বরকতময় – আল কুরআন” । আমার নবী(স) বরকতময় , তার কুরআনও বরকতময় । এই See more

Moinul Chowdhury
Moinul Chowdhury দাওয়াতে তাবলীগের সহযোগী হিসাবে আমাকে ও পাবেন!
দুই দফায় ও জায়গা স;কুলান না হওয়ায় ২০১৫থেকে শুরু হয়েছে জেলা ভিত্তিক ইজতেমা,দুনিয়ার সবদেশেই সব ভাষাভাষী মানুষ এই মেহনতকে গ্রহন করছে

কবরের মধ্যে ফেরেশতা ও রাবেয়া বসরীর মধ্যকার কথোপকথন

Abu Anas  

কবরের মধ্যে ফেরেশতা ও রাবেয়া বসরীর মধ্যকার কথোপকথন!
.
ওয়াজ মাহফিল গুলোতে কোরআনে বর্নীত আল্লাহ ও মুসা (আ:) এর কথোপকথন হুজুরেরা বয়ান করে না; বলে আজগুবি সব মিথ্যা কিচ্ছা কাহিনী। তেমনী একটি কাহিনী হলো-
.
হযরত রাবেয়া বসরী রহ. এর ইন্তেকালের পর ফেরেশতারা তাকে জিজ্ঞাসা করলেন-
ﻣﻦ ﺭﺑﻚ ؟ ﻭﻣﺎﺩﻳﻨﻚ ؟
(আপনার প্রভূ কে ? আপনার ধর্ম কি ?)
হযরত রাবেয়া বসরী রহ. উত্তরে বললেন,
-তোমাদের প্রশ্নের উত্তর পরে দিব। তার আগে তোমরা আমার কথার জবাব দাও। তোমরা কোথেকে এসেছ ? ফেরেশতারা বললেন,
-আসমান হতে এসেছি। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন,
-আসমান-জমিনের দূরত্ব কত ? ফেরেশতারা বললেন,
-পাঁচশত বছরের রাস্তা। রাবেয়া বসরী রহ.বললেন,
-তোমরা এত দূর থেকে এসে আল্লাহকে ভুলে যাওনি ? তারা বললেন,
-না, আমরা আল্লাহকে ভুলিনি। তিনি এবার বললেন,
-তোমরা যখন পাঁচশত বছরের দূরত্বে এসেও আল্লাহকে ভুলোনি,
তবে কি করে ভাবতে পারলে,রাবেয়া মাত্র চার হাত মাটির নিচে এসে মহান প্রভূ আল্লাহ তা’আলাহকে ভুলে গেছে? অথচ সে পৃথিবীতে থাকা অবস্থায় এক মুহূর্তের জন্যও আল্লাহর স্মরণ হতে উদাসীন থাকেনি। এ কথা শুনে ফেরেশতারা অবাক হয়ে গেল।
.
ফায়দা: পৃথিবী হল প্রতারণা ও ছলনার স্থান। যেখানে ফেরেশতাদের কোন কর্তৃত্ব থাকে না।
বই:হাকীমুল উম্মত মাওলানা থানভী রহ. এর নির্বাচিত ঘটনাবলী
পৃ:৪১
.
■তাহক্বীকঃ
========
১। ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস হলো ইমানের একটি স্তম্ভ। আর ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস অর্থ হলো নূরের তৈরী ফেরেশতারা আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক নির্দিষ্ট কতগুলো কাজ সম্পাদন করে থাকেন। যার ব্যাত্যয় ঘটে না কখনও।
মুনকার নাকির হলেন তেমন-ই ফেরেশতা। যাদের কাজই হলো কবরে সাওয়াল করে মানুষের ইমান যাচাই করা। অথচ লেখক বললেন যে, পৃথিবীতে ফেরেশতাদের কোন কর্তৃত্ব থাকে না।
একথা সত্য যে সকল জায়গার সকল ফেরেশতার কর্তৃত্ব নাই। তবে যেই ফেরেশতা যেই কাজের জন্য আদিষ্ট হয়ে থাকে সেই ফেরেশতা সেই কাজ ১০০% পালন করে, এটাই হলো ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাসের মূল থিম। মহান আল্লাহ বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا قُوا أَنفُسَكُمْ وَأَهْلِيكُمْ نَارًا وَقُودُهَا النَّاسُ وَالْحِجَارَةُ عَلَيْهَا مَلَائِكَةٌ غِلَاظٌ شِدَادٌ لَّا يَعْصُونَ اللَّهَ مَا أَمَرَهُمْ وَيَفْعَلُونَ مَا يُؤْمَرُونَ
-ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের নিজেদের ও তোমাদের পরিবার-পরিজনদের রক্ষা করো সেই আগুন থেকে যার জ্বালানি হচ্ছে মানুষ ও পাথরগুলো, তার উপরে রয়েছে ফেরেশতারা -অনমনীয়, কঠোর, তারা আল্লাহ্‌কে অমান্য করে না যা তিনি তাদের আদেশ করে থাকেন, আর তারা তাই করে যা তাদের আদেশ করা হয়। [সূরা তাহরীম ৫৬:৬]
.
২। রাবেয়া বসরীর জন্ম হয়েছে ৯৯ অথবা ১০০ হিজরী আর মৃত্যূ ১৮০ হিজরী (সিয়ারু আ‘লামিন নুবালায় ৮/২৪১) । রাসুল ﷺ এর মৃত্যূর প্রায় ১৭০ বছর পরে কবরের মধ্যে ফেরেশতা ও রাবেয়া বসরীর মধ্যকার এই কথোপকথন লেখক জানলো কি করে?
এই কথোপকথন রেকর্ড হলো কি করে?
কে নিয়ে আসলো সেই ওহী?
জীব্রাইল (আ.) নয় নিশ্চয়ই ?
.
তাহলে কে সেই ওহী বাহক?

————————

comment-

মোহাম্মদ সাইদুর রহমান সেই ওহী বাহক শয়তান। কারণ শয়তানও মানুষের মাঝে ওহী করে থাকে। আল্লাহ বলেন-
وَإِنَّ الشَّيَاطِينَ لَيُوحُونَ إِلَى أَوْلِيَائِهِمْ لِيُجَادِلُوكُمْ وَإِنْ أَطَعْتُمُوهُمْ إِنَّكُمْ لَمُشْرِكُونَ
আর নিশ্চয় শয়তানেরা তাদের বন্ধুদেরকে ওয়াহী করে থাকে যাতে তারা তোমাদের সাথে বিবাদ করে; আর যদি তোমরা তাদের (আকীদা-বিশ্বাসে ও কাজ-কর্মে) আনুগত্য কর তাহলে নিঃসন্দেহে তোমরাও মুশরিক হয়ে যাবে। আল-আন‘আম, ৬/১২১

প্রসিদ্ধ চার ইমামের পন্ডিত্ব্যের উজ্জল দৃষ্টান্ত+more

আরো দেখুন…

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহপূর্বক ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া‘র মন্তব্যের নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন। আপনার ই-মেইল ঠিকানা গোপন থাকবে। নামই-মেইল আবশ্যক।

© ২০১১ ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া