Category Archives: Death-Kabar-Zirat-Dua

জানাযার বিধিবিধান জানাযার বিধিবিধান সংক্রান্ত ৭০টি প্রশ্ন শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেআল-উসাইমীন রহ.

http://www.hadithbd.com/janaja.php

আপডেট সমাপ্ত
জানাযার বিধিবিধান সংক্রান্ত ৭০টি প্রশ্ন
সূচীপত্র
১: মরণাপন্ন ব্যক্তির কাছে উপস্থিত ব্যক্তির করণীয় কি? আর মরণাপন্ন ব্যক্তির নিকট সূরা ইয়াসিন পড়া কি সুন্নাতসম্মত?
২: জানাযা পড়ার জন্য সমবেত করার উদ্দেশ্যে কারো মৃত্যু সংবাদ তার আত্মীয়-স্বজন এবং বন্ধু-বান্ধবকে দিলে কি তা নিষিদ্ধ মৃত্যু সংবাদ ঘোষণার আওতায় পড়বে নাকি তা বৈধ?
৩: মৃতকে গোসল দেওয়ার পদ্ধতি কি? এতদ্বিষয়ে এবং মৃতকে গোসল দেওয়ার ব্যাপারে দ্বীনি ছাত্রবৃন্দের জন্য আপনার নছীহত কি?
৪: জানাযার ছালাতের পদ্ধতি কি?
৫: মুর্দাকে প্রস্তত করা, তাকে গোসল দেওয়া, কাফন পরানো, তার জানাযার ছালাত পড়া অথবা তাকে দাফন করার ক্ষেত্রে আত্মীয়-স্বজন আসা পর্যন্ত বিলম্ব করার হুকুম কি?
৬: সবক্ষেত্রে গায়েবানা জানাযা কি শরী‘আত সম্মত?
৭: জানাযার ছালাত পড়ানোর ক্ষেত্রে কে বেশী উত্তম? ইমাম নাকি মৃতের অভিভাবক?
৮: একই জানাযায় কয়েকজন মুর্দার উপস্থিতিতে আমরা কি তাদের মধ্যে সর্বাধিক জ্ঞানী ব্যক্তিকে ইমামের নিকটবর্তী করব নাকি তারা সবাই সমান?
৯: একই জানাযায় পুরুষ, মহিলা এবং বাচ্চা থাকলে ইমাম কোথায় দাঁড়াবেন?
১০: মুর্দা অনেকগুলি হলে জানাযার সময় তাদের পুরুষ কিংবা মহিলা হওয়া সম্পর্কে মুছল্লীদেরকে অবহিত করার হুকুম কি?
১১: বিশেষ করে জুম‘আর দিনে অনেক মুর্দার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়, এমনকি তাদের জন্য ইমামের সামনের জায়গাও সংকুলান হয় না।[1] এক্ষেত্রে কি কয়েক দফায় তাদের জানাযা পড়তে হবে?
১২: জানাযার ছালাতে বেশী মুছল্লী উপস্থিতির বিষয়ে কি কোন বর্ণনা এসেছে? বেশী মুছল্লী শরীক হওয়ার হিকমত কি?
১৩: জানাযার ছালাতে সূরা ফাতিহার পরে অন্য আয়াত বা সূরা মিলানোর হুকুম কি?
১৪: ছোট বাচ্চার জানাযার ছালাতে কোন্‌ দো‘আ পড়তে হয়?
১৫: জানাযার ছালাতে সূরা ফাতিহা পড়ার বিধান কি?
১৬: কারো জানাযার এক বা একাধিক তাকবীর ছুটে গেলে সে কি তার ক্বাযা আদায় করবে? সে ইমামের সাথে ছালাত শুরু করবেইবা কিভাবে?
১৭: কোন্‌ কোন্‌ সময়ে জানাযার ছালাত আদায় করা নিষেধ? আর কেনইবা ফজরের পূর্বে এবং আছরের পূর্বে মানুষ জানাযা ছালাত পড়ে না- বিশেষ করে কা‘বা ও মসজিদে নববীতে- অথচ তারা ঐসময় সমবেত থাকে?
১৮: জানাযার ছালাতের জন্য মৃতদেহকে নির্দিষ্ট জায়গায় রাখার আগে এবং দাফনের সময় মাটিতে রাখার আগে তার উদ্দেশ্যে দাঁড়ানোর হুকুম কি? আর দাফনের সময় দাঁড়ানোর হুকুমইবা কি? উল্লেখ্য যে, মৃতদেহকে মসজিদে প্রবেশ করানোর সময় মানুষ যখন তার জানাযার জন্য দাঁড়ায়, তখন তারা ছালাতের পরের যিকর-আযকার ছেড়ে দেয়!
১৯: মৃতের পরিবার-পরিজন অথবা তাকে বহনকারী ব্যক্তিরা জানাযার ছালাতের সময় সামনে গিয়ে যদি ইমামের ডান পাশে দাঁড়ায়, তাহলে শরী‘আতে এর কোন ভিত্তি আছে কি? এক্ষেত্রে সুন্নাত কি?
২০: অকাল প্রসূত ভ্রূণের (গর্ভচ্যুত অসম্পূর্ণ সন্তান) জানাযা পড়তে হবে কি না?
২১: জানাযার সময় মৃতের মাথা ইমামের ডান দিকে রাখা কি শরী‘আত সম্মত?
২২: যদি কেউ ভিড়ের কারণে বা সুন্নাতে রাতেবাহ আদায় করার কারণে অথবা (ছুটে যাওয়া) ফরজ ছালাত পূর্ণ করার কারণে অথবা অন্য কোনো কারণে জানাযার সাথে না যায় কিন্তু দাফনের পূর্বে তার জানাযায় শরীক হয়, তাহলে কি সে মৃতের সাথে ক্ববরস্থানে গমনকারী হিসাবে বিবেচিত হবে? তার কি ক্ববরস্থানে গমনকারীর নেকী হবে?
২৩: মসজিদে ইমামের সাথে কারো জানাযার ছালাত ছুটে গেলে ক্ববরস্থানে দাফনের পূর্বে অথবা দাফনের পরে ক্ববরকে কেন্দ্র করে জানাযা পড়া কি জায়েয?
২৪: ইমামের সাথে ফরয ছালাত পায় নি এমন কেউ জানাযা ছালাতের জন্য মৃতকে সামনে নেওয়া অবস্থায় মসজিদে প্রবেশ করলে সে কি ইমামের সাথে জানাযার ছালাত পড়বে নাকি আগে ফরয ছালাত পড়বে?
২৫: মৃত ব্যক্তি ছালাত পরিত্যাগকারী হলে, অথবা সে ছালাত পরিত্যাগকারী বলে সন্দেহ হলে অথবা তার অবস্থা না জানা থাকলে তার জানাযা পড়ার হুকুম কি? জানাযার উদ্দেশ্যে তাকে ইমামের সামনে নিয়ে যাওয়া কি তার অভিভাবকের জন্য জায়েয হবে?
২৬: জানাযায় মৃত ব্যক্তির জন্য দো‘আ করার সময় শর্ত জুড়ে দেওয়া কি জায়েয? যেমনঃ হে আল্লাহ! সে যদি ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ এর সাক্ষ্য প্রদানকারী হয়… ইত্যাদি? শরী‘আতে এর কোন ভিত্তি আছে কি?
২৭: মৃত ব্যক্তিকে কাঁধে করে বহন করা উত্তম নাকি গাড়ীতে? হেঁটে হোক অথবা আরোহী অবস্থায় হোক জানাযার সামনে চলা উত্তম নাকি পেছনে?
২৮: মৃতকে ক্ববরস্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় ‘তারবী’ (تربيع)-এর অর্থ কি? শরী‘আতে এর কোন ভিত্তি আছে কি?
২৯: মৃত ব্যক্তির সাথে ক্ববরস্থানে গমনকারীরা কখন বসবে?
৩০: মসজিদে মৃতের জানাযা সংঘটিত হওয়ার পর আরও কয়েকজন তার জানাযা পড়তে আসছে হেতু অন্তত দশ মিনিটের জন্য হলেও কি মৃতের দাফনকর্ম বিলম্বিত করা জায়েয?
৩১: মৃতের দেহের কোন্‌ দিক আগে ক্ববরে নামাতে হবে?
৩২: মৃত মহিলাকে ক্ববরে নামানোর সময় ক্ববরকে ঢেকে রাখার বিধান কি? আর কত সময় ঢেকে রাখতে হবে?
৩৩: মৃতকে দাফনের সময় অনেকেই উচ্চস্বরে কথা বলে; এতে কি কোন সমস্যা আছে?
৩৪: মৃতকে ক্ববর দেওয়ার সময় যারা উপদেশ দেয়, তাদের ব্যাপারে আপনার অভিমত কি? নিয়মিত এটি করলে কি কোন সমস্যা?
৩৫: ক্ববরস্থানে প্রবেশের সময় ডান পা আগে এবং বের হওয়ার সময় বাম পা আগে রাখার হুকুম কি?
৩৬: মৃতের ক্ববরে মাটি দেওয়ার সময় শরী‘আতসম্মত কোন্‌ দো‘আটি পড়তে হয়? ﴿مِنْهَا خَلَقْنَاكُمْ وَفِيْهَا نُعِيْدُكُمْ﴾ [سورة طه: 55] পড়ার কোন হাদীছ আছে কি?
৭: সান্ত্বনাদান বা শোক প্রকাশের পদ্ধতি কি?
৩৮: সান্ত্বনা দেওয়ার সময় মুছাফাহা করা কি সুন্নাত?
৩৯: শোকাহত ব্যক্তিকে সান্ত্বনা দেওয়ার সময় কখন?
৪০: দাফনের পূর্বে শোক প্রকাশ করা বা সান্ত্বনা দেওয়া কি বৈধ?
৪১: শোক প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে মৃত ব্যক্তির পরিবার- পরিজনের নিকটে যাওয়ার হুকুম কি?
৪২: মৃত ব্যক্তিকে ক্ববরস্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় তার মাথা খাটলির সামনের দিকে রাখা সুন্নাত কি?
৪৩: মৃতকে দাফন করার সময় তিন মুষ্টি মাটি মৃতের মাথার দিক থেকে ক্ববরে দেওয়ার কি কোন শরঈ ভিত্তি আছে?
৪৪: মৃতকে দাফনের পরে তাকে ফেরেশতাদ্বয়ের প্রশ্নের জবাব স্মরণ করিয়ে দেওয়ার বিধান কি?
৪৫: মৃতকে দাফনের পূর্বে তার পক্ষে সাক্ষ্য গ্রহণের রেওয়াজ কিছু কিছু মুসলিম সমাজে প্রচলিত আছে। মৃতের কোন আত্মীয় বা অভিভাবক জনগণকে উদ্দেশ্য করে বলে, আপনারা মৃতের ব্যাপারে কি সাক্ষ্য প্রদান করবেন? তখন তারা তার ব্যাপারে সততার সাক্ষ্য প্রদান করে। এসব কর্মকাণ্ডের কোন ভিত্তি কি শরী‘আতে আছে?
৪৬: ‘দু’জন ব্যক্তিকে ক্ববরে শাস্তি দেওয়া হচ্ছিল। ফলে শাস্তি মাফের জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের ক্ববরে খেজুরের ডাল পুঁতে দিলেন’[1] এই হাদীছের আলোকে ক্ববরের উপরে গাছের কাঁচা ডাল ইত্যাদি পোঁতা কি সুন্নাত নাকি এটি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম–এর জন্য নির্দিষ্ট ছিল? আর তার জন্য নির্দিষ্ট হওয়ার দলীলইবা কি?
৪৭: ইমাম ফরয ছালাতের সালাম ফিরানোর সঙ্গে সঙ্গে মৃত ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজন তাকে দ্রুত দাফন করার উদ্দেশ্যে তড়িঘড়ি করে ইমামের সামনে জানাযা পড়ানোর জন্য নিয়ে আসে। এক্ষেত্রে মৃতের আত্মীয়-স্বজনের করণীয় আসলে কি? আর ইমামকেইবা আপনি কি নছীহত করবেন?
৪৮: মৃতের সাথে লেনদেন সংক্রান্ত কিছু ঘটে থাকলে মৃত ব্যক্তির অভিভাবক সে বিষয়টি সমাধানের জন্য জানাযায় অংশগ্রহণকারীদের কাছে আবেদন করতে পারে কি?
৪৯: ক্ববর যিয়ারতের প্রকারগুলি কি কি?
৫০: মৃত ব্যক্তিকে সালাম প্রদানের সময় ক্বিবলামুখী হওয়া কি শরী‘আত সম্মত?
৫১: কেবলমাত্র ক্ববরস্থানে প্রবেশ করলে মৃতদের প্রতি সালাম দেওয়া সুন্নাত নাকি ক্ববরস্থানের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেও তাদেরকে সালাম দেওয়া যায়?
৫২: শোক পালনের সময় বিধবা স্ত্রীর উপর কি কি নিষিদ্ধ? দলীলসহ জবাবদানে বাধিত করবেন।
৫৩: স্ত্রী যে বাড়ীতে থাকা অবস্থায় তার কাছে তার স্বামীর মৃত্যুর খবর এসেছে, সেই বাড়ীতে শোক প্রকাশের দিনগুলি কাটানো কি তার জন্য আবশ্যক নাকি তার স্বামীর বাড়ীতে? ওখান থেকে তার বাবার বাড়ীতে বা অন্যকোন বাড়ীতে যাওয়া কি তার জন্য বৈধ হবে?
৫৪: মহিলাদের ক্ববর যিয়ারত সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
৫৫: বর্তমানে পত্র-পত্রিকায় শোক প্রকাশের এবং মৃতব্যক্তির অভিভাবকদের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশকারীদের ধন্যবাদ জানানোর ধূম পড়ে গেছে। এমন রেওয়াজের হুকুম কি? এটি কি নিষিদ্ধ বিলাপ ও মাতমের আওতায় পড়বে? উল্লেখ্য যে, পত্রিকায় শোক প্রকাশ এবং শোক প্রকাশকারীদেরকে ধন্যবাদ জানাতে কখনও পত্রিকার পুরো পৃষ্টা লেগে যায়, যার ব্যয়ভার দশ হাযার সঊদী রিয়াল পড়ে। ইহা কি অপচয়ের অন্তর্ভুক্ত হবে?
৫৬: শোক প্রকাশের সময় উল্লেখ করতে গিয়ে আপনি বলেছেন, মৃত্যুঘটিত কারণ ছাড়া অন্য কারণেও শোক প্রকাশ করা যেতে পারে। কিন্তু আসলেই কি অন্য কারণে শোক প্রকাশ করা যায়? আর গেলে কিভাবে তা প্রকাশ করতে হবে?
৫৭: দুই ঈদের দিন এবং জুম‘আর দিনকে ক্ববর যিয়ারতের জন্য নির্দিষ্ট করে নেওয়ার বিধান কি? এই দিনগুলিতে কি জীবিতদের সাথে সাক্ষাত করতে হবে নাকি ক্ববর যিয়ারত করতে হবে?
৫৮: মহিলা কর্তৃক রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম–এর ক্ববর যিয়ারত এবং অন্যের ক্ববর যিয়ারতের মধ্যে কি কোন পার্থক্য আছে? মহিলা কর্তৃক ক্ববর যিয়ারতের নিষেধাজ্ঞা কি ‘আম বা সার্বিক বিধান নাকি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম–এর ক্ববর এই হুকুম থেকে আলাদা?
৫৯: ক্ববরের উপর লেখা অথবা ক্ববর রঙীন করার বিধান কি?
৬০: স্বীকৃত কোনো সৎ ও জ্ঞানী মানুষ মারা গেলে তাঁর ক্ববর যিয়ারতকারীদের সংখ্যা বেশী হয়। কিন্তু সেটি যেন শির্কের মাধ্যমে পরিণত না হয়, সেজন্য কিছু কিছু ছাত্র এত বেশী পরিমাণ যিয়ারত করতে নিষেধ করে থাকে। এক্ষণে এবিষয়ে আপনার মতামত জানিয়ে বাধিত করবেন।
৬১: খারাপ প্রকৃতির মানুষ মারা গেলে লোকে অনেক সময় তার দোষত্রুটি বর্ণনা করে। অথচ ছহীহ বুখারীতে এসেছে, ‘তোমরা মৃতদেরকে গালি দিও না। কেননা তারা তাদের কৃতকর্মের প্রতিদান প্রাপ্তির স্থলে পৌঁছে গেছে’। এক্ষণে, ঐসব লোক কি এই নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়ে?
৬২: ক্ববরে মৃত ব্যক্তির জন্য ‘ক্বাতীফা’ বা মখমল ও রেশমী জাতীয় কাপড় দেওয়ার হুকুম কি? ছহীহ মুসলিমে এসেছে, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম–এর ক্ববরে লাল ক্বাতীফা দিয়েছিলেন।[1]
৬৩: রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম–এর গোলাম শুক্বরান যখন তাঁর ক্ববরে কাপড় দিয়েছিলেন, তখন ছাহাবীগণ (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম) তার বিরোধিতা করেছিলেন মর্মে কোন দলীল আছে কি? ছাহাবীগণ (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম) এই কাপড় আবার বের করে ফেলেছিলেন মর্মের বক্তব্যের সঠিকতাইবা কতটুকু?
৬৪: ইমাম মুসলিম বর্ণিত আবু হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু–এর হাদীছে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘কোনো মুসলিম ব্যক্তির রূহ যখন বের হয়ে যায়, তখন দু’জন ফেরেশতা তা নিয়ে উপরে উঠে। হাম্মাদ (হাদীছটির একজন বর্ণনাকারী) বলেন, অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ রূহের সুগন্ধি এবং মিস্‌কে আম্বরের কথা উল্লেখ করলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ঐ সময় আসমানবাসী বলেন, যমীন থেকে পবিত্র আত্মা এসেছে।…আল্লাহ আপনার উপর রহমত বর্ষণ করুন এবং আপনার শরীরের প্রতিও রহমত বর্ষণ করুন, যাকে আপনি সৎ আমল দ্বারা পরিচালিত করতেন। অতঃপর তাকে তার প্রভূর দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। তারপর আল্লাহ বলবেন, একে শেষ সময় পর্যন্ত নিয়ে যাও। অনুরূপভাবে কাফেরকেও বলা হয়, একে শেষ সময় পর্যন্ত নিয়ে যাও।[1] এক্ষণে হাদীছে ‘শেষ সময় পর্যন্ত’ দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে?
৬৫: ছহীহ মুসলিমে আবু হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণিত হাদীছে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আমি আমার প্রভূর কাছে আমার মায়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনার অনুমতি চাইলাম। কিন্তু তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন না’।[1] উক্ত হাদীছ কি প্রমাণ করে যে, তাঁর মা জাহান্নামী?
৬৬: জুতা পায়ে ক্ববর স্থানে যাওয়ার হুকুম কি? রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘হে জুতাওয়ালা, তোমার জুতা জোড়া খুলো’।[1] এই দলীল কি সঠিক?
৬৭: ইমাম মুসলিম মুহাম্মাদ ইবনে ক্বায়স থেকে বর্ণনা করেন, আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা) বলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! ক্ববরবাসীদের জন্য আমি কিভাবে দো‘আ করব? রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি বলবে, «السَّلَامُ عَلَى أَهْلِ الدِّيَارِ مِنْ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ وَيَرْحَمُ اللَّهُ الْمُسْتَقْدِمِينَ مِنَّا وَالْمُسْتَأْخِرِينَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِكُمْ لَاحِقُونَ» ‘ক্ববরবাসী মুমিন এবং মুসলমানের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমাদের অগ্রবর্তী এবং পরবর্তীদের উপর আল্লাহ রহম করুন। আমরা নিশ্চয়ই আপনাদের সাথে মিলিত হব ইনশাআল্লাহ।[1] এছাড়া বুখারী ও মুসলিমে উম্মে আত্বিইয়া (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘মৃতের জানাযা ও কাফন-দাফনে শরীক হতে আমাদেরকে নিষেধ করা হত। কিন্তু আমাদের প্রতি কঠোরতা প্রয়োগ করা হত না’।[2] অর্থাৎ এই নিষেধ ছিল মাকরূহ; হারাম নয়। এসব হাদীছ কি স্পষ্ট প্রমাণ করে না যে, মহিলারা যদি যিয়ারত করতে যেয়ে হারাম কার্য এড়িয়ে চলে, তাহলে তারা ক্ববর যিয়ারত করতে পারে? যদি তা না হয়, তাহলে মুহাম্মাদ বিন ক্বায়স বর্ণিত আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা) বর্ণিত উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যা কি হবে?
৬৮: ছহীহ মুসলিমে আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণিত হাদীছে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘মুমূর্ষু রোগীদেরকে তোমরা লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ স্মরণ করাও।[1] বাহ্যত এই হাদীছটি মুমূর্ষু ব্যক্তিকে ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ স্মরণ করানো ওয়াজিব সাব্যস্ত করে। প্রশ্ন হচ্ছে, ওয়াজিব এই হুকুম সুন্নাত ও মুস্তাহাব পর্যায়ে নিয়ে আসার কোন দলীল আছে কি?
৬৯: ছহীহ মুসলিমে আবু হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণিত হাদীছে প্রমাণিত হয়, রূহ (روح) এবং নাফ্‌স (نفس) একই অর্থে ব্যবহৃত হয়। হাদীছটি এরূপ, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমরা কি দেখনি, মরনের সময় মানুষ অপলক দৃষ্টিতে এবং চোখ মোটা করে তাকায়?’ ছাহাবীগণ (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম) বললেন, নিশ্চয়ই। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘মানুষের নাফ্‌স বের হওয়ার সময় তার চোখ সেদিকে তাকিয়ে থাকে বলে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়’।[1] উম্মে সালামাহ (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা) বর্ণিত অন্য হাদীছে এসেছে, ‘যখন রূহ ছিনিয়ে নেয়া হয়, তখন চোখ সেদিকে দেখতে থাকে’।[2] তাহলে রূহ্‌ই কি নাফ্‌স? জানিয়ে বাধিত করবেন।
৭০: ছহীহ মুসলিমে আবূ মালেক আশ‘আরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হাদীছে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘বিলাপকারিণী যদি তওবা না করে, তাহলে আলকাতরার পোশাক এবং খোস-পাঁচড়ার বর্ম পরিয়ে ক্বিয়ামতের দিন তাকে উঠানো হবে’।[1] উক্ত হাদীছে ‘খোস–পাঁচড়ার বর্ম’ বলতে কি বুঝানো হয়েছে?
মৃত ব্যক্তিকে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে নিয়ে যাওয়া এবং বারংবার জানাযার ছালাত পড়া

  • http://www.hadithbd.com/janaja.php
  • জানাযার বিধিবিধান জানাযার বিধিবিধান সংক্রান্ত ৭০টি প্রশ্ন শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.

71 টি বিষয় দেখান হচ্ছে।
জানাযার বিধিবিধান
জানাযার বিধিবিধান জানাযার বিধিবিধান সংক্রান্ত ৭০টি প্রশ্ন শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
Link.. Hadithbd.com

কবরে মৃত ব্যক্তির প্রশ্নোত্তর হয়। কিন্তু যারা পানিতে ডুবে মরে, আগুনে পুড়ে মরে কিংবা বাঘে খেয়ে নেয় তাদের হিসাব কোথায় হবে? : শহীদ হবার জন্য ইমান থাকা জরুরি

Faisal Ahmed Opu 
to ইসলামি প্রশ্নোত্তর জেনে নিন
#প্রশ্নঃ-আমরা জানি কবরে মৃত ব্যক্তির প্রশ্নোত্তর হয়। কিন্তু যারা পানিতে ডুবে মরে, আগুনে পুড়ে মরে কিংবা বাঘে খেয়ে নেয় তাদের হিসাব কোথায় হবে?

.
#উত্তরঃ মৃত্যুর পরে তার রূহ যেখানে থাকবে সেখানেই প্রশ্নোত্তর হবে। সেখানেই সে আযাব অথবা শান্তি পাবে। সেটি মাটির কবরে হ’তে পারে কিংবা অন্যত্র, যা সম্পূর্ণরূপে আল্লাহ্র এখতিয়ারে। এটি ঈমান বিল গায়েবের অন্তর্ভুক্ত। যে জগতের খবরাখবর ইহজগতে কোনভাবে অনুভূত হওয়ার নয়। কাজেই কুরআন-হাদীছে বারযাখী জীবন সম্পর্কে আমাদেরকে যা অবহিত করা হয়েছে তা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে নেয়াই হবে ঈমান বিল গায়েবের দাবী। এটা সুনিশ্চিত যে, প্রত্যেক মানুষকেই কবরে প্রশ্নোত্তরের সম্মুখীন হ’তে হবে(বুখারী, মিশকাত হা/১২৬)। তবে কীভাবে সেটা হবে তা আল্লাহই সম্যক অবগত। এ ব্যাপারে আল্লাহ্র বাণী, ‘যারা ঈমান এনেছে আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে অটল বাক্য দ্বারা সুদৃঢ় রাখবেন ইহজীবনে এবং পরজীবনে’(ইবরাহীম ২৭)। এ আয়াতটি কবরের আযাব সম্পর্কে নাযিল হয়েছে।


comments-

Nuzhat Sharmin Kintu onekei bole jara panite dube,Agune pure,Accident kore mara jai tader shohidi mrittu bole.Eta ki thik??
Faisal Ahmed Opu বইঃ সূনান নাসাঈ, অধ্যায়ঃ ২১/ জানাজা, হাদিস নম্বরঃ ১৮৪৯
:
উতবা ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ) জাবির ইবনু আতীক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আব্দুল্লাহ ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর শুশ্র্যযার জন্য গিয়ে দেখতে পেলেন যে, তার মৃত্যূ আসন্ন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে উচ্চ সূরে ডেকেও তার কোন নাড়া শব্দ না পেয়ে “ইন্নালিল্লাহি ও ইন্না ইলাইহি রাজিয়ুন” পড়লেন এবং বললেন, হে আবূ বুবী! আমাদের সম্মূখে তোমার উপর আল্লাহ তা’আলার হুকুম বিজয়ী হতে যাচ্ছে (তুমি মৃত্যূ বরণ করেছ)। একথা শুনে কিছু মহিলা উচ্চ স্বরে ক্রন্দন শুরু করে দিলে ইবনু আতীক (রাঃ) (জাবির) তাদের শান্ত করাতে লাগলেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাদের ছেড়ে দাও। যখন মৃত্যৃ হয়ে যারে তখন কোনই ক্রন্দনকারিনা ক্রন্দন করবে না। সাহাবীরা জিজ্ঞাসা করলেন, ’উজুব’ শব্দের অর্থ কি ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তিনি বললেন, ‘মৃত্যু’। তার কন্যা বলল, যে আমি তো এ আশাই করতাম যে, আপনি শহীদ হবেন। আপনি তো শাহাদাতের যাবর্তীয় পাথেয় সংগ্রহ করেই রেখেছিলেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহ তা’আলা তার নিয়্যত অনুযায়ী তাকে শাহাদাতের সওয়াব দিয়ে দিয়েছেন। আচ্ছা, তোমরা শাহাদাত কাকে মনে কর? তারা বললেন, আল্লাহর রাস্তায় মৃত্যুবরণ করাকে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহর রাস্তায় মৃত্যুবরণ করা ব্যতীতও আরো সাত প্রকারের শাহাদাত আছে
১/ প্লেগ রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ
২/ পেটের পীড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ
৩/ পানিতে ডুবে মৃত ব্যক্তি শহীদ
৪/ প্রাচীর চাপায় মৃত ব্যক্তি শহীদ
৫/ আভ্যন্তরীণ বিষ ফোঁড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ
৬/ অগ্নিদাহে মৃত ব্যক্তি শহীদ
৭/ প্রসবকালে মৃত রমনী শহীদ।
Nuzhat Sharmin Taar mane ki oder kono kobor azab hobena??

Faisal Ahmed Opu শহীদ হবার জন্য ইমান থাকা জরুরি…।। বাকিটা আল্লাহ ভাল জানে

আল্লাহ তাআ’লা ক্বুরআনে চারটি ওয়াদা করেছেন

a1

আল্লাহ তাআ’লা ক্বুরআনে চারটি ওয়াদা করেছেন
(১) সুতরাং, তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ রাখবো। বাক্বারাহঃ ১৫২।
(২) যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর, তবে নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে আরো বেশি করে (নেয়ামত) দান করবো। সুরা ইব্রাহীমঃ ৭।
(৩) তোমরা আমার কাছে দুয়া করো, আমি তোমাদের দুয়া কবুল করবো। সুরা গাফিরঃ ৬০।
(৪) আর তারা (বান্দারা) যখন ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে, আল্লাহ তখন তাদেরকে শাস্তি দেবেন না। সুরা আনফালঃ ৩৩।
————–

মৃত্যুর পরে রূহকে তিনটি প্রশ্ন করা হবে

প্রশ্ন: ক্বিয়ামতের দিন মানুষের আত্মার সাথে দেহ জুড়ে দেওয়া হবে, না কি দেহ ছাড়া কেবল আত্মা পুনর্জীবিত হবে?

উত্তর : মৃত্যুর পরে রূহ কিছুক্ষণের জন্য দেহ হ’তে বিচ্ছিন্ন হলেও পুনরায় আপন দেহে তা স্থাপন করা হবে এবং বান্দাকে তিনটি প্রশ্ন করা হবে
(আহমাদ হা/১৮৫৫৭; ইবনু মাজাহ হা/৪২৬২; মিশকাত হা/১৬৩০) । ক্বিয়ামতের দিনও মানুষের আত্মার সাথে তার দেহ জুড়ে দেওয়া হবে (ফজর ৮৯/২৭-৩০; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৫/৪৪৬) । তবে সেটি বর্তমান দেহের মত হবে, না কি অন্য দেহে রূহ স্থাপন করা হবে, এ বিষয়ে আল্লাহই ভালো জানেন। কারণ এটি বারযাখী জীবনের বিষয়। যা দুনিয়াবী জীবনের সাথে তুলনীয় নয় (উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ১২/১৬) ।

-কবৰত ৰখাৰ পিছত আপোনাক ৩টা নহয়, ৪টা প্রশ্ন কৰা হব-

muslim-grave-diggers-pakistan

-কবৰত ৰখাৰ পিছত আপোনাক ৩টা নহয়, ৪টা প্রশ্ন কৰা হব-[tran,sgis].
————————————————————————————–
-আপুনি শেষৰ উত্তৰটো কেনেকৈ দিব? কাৰণ আপুনিটো কোনোদিনেই কোৰআন মজিদ বুজি পঢ়া নাই । আপুনি দিনৰাত হেদায়া, কুদুৰী, মোখসুদুল মোমিন, নেয়ামুল কোৰআন, মুন্তাখাব হাদীছ, পাঙ্গেগানা ওযীফা পঢ়ি থাকে, উত্তৰটো কেনেকৈ দিব।

-কবৰলৈ যোৱাৰ আগত বাৰংবাৰ ভাবক, আপুনি দিনৰাত কিবোৰ পঢ়িছিল আৰু কবৰলৈগৈ কি উত্তৰ দিব ?

-কবৰত ৰখাৰ পিছত আপোনাক প্রথমে যিটো প্রশ্ন কৰা হব সেইটো হল –
مَنْ رَبُّكَ؟
১]-তোমাৰ ৰব কোন ?

তাৰপিছত যি প্রশ্ন কৰা হব –
مَا دِينُكَ؟
২]-আৰু তোমাৰ দ্বীন কি ?

ইয়াৰ পিছত প্রশ্ন কৰা হব –
مَا هَذَا الرَّجُلُ الَّذِي بُعِثَ فِيكُمْ؟
৩]-যি মানুহজন তোমালোকৰ মাজত প্রেৰিত হৈছিল, তেওঁ কোন ?

শেষ প্রশ্নটি কৰা হব –
وَمَا يُدْرِيكَ؟
৪]-তুমি কেনেকৈ জানিব পাৰিলা ?
উত্তৰ হব – قَرَأْتُ كِتَابَ اللَّهِ
মই আল্লাহৰ কিতাব পঢ়িছো।
(আবু দাঊদ ৪৭৫৩, হাদীছটি ছহীহ।)
http://sunnah.com/abudawud/42/158
http://beta.ihadis.com/books/abi-dawud/hadis/4753

কবৰ জিয়াৰতৰ মাছালা-IH-end

যোৱা ১৪ আগষ্ট তাৰিখৰ পিছৰ পৰা (কবৰ জিয়াৰতৰ মাছালা)
ঈছালে চৱাব সম্পৰ্কে যি বিলাক কাম চূন্নত দ্বাৰা প্ৰমাণিত নহয়
১) মৃত ব্যক্তিৰ চৱাবৰ বাবে প্ৰথম দিনা আৰু তৃতীয় দিনা কুলখানি প্ৰথা পালন কৰা আৰু সাত দিন্, দহ দিন ও চল্লিশ দিনত খানাৰ অনুষ্ঠানৰ আয়োজন কৰা,
২) কুলখানিত অহা লোক সকলক কাপোৰ বিতৰণ কৰা,
৩) ঈছালে চৱাবৰ নিয়তত প্ৰত্যেক বৃহস্পতি বাৰে খোৱাৰ আয়োজন কৰা,
৪) মৃত্যু হোৱা এবছৰ পূৰ্ণ হলে বছেৰেকীয়া অনুষ্ঠান পাতি খোৱাৰ আয়োজন কৰা,
৫) নিজৰ মৃত্যু দিবসত কোৰআন খানি বা খোৱাৰ আয়োজন কৰিবলৈ অচিয়ত কৰি যোৱা,
৬) পাৰিশ্ৰমিক দি বা বিনা পাৰিশ্ৰমিকত কোৰআন খানি কৰা বা নফল পঢ়োৱা,
৭) মৃত ব্যক্তিৰ নিজৰ সম্পদেৰে কোৰআন খানি কৰা বা অন্য কোনো বিদাতী প্ৰথা পালন কৰাৰ বাবে টকা দিয়াৰ অচিয়ত কৰি যোৱা,
৮) মৃত ব্যক্তিৰ হৈ চাবান্, ৰজব ও ৰমজান মাহত বিশেষভাবে চদকা খায়ৰাত কৰা বা খাদ্য সামগ্ৰী বিতৰণৰ ব্যবস্থা কৰা,
৯) মৃত্যু বাৰ্ষিকী পালন কৰা তথা এনে বাৰ্ষিকীত কোৰআন খানি কৰা, খাদ্য বস্তু ও মিঠাই বিতৰণ কৰা,
১০) কোৰআন তিলাৱত কৰি মৃতক সকলৰ বাবে তাৰ চৱাব বক্সি দিয়া,
১১) কোৰআন খতম কৰা, পাঁচ আয়াত তিলাৱত কৰা, চানা বা দানাৰ ওপৰত সত্তৰ হাজাৰ বাৰ কলিমা পঢ়া,
১২) আয়াতে কাৰীমা প্ৰথা পালন কৰা অৰ্থাৎ চাদৰ পাৰি দানাৰ ওপৰত এক লাখ পচিশ হাজাৰ বাৰ ‘বিচমিল্লাহ্’বা ‘লা ইলাহা ইল্লাহ্’ পঢ়া,
১৩) মৃতকৰ চৱাবৰ বাবে খতম পঢ়োৱা,
১৪) দফনৰ দিনক কেন্দ্ৰ কৰি প্ৰতি সপ্তাহত কবৰত গৈ চদকা খায়ৰাত কৰা, মিঠাই, গাখীৰ বা খোৱা সামগ্ৰী বিতৰণ কৰা ।
– সমাপ্ত –

মুসলিম উম্মাহর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের মৃত্যু ও কবর ভাবনাঃ

1a

মুসলিম উম্মাহর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের মৃত্যু ও কবর ভাবনাঃ

আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) মাওত ও কবরের ভয়ে সর্বদা ভীত সন্ত্রস্ত থাকতেন। তিনি বলতেন, হে প্রভু, আমার অবস্থা কি হবে, সৎ আমাল আমার নেই, অসৎ আমল অসংখ্য, পাথেয় স্বল্প। উমার (রাঃ) কবর ও আখিরাতের কথা স্মরণ করে এত কাঁদতেন যে তার চেহারায় দুটি কালো দাগ পড়ে গিয়েছিল।
[বাইহাকী]

আবু জার গিফারী (রাঃ) মৃত্যু ও বরযাখের জিন্দেগীর ব্যাপারে রসূল (সঃ) এর খুৎবা শুনে আফসোস করতে লাগলেন যে, হায়! যদি আমি কোন বৃক্ষ হতাম তাহলে তা আমার জন্যে কতইনা ভাল ছিল যে, একসময় আমার মালিক আমাকে কেটে ফেলত(আর আমার জীবনের সমাপ্তি হয়ে যেত)।
[ইবনে মাজাহ]

উসমান (রাঃ) কবর দেখলে এত কাঁদতেন যে, তার দাড়ি ভিজে যেত। তিনি বলতেন, কবর আখিরাতের মনযিলসমুহের প্রথম মনযিল। যে এখান থেকে মুক্তি পাবে তার জন্য পরবর্তী মনযিলগুলো সহজ হবে। আর যে এখান থেকে মুক্তি পাবে না, তার জন্য পরবর্তী মনযিলগুলো আরো কঠিন হবে।
[তিরমিযী]

আবু হুরাইয়া (রাঃ) যখন মৃত্যুর সময় হল তখন তিনি কাঁদতে লাগলেন, লোকেরা জিজ্ঞেস করল, কি আবু হুরাইরা (রাঃ) পৃথিবী ছেড়ে চলে যাচ্ছ, তাই কাঁদছ? উত্তরে তিনি বললেন, না, বরং দীর্ঘ সফরে স্বল্প পাথেয়র জন্য কাঁদছি। আমি এমন এক সন্ধ্যায় এসে উপনীত হয়েছি, যার সামনে রয়েছে- জান্নাত অথবা জাহান্নাম; কিন্তু আমি জানিনা যে আমার ঠিকানা কোথায়!
[কিতাবুয জুহুদ]

আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ) বলেন, রসূল (সঃ) আমাদেরকে কবরের ফিৎনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোয়া এমনভাবে শিক্ষা দিতেন যেভাবে কোরআনের আয়াত শিক্ষা দিতেন।
[নাসাঈ]

কবরের ভয়াবহতার ব্যাপারে রসূল (সঃ) বলেন, আমি কবরের চেয়ে কঠিনতম স্থান আর কোথাও দেখিনি।
[তিরমিযী]

কবরের কঠিন ঘাটিকে আমাদের পূর্বসূরিরা এ উম্মাহর শ্রেষ্ঠ সন্তানরা যতটা ভয় পেত আজ আমরা তা থেকে ততটা অন্য মনস্ক এবং নির্ভয়ে আছি। পৃথিবীর রঙ তামাশায় আমরা এতটা মত্ত হয়ে হয়ে গেছি যে ভুলেও কখনো কবরের কথা স্মরণ হয় না। আমাদের এ অন্যমনস্কতার ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা যথার্থই বলেছেনঃ

“মানুষের হিসাব-নিকাশের সময় আসন্ন, অথচ তারা উদাসীনতায় মুখ ফিরিয়ে রয়েছে।”
[সুরা আম্বিয়া (নবীগণ) (২১:১)]।

মৃতকৰ কাফ্ফাৰা[ph]

☞☞ মৃতকৰ কাফ্ফাৰা☜☜

আমাৰ সমাজত কোনো চালাত আদায়কাৰী লোকৰ ইন্তেকাল হলে, উক্ত ব্যক্তি গৰাকী মৃত্যুশৰ্য্যাত থকা অৱস্থাত ক্বাজা হোৱা চালাতৰ প্ৰতি ৱক্তৰ এক নিদিষ্ট পৰিমাণৰ টকা কাফ্ফাৰা হিচাবে ধাৰ্য্য কৰি সৰ্ব্বমোঠ ক্বাজা চালাতৰ বিনিময়ত এক বৃহৎ পৰিমাণৰ ধন বহুতো আলীমে আদায় লোৱা আমি দেখিবলৈ পাইছো । ইছলামীয় শ্বৰীয়তত এনে দৰে মৃতকৰ ক্বাজা চালাতৰ বিনিময়ত কোনো ধৰণৰ কাফ্ফাৰা আদায় দিয়াৰ হুকুম নাই । “কণা হাঁহক পতান দিয়া”ৰ দৰে আমাৰ অঞ্জতাৰ সুযোগ লৈ এচাম ধূৰন্ধৰ আলীমে নিজ স্বাৰ্থ সিদ্ধিৰ বাবে দ্বীনত এনেধৰণৰ নতুন নিয়মৰ প্ৰচলন ঘটাইছে !! দ্বীনত এনে প্ৰত্যেকটো নতুন সৃষ্টিক প্ৰত্যাখান কৰাটো প্ৰতি গৰাকী মুছলমানৰ নৈতিক দায়িত্ব । আল্লাহে কৈছে – ” وَأَنْ ليْسَ لِلْإِنْسَانَِاٌََ إِلاٌَماَ سَعَى ” , অৰ্থাৎ মানুহে সেইখিনিহে পাব যাৰ বাবে তেওঁ চেষ্টা কৰে ( চুৰা নাজম , ৫৩/৩৯ )।

অৱশ্যে মৃতকৰ ৰোজা থাকি গলে উত্তৰাধিকাৰীয়ে সেই ৰোজা ৰাখিব পাৰে ( আবু দাউদ হাঃ ৩৩০০ , মিশকাত হাঃ/২০৩৩)। অন্যথা প্ৰতিটো ৰোজাৰ বিনিময়ত এজন মিচকিন খোৱাব লাগে বা ৬২৫ গ্ৰাম ( এক মুদ ) চাউল বা খাদ্য বস্তু মিচকিনক দিব লাগে ( বায়হ্বাকী ৪/২৫৪ )।

সেয়েহে মৃতকৰ চালাত বা চিয়ামৰ কাফ্ফাৰা আদায় দিবলৈ যাওঁতে শ্বৰীয়তে বান্ধি দিয়া নিয়মৰ প্ৰতি আমি সকলোৱে গুৰুত্ব দিয়া উচিত । আমাৰ উদাসীনতাই সমাজত মানৱ ৰচিত বিধান সমূহ সহজতে প্ৰচলিত হোৱাত নিশ্চয় প্ৰত্যক্ষ বা পৰোক্ষ ভাবে উদগনি যোগাব, যাৰ বাবে হয়তো আমি আল্লাহৰ ওচৰত জবাবদিহি হব লাগিব !!

আল্লাহে আমাক সকলোকে চহীহ ইছলাম বুজি আমল কৰাৰ তৌফিক দান কৰক । । । আমীন । । ।

মৃত্যুর পরে প্রচলিত বিদ‘আত সমূহ : জানাযার স্বলাত

a12

মৃত্যুর পরে প্রচলিত বিদ‘আত সমূহ

মৃত্যুর পরে প্রচলিত বিদ‘আত সমূহ (البدع المروجة بعد الموت)

(১) মৃত্যুর আগে বা পরে মাইয়েতকে ক্বিবলার দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া
(২) মাইয়েতের শিয়রে বসে সূরা ইয়াসীন বা কুরআন তেলাওয়াত করা (তালখীছ ৯৬, ৯৭)।
(৩) মাইয়েতের নখ কাটা ও গুপ্তাঙ্গের লোম ছাফ করা (৯৭)
(৪) কাঠি দিয়ে (বা নির্দিষ্ট সংখ্যক নিম কাঠি দিয়ে) দাঁত খিলাল করানো
(৫) নাক-কান-গুপ্তাঙ্গ প্রভৃতি স্থানে তুলা ভরা (৯৭)
(৬) দাফন না করা পর্যন্ত পরিবারের লোকদের না খেয়ে থাকা (৯৭)
(৭) বাড়ীতে বা কবরস্থানে এই সময় ছাদাক্বা বিলি করা (৯৯, ১০৩)
(৮) চীৎকার দিয়ে কান্নাকাটি করা, বুক চাপড়ানো, কাপড় ছেঁড়া, মাথা ন্যাড়া করা, দাড়ি-গোঁফ না মুন্ডানো ইত্যাদি (১৮, ৯৭)
(৯) তিন দিনের অধিক (সপ্তাহ, মাস, ছয় মাস ব্যাপী) শোক পালন করা (১৫, ৭৩) কেবল স্ত্রী ব্যতীত। কেননা তিনি ৪ মাস ১০ দিন ইদ্দত পালন করবেন
(১০) কাফির, মুশরিক, মুনাফিকদের জন্য দো‘আ করা (৪৮)
(১১) শোক দিবস (শোকের মাস ইত্যাদি) পালন করা, শোকসভা করা ও এজন্য খানাপিনার বা (কাঙ্গালী ভোজের) আয়োজন করা ইত্যাদি (৭৩-৭৪)
(১২) মসজিদের মিনারে বা বাজারে মাইকে অলি-গলিতে ‘শোক সংবাদ’ প্রচার করা (১৯, ৯৮)
(১৩) কবরের উপরে খাদ্য ও পানীয় রেখে দেওয়া। যাতে লোকেরা তা নিয়ে যায় (১০৩)
(১৪) মৃতের কক্ষে তিন রাত, সাত রাত (বা ৪০ রাত) ব্যাপী আলো জ্বেলে রাখা (৯৮)
(১৫) কাফনের কাপড়ের উপরে কুরআনের আয়াত ও দো‘আ-কালেমা ইত্যাদি লেখা (৯৯)
(১৬) এই ধারণা করা যে, মাইয়েত জান্নাতী হ’লে ওযনে হালকা হয় ও দ্রুত কবরের দিকে যেতে চায় (৯৯)
(১৭) মাইয়েতকে দূরবর্তী নেককার লোকদের গোরস্থানে নিয়ে দাফন করা (৯৯)
(১৮) জানাযার পিছে পিছে উচ্চৈঃস্বরে যিকর ও তেলাওয়াত করতে থাকা (১০০)
(১৯) জানাযা শুরুর প্রাক্কালে মাইয়েত কেমন ছিলেন বলে লোকদের কাছ থেকে সমস্বরে সাক্ষ্য নেওয়া (১০১)
(২০) জানাযার ছালাতের আগে বা দাফনের পরে তার শোকগাথা বর্ণনা করা (১০০)
(২১) জুতা পাক থাকা সত্ত্বেও জানাযার ছালাতে জুতা খুলে দাঁড়ানো (১০১)।
(২২) কবরে মাইয়েতের উপরে গোলাপ পানি ছিটানো (১০২)
(২৩) কবরের উপরে মাথার দিক থেকে পায়ের দিকে ও পায়ের দিক থেকে মাথার দিকে পানি ছিটানো। অতঃপর অবশিষ্ট পানিটুকু কবরের মাঝখানে ঢালা (১০৩)
(২৪) তিন মুঠি মাটি দেওয়ার সময় প্রথম মুঠিতে ‘মিনহা খালাক্বনা-কুম’ দ্বিতীয় মুঠিতে ‘ওয়া ফীহা নু‘ঈদুকুম’ এবং তৃতীয় মুঠিতে ‘ওয়া মিনহা নুখরিজুকুম তা-রাতান উখরা’ বলা (ত্বোয়াহা ৫৫; ১০২) (২৫) অথবা ‘আল্লা-হুম্মা আজিরহা মিনাশ শায়ত্বান’…. পাঠ করা (ইবনু মাজাহ হা/১৫৫৩, ‘যঈফ’)। (২৬) কবরে মাথার দিকে দাঁড়িয়ে সূরায়ে ফাতিহা ও পায়ের দিকে দাঁড়িয়ে সূরায়ে বাক্বারাহর শুরুর অংশ পড়া (১০২)
(২৭) সূরায়ে ফাতিহা, ক্বদর, কাফেরূণ, নছর, ইখলাছ, ফালাক্ব ও নাস এই সাতটি সূরা পাঠ করে দাফনের সময় বিশেষ দো‘আ পড়া (১০২)
(২৮) কবরের কাছে বসে কুরআন তেলাওয়াত ও খতম করা (১০৪)
(২৯) কবরের উপরে শামিয়ানা টাঙ্গানো (১০৪)
(৩০) নির্দিষ্ট ভাবে প্রতি জুম‘আয় কিংবা সোম ও বৃহস্পতিবারে পিতা-মাতার কবর যেয়ারত করা (১০৫)
(৩১) এতদ্ব্যতীত আশূরা, শবে মে‘রাজ, শবেবরাত, রামাযান ও দুই ঈদে বিশেষভাবে কবর যেয়ারত করা।
(৩২) কবরের সামনে হাত জোড় করে দাঁড়ানো ও সূরায়ে ফাতিহা ১ বার, ইখলাছ ১১ বার কিংবা সূরা ইয়াসীন ১ বার পড়া (১০৫)।
(৩৩) কুরআন পাঠকারীকে উত্তম খানা-পিনা ও টাকা-পয়সা দেওয়া বা এ বিষয়ে অছিয়ত করে যাওয়া (১০৪, ১০৬)
(৩৪) কবরকে সুন্দর করা (১০৭)।
(৩৫) কবরে রুমাল, কাপড় ইত্যাদি বরকত মনে করে নিক্ষেপ করা (১০৮) ।
(৩৬) কবরে চুম্বন করা (১০৮)।
(৩৭) কবরের গায়ে মৃতের নাম ও মৃত্যুর তারিখ লেখা (১০৯)।
(৩৮) কবরের গায়ে বরকত মনে করে হাত লাগানো এবং পেট ও পিঠ ঠেকানো (১০৮)।
(৩৯) ত্রিশ পারা কুরআন (বা সূরা ইয়াসীন) পড়ে এর ছওয়াব সমূহ মৃতের নামে বখশে দেয়া (১০৬)। যাকে এদেশে ‘কুরআনখানী’ বলে।
(৪০) কাফেরূণ, ইখলাছ, ফালাক্ব ও নাস এই চারটি ‘কুল’ সূরার প্রতিটি ১ লক্ষ বার পড়ে মৃতের নামে বখশে দেওয়া, যাকে এদেশে ‘কুলখানী’ বলে।
(৪১) কালেমা ত্বাইয়িবা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ ১ লক্ষ বার পড়ে মৃতের নামে বখশে দেওয়া, যাকে এদেশে ‘কালেমাখানী’ বলে।
(৪২) ১ম, ৩য়, ৭ম (বা ১০ম দিনে) বা ৪০ দিনে চেহলাম বা চল্লিশার অনুষ্ঠান করা
(৪৩) ‘খানা’র অনুষ্ঠান করা (১০৩)
(৪৪) যারা কবর খনন করে ও দাফনের কাজে সাহায্য করে, তাদেরকে মৃতের বাড়ী দাওয়াত দিয়ে বিশেষ খানার ব্যবস্থা করা। যাকে এদেশে ‘হাত ধোয়া খানা’ বলা হয়
(৪৫) আযান শুনে নেকী পাবে বা গোর আযাব মাফ হবে ভেবে মসজিদের পাশে কবর দেওয়া
(৪৬) কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ‘ফাতিহা’ পাঠ করা (২০)
(৪৭) কাফন-দাফনের কাজকে নেকীর কাজ না ভেবে পয়সার বিনিময়ে কাজ করা
(৪৮) মৃত ব্যক্তির কবরের পাশে আলো জ্বেলে ও মাইক লাগিয়ে রাত্রি ব্যাপী উচ্চৈঃস্বরে কুরআন খতম করা
(৪৯) মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা (১০৪, ১০৬)
(৫০) ছালাত, ক্বিরাআত ও অন্যান্য দৈহিক ইবাদত সমূহের নেকী মৃতদের জন্য হাদিয়া দেওয়া (১০৬)। যাকে এদেশে ‘ছওয়াব রেসানী’ বলা হয়
(৫১) আমল সমূহের ছওয়াব রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নামে (বা অন্যান্য নেককার মৃত ব্যক্তিদের নামে) বখশে দেওয়া (১০৬)। যাকে এদেশে ‘ঈছালে ছওয়াব’ বলা হয়
(৫২) নেককার লোকদের কবরে গিয়ে দো‘আ করলে তা কবুল হয়, এই ধারণা করা (১০৮)।

(৫৩) মৃত্যুর সাথে সাথে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায় বলে ধারণা করা
(৫৪) জানাযার সময় স্ত্রীর নিকট থেকে মোহরানা মাফ করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা
(৫৫) ঐ সময় মৃতের ক্বাযা ছালাত সমূহের বা উমরী ক্বাযার কাফফারা স্বরূপ টাকা আদায় করা
(৫৬) মৃত্যুর পরপরই ফকীর-মিসকীনদের মধ্যে চাউল ও টাকা-পয়সা বিতরণ করা
(৫৭) দাফনের পরে কবরস্থানে মহিষ বা গবাদি-পশু যবহ করে গরীবদের মধ্যে গোশত বিতরণ করা (৫৮) লাশ কবরে নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় তিনবার নামানো
(৫৯) কবরে মাথার কাছে ‘মক্কার মাটি’ নামক আরবীতে ‘আল্লাহ’ লেখা মাটির ঢেলা রাখা
(৬০) মাইয়েতের মুখে ও কপালে আতর দিয়ে ‘আল্লাহ’ লেখা
(৬১) কবরে মোমবাতি, আগরবাতি ইত্যাদি দেওয়া
(৬২) পাঁচ ওয়াক্ত ছালাতের সময় বদনায় পানি দিয়ে যাওয়া এই নিয়তে যে, মৃতের রূহ এসে ওযূ করে ছালাত আদায় করে যাবে
(৬৩) মৃতের ঘরে ৪০ দিন যাবৎ বিশেষ লৌহজাত দ্রব্য রাখা
(৬৪) মৃত্যুর ২০দিন পর রুটি বিলি করা ও ৪০ দিন পর বড় ধরনের ‘খানা’র অনুষ্ঠান করা
(৬৫) মৃতের বিছানা ও খাট ইত্যাদি ৭দিন পর্যন্ত একইভাবে রাখা
(৬৬) মৃতের পরকালীন মুক্তির জন্য তার বাড়ীতে মীলাদ বা ওয়ায মাহফিল করা
(৬৭) নববর্ষ, শবেবরাত ইত্যাদিতে কোন বুযর্গ ব্যক্তিকে ডেকে মৃতের কবর যিয়ারত করিয়ে নেওয়া ও তাকে বিশেষ সম্মানী প্রদান করা
(৬৮) শবেবরাতে ঘরবাড়ী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে মৃত স্বামীর রূহের আগমন অপেক্ষায় তার পরিত্যক্ত কক্ষে বা অন্যত্রে সারা রাত জেগে বসে থাকা ও ইবাদত-বন্দেগী করা
(৬৯) ঈছালে ছওয়াবের অনুষ্ঠান করা
(৭০) নিজের কোন একটি বা একাধিক সমস্যা সমাধানের নিয়তে কবরের গায়ে বা পাশের কোন গাছের ডালে বিশেষ ধরনের সুতা বা ইটখন্ড ঝুলিয়ে রাখা।
(৭১) মাযার থেকে ফিরে আসার সময় কবরের দিকে মুখ করে বেরিয়ে আসা
(৭২) মৃত্যুর আগেই কবর তৈরী করা (১০৪)
(৭৩) কবরে মৃত ব্যক্তির ব্যবহৃত বস্ত্ত সমূহ রাখা এই ধারণায় যে, সেগুলি তার কাজে আসবে
(৭৪) কবরে কা‘বা গৃহের কিংবা কোন পীরের কবরের গেলাফের অংশ কিংবা তাবীয লিখে দাফন করা এই ধারণায় যে, এগুলি তাকে কবর আযাব থেকে বাঁচিয়ে দেবে
(৭৫) কবরে ‘ওরস’ উপলক্ষে বা অন্য সময়ে রান্না করা খিচুড়ী বা তৈরী করা রুটি বা মিষ্টি ‘তাবাররুক’ নাম দিয়ে বরকতের খাদ্য মনে করে ভক্ষণ করা
(৭৬) আজমীরে খাজাবাবার কবরে টাকা পাঠানো বা অন্য কোন পীর বাবার কবরে গরু-ছাগল, টাকা-পয়সা ও অন্যান্য হাদিয়া পাঠানো
(৭৭) কবরের মধ্যবর্তী স্থানে আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে মৃতের জন্য দো‘আ পড়া
(৭৮) কবরের উপরে একটি বা চার কোণে চারটি কাঁচা খেজুরের ডাল পোতা বা কোন গাছ লাগানো এই ধারণা করে যে, এর প্রভাবে কবর আযাব হালকা হবে।

(৭৯) খাটিয়া ও মাইয়েত ঢাকার কাপড় খুব সুন্দর করা (৯৯)
(৮০) কালেমা ও পবিত্র কুরআনের আয়াত লিখিত কালো কাপড় দিয়ে খাটিয়া ঢাকা।
(৮১) মৃতের প্রত্যেক অঙ্গ ধোয়ার সময় পৃথক পৃথক দো‘আ পড়া (৯৮)
(৮২) জানাযা বহনের সাথে সাথে ছাদাক্বা বিতরণ করা এবং লোকদের কোল্ড ড্রিংকস পান করানো (৯৯)
(৮৩) লাশের নিকট ভিড় করা (৯৯)
(৮৪) মৃতের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী বা অন্য কোন উপলক্ষে দিনভর উচ্চৈঃস্বরে তার বক্তৃতা বা কুরআনের ক্যাসেট বাজানো
(৮৫) বিশেষ কোন নেককার ব্যক্তির কবর থাকার কারণে জনপদের লোকেরা রূযিপ্রাপ্ত হয় ও আল্লাহর সাহায্যপ্রাপ্ত হয় বলে ধারণা পোষণ করা (১০৬)।

(৮৬) জানাযা শুরুর পূর্বে ইমামের পক্ষ থেকে মুছল্লীদের উদ্দেশ্যে উচ্চৈঃস্বরে ‘নিয়ত’ বলে দেওয়া
(৮৭) ইমাম ও মুক্তাদীর ‘ছানা’ পড়া (১০১)।
(৮৮) সূরা ফাতিহা ও একটি সূরা ছাড়াই জানাযার ছালাত আদায় করা (১০১)।
(৮৯) জানাযা শেষ হবার পরেই সেখানে দাঁড়িয়ে অথবা দাফন শেষে একজনের নেতৃত্বে সকলে দু’হাত তুলে দলবদ্ধভাবে মুনাজাত করা।
(৯০) জানাযার সময়ে সকলকে মৃতের বাড়ীতে কুলখানির অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেওয়া।

উপরে বর্ণিত বিষয়গুলি ছাড়াও মৃত ব্যক্তি ও কবরকে কেন্দ্র করে হাযারো রকমের শিরকী আক্বীদা ও বিদ‘আতী রসম-রেওয়াজ উপমহাদেশে মুসলিম সমাজে চালু আছে। অতএব প্রত্যেক মুমিনের কর্তব্য হবে এসকল শিরক ও বিদ‘আতী কর্মকান্ড হ’তে দূরে থাকা। আল্লাহ আমাদের হেফাযত করুন।- আমীন!!

জানা আবশ্যক যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) দু’টি কবরের উপরে যে খেজুরের দু’টি কাঁচা চেরা ডাল পুঁতেছিলেন, সেটা ছিল তাঁর জন্য ‘খাছ’। তাঁর বা কোন ছাহাবীর পক্ষ থেকে পরবর্তীতে এমন কোন আমল করার নযীর নেই বুরাইদা আসলামী (রাঃ) ব্যতীত। কেননা তিনি এটার জন্য অছিয়ত করেছিলেন (বুখারী)। অতএব এটা স্পষ্ট যে, কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে নেক আমলের কারণেই কবর আযাব মাফ হ’তে পারে। ফুল দেওয়া বা কাঁচা ডাল পোতার কারণে নয়। কেননা এসবের কোন প্রভাব মাইয়েতের উপর পড়ে না। যেমন আব্দুর রহমান (রাঃ)-এর কবরের উপর তাঁবু খাটানো দেখে ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন, ওটাকে হটিয়ে ফেল হে বৎস! কেননা ওটা তার আমলের উপরে ছায়া করছে বা বাধা সৃষ্টি করছে।[121]##[ http://www.hadithbd.com/showqa.php?d=1339 ]

———————————————

জানাযার স্বলাত- ড.আসাদুল্লা গালিব

[11-13 & 14-19]কবৰ জিয়াৰতৰ মাছালা[IH]

যোৱা সংখ্যাৰ পিছৰ পৰা (কবৰ জিয়াৰতৰ মাছালা)
১১) কবৰস্থান বা মাঝাৰত চালাত পঢ়া, ইবাদত কৰা নিষিদ্ধ, কবৰস্থান বা মাঝাৰত মছজিদ নিৰ্মাণ কৰা বা মছজিদত কবৰ অথবা মাঝাৰ নিৰ্মাণ কৰা নিষিদ্ধ, যি মছজিদত কবৰ বা মাঝাৰ থাকে, তাত চালাত পঢ়া নিষিদ্ধ :- আনচ (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে – নবী কৰিম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে কবৰস্থানত চালাত পঢ়াত বাধা দিছে (আহকামুল আনায়িয্, পৃঃ ২১১)
আবু চাই’দ খুদৰী (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে – নবী কৰিম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে ইৰছাদ কৰিছে, কবৰস্থান আৰু বাথৰুম বাদে সকলো স্থানতে চালাত পঢ়িব পাৰি (আবু দাউদ্, তিৰমিযী, ছহীহ চুনান ইবনে মাজাহ্, ১ম খণ্ড্, হাদীছ নং ৬০৬)
ইবনে উমৰ (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে – নবী কৰিম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে ইৰছাদ কৰিছে, তোমালোকে তোমালোকৰ ঘৰ খনক কবৰস্থানত পৰিণত নকৰিবা, কিছু নফল চালাত ঘৰত পঢ়িবা (মুছলিম্, কিতাবু চালাতিল মুছাফিৰিন্)
আবু হুৰাইৰা (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে – নবী কৰিম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে ইৰছাদ কৰিছে, হে আল্লাহ ! আমাৰ কবৰক মূৰ্তিত পৰিণত নকৰিবা । আল্লাহৰ অভিশাপ বৰ্ষিত হওক সেই জাতিৰ ওপৰত যি সকলে নবী সকলৰ কবৰক মছজিদত পৰিণত কৰিছে (মুছলিম্, আহকামুল জানায়িয্, পৃঃ ২১৬)
আবু মাৰছাদ গানাবী (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে – নবী কৰিম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে ইৰছাদ কৰিছে, কবৰত নবহিবা আৰু কবৰৰ ফালে চালাত নপঢ়িবা (মুছলিম, মুখতাছাৰু মুছলিম্, হাদীছ নং ৪৯৯)
আয়েছা (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে – নবী কৰিম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লাম যি অসুখৰ পৰা ভাল পোৱা নাছিল সেই অসুখৰ সময়ত কৈছিল্, আল্লাহ তাআ’লা ইহুদী ও খৃষ্টান সকলক অভিশপ্ত কৰক কাৰণ তেওঁলোকে তেওঁলোকৰ নবী সকলৰ কবৰক মছজিদত পৰিণত কৰিছে (মুছলিম্, মুখতাছাৰু ছহীহ বুখাৰী, হাদীছ নং ৬৭১)
জুনদাব (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে – নবী কৰিম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে ইন্তেকালৰ পাঁচ দিন পূৰ্বে কোৱা শুনিছে, তেখেতে ইৰছাদ কৰিছে, “মই তোমালোকৰ কাকো বন্ধু বনাব নোৱাৰো, কাৰণ আল্লাহ তাআ’লাই মোক বন্ধু বনাইছে, যদি কাৰোবাক বন্ধু বনাব পাৰিলো হয় তেন্তে আবু বক্কৰক বনালো হেতেন । মনত ৰাখিবা, তোমালোকৰ পূৰ্বৰ লোক সকলে তেওঁলোকৰ নবী আৰু দ্বীন দাৰ লোকসকলৰ কবৰক মছজিদত পৰিণত কৰিছে, গতিকে তোমালোকে কবৰক মছজিদত পৰিণত নকৰিবা, মই তোমালোকক তেনে কামৰ পৰা বাধা প্ৰদান কৰিছো (মুছলিম্, কিতাবু চালাতিল মুছাফিৰিন্)
আবু উবাইদা (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে, ৰাছুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ শেষ বাণী আছিল – নাজৰানবাসী আৰু হিযাযৰ ইহুদী সকলক জাযিৰাতুল আৰবৰ পৰা বহিষ্কাৰ কৰা আৰু জানি থোৱা, আটাইতকৈ নিকৃষ্ট ব্যক্তি হ’ল, যি সকলে নিজৰ নবীৰ কবৰক মছজিদত পৰিণত কৰিছে (আহমদ্, ছিলছিলা ছহীহা, ৩য় খণ্ড্, হাদীছ নং ১১৩২)
আব্দুল্লাহ ইবনে মাচ’উদ (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে, ৰাছুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে ইৰছাদ কৰিছে, কবৰক মছজিদত পৰিণত কৰা ব্যক্তি সকল আটাইতকৈ নিকৃষ্ট ব্যক্তি যাৰ ওপৰত কিয়ামত প্ৰতিষ্ঠা হব (ইবনু খুবাইমা, ইবনু হিব্বান্, আহমদ্, তাবৰানী, আহকামুল জানায়িয্, পৃঃ ২১৭)
আলী (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত, তেখেতে কৈছে, আব্বাচ (ৰাঃ) ৰ লগত সাক্ষাৎ হোৱাত তেখেতে নবী কৰিম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ ওচৰত যাবৰ বাবে লগ ধৰিলে এই আশাত যদি আমাৰ বাবে কিছু থাকে তেন্তে উত্তম, নহলে লোক সকলৰ লগতে আমাকো পৰামৰ্শ (নচীহত্) দিব । আমি দুয়ো গলো, ৰাছুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লাম তেতিয়া বেঁহুচ অৱস্থাত আছিল । পিছত মূৰ দাঙি কলে, ইহুদী সকলৰ ওপৰত আল্লাহৰ অভিশাপ বৰ্ষিত হওক, তেওঁলোকে তেওঁলোকৰ নবী সকলৰ কবৰক মছজিদত পৰিণত কৰিছে । আন এক বৰ্ণনাত আছে, তেখেতে তৃতীয় বাৰো একে কথাই কৈছিল । তাৰ পিছত আমি তেখেতৰ অৱস্থা দেখি একো নোসোধাকৈ গুছি আহিলো (ইবনু ছাআদ্, ইবনু আচাকিৰ্, তাহযীৰুচ চাজিদ্,পৃঃ ১৯)
উম্মাহাতুল মু’মিনীন (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে, ৰাছুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ চাহাবী সকলে আলোচনা কৰিছিল, ৰাছুল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ কবৰ কি ভাবে বনাব ? সেয়া কি মছজিদত পৰিণত কৰিব ? তেতিয়া আবু বক্কৰ (ৰাঃ) য়ে কৈছিল্, মই ৰাছুল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামক কোৱা শুনিছো, আল্লাহ তাআ’লাই ইহুদী নাছাৰা সকলক অভিশাপ দিয়ক্, কাৰণ তেওঁলোকে তেওঁলোকৰ নবী সকলৰ কবৰক মছজিদত পৰিণত কৰিছে (তাহযীৰুচ চাজিদ, আলবানী পৃঃ ২০)
১২) নবী, অলী, বা বুজুৰ্গ ব্যক্তিৰ কবৰ বা মাজাৰত তেওঁলোকৰ নামত কিবা উচৰ্গা কৰা, মান্নত কৰা আদি নিষিদ্ধ :- তাৰেক ইবনে শিহাব (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে, ৰাছুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে ইৰছাদ কৰিছে, এজন ব্যক্তি মাথো মাখিৰ বাবে জন্নত গৈছে কিন্তু আন এজন জহন্নাম গৈছে । চাহাবী সকলে সুধিলে, ইয়া ৰাছুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লাম্, কেনেকৈ ? ৰাছুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে কলে, দুয়োজনে এটা সম্প্ৰদায় থকা অঞ্চলেদি গমন কৰিছিল । সেই সম্প্ৰদায়ৰ এটা মূৰ্তি আছিল, যাৰ নামত কোনো জীব উচৰ্গা নকৰাকে কোনেও সেই অঞ্চলেদি পাৰ হৈ যাব নোৱাৰে । সম্প্ৰদায়ৰ লোক সকলে উক্ত ব্যক্তি দুজনৰ এজনক কলে, আপুনি কিবা দি যাওক । তেওঁ কলে, মোৰ ওচৰত দিবলৈ একো নাই, তেতিয়া লোক সকলে কলে – অন্ততঃ মাখি এটা হলেও দি যাওক । লোক জনে মাখি এটা মূৰ্তিৰ নামত দিয়াৰ লগে লগে তেওঁক পাৰ হৈ যাবলৈ বাট এৰি দিলে, এনে দৰেই তেওঁ জহন্নামী হ’ল । দ্বিতীয় ব্যক্তিকো মূৰ্তিৰ নামত কিবা এটা দিবলৈ কোৱাত তেওঁ কলে, মই আল্লাহৰ বাদে অন্য কাৰো নামত কোনো বস্তু উচৰ্গা নকৰো । এই কথা শুনি উক্ত সম্প্ৰদায়ৰ লোক সকলে তেওঁক হত্যা কৰিলে । শ্বিৰ্ক মুক্ত হৈ থকাৰ কাৰণে উক্ত ব্যক্তিজন জন্নতী হ’ল (আহমদ্, কিতাবুত তৌহীদ্, সেখ মুহাম্মদ ইবনু আব্দিল ৱাহাব্)
১৩) নবী, অলী বা বুজুৰ্গ ব্যক্তিৰ কবৰ বা মাজাৰৰ কাষত মূৰ নত কৰি থিয় হোৱা অথবা চালাতত হাত বন্ধাৰ দৰে হাত বান্ধি থিয় হোৱা, চিজদা কৰা বা তাৱাফ ইত্যাদিৰ দৰে ইবাদত কৰা নিষিদ্ধ :- আবু হুৰাইৰা (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে – নবী কৰিম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে ইৰছাদ কৰিছে, হে আল্লাহ ! মোৰ কবৰক মূৰ্তিত পৰিণত নকৰিবা । যি সকলে নবী সকলৰ কবৰক মছজিদত পৰিণত কৰিছে, সেই জাতিৰ ওপৰত আল্লাহৰ অভিশাপ বৰ্ষিত হওক (আহমদ্, আহকামুল জানায়েয্,পৃঃ ২১৬)
কায়চ ইবনে চাআ’দ (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে – তেখেত য়েমেনৰ ‘হিয়াৰা’ চহৰত গৈ তাৰ লোক সকলে তেওঁলোকৰ শাসকক চিজদা কৰা দেখা পাই মনতে ভাবিলে, চিজদাৰ বাবে নবী কৰিম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লাম এই শাসকতকৈ অধিক অধিকাৰী । ৰাছুল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ খেদমতত উপস্থিত হোৱাৰ পিছত তেখেতক আৰজ কৰিলে, হে আল্লাহৰ ৰাছুল ! মই হিয়াৰাৰ লোক সকলক তেওঁলোকৰ শাসকক চিজদা কৰা দেখা পাইছো, অথচ আপুনি চিজদা পোৱাৰ বেচি অধিকাৰী । ৰাছুল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে কলে, বাৰু কোৱাচোন, তুমি মোৰ কবৰৰ কাষেদি গলে কি মোৰ কবৰক চিজদা কৰিবা ? মই কলো, কেতিয়াও নকৰো । তেতিয়া ৰাছুল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে কলে, মই জীবিত থকা অৱস্থাতো মোক চিজদা কৰিব নালাগে । আল্লাহৰ বাদে যদি আন কাৰোবাক চিজদা কৰাৰ অনুমতি মই দিলো হেতেন্, তেন্তে মহিলা সকলক তেওঁলোকৰ স্বামীক চিজদা কৰাৰ অনুমতি দিলো হেতেন্, কাৰণ মহিলা সকলৰ ওপৰত পুৰুষ সকলৰ (আল্লাহ প্ৰদত্ত) অনেক অধিকাৰ আছে (ছহীহ চুনানু আবু দাউদ, ২য় খণ্ড হাদীছ নং ১৭৮৩) আগলৈ …… ইন শ্বা আল্লাহ

+++++++++++++++++++++

যোৱা ১১ আগষ্ট তাৰিখৰ পিছৰ পৰা (কবৰ জিয়াৰতৰ মাছালা)
১৪) কোনো নবী, অলী বা বুজুৰ্গ ব্যক্তিৰ কবৰ বা মাজাৰত উৰুচ বা মেলা কৰা নিষিদ্ধ । মছজিদে নবৱীত প্ৰত্যেক চালাতৰ পিছত দৰূদ পাঠ কৰাৰ উদ্দেশ্যে ৰাছুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ কবৰ মোবাৰকত হাজিৰ হোৱাৰ প্ৰতি গুৰুত্ব আৰোপ কৰা জায়েয নহয় :- আবু হুৰাইৰা (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত, তেখেতে কৈছে – নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে ইৰছাদ কৰিছে, “তোমালোকে মোৰ কবৰক মূৰ্ত্তিত পৰিণত নকৰিবা, আৰু তোমালোকৰ ঘৰক কবৰত পৰিণত নকৰিবা । তোমালোক যতে থাকা তাৰ পৰাই মোৰ ওপৰত দৰুদ পাঠ কৰিবা, তোমালোকৰ দৰুদ মোৰ ওচৰত আহি পাব (আহমদ্, আবু দাউদ, ফাযলুচ্ছাত আলান্নবী, হাদীছ নং ২০) ।
১৫) কবৰ বা মাজাৰত সদায় বহি থকা বা বৰকত লাভৰ উদ্দেশ্যত বহি থকা নিষিদ্ধ । কবৰ বা মাজাৰৰ পিনে মুখ কৰি বা কবৰস্থানত চালাত আদায় কৰা নিষিদ্ধ :- আবু হুৰাইৰা (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত, তেখেতে কৈছে – নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে ইৰছাদ কৰিছে, “কোনো কবৰৰ কাষত বহি থকাতকৈ অগ্নিকুণ্ডত বহা অতি উত্তম, যি কাপোৰ ও ছাল পুৰি পেলায়” (মুছলিম্, কিতাবুল জানাজা, কবৰত বহা অধ্যায় ) ।
জাবেৰ (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে – ৰাছুলে কৰীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে কবৰক পকা কৰা, কবৰত বহা আৰু কবৰত ঘৰ সজা নিষেধ কৰিছে (মুছলিম্, কিতাবুল জানাজা, কবৰত বহা অধ্যায় ) ।
১৬) কবৰ বা মাজাৰত পশু জবেহ কৰা, মিঠাই, গাখীৰ্, চাউল আদি বিতৰন কৰা নিষিদ্ধ :- আনচ (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে – ৰাছুল কৰীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে ইৰছাদ কৰিছে, কবৰত পশু জবেহ কৰা ইছলামত নিষিদ্ধ (আহমদ্, আবু দাউদ)
১৭) বৰকত অৰ্জন্, সন্তান লাভ্, বেমাৰৰ পৰা আৰোগ্য লাভ আদিৰ উদ্দেশ্যে কবৰ বা মাজাৰত চুলি বা সূঁতা বন্ধা নিষিদ্ধ :- আব্দুল্লাহ ইবনে হাকীম (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে – ৰাছুল কৰীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে ইৰছাদ কৰিছে, যি ব্যক্তিয়ে কোনো বস্তু ওলমাব, তেওঁক সেই বস্তুৰ দায়িত্ব দি দিয়া হয় (আহমদ্, হাকীম্, গায়াতুল মাৰাম – আলবানী, হাদীছ নং ২৯৮ )
১৮) মছজিদুল হৰম্, মছজিদুল আকসা ও মছজিদে নবৱী বাদে কোনো নবী, অলি, বা বুজুৰ্গ ব্যক্তিৰ কবৰ বা মাজাৰত জিয়াৰত কৰা উদ্দেশ্যে ভ্ৰমণ কৰা জায়েজ নহয় :- কাযআহ (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে – মই তুৰ পাহাৰ চোৱাৰ নিয়তত ওলাই ইবনে উমৰ (ৰাঃ)ক এই সম্পৰ্কে সোধাত তেখেতে কলে, তুমি নাজানানে ৰাছুল কৰীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে ইৰছাদ কৰিছে, তিনিটা মছজিদ ক্ৰমে মছজিদুল হৰম্, মছজিদুল আকসা আৰু মছজিদে নবৱী বাদে অন্য স্থানত ভ্ৰমণ নকৰিব, গতিকে তুৰ পাহাৰ নাযাবা (ত্বাবৰানী, আহকামুল জানাজা, আলবানী পৃঃ ২২৬) ।
১৯) ৰাছুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ ওপৰত দৰূদ পাঠৰ মছনুন শব্দ :- আব্দুৰ ৰহমান ইবনে আবি লায়লা (ৰাঃ)দ্বাৰা বৰ্ণিত্, তেখেতে কৈছে, তেওঁলোকে কাআ’ব ইবনে উজৰাৰ লগত সাক্ষাত হওঁতে তেখেতে কৈছিল – মই তোমালোকক এটা হাদিয়া নিদিম নে ? নবী কৰিম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামক সুধিছিলো – আপোনাক কেনেকৈ চালাম দিব লাগে আমি জানো, কিন্তু আপোনাৰ ওপৰত কেনেকৈ দৰূদ পাঠ কৰিম ? তেখেতে কলে, তোমালোকে কবা, “আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা মুহাম্মাদিন ৱ আ’লা আলি মুহাম্মাদিন কামা ছাল্লাইতা আ’লা আলি ইব্ৰাহিমা ইন্নাকা হামিদুম্মাজিদ । আল্লাহুম্মা বাৰিক আ’লা মুহাম্মাদিন ৱ আ’লা আলি মুহাম্মাদিন কামা বাৰাকতা আ’লা আলি ইব্ৰাহিমা ইন্নাকা হামিদুম্মাজিদ” অৰ্থাৎ হে আল্লাহ ! মুহাম্মদ ও তেখেতৰ পৰিবাৰ্-পৰিজনৰ ওপৰত এনেভাবে ৰহমত বৰ্ষণ কৰক যি ভাবে ইব্ৰাহিম ও তেখেতৰ পৰিবাৰ পৰিজনৰ ওপৰত কৰিছিল, নিশ্চয় তুমি মহান ও প্ৰশংসিত । হে আল্লাহ ! মুহাম্মদ ও তেখেতৰ পৰিবাৰ্-পৰিজনৰ ওপৰত এনেভাবে বৰকত দান কৰক যি ভাবে ইব্ৰাহিম ও তেখেতৰ পৰিবাৰ পৰিজনৰ ওপৰত কৰিছিল, নিশ্চয় তুমি মহান ও প্ৰশংসিত (ছহীহ মুছলিম্, কিতাবুচ্ছালাত্)
কবৰ জিয়াৰত সম্পৰ্কীয় কেইটামান জাল হদীছ
১) “যি ব্যক্তিয়ে হজ্জ কৰি মোৰ কবৰ জিয়াৰত কৰিব, তেওঁ যেন মোৰ জীবদ্দশাত জিয়াৰত কৰিলে” – এই হাদীছৰ চনদত হাফছ ইবনে ছুলাইমান ও লাইছ ইবনে আবু চুলাইম নামৰ দুজন দুৰ্বল ৰাবী আছে । হাফছ ইবনে চুলাইমান সম্পৰ্কে ইবনে মুঈদ (ৰঃ) য়ে কৈছে, তেওঁ মিথ্যুক । ইবনে হাজৰ (ৰঃ) য়ে কৈছে, তেওঁৰ হাদীছ পৰিত্যাগ কৰা হৈছে, হিৰাচ (ৰাঃ) য়ে কৈছে, তেওঁ হদীছ বনোৱা কাম কৰে আৰু শেখ আলবানী (ৰঃ) য়ে কৈছে, উক্ত হাদীছ জাল (চিলচিলা জয়ীফাহ : ১ম খণ্ড, হাদীছ নং ৪৭)
২) “যি ব্যক্তিয়ে হজ্জ পালন কৰি মোৰ জিয়াৰত নকৰিলে, তেখেতে মোৰ লগত অন্যায় কৰিলে” – ইমাম জাহাবী, ইমাম ইবনুল জৌযী ও শেখ আলবানী (ৰঃ) য়ে এই হাদীছ টিক জাল বুলি কৈছে (চিলচিলা জয়ীফাহ, ১/১১৯, হাদীছ নং ৪৫)
৩) “যি ব্যক্তি মদীনালৈ আহি চওৱাবৰ উদ্দেশ্যে মোৰ জিয়াৰত কৰিব, মই তেওঁৰ বাবে চুপাৰিশ কৰিম ও তেওঁৰ পক্ষে সাক্ষী হম্” – হাদীছটি দুৰ্বল (জয়ীফুল জামিউচ চাগীৰ, হাদীছ নং ৫৬১৯)
৪) “যি ব্যক্তিয়ে মোৰ কবৰ জিয়াৰত কৰিব, তেওঁৰ বাবে মোৰ চুপাৰিশ ৱাজিব হব” – হাদীছটি জাল (জয়ীফুল জামিউচ চাগীৰ, পৃঃ ৮০৮, হাদীছ নং ৫৬০৭)
৫) খাত্তাব বংশৰ এজন ব্যক্তিয়ে বৰ্ণনা কৰিছে যে নবী কৰীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে ইৰছাদ কৰিছে, “যি ব্যক্তিয়ে ইচ্ছাকৃত ভাবে মোৰ জিয়াৰত কৰিব, তেওঁ শেষ বিচাৰৰ দিনা মোৰ লগত একেলগে থাকিব্, যি ব্যক্তিয়ে মদীনাত অবস্থান কৰিব ও বিপদ আপদত ধৈৰ্য্যৰে থাকিব, তেখেতৰ বাবে কিয়ামতৰ দিনা মই সাক্ষী ও চুপাৰিশকাৰী হম, কিয়ামতৰ দিনা তেখেতক নিৰাপদ অৱস্থাত উঠোৱা হব্” – হাদীছটি দুৰ্বল (মিছকাতুল মাছাবীহ)
৬) “যি ব্যক্তিয়ে একে বছৰত মোৰ ও আমাৰ পিতা ইব্ৰাহিম (আঃ)ৰ জিয়াৰত কৰে তেওঁ জন্নতত প্ৰবেশ কৰিব্” – ইমাম নববী, ইমাম ইবনু তাইমিয়া ও শেখ আলবানী (ৰঃ) য়ে হাদীছটি জাল বুলি কৈছে (চিলচিলা যয়ীফাহ : ১/১২০, হাদীছ নং ৪৬)
৭) “যি ব্যক্তিয়ে হজ্জ পালন কৰিছে, মোৰ কবৰ জিয়াৰত কৰিছে, এটা যুদ্ধত অংশ গ্ৰহণ কৰিছে ও বায়তুল মুকদ্দছত মোৰ ওপৰত দৰূদ পাঠ কৰিছে, আল্লাহ পাকে তেওঁক ফৰজ ইবাদত আৰু আমলৰ ওপৰত কোনো প্ৰশ্ন নকৰে” – ইবনে আব্দুল হাদী, ইমাম চুয়ুতী ও শেখ নাছিৰুদ্দিন আলবানী (ৰঃ) য়ে উক্ত হাদীছক জাল বুলি কৈছে (চিলচিলা যয়ীফাহ্, ১/৩৬৯, হাদীছ নং ২০৪)
আগলৈ ………….. ইন শ্বা আল্লাহ