Category Archives: Hadith category

Criticize hadith

Md ubidur silatbd

সহিহওয়ালারা  এবার কী করবেন??

=========≠======≠=========

 

লা- মাযহাবিদের বহুলালোচিত মুল ধর্ম

১ রাফয়ে ইদাঈন ২   সমস্বরে আমীন  বলা

৩  কেরাত খালফাল ইমামের মাসআলা সহ তাদের মুল ধর্মে এবার বাটা পড়ল।

 

কারণ উপর্যুক্ত সব মাসআলার #হাদিসের মুলে এমন একজন বর্ণনা কারী রয়েছেন,  যাকে

লা- মাযহাবিরা মিথ্যুক,  মুনাফিক  জাল বর্নণাকারি আখ্যায়িত করেছেন।

 

#নাম ইবনে শিহাব যুহরি রাহ. তিনি  হাদিসেরসর্ব প্রথম সংকলক,  যার বর্ননায়  এসব মাসআলার ভিত্তি,  অন্য সনদে এসব নেই।

 

#  এই মনিষির সমালোচা করেন লা- মাযহাবি শায়খ হাকিম ফয়েজ আলম সাহেব,  তিনি তার গ্রন্থ [  ছিদ্দিকায়ে কায়েনাত  পৃ ১০৭  ]  এ বলেন –

 

ইবনে শিহাব  জানতে বা অজান্তে মুনাফিক ও মিথ্যুকদের বিষেশ #এজেন্ট ছিলেন,

অধিকাংশ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর হাদিস রেওয়ায়েত তার দিকেই সম্পৃক্ত করা হয়।

 

তিনি আরো বলেন-  ইবনে শিহাব সম্পূকে একথাও বর্নিত আছে যে, তিনি এমন সব লোকদের থেকেও মধ্যস্থতা ছাড়াও হাদিস বর্ননা করতেন

যারা তার জন্মের আগেই মারা গেছেন,

বিখ্যাত শিয়া আলেম আব্বাস কুমি বলেন- ইবনে শিহাব প্রথমে সুন্নি ছিলেন পরে শিয়া মত কবুল করেছেন।

عين الرجال في أسماء الرجال

কিতাবেও ইবনে শিহাব কে শিয়া বলা হয়েছে

(أعاذنا الله منه )

 

® এই হলো তাদের দৃষ্টতা

তাহলে এবার আমরাও তর্কের খাতিরে একবারের জন্য মেনে নিলাম,  যে তিনি এরকম ছিলেন।

 

সুতরাং এখন আমাদের লা-মাযহাবি বন্দুদের মুল ধর্ম #রাফয়েইদাঈন  #কেরাতখালফালইমাম

#উচ্চস্বরেআমীন  বলা যা ইবনে ওমর রা. উবাদা রা. ওয়ায়েল রা .  থেকে ঐ মিথ্যুক মুনাফিকের এজেন্ডা ইবনে শিহাব  সুত্রে-ই   বর্নিত।

 

তাই এবার এসব থেকে  লা- মাযহাবিদের

হাত গুটিয়ে নেয়া-ই সমুচিৎ বলে মনে করি।

 

নিম্নে ইবনে শিহাব রাহ. এর সুত্রে  বুখারি / মুসলিম থেকে হাদিস। গুলো   দেয়া হলো

 

বুখারি শরিফ  হাদিস নং ৭৫৬   কেরাতের হাদিস

حدثنا علي بن عبد الله قال: حدثنا سفيان قال: حدثنا الزهري عن محمود بن الربيع عن عبادة بن الصامت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا صلاة لمن لم يقرأ بفاتحة الكتاب

 

বুখারি হাদিস ৭৮০ -৬৪০২  উচ্চস্বরে আমীন বলা

حدثنا عبد الله بن يوسف قال: أخبرنا مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب وأبي سلمة بن عبد الرحمن أنهما أخبراه عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا أمن الإمام فأمنوا فإنه من وافق تأمينه تأمين الملائكة غفر له ما تقدم من ذنبه

وقال ابن شهاب وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول آمي

 

বুখারি শরিফ হাদিস  ৭৩৫- ৭৩৬-৭৩৮-৭৩৯ রাফয়ে ইদাঈন

حدثنا محمد بن مقاتل قال: أخبرنا عبد الله قال: أخبرنا يونس عن الزهري أخبرني سالم بن عبد الله عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام في الصلاة رفع يديه حتى يكونا حذو منكبيه، وكان يفعل ذلك حين يكبر للركوع، ويفعل ذلك إذا رفع رأسه من الركوع

মুসলিম শরিফ হাদিস ৮৮৮ রাফয়ে ইদাঈন

حدثني محمد بن رافع حدثنا عبد الرزاق أخبرنا ابن جريج حدثني ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن ابن عمر قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام للصلاة رفع يديه حتى تكونا حذو منكبيه ثم كبر فإذا أراد أن يركع فعل مثل ذلك وإذا رفع من الركوع فعل مثل ذلك ولا يفعله حين يرفع رأسه من السجود.

মুসলিম হাদিস ৯০০ কেরাত খালফাল ইমাম

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد وإسحاق بن إبراهيم جميعا عن سفيان- قال أبو بكر حدثنا سفيان بن عيينة- عن الزهري عن محمود بن الربيع عن عبادة بن الصامت يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم: لا صلاة لمن لم يقرأ بفاتحة الكتاب

মুসলিম হাদিস ৯৪২  আমীন

حدثنا يحيى بن يحيى قال قرأت على مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب وأبي سلمة بن عبد الرحمن أنهما أخبراه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: إذا أمن الإمام فأمنوا فإنه من وافق تأمينه تأمين الملائكة غفر له ما تقدم من ذنبه)). قال ابن شهاب كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: آمين

প্রিয়..  লা- মাযহাবি বন্দুরা এখন কি!! সিদ্বান্ত  নিবেন,  আমাকে জানিয়ে বর্ধিত করবেন।

রি পোষ্ট

 

লিখনে……

মুহা. উবায়দুল্লাহ আসআদ

-জৈন্তাপুর   সিলেট

খাদেম: লালারচক রাহমানিয়া মাদরাসা,

কানাইঘাট সিলেট

হটলাইন.  01763807278

বেশি হাদীস ও অ-মুখস্থ হাদীস বলার নিষেধাজ্ঞা

বেশি হাদীস ও অ-মুখস্থ হাদীস বলার নিষেধাজ্ঞা
বেশি হাদীস বলতে গেলে ভুলের সম্ভাবনা থাকে।

এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)। বিশুদ্ধ মুখস্থ ও নির্ভুলতা সম্পর্কে পরিপূর্ণ নিশ্চিত না হয়ে কোনো হাদীস বর্ণনা করতে তিনি নিষেধ করেছেন। আবু কাতাদাহ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ মিম্বারের উপরে দাঁড়িয়ে বলেন,

إِيَّاكُمْ وَكَثْرَةَ الْحَدِيْثِ عَنِّيْ! فَمَنْ قَالَ عني فَلْيَقُلْ حَقًّا وَصِدْقًا (فلا يقل إلا حقا) وَمَنْ تَقَوَّلَ (قال) عَلَيَّ مَا لَمْ أقُلْ فَلْيَتَبَوَّأ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ.
‘‘খবরদার! তোমরা আমার নামে বেশি হাদীস বলা থেকে বিরত থাকবে। যে আমার নামে কিছু বলবে, সে যেন সঠিক কথা বলে। যে আমার নামে এমন কথা বলবে যা আমি বলি নি তাকে জাহান্নামে বসবাস করতে হবে।’’[1]

আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:

اتَّقُوا الْحَدِيثَ عَنِّي إِلا مَا عَلِمْتُمْ.
‘‘তোমরা আমার থেকে হাদীস বর্ণনা পরিহার করবে, শুধুমাত্র যা তোমরা জান তা ছাড়া।’’[2]

আবু মূসা মালিক ইবনু উবাদাহ আল-গাফিকী (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে সর্বশেষ ওসীয়ত ও নির্দেশ প্রদান করে বলেন:

عَلَيْكُمْ بِكِتَابِ اللهِ، وَسَتَرْجِعُوْنَ إِلَى قَوْمٍ يُحِبُّونَ الْحَدِيْثَ عَنِّيْ- أَوْ كَلِمَةً تُشْبِهُهَا- فَمَنْ حَفِظَ شَيْئاً فَلْيُحَدِّثْ بِهِ، وَمَنْ قَالَ عَلَيَّ مَا لَمْ أَقُلْ فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ.
‘‘তোমরা আল্লাহর কিতাব সুদৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে থাকবে ও অনুসরণ করবে। আর অচিরেই তোমরা এমন সম্প্রদায়ের কাছে গমন করবে যারা আমার নামে হাদীস বলতে ভালবাসবে। যদি কারো কোনো কিছু মুখস্থ থাকে তাহলে সে তা বলতে পারে। আর যে ব্যক্তি আমার নামে এমন কিছু বলবে যা আমি বলি নি তাকে জাহান্নামে তার আবাসস্থল গ্রহণ করতে হবে।’’[3]

এভাবে বিভিন্ন হাদীসে আমরা দেখতে পাই যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর উম্মাতকে তাঁর হাদীস হুবহু ও নির্ভুলভাবে মুখস্থ রাখতে ও এরূপ মুখস্থ হাদীস প্রচার করতে নির্দেশ দিয়েছেন। অপরদিকে পরিপূর্ণ মুখস্থ না থাকলে বা সামান্য দ্বিধা থাকলে সে হাদীস বর্ণনা করতে নিষেধ করেছেন। কারণ ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়, তিনি যা বলেন নি সে কথা তাঁর নামে বলা নিষিদ্ধ ও কঠিনতম পাপ। ভুলক্রমেও যাতে তাঁর হাদীসের মধ্যে হেরফের না হয় এজন্য তিনি পরিপূর্ণ মুখস্থ ছাড়া হাদীস বলতে নিষেধ করেছেন। আমরা দেখতে পাব যে, সাহাবীগণ এ বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতেন।

ফুটনোটঃ[1] ইবনু মাজাহ, আস-সুনান ১/১৪; আলবানী, সহীহ সুনানি ইবনি মাজাহ ১/২৯; দারিমী, , আস-সুনান ১/৮২, হাকিম, আল মুসতাদরাক ১/১৯৪।
[2] তিরমিযী, আস-সুনান ৫/১৮৩।
[3] আহমাদ ইবনু হাম্বাল (২৪১ হি), আল-মুসনাদ ৪/৩৩৪; হাকিম, আল-মুসতাদরাক ১/১৯৬; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১৪৪।

Courtesy.. https://www.facebook.com/ahlehadithdpi/

ইমাম বুখারীসহ কুতুবে সিত্তার অন্যান্য ইমামগণ হাদীছের অনুসারী ছিলেন। মাযহাবের মুক্বাল্লিদ ছিলেন না।

Tran.#প্রশ্নঃ (২৭/২৭) ইমাম বুখারী (রহঃ) কোন মাযহাবের অনুসারী ছিলেন? অনেকেই বলে থাকেন যে ইমাম বুখারী সহ কুতুবে সিত্তাহর ইমামদের অধিকাংশই শাফেঈ মাযহাবের অনুসারী ছিলেন। একথার কোন সত্যতা আছে কি?
.
#উত্তরঃ ইমাম বুখারী (রহঃ) কোন মাযহাবের অনুসারী ছিলেন না। বরং তিনি একজন উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন মুহাদ্দিছ ও মুজতাহিদ ছিলেন। তিনি ইমাম শাফেঈ, মালেক ও আহমাদ (রহঃ)-এর ন্যায় হাদীছের অনুসরণ করতেন বলেই অধিকাংশ মাসআলায় তাঁদের সাথে ঐক্যমত পরিলক্ষিত হয়। অপরদিকে ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) অধিকাংশ ক্ষেত্রে রায় অনুযায়ী ফৎওয়া প্রদান করায় তাঁর সাথে মতপার্থক্য বেশী দেখা যায়। ভারতের দেওবন্দ মাদরাসার সাবেক মুহতামিম আল্লামা আনওয়ার শাহ কাশ্মীরী বলেন, জেনে রেখ ইমাম বুখারী (রহঃ) নিঃসন্দেহে একজন মুজতাহিদ ছিলেন (ফায়যুল বারী ১/৫৮)। স্বীয় কিতাবে তিনি কারো তাক্বলীদ করেননি (ফায়যুল বারী ১/৪৩৮)। তিনি ফক্বীহ্দের নেতা ছিলেন (তারীখে বাগদাদ ২/০৬)। ইবনু হাজার আসক্বালানী (রহঃ) বলেন, এটা খুবই প্রসিদ্ধ যে ইমাম বুখারী হাদীছ থেকে মাসআলাসমূহ সাব্যস্ত করেছেন (ফাৎহুল বারী ১/৮২)। হাফেয যাহাবী বলেন, তিনি ইমাম, হাফেয, হুজ্জাত, ফিক্বহ ও হাদীছের নেতা এবং মুজতাহিদ ছিলেন। তিনি দ্বীনদারী, পরহেযগারিতা ও আল্লাহ ভীরুতার সাথে সাথে দুনিয়ার অনন্য সাধারণ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন (আল-কাশিফ ফী মা‘রিফাতি মান লাহু রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ ৩/১৮, ক্রমিক নং ৪৭৯০)। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ইমাম বুখারী ও আবুদাঊদ ফিক্বহের ইমাম ও মুজতাহিদ মুত্বলাক্ব ছিলেন। পক্ষান্তরে মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ, ইবনু খুযায়মাহ, আবু ইয়া‘লা, বাযযার প্রমুখ আহলেহাদীছ মাযহাবের উপরে ছিলেন। তারা কোন নির্দিষ্ট আলেমের মুক্বাল্লিদ ছিলেন না। তারা মুজতাহিদ মুত্বলাক্বও ছিলেন না (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২০/৩৯-৪০)। অতএব ইমাম বুখারীসহ কুতুবে সিত্তার অন্যান্য ইমামগণ হাদীছের অনুসারী ছিলেন। প্রচলিত কোন মাযহাবের মুক্বাল্লিদ ছিলেন না।
Faisal ahmad apu.bd

puzzle-মাকতু হাদীছঃ

মাকতু হাদীছঃ
قَالَ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ: كُلُّ مَا وَصَفَ اللَّهُ تَعَالَى بِهِ نَفْسَهُ فِي كِتَابِهِ، فَتَفْسِيرُهُ قِرَاءَتُهُ، وَالسُّكُوتَ عَلَيْهِ، لَيْسَ لأَحَدٍ أَنْ يُفَسِّرَهُ إِلا اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ وَرُسُلُهُ.
সুফিয়ান ইবনে ওয়াইনা রহ. বলেছেন যে,আল্লাহ তা’আলা যে সকল সিফাত কুরআন কারীমে তার নিজের জন্য বর্ননা করেছেন তার তাফসীর হলো তা তেলাওয়াত করা এবং চুপচাপ থাকা।মহান আল্লাহ ও তার রসূল সা. ব্যতিত কেউ-ই ছিফাতের তাফসীর করতে সক্ষম নয়।-ইমাম বাগাবীর শরহুস সুন্নাহ,খন্ড-১,পৃষ্ঠা-১৭১।

তাহক্বীক্বঃ
ইমাম বাগাবী এর জীবনকাল ৪৩৬-৫১৬ হিজরি। (শরহুস সুন্নাহ, মুকাদ্দামা), যা প্রায় ১০৪৪-১১২২ খ্রিষ্টাব্দ।
সুফিয়ান ইবনে ওয়াইনা – জন্মগ্রহণ করেন ১০৭ খ্রিষ্টাব্দে এবং ১৯৮ খ্রিষ্টাব্দে ইন্তাকাল করেছেন। (ديوان الإسلام ৩/৭; تاريخ اربل ২/১২৫, ৩৬)
অর্থাৎ সুফিয়ান ইবনে ওয়াইনা এর মৃত্যুর প্রায় ৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দ পর ইমাম বাগাবী (রহঃ) জন্মগ্রহণ করেছেন। সনদ মুনক্বাতে।
Allahr gulam anisul

ছহীহ হাদীছৰ সূত্র

#ছহীহ হাদীছ:-

মুহাদ্দিছসকলৰ পৰিভাষাত যিবোৰ হাদীছৰ মাজত ৫ টা চর্ত পূৰণ হৈছে তাকে ছহীহ হাদীছ বা বিশুদ্ধ হাদীছ বোলে। চর্ত ৫ টা হ’ল-

১) হাদীছৰ সকলো বর্ণনাকাৰী বা ৰাবী পৰিপূর্ণ সৎ আৰু বিশ্বস্ত বুলি প্রমাণিত। ইয়াক ‘আদালত’ বোলে।

২) সকলো ৰাবীৰ ‘নির্ভুল বর্ণনা ক্ষমতা’ পূর্ণৰূপে বিদ্যমান বুলি প্রমাণিত। ইয়াক ‘যাবতা’ বোলে।

৩) চনদৰ প্রত্যেক ৰাবীয়ে তেওঁৰ ঊর্ধ্বতন ৰাবীৰ পৰা নিজ কাণে হাদীটো শুনিছে বুলি প্রমাণিত। ইয়াক ‘ইত্তিচাল’ বোলে।

৪) হাদীছটো অন্যান্য প্রমাণিত হাদীছৰ বর্ণনাৰ বিপৰীত নহয় বুলি প্রমাণিত। ইয়াক ‘শুযুয মুক্তি’ বোলে।

৫) হাদীছটোৰ মাজত সূক্ষ্ম কোনো চনদগত বা অর্থগত ত্রুটি নাই বুলি প্রমাণিত। ইয়াক
‘ইল্লাত মুক্তি’ বোলে।

#হাচান হাদীছ:-

মুহাদ্দিছসকলৰ পৰিভাষাত যিবোৰ হাদীছত ছহীহ হাদীছৰ ৫ টা চর্ত বিদ্যমান, কিন্তু দ্বিতীয় চর্ত অর্থাৎ ‘যাবতা’ বা হাদীছ বর্ণনাকাৰীৰ ‘নির্ভুল বর্ণনা ক্ষমতা’ অলপ দুর্বল বুলি বুজা যায়, সেই হাদীছক হাচান হাদীছ বা গ্রহণযোগ্য হাদীছ বোলা হয়। অর্থাৎ যদি চনদত উল্লেখিত কোনো এজন ৰাবীৰ বর্ণিত হাদীছৰ মাজত কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল-ত্রুটি লক্ষ্য কৰা যায়, তেনেহ’লে এনে ধৰণৰ ৰাবীৰ বর্ণিত হাদীছ ‘হাচান হাদীছ’ বুলি গণ্য।

ফিকহবিদসকলে সাধাৰণতে ছহীহ আৰু হাচান হাদীছৰ ভিত্তিতে শ্বৰীয়তৰ বিধান নির্ধাৰণ কৰে।

#জঈফ বা দুর্বল হাদীছ:-

যি হাদীছৰ মাজত হাচান হাদীছৰ চর্তবিলাক অবিদ্যমান দেখা যায়, মুহাদ্দিছসকলৰ পৰিভাষাত তাকে যঈফ হাদীছ বোলে। অর্থাৎ,

১- ৰাবীৰ বিশ্বস্ততাৰ অভাৱ, বা
২- তেওঁৰ বিশুদ্ধ হাদীছ বর্ণনা বা স্মৃতিৰ অভাৱ, বা
৩- চনদৰ মাজত কোনো এজন ৰাবীয়ে তেওঁৰ ঊর্ধ্বতন ৰাবীৰ পৰা পোনপটীয়াকৈ আৰু নিজ কাণেৰে শুনা নাই বুলি প্রমাণিত হোৱা বা দৃঢ় সন্দেহ হোৱা, বা
৪- অন্যান্য প্রমাণিত হাদীছৰ সৈতে সাংঘর্ষিক হোৱা, অথবা
৫- সূক্ষ্ম কোনো চনদগত বা অর্থগত ত্রুটি থকা;
ইত্যাদি যিকোনো এটা বিষয় কোনো হাদীছৰ মাজত থাকিলে হাদীছটো জঈফ বুলি গণ্য হয়। কোনো হাদীছক ‘জঈফ’ বুলি গণ্য কৰাৰ অর্থ হ’ল, হাদীছটো ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ কথা নহয় বুলিয়েই প্রতীয়মান হয়।

#মাউযু হাদীছ বা বানোয়াট হাদীছ:-

যি হাদীছৰ ৰাবীয়ে জীৱনত কেতিয়াবা ইচ্ছাকৃতভাৱে ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ নামত মিছা কথা সজাই সমাজত প্রচাৰ কৰিছে অথবা, ইচ্ছাকৃতভাৱে হাদীছৰ সূত্র (চনদ) বা মূল বাক্যৰ মাজত কম-বেছি কৰিছে বুলি প্রমাণিত হৈছে, তেওঁৰ বর্ণিত হাদীছক বানোয়াট বা মাউযু হাদীছ বোলে। এনেকুৱা ব্যক্তিৰ বর্ণিত হাদীছ গ্রহণযোগ্য নহয়।

#গৰীব হাদীছ:-

যি ছহীহ হাদীছ কোনো যুগত মাত্র এজন ৰাবীয়ে বর্ণনা কৰিছে তাকে গৰীব হাদীছ বোলা হয়।

* মাৰফু, মাওকুফ আৰু মাকতু হাদীছ সম্পর্কে আৰু বিস্তাৰিত জানিবলৈ এই প্রৱন্ধটি পঢ়ক- হাদীছৰ বহুকেইটা পৰিভাষা

http://www.quraneralo.com/common-hadith-terminologies/

হাদীছ বিষয়ক কিছু পৰিভাষাৰ সৰল সংজ্ঞা

#JBR

Differentiate Sahih & Zaheef Ahadiths by 4 scolars

Differentiate Sahih & Zaheef Ahadiths:-
————————————————-
1]-Dr Zakir Naik SAHIH AND ZAEEF HADEES Different
2]-How to differentiate Sahih & Zaheef Ahadiths (ByBr.Imran)
3]-Zaeef Aur Sahih Hadees Kya Hai Aur Zaeef Par Amal Karna Kaisa Hai By Adv. Faiz Syed
4]-Ek Hadees Sahih, Hasan ya Za’eef kab kehlati hai? By abu zaid zameer
 

ঈমাম বুখারী ঃ আমিরুল মুমিনীন ফিল হাদীস

bkhari ra

ঈমাম বুখারী ঃ আমিরুল মুমিনীন ফিল হাদীস

জন্ম ঃ ১৩ই শাওয়াল, ১৯৪ হিজরী (৮১০ খ্রিস্টাব্দ)
বুখারা বর্তমান উজবেকিস্তানে অবস্থিত।

মৃত্যু ঃ ১লা শাওয়াল, ২৫৬ হিজরী (৩১শে আগস্ট, ৮৭০ খ্রিস্টাব্দ) (৬২ বছর)।

জাতিভুক্ত ঃ তুর্কী/পারসিক

মূল আগ্রহ ঃ হাদীসশাস্ত্র
উল্লেখযোগ্য ধারণা ঃ শুধুমাত্র সহীহ হাদীসের সংকলন
লক্ষণীয় কাজ ঃ সহিহ বুখারী, আদাবুল মুফরাদ

যাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন ঃ
★আহমাদ বিন হাম্বল
★আলী ইবনুল মাদীনী
★ইয়াহয়া বিন মায়ীন
★ইসহাক বিন রাহওয়াই

যাদেরকে প্রভাবিত করেছেন ঃ ইমাম মুসলিম

মিশরের ১৯৬৯ সালের ডাকটিকেটে ইমাম বুখারীর চিত্রায়ন।

————————————–
commt-বোখারা উজবেকিস্তানে নয়,রাশিয়ায় অবস্থিত।
Reply-Bukhara is an ancient city in the Central Asian country of Uzbekistan. It was a prominent stop on the Silk Road trade route between the East and the West, and a major medieval center for Islamic theology and culture. It still contains hundreds of well-preserved mosques, madrassas, bazaars and caravanserais, dating largely from the 9th to the 17th centuries.