Category Archives: MIX mixure Masala

দেওবান্দিদের নিকট শির্ককারী ফেরাউনের অনুসারী ইবনুল আরাবী হচ্ছে শায়খে আকবার

aa1

 **এটা বেদআতি হেমায়েত উদ্দিন নামক দেওবান্দির লেখা, থানবী প্রকাশনীর প্রকাশিত।
**ইবনুল আরাবীর মতবাদের উপরে , আস্তাগফেরুল্লা বলা হয়েছে।
** আমার দোআতে আমীন বলতে বলেছি।

এই দেখুন, দেওবান্দিদের নিকট শির্ককারী ফেরাউনের অনুসারী ইবনুল আরাবী হচ্ছে শায়খে আকবার!! এরা ফেরাউনের বংশধরকে তাদের শায়খ বানিয়েছে সেটিও আবার যা তা নয়, সরাসরি আকবার!! অথচ এই আরাবিকে আইনাল হাক্ক বা আমি সত্য বা আমি আল্লাহ বলার কারনে ফাসি দেয়া হয়েছে।

-আল্লাহ এই দেওবান্দিরে হাশার তুমি ওদের এই শায়খে আকবার নামে খ্যাত ইবনুল আরাবীর সাথেই কর হে আল্লাহ।
-আল্লাহ তুমি এদেরকে এর মতবাদের উপর মৃত্যুদাও।
-আল্লাহ তুমি এদের হিসাব আরাবির সাথে কর।
-আল্লাহ যারাই এই কথার সাফাই গায় যে, আরাবির কথা ঠিক তুমি তাকে আরাবীর সাথে হাশর করাও।

আমীন ইয়া আল্লাহ আমীন।

কুরআন ও সুন্নাহর উপর আমল করা ওয়াজিব : কোন বিষয়ে যদি তোমরা মতবিরোধ কর তাহলে তা আল্লাহ্‌ ও রাসূলের দিকে প্রত্যাবর্তন কর

+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

সহীহ ফিক্বহুস সুন্নাহ / আবূ মালিক কামাল বিন আস-সাইয়্যিদ সালিম / ভূমিকা এবং জরুরী জ্ঞাতব্য

http://www.hadithbd.com/shareqa.php?qa=2143%E0%A সতর্কবাণী: কুরআন ও সুন্নাহর উপর আমল করা ওয়াজিব

প্রথম সতর্কবাণী: কুরআন ও সুন্নাহর উপর আমল করা ওয়াজিব[1]

জেনে রাখা আবশ্যক যে, কুরআন ও সুন্নায় বহু দলীল রয়েছে। সুতরাং সকল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির উচিৎ একতাবদ্ধ হয়ে কিতাবুল্লাহ ও সুন্নাতে রাসূল (ﷺ) এর উপর আমল করা।

আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেন:

﴿اتَّبِعُوا مَا أُنْزِلَ إِلَيْكُمْ مِنْ رَبِّكُمْ وَلَا تَتَّبِعُوا مِنْ دُونِهِ أَوْلِيَاءَ قَلِيلًا مَا تَذَكَّرُونَ﴾

তোমাদের প্রতি তোমাদের রবের পক্ষ হতে যা নাযিল করা হয়েছে, তা অনুসরণ কর এবং তাকে ছাড়া অন্য অভিভাবকের অনুসরণ করো না। তোমরা সামান্যই উপদেশ গ্রহণ কর (সূরা : আল আ‘রাফ-৩) ।

‘‘আল্লাহ্‌ তোমাদের উপর যা অবতীর্ণ করেছেন’’ এর দ্বারা উদ্দেশ্য হল, ‘কুরআন’ এবং এর ব্যাখ্যাকারী গ্রন্থ ‘হাদীস’। কোন মানুষের মতামত নয়। আল্লাহ্‌ বলেন:

﴿وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ تَعَالَوْا إِلَى مَا أَنْزَلَ اللَّهُ وَإِلَى الرَّسُولِ رَأَيْتَ الْمُنَافِقِينَ يَصُدُّونَ عَنْكَ صُدُودًا﴾

আর যখন তাদেরকে বলা হয়, তোমরা আস যা আল্লাহ্‌ নাযিল করেছেন তার দিকে এবং রাসূলের দিকে, তখন মুনাফিকদেরকে দেখবে তোমার কাছ থেকে সম্পূর্ণরূপে ফিরে যাচ্ছে (সূরা : আন-নিসা-৬১) ।

এ আয়াত এ কথাই প্রমাণ করছে যে, যখন তাকে কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করার আহবান জানানো হয় তখন তা থেকে যে বিমুখ হয় তার চরিত্র সম্পূর্ণ মুনাফিকের মত। কেননা উপদেশ দেয়া হয় আম শব্দের মাধ্যমে, বিশেষ কারণের দ্বারা নয়। আল্লাহ্‌ বলেন:

﴿فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ إِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ﴾

অতঃপর কোন বিষয়ে যদি তোমরা মতবিরোধ কর তাহলে তা আল্লাহ্‌ ও রাসূলের দিকে প্রত্যাবর্তন কর- যদি তোমরা আল্লাহ্‌ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখ (সূরা : আন-নিসা-৫৯)।

আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল (ﷺ) এর দিকে প্রত্যাবর্তন করার অর্থ হল, তাঁর কিতাবের দিকে প্রত্যাবর্তন করা। আর রাসূল (ﷺ) এর মৃত্যুর পর তাঁর দিকে প্রত্যাবর্তন করার অর্থ হল তাঁর সুন্নাতের দিকে প্রত্যাবর্তন করা।

আর এ বিষয়টিকে ঈমানের সাথে সম্পৃক্ত করে বলা হচ্ছে যে, إِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ অর্থাৎ, যদি তোমরা আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান রাখ। তথা দ্বন্দ্ব নিরসনকে কিতাবুলস্নাহ ও সুন্নাতে রাসূলের দিকে প্রত্যাবর্তন করাই হল প্রকৃত ঈমানের পরিচয়। সুতরাং এ থেকে বুঝা যায় যে, যদি কেউ দ্বন্দ্ব নিরসনে কিতাব ও সুন্নাহ ছাড়া অন্যের দিকে প্রত্যাবর্তন করে তাহলে সে ঈমানদার নয়।

আল্লাহ্‌ বলেন:

﴿وَاتَّبِعُوا أَحْسَنَ مَا أُنْزِلَ إِلَيْكُمْ مِنْ رَبِّكُمْ مِنْ قَبْلِ أَنْ يَأْتِيَكُمُ الْعَذَابُ بَغْتَةً وَأَنْتُمْ لَا تَشْعُرُونَ﴾

তোমাদের উপর অতর্কিতভাবে আযাব আসার পূর্বেই তোমাদের কাছে রবের পক্ষ থেকে যে উত্তম ওহী নাযিল করা হয়েছে তার অনুসরণ কর (সূরা যুমার-৫৫)।

নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, কুরআন হল সর্বোত্তম কিতাব যা আমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে আমাদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে। আর সুন্নাত হল, কুরআনের ব্যাখ্যাকারী। আমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে যে উত্তম কিতাব আমাদের উপর নাযিল করা হয়েছে, যারা তার অনুসরণ করবে না তাদের কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারী দিয়ে আল্লাহ্‌ বলেছেন:

﴿مِنْ قَبْلِ أَنْ يَأْتِيَكُمُ الْعَذَابُ بَغْتَةً وَأَنْتُمْ لَا تَشْعُرُونَ﴾

তোমাদের রবের পক্ষ থেকে তোমাদের উপর অতর্কিতভাবে আযাব আসার পূর্বেই (সূরা যুমার-৫৫)। আল্লাহ্‌ বলেন:

﴿الَّذِينَ يَسْتَمِعُونَ الْقَوْلَ فَيَتَّبِعُونَ أَحْسَنَهُ أُولَئِكَ الَّذِينَ هَدَاهُمُ اللَّهُ وَأُولَئِكَ هُمْ أُولُو الْأَلْبَابِ ﴾

যারা মনোযোগ সহকারে কথা শোনে অতঃপর এর যা উত্তম তা অনুসরণ করে তাদেরকেই আল্লাহ্‌ হিদায়াত দান করেন আর তারাই বুদ্ধিমান (সূরা যুমার-১৮)।

এতে কোন সন্দেহ নেই যে, কোন ব্যক্তির মতামতের চেয়ে কিতাবুলস্নাহ ও সুন্নাতে রাসূল (সাঃ) অতি উত্তম। আল্লাহ্‌ বলেন:

﴿وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ﴾

রাসূল তোমাদের যা দেন তা গ্রহণ কর, আর যা থেকে তিনি তোমাদের নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহ্‌কেই ভয় কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ শাস্তি প্রদানে কঠোর (সূরা হাশর-৭) ।

আল্লাহ্‌র বাণী: ‘‘ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ ’’ এর মাধ্যমে যারা সুন্নাতে রাসূলের প্রতি আমল করবে না তাদের কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারী দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে যারা মনে করবে যে, অনুসরণের জন্য কোন ব্যক্তির মতামতই যথেষ্ট।

আল্লাহ্‌ বলেন:

﴿لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِمَنْ كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآخِرَ

১. প্রথম রাসূল নূহ (আঃ)-এর সত্যতার বিরুদ্ধে যে পাঁচটি আপত্তি তোলা হয়েছিল, সর্বশেষ ও শ্রেষ্ঠ রাসূল মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর সত্যতার বিরুদ্ধেও ঐ অভিযোগগুলি তোলা হয়েছিল। শেষনবীর প্রকৃত দ্বীনী…
hadithbd.com

এই নেন, দেওবান্দি আকাবিড়দের আকিদা!

এই নেন, দেওবান্দি আকাবিড়দের আকিদা!
তাদের মতে চিশতিয়া, কাদেরিয়া, নকশবন্দিয়া, ও সোহরাওয়ার্দিয়া এই পীরমুরীদি সিলসিলা হচ্ছে হক্ক বা সত্য।
অথচ দেওভুত মুরীদরা কসম করে বলে “না না না, এগুলা আমাদের আকিদা না” আসলে এগুলা তোমাদের আকিদা না এগুলা “দেওভুত আকিদা”

http://quran.com/2/129

zz