Category Archives: Bidath-various

ইজমা না কি এ্যাজমাঃ

linklinklink

ইজমা না কি এ্যাজমাঃ
@@@@@@@@@@

বুখারি মুসলিমের হাদিস থাকতেও তা না মেনে ইজমার উপর নির্ভর করে কিছু লোক, আবার ওদের কাছে হাদিস ই নাই তবুও আমল করে, কেন? বলে ইজমা!!
আসলে ইজমার নাম করে ওরা ইসলাম কে এ্যাজমা বানিয়ে ফেলেছে ফলে বুখারি মুসলিমের থেরাপি তেও তাদের রোগ সারেনা।
:
বোখারী/মুসলিমের সমস্ত হাদিস সনদের আলোকে সহী,,,,,,
কেবল মাত্র সালাতের অধ্যায়ের হাদিস গুলো ব্যতিত,,,,,,
কারন,,,,,হানাফীদের সালাতের সাথে মিল খুঁজে পাওয়া যায় না,,,,,
তাই বোখারী/মুসলিমের সালাতের অধ্যায় গুলো প্রত্যাখাতঃ
তার পরিবর্তে ইজমা ই যতেষ্ট!!!
তাই নয় কি??
এটাই কি সত্য নয়???
মাজহাব নামক নব ধর্মের চৌরঙ্গা নিয়ম-কানুনে ইবাদতকারি মাজহাবে হানাফী রঙ্গার ভাইয়েরা।
সুরা হাজ্বঃ ২২/৬৭.

” আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য ইবাদতের একটি নিয়ম-পদ্ধতি,,,,,নির্ধারন করে দিয়েছি যা তারা পালন করে “।
অথচ চারটি মাঝহাব চারটি নিয়ম-পদ্ধতি মানতে বাধ্য করে।
সুরা জাসিয়াঃ ৪৫/১৮.

“(হে নবী)
আপনাকে প্রতিষ্টিত রেখেছি ধর্মের এক বিশেষ শরিয়তের উপর।”
অথচ মাজহাব মানেই বিশেষ চার বিধানের শরিয়ত।
কোরআনে উল্লেখিত “একটি নিয়ম পদ্ধতি ও একটি শরিয়ত ” চারটি হলো কিভাবে???
উম্মতের মধ্যে ইজমা হয়েছে!!!!! আল্লাহর নির্ধারিত বিধানের বিপক্ষে তাদের ইজমা হয়েছে!!!!
এর পরেও কি বলবেন এসব ইজমা?
দয়া করে বলবেন কি,,,,,?
আসলে এগুলু মারাত্মক ” এ্যাজমা “!!!

সম্মিলিত মুনাজাত,বিদ’আত

zx

short assamese-

–সালাতৰ(নামাজ) পিছত এই ভাবে সম্মিলিত মুনাজাতৰ প্রমাণ ৰাসূল (সাঃ) অথবা কোনো তাবেঈ বা কোনো মাযহাবৰ ঈমামৰ পৰা পোৱা নাযায় , মূল কথা হ’ল এই পন্থাটোৱেই হল কোৰআন- সুন্নাহৰ বিপৰীত কাম। (আহকামে দুয়া পৃঃ১৩)

–এই ভাবে মুনাজাত কৰাৰ নিয়ম
শাৰীয়তত নাই আৰু নাই কোনো সাহীহ হাদিছত বা কোনো জাল অথবা দূর্বল হাদিছত ! আৰু নাই কোনো ফিকাহৰ কিতাপত ! এই দুওয়া অবশ্যেই বিদ’আত। (আহকামে দুয়া ২১ পৃঃ) !!!

++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
MAIN-

ফরজ নামাজ শেষে ইমামগন মুসুল্লীদের কে নিয়ে যে সম্মিলিত মুনাজাত করে থাকেন,
এই ব্যাপারে উপমহাদেশের উলামারা কি বলেছেন:
————— ————— ————————–
* আল্লামা আঃ হাই লখনভী রহ. বলেন: বর্তমান সময়ে প্রচলিত প্রথা যে ঈমাম সালাত
শেষে সম্মিলিত ভাবে হাত তুলে দুয়া করেন সবাই কে নিয়ে এবং মুসুল্লীগন আমীন আমীন বলেন ! এ প্রথা রাসূল (সাঃ) এর যুগে ছিল না। (ফৎয়ায়ে আঃ হাই, ১ম খন্ড, ১০০ পৃঃ)* আল্লামা আবুল কাসেম নানুতুবী বলেনঃ ফরজ নামাজের শেষে সম্মিলিত মুনাজাত করা একটি নিকৃষ্ট বিদ’আত। (এমাদুদ্দিন পৃঃ৩৯৭)

* আশরাফ আলী থানভী রহ. বলেনঃ সালাতের পর এই সম্মিলিত মুনাজাত সম্পর্কে ঈমাম আরফাহ এবং ঈমাম গাবরহিনী বলেন, এই মুনাজাত কে মুস্তাহাব মনে করাও না-জায়েজ।( ইস্তিহবাবুদ দাওয়াহ পৃঃ৮)

* আল্লামা মুফতী শফী রহ. বলেনঃ সালাতের পর এই ভাবে সম্মিলিত ভাবে মুনাজাতের প্রমান রাসূল (সাঃ) অথবা কোন তাবেঈ বা কোন মাযহাবের ঈমাম এর নিকট হতেও পাওয়া যায় না, মূল কথা হলো এই পন্থাটা-ই হলো কুরান- সুন্নাহর বিপরীত কাজ। (আহকামে দুয়া পৃঃ১৩)

* মুফতী আযম ফয়জুল্লাহ হাটহাজারি রহ.বলেনঃ এই ভাবে মুনাজাত করার নিয়ম
শারীয়তে নেই আর না আছে কোন সাহীহ হাদিছে বা না কোন জাল অথবা দূর্বল
হাদিছে ! আর না কোন ফিকাহের কিতাবে ! এ দুয়া অবশ্য-ই বিদ’আত। (আহকামে দুয়া ২১ পৃঃ) !!!

এর পরেও আমার বুঝে আসেনা আমাদের দেশের মসজিদ গুলোতে ঈমামগনেরা কিভাবে এই বিদ’আতটির নেতৃত্ব তাদের মসজিদে দিয়ে যাচ্ছেন ! আর বর্তমানে আমার দেশে ইলমের চর্চা কত নিম্নে পৌছেছে যে হাজার হাজার আলেম-মুফতি, তারাও এ ব্যাপারে নীরব!!!

আল্লাহপাক আমাদের সকলকে কোরান-সুন্নাহর পথে চলার তৌফিক দান করুক আমীন
——————
[কপি]

ফরয ছালাত বাদে সম্মিলিত দো‘আ,bidath

ফরয ছালাত বাদে সম্মিলিত দো‘আ

ফরয ছালাত বাদে সম্মিলিত দো‘আ (الدعاء الجماعي بعد الصلاة المكةوبة) :

ফরয ছালাত শেষে সালাম ফিরানোর পরে ইমাম ও মুক্তাদী সম্মিলিতভাবে হাত উঠিয়ে ইমামের সরবে দো‘আ পাঠ ও মুক্তাদীদের সশব্দে ‘আমীন’ ‘আমীন’ বলার প্রচলিত প্রথাটি দ্বীনের মধ্যে একটি নতুন সৃষ্টি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম হ’তে এর পক্ষে ছহীহ বা যঈফ সনদে কোন দলীল নেই। বলা আবশ্যক যে, আজও মক্কা-মদ্বীনার দুই হারাম-এর মসজিদে উক্ত প্রথার কোন অস্তিত্ব নেই।

প্রচলিত সম্মিলিত দো‘আর ক্ষতিকর দিক সমূহ :
(১) এটি সুন্নাত বিরোধী আমল। অতএব তা যত মিষ্ট ও সুন্দর মনে হৌক না কেন সূরায়ে কাহ্ফ-এর ১০৩-৪ নং আয়াতের মর্ম অনুযায়ী ঐ ব্যক্তির ক্ষতিগ্রস্ত আমলকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।
(২) এর ফলে মুছল্লী স্বীয় ছালাতের চাইতে ছালাতের বাইরের বিষয় অর্থাৎ প্রচলিত ‘মুনাজাত’কেই বেশী গুরুত্ব দেয়। আর এজন্যেই বর্তমানে মানুষ ফরয ছালাতের চাইতে মুনাজাতকে বেশী গুরুত্ব দিচ্ছে এবং ‘আখেরী মুনাজাত’ নামক বিদ‘আতী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বেশী আগ্রহ বোধ করছে ও দলে দলে সেখানে ভিড় জমাচ্ছে।
(৩) এর মন্দ পরিণতিতে একজন মুছল্লী সারা জীবন ছালাত আদায় করেও কোন কিছুর অর্থ শিখে না। বরং ছালাত শেষে ইমামের মুনাজাতের মুখাপেক্ষী থাকে।
(৪) ইমাম আরবী মুনাজাতে কী বললেন সে কিছুই বুঝতে পারে না। ওদিকে নিজেও কিছু বলতে পারে না। এর পূর্বে ছালাতের মধ্যে সে যে দো‘আগুলো পড়েছে, অর্থ না জানার কারণে সেখানেও সে অন্তর ঢেলে দিতে পারেনি। ফলে জীবনভর ঐ মুছল্লীর অবস্থা থাকে ‘না ঘরকা না ঘাটকা’।
(৫) মুছল্লীর মনের কথা ইমাম ছাহেবের অজানা থাকার ফলে মুছল্লীর কেবল ‘আমীন’ বলাই সার হয়। (৬) ইমাম ছাহেবের দীর্ঘক্ষণ ধরে আরবী-উর্দূ-বাংলায় বা অন্য ভাষায় করুণ সুরের মুনাজাতের মাধ্যমে শ্রোতা ও মুছল্লীদের মন জয় করা অন্যতম উদ্দেশ্য থাকতে পারে। ফলে ‘রিয়া’ ও ‘শ্রুতি’-র কবীরা গোনাহ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ‘রিয়া’-কে হাদীছে الشرك الأصغر বা ‘ছোট শিরক’ বলা হয়েছে। [204] যার ফলে ইমাম ছাহেবের সমস্ত নেকী বরবাদ হয়ে যাওয়ার নিশ্চিত সম্ভাবনা সৃষ্টি হ’তে পারে।

ছালাতে হাত তুলে সম্মিলিত দো‘আ :

(১) ‘ইস্তিসক্বা’ অর্থাৎ বৃষ্টি প্রার্থনার ছালাতে ইমাম ও মুক্তাদী সম্মিলিতভাবে দু’হাত তুলে দো‘আ করবে। এতদ্ব্যতীত
(২) ‘কুনূতে নাযেলাহ’ ও ‘কুনূতে বিতরে’ও করবে।

একাকী দু’হাত তুলে দো‘আ :

ছালাতের বাইরে যে কোন সময়ে বান্দা তার প্রভুর নিকটে যে কোন ভাষায় দো‘আ করবে। তবে হাদীছের দো‘আই উত্তম। বান্দা হাত তুলে একাকী নিরিবিলি কিছু প্রার্থনা করলে আল্লাহ তার হাত খালি ফিরিয়ে দিতে লজ্জা বোধ করেন।[205] খোলা দু’হস্ততালু একত্রিত করে চেহারা বরাবর সামনে রেখে দো‘আ করবে।[206] দো‘আ শেষে মুখ মাসাহ করার হাদীছ যঈফ। [207] বরং উঠানো অবস্থায় দো‘আ শেষে হাত ছেড়ে দিবে।

(১) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) স্বীয় উম্মতের জন্য আল্লাহর নিকট হাত উঠিয়ে একাকী কেঁদে কেঁদে দো‘আ করেছেন।[208]
(২) বদরের যুদ্ধের দিন তিনি ক্বিবলামুখী হয়ে আল্লাহর নিকটে একাকী হাত তুলে কাতর কণ্ঠে দো‘আ করেছিলেন। [209]
(৩) বনু জাযীমা গোত্রের কিছু লোক ভুলক্রমে নিহত হওয়ায় মর্মাহত হয়ে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একাকী দু’বার হাত উঠিয়ে আল্লাহর নিকটে ক্ষমা চেয়েছিলেন।[210]
(৪) আওত্বাস যুদ্ধে আবু মূসা আশ‘আরী (রাঃ)-এর নিহত ভাতিজা দলনেতা আবু ‘আমের আশ‘আরী (রাঃ)-এর জন্য ওযূ করে দু’হাত তুলে একাকী দো‘আ করেছিলেন।[211]
(৫) তিনি দাওস কওমের হেদায়াতের জন্য ক্বিবলামুখী হয়ে একাকী দু’হাত তুলে দো‘আ করেছেন।[212]

এতদ্ব্যতীত
(৬) হজ্জ ও ওমরাহ কালে সাঈ করার সময় ‘ছাফা’ পাহাড়ে উঠে কা‘বার দিকে মুখ ফিরিয়ে দু’হাত তুলে দো‘আ করা।[213]
(৭) আরাফার ময়দানে একাকী দু’হাত তুলে দো‘আ করা।[214]
(৮) ১ম ও ২য় জামরায় কংকর নিক্ষেপের পর একটু দূরে সরে গিয়ে ক্বিবলামুখী হয়ে দু’হাত তুলে দো‘আ করা। [215]
(৯) মুসাফির অবস্থায় হাত তুলে দো‘আ করা।[216]

তাছাড়া জুম‘আ ও ঈদায়েনের খুৎবায় বা অন্যান্য সভা ও সম্মেলনে একজন দো‘আ করলে অন্যেরা (দু’হাত তোলা ছাড়াই) কেবল ‘আমীন’ বলবেন। [217] এমনকি একজন দো‘আ করলে অন্যজন সেই সাথে ‘আমীন’ বলতে পারেন।

উল্লেখ্য যে, দো‘আর জন্য সর্বদা ওযূ করা, ক্বিবলামুখী হওয়া এবং দু’হাত তোলা শর্ত নয়। বরং বান্দা যে কোন সময় যে কোন অবস্থায় আল্লাহর নিকটে প্রার্থনা করবে। যেমন খানাপিনা, পেশাব-পায়খানা, বাড়ীতে ও সফরে সর্বদা বিভিন্ন দো‘আ করা হয়ে থাকে। আর আল্লাহ যে কোন সময় যে কোন অবস্থায় তাঁকে আহবান করার জন্য বান্দার প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।[218]

কুরআনী দো‘আ :

রুকূ ও সিজদাতে কুরআনী দো‘আ পড়া নিষেধ আছে।[219] তবে মর্ম ঠিক রেখে সামান্য শাব্দিক পরিবর্তনে পড়া যাবে। যেমন রববানা আ-তিনা ফিদ্দুন্ইয়া … (বাক্বারাহ ২/২০১)-এর স্থলে আল্লা-হুম্মা রববানা আ-তিনা অথবা আল্লা-হুম্মা আ-তিনা ফিদ্দুন্ইয়া …বলা।[220] অবশ্য শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পরে সালাম ফিরানোর পূর্বে কুরআনী দো‘আ সহ ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক সকল প্রকারের দো‘আ পাঠ করা যাবে।

[204] . আহমাদ, মিশকাত হা/৫৩৩৪ ‘হৃদয় গলানো’ অধ্যায়-২৬, ‘লোক দেখানো ও শুনানো’ অনুচ্ছেদ-৫। [205] . আবুদাঊদ, মিশকাত হা/২২৪৪, ‘দো‘আ সমূহ’ অধ্যায়-৯। [206] . আবুদাঊদ হা/১৪৮৬-৮৭, ৮৯; ঐ, মিশকাত হা/২২৫৬। [207] . আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/২২৪৩, ৪৫, ২২৫৫ ‘দো‘আ সমূহ’ অধ্যায়-৯; আলবানী বলেন, দো‘আর পরে দু’হাত মুখে মোছা সম্পর্কে কোন ছহীহ হাদীছ নেই। মিশকাত, হাশিয়া ২/৬৯৬ পৃঃ; ইরওয়া হা/৪৩৩-৩৪, ২/১৭৮-৮২ পৃঃ। [208] . মুসলিম হা/৪৯৯, ‘ঈমান’ অধ্যায়-১, ‘উম্মতের জন্য রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর দো‘আ করা’ অনুচ্ছেদ-৮৭। [209] . মুসলিম হা/৪৫৮৮ ‘জিহাদ’ অধ্যায়-৩২, অনুচ্ছেদ-১৮, ‘বদরের যুদ্ধে ফেরেশতাগণের দ্বারা সাহায্য প্রদান’। [210] . বুখারী, মিশকাত হা/৩৯৭৬ ‘জিহাদ’ অধ্যায়-১৯, অনুচ্ছেদ-৫; বুখারী হা/৪৩৩৯ ‘দো‘আ সমূহ’ অধ্যায়-৮০, ‘দো‘আয় হাত উঁচু করা’ অনুচ্ছেদ-২৩। [211] . এটি ছিল ৮ম হিজরীতে সংঘটিত ‘হোনায়েন’ যুদ্ধের পরপরই। বুখারী হা/৪৩২৩, ‘যুদ্ধ-বিগ্রহ সমূহ’ অধ্যায়-৬৪, ‘আওত্বাস যুদ্ধ’ অনুচ্ছেদ-৫৬। [212] . বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ হা/৬১১; মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/৫৯৯৬। [213] . আবুদাঊদ হা/১৮৭২; মুসলিম, মিশকাত হা/২৫৫৫। [214] . নাসাঈ হা/৩০১১। [215] . বুখারী হা/১৭৫১-৫৩, ‘হজ্জ’ অধ্যায়-২৫, ‘জামরায় কংকর নিক্ষেপ ও হাত উঁচু করে দো‘আ’ অনুচ্ছেদ-১৩৯-৪২। [216] . মুসলিম, মিশকাত হা/২৭৬০। [217] . ছহীহ আল-আদাবুল মুফরাদ হা/৪৬১; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ৮/২৩০-৩১; ফাতাওয়া আরকানিল ইসলাম পৃঃ ৩৯২। [218] . বাক্বারাহ ২/১৮৬, মুমিন/গাফের ৪০/৬০; বুখারী ‘দো‘আ সমূহ’ অধ্যায়-৮০, অনুচ্ছেদ-২৪, ২৫ ও অন্যান্য অনুচ্ছেদ সমূহ। [219] . মুসলিম, মিশকাত হা/৮৭৩ ‘ছালাত’ অধ্যায়-৪, ‘রুকূ’ অনুচ্ছেদ-১৩ ; নায়ল ৩/১০৯ পৃঃ। [220] . বুখারী হা/৪৫২২; মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/২৪৮৭, ‘দো‘আ সমূহ’ অধ্যায়-৯, ‘সারগর্ভ দো‘আ’ অনুচ্ছেদ-৯।

[২]-“এইবোৰ ক’ত পালে? : ভুলেৰে আল্লাহৰ এবাদত নহয়”

[২]-“এইবোৰ ক’ত পালে? : ভুলেৰে আল্লাহৰ এবাদত নহয়”
———————————————————————-
ক’ত পালে? মানে?
–A-বেহেশতী জেওৰ আৰু আলমগীৰীত আছে, অজুৰ আৰম্ভনণীতে ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, অথবা আলহামদুলিল্লাহ অথবা আশহাদু আল্লাইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ কৰিলে বিছমিল্লাহ পাঠ কৰাৰ সুন্নাত আদায় হৈ যায়।

–B-ইয়াৰোপৰি প্রত্যেক অঙ্গ ধোৱাৰ বাবে পৃথক পৃথক দু’আৰ প্রচলন আছে।

(A-ফাতোয়ায়ে আলমগিৰী, তাজ কোঃ ১/৩০ পৃঃ। B-বেহেশতী জেওৰ-১/৯৮,৯৯,১০, ফতোয়ায়ে আলমগীৰী তাজ কোঃ ১/৩৪ পৃঃ)।

–এইবোৰ চব মেকিং মানে বে’দাত।

ৰাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহিছ সাল্লাম)-ৰ পদ্ধতিঃ আবু হুৰাইৰাৰ (ৰাঃ) পৰা বর্ণিত, তেওঁ কৈছল, ৰাসূলুল্লাহে (সাল্লাল্লাহু আলাইহিছ সাল্লাম) কৈছিল ‘‘সেই ব্যক্তিৰ ছালাত নহব, যাৰ অজু নাই। আৰু যি ব্যক্তিয়ে অজুৰ সময়ত ‘বিছমিল্লাহ’ নকয়, তেওঁৰ অজু নহব। (সহীহ মুসলিম ২/৩২, তিৰমিযী-১/২৯ পৃঃ ইফাবা, ইবনে মাজাহ-১/১৭৯ পৃঃ, আবু দাউদ-১/৫১ পৃঃ, মিশকাত-২/৩৭০)

উল্লেখ্য যে, আৰম্ভণীতে বিছমিল্লাহ বাদদি অজুৰ মাজত প্রত্যেক অঙ্গ ধোৱাৰ কোনো বেলেগ দু’আ সহীহ হাদীসৰ দ্বাৰা প্রমাণিত নহয়। গতিকে কোনোৱে তেনে কৰিলে বিদ’আত হব’।।

[১]-“এইবোৰ ক’ত পালে? : ভুলেৰে আল্লাহৰ এবাদত নহয়”

[১]-“এইবোৰ ক’ত পালে? : ভুলেৰে আল্লাহৰ এবাদত নহয়”
———————————————————————

–প্রচলিত অজুত অসমীয়া/বাংলা বা আৰবীতে নাওয়াইতুআন আতআজ্জা— নিয়ত হিচাবে পঢ়া হয়। কিন্তু সহীহ হাদীস তো দূৰৰ কথা, কোনো যঈফ হাদীসেৰেও মুখেৰে নিয়ত উচ্চাৰণৰ কথা কোৱা হোৱা নাই।

* ৰাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহিছ সাল্লাম)ৰ পদ্ধতিঃ ৰাসূলে (সাল্লাল্লাহু আলাইহিছ সাল্লাম) কৈছিলঃ ‘‘আৰু প্রত্যেক ব্যক্তি সেইটো পাব, যেনেকৈ তেওঁ নিয়ত কৰিব।’’ (সহীহুল বুখাৰী-১/১, সহীহ্ মুসলিম’ ৪৬) এতেকে নিয়ত কৰিব লাগিব, পঢ়িব নালাগে। আনোয়াৰ শাহ্ কাশ্মিৰী (ৰঃ) বুখাৰীৰ প্রসংগৰ পৰা লিখিছে; নিয়ত হৈছে- অন্তৰৰ কার্য্যসমূহ। (ফয়যুল বাৰী-১/৮ পৃঃ)

main-http://www.hadithbd.com/100mistakes.php


COMMENTS:-

1]-Afjal Hussain :-মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ; ছহীহ বুখাৰী আৰু মিচকাত-ৰ প্রথম হাদীছ। ৰাবী হজৰত ওমৰ ইবনুল খাত্ত্বাব (ৰা: )। হজ্জ আৰু ওমৰাহ( -ৰ বাবে উচ্চঃস্বৰে ‘তাল্বিয়াহ’ পাঠ কৰাৰ বাহিৰে অন্য কোনো ইবাদতৰ জন্য মুখে নিয়ত পড়া বিদ‘আত। ৰাছুলুল্লাহ(ছাঃ) ছাহাবায়ে কেৰাম, তাবেঈনে এযাম আৰু আহলে চুন্নাত ওৱাল জামা‘আতৰ ইমামসকলৰ কোনেও মুখেৰে নিয়ত পঢ়িছিল বা পঢ়িবলৈ কৈছিল বুলি জানা নাযায়। হানাফী ফিক্বাহৰ প্রসিদ্ধ গ্রন্থ ‘হেদায়া’-ৰ বিখ্যাত লেখক বুৰহানুদ্দীন আবুল হাচান আলী বিন আবুবকৰ আল-ফাৰগানীআল-মাৰগীনানী (৫১১-৫৯৩ হিঃ) সহ পৰবর্তী কালৰ কিছু ফক্বীহ অন্তৰে নিয়ত কৰাৰ লগতে মুখেৰে সেইটো পঢ়াটো ‘সুন্দৰ ’ বুলি গণ্য কৰিছে । যেনে হেদায়া-ত কোৱা হৈছে,النية هى الإرادة والشرط أن يعلم بقلبه أيّ صلاة يصلي، أما الذكر باللسان فلا معتبر به ويحسن لاجتماع عزيمته- ‘নিয়ত অর্থ সংকল্প কৰা । কিন্তু চৰ্ত হ’ল যে, মুছল্লীয়ে কোন ছালাত আদায় কৰিব , সেইটো অন্তৰৰ পৰা জনা । মুখেৰে নিয়ত পঢ়াৰ কোনো গুৰুত্ব নাই । থাপিও হৃদয়ৰ সংকল্পক একীভূত কৰাৰ স্বার্থত মুখেৰে নিয়ত পঢ়াটোক সুন্দৰ বুলি গণ্য কৰা চলে’ (অর্থাৎ সংকল্পেৰ লগতে মুখেৰে সেইটো উচ্চাৰণ কৰা ।)। =হেদায়া (দেউবন্দ, ভাৰত : মাকতাবা থানবী ১৪১৬ হিঃ) ১/৯৬ পৃঃ ‘ছালাতৰ চর্তাৱলী ’অধ্যায়। মোল্লা আলী ক্বাৰী , ইবনুল হুমাম, আব্দুল হাই লাক্ষ্ণৌবী (ৰহঃ) প্রমুখ বিখ্যাত হানাফী বিদ্বানসকলৰ এই মতৰ বিৰোধিতাকৰিছিল আৰু ইয়াক ‘বিদ‘আত’ বুলি আখ্যায়িত কৰিছিল । -মিৰক্বাত শ্বাৰহ মিচকাত (দিল্লী ছপা , তাবি) ১/৪০-৪১পৃঃ; হেদায়া ১/৯৬

2]-Muktabul Hussain:- ভাৰতবৰ্ষৰ মাদ্ৰাছা সমূহত যিহেতু কোৰআন হাদীছৰ চৰ্চ্চা নাই, তেন্তে কি পঢ়াব ?? নিশ্চয় ১০-১২ টা বছৰ পাৰ কৰাবলৈটো course বোলা এটা বস্তু লাগিব !! সেই course frame কৰাৰ পৰিণতিতেই এনে শাব্দিক নিয়তৰ আবিৰ্ভাৱ বুলি মই ভাবো । । । । । বাকী আল্লাহু আলম । । । ।

3]-Rainur Ahmed :-নিয়ত মানে উদ্দেশ্য । উদ্দেশ্য মন্ত্ৰৰ দৰে পাঠ কৰাৰ প্ৰয়োজন নাই ।আল্লাহ সর্বজ্ঞ ।বুখাৰী ছৰীফৰ হাদিচটোৱে এইটো বুজায় যে মানুহে যি কৰিছে তাৰ ওপৰত ভিত্তি কৰি আল্লাহে বিচাৰ নকৰে, বৰং যি উদ্দেশ্যত সেই কাম কৰিছে তাৰ ওপৰত ভিত্তি কৰিহে বিচাৰ কৰিব ।

বিভিন্ন প্রকারের “খতম” এর বিদ’আত

kh

বিভিন্ন প্রকারের “খতম” এর বিদ’আত

আমাদের সমাজে বিভিন্ন প্রকারের ‘খতম’ প্রচলিত আছে। এধরনের “খতমের” নিয়ম, ফজীলত ইত্যাদির বিবরণ ‘মকসুদুল মোমিনীন’, ‘নাফেউল খালায়েক’ ইত্যাদি বিভিন্ন বইয়ে পাওয়া যায়। সাধারণত, দুটি কারণে ‘খতম’ পাঠ করা হয়:

(১) বিভিন্ন বিপদাপদ কাটানো বা জাগতিক ফল লাভ;

(২) মৃতের জন্য সাওয়াব পাঠানো।

উভয় প্রকারের খতমই ‘বানোয়াট’ ও ভিত্তিহীন। এ সকল খতমের জন্য পঠিত বাক্যগুলি অধিকাংশই খুবই ভাল বাক্য। এগুলি কুরআনের আয়াত বা সুন্নাহ সম্মত দোয়া ও যিকর। কিন্তু এগুলি এক লক্ষ বা সোয়া লক্ষ বার পাঠের কোনো নির্ধারিত ফযীলত, গুরুত্ব বা নির্দেশনা কিছুই কোনো সহীহ বা যয়ীফ হাদীসে বলা হয় নি। এ সকল ‘খতম’ সবই বানোয়াট। উপরন্তু এগুলিকে কেন্দ্র করে কিছু হাদীসও বানানো হয়েছে। ‘বিসমিল্লাহ’ খতম, দোয়া ইউনুস খতম, কালেমা খতম ইত্যাদি সবই এ পর্যায়ের। বলা হয় ‘সোয়া লাখ বার ‘বিসমিল্লাহ’ পড়লে অমুক ফল লাভ করা যায়’ বা ‘সোয়া লাখ বার দোয়া ইউনূস পাঠ করলে অমুক ফল পাওয়া যায়’ ইত্যাদি। এগুলি সবই ‘বুজুর্গ’দের অভিজ্ঞতার আলোকে বানানো এবং কোনোটিই হাদীস নয়।

তাসমিয়া বা (বিসমিলাহ), তাহলীল বা (লা ইলাহা ইলালাহ) ও দোয়া ইউনুস- এর ফযীলত ও সাওয়াবের বিষয়ে সহীহ হাদীস রয়েছে। তবে এগুলি ১ লক্ষ, সোয়া লক্ষ ইত্যাদি নির্ধারিত সংখ্যায় পাঠ করার বিষয়ে কোনো হাদীস বর্ণিত হয় নি। “খতমে খাজেগানের” মধ্যে পঠিত কিছু দোয়া সুন্নাহ সম্মত ও কিছু দোয়া বানানো। তবে পদ্ধিতিটি পুরোটাই বানানো।

এখানে আরো লক্ষণীয় যে, এ সকল খতমের কারণে সমাজে এ ধরণের “পুরোহিততন্ত্র” চালু হয়েছে। ইসলামের নির্দেশনা হলো, বিপদগ্রস্ত ব্যক্তি ইউনূস (আ)-এর মতই নিজে “দুআ ইউনূস” বা অন্যান্য সুন্নাহ সম্মত দুআ পড়ে মনের আবেগে আল্লাহ্‌র কাছে কাঁদবেন এবং বিপদমুক্তি প্রার্থনা করবেন। একজনের বিপদে অন্যজন কাঁদবেন, এমনটি নয়। বিপদগ্রস্ত মানুষ অন্য কোনো নেককার আলিম বা বুজুর্গের নিকট দুআ চাইতে পারেন। তবে এখানে কয়েকটি বিষয় মনে রাখতে হবে:

(১) অনেকে মনে করেন, জাগতিক রাজা বা মন্ত্রীর কাছে আবেদন করতে যেমন মধ্যস্থতাকারী বা সুপারিশকারীর প্রয়োজন, আল্লাহ্‌র কাছে প্রার্থনা করতেও অনুরূপ কিছুর প্রয়োজন। আলিম-বুজুর্গের সুপারিশ বা মধ্যস্ততা ছাড়া আল্লাহ্‌র নিকট দুআ বোধহয় কবুল হবে না। এ ধরনের চিন্তা সুস্পষ্ট শিরক। জাগতিক সম্রাট, মন্ত্রী, বিচারক বা নেতা আমাকে ভালভাবে চিনেন না বা আমার প্রতি তার মমতা কম এ কারণে তিনি হয়ত আমার আবেদন রাখবেন না বা পক্ষপাতিত্ব করবেন। কিন্তু মহান আল্লাহর ক্ষেত্রে কি এরূপ চিন্তা করা যায়? ইসলামের বিধিবিধান শিখতে, আত্মশুদ্ধির কর্ম শিখতে, কর্মের প্রেরণা ও উদ্দীপনা পেতে বা আল্লাহর জন্য ভালোবাসা নিয়ে আলেম ও বুজুর্গগণের নিকট যেতে হয়। প্রার্থনা, বিপদমুক্তি ইত্যাদির জন্য একমাত্র আল্লাহর কাছেই চাইতে হয়।

(২) কুরআন কারীম ও বিভিন্ন সহীহ হাদীসের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে, যে কোনো মুমিন নারী বা পুরুষ যে কোনো অবস্থায় আল্লাহর কাছে নিজের মনের আবেগ প্রকাশ করে দুআ করলে ইবাদত করার সাওয়াব লাভ করবেন। এছাড়া আল্লাহ তার দুআ কবুল করবেন। তিনি তাকে তার প্রার্থিত বিষয় দান করবেন, অথবা এ প্রার্থনার বিনিময়ে তার কোনো বিপদ কাটিয়ে দিবেন অথবা তার জন্য জান্নাতে কোনো বড় নিয়ামত জমা করবেন।

(৩) নিজে দুআ করার পাশাপাশি জীবিত কোনো আলিম-বুজুর্গের কাছে দুআ চাওয়াতে অসুবিধা নেই। তবে সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, নিজের জন্য নিজের দুআই সর্বোত্তম দুআ। এছাড়া দুআর ক্ষেত্রে মনের আবেগ ও অসহায়ত্বই দুআ কবুলের সবচেয়ে বড় অসীলা। আর বিপদগ্রস্ত মানুষ যতটুকু আবেগ নিয়ে নিজের জন্য কাঁদতে পারেন, অন্য কেউ তা পারে না।

(৪) অনেকে মনে করেন, আমি পাপী মানুষ আমার দুআ হয়ত আল্লাহ শুনবেন না। এ চিন্তুা খুবই আপত্তিকর ও আল্লাহ্‌র রহমত থেকে হতাশার মত পাপের পথ।কুরআনে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র কাফেররাই আল্লাহ্‌র রহমত থেকে হতাশ হয়। কুরআন ও হাদীসে বারংবার বলা হয়েছে যে, পাপ-অন্যায়ের কারণেই মানুষ বিপদগ্রস্ত হয় এবং বিপদগ্রস্ত পাপী ব্যক্তির মনের আবেগময় দুআর কারণেই আল্লাহ্‌ বিপদ কাটিয়ে দেন।

(৫) হাদীস শরীফে বলা হয়েছে যে, “দুআ ইউনূস” পাঠ করে দুআ করলে আল্লাহ্‌ কবুল করবেন। (লা ইলাহা ইলা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতুম মিনায যালিমীন) অর্থ- আপনি ছাড়া কোনো মাবূদ নেই, আপনি মহা-পবিত্র, নিশ্চয় আমি অত্যাচারীদের অন্তভূক্ত হয়েছি।

এর মর্মার্থ হলো: “বিপদে ডাকার মত, বিপদ থেকে উদ্ধার করার মত বা বিপদে আমার ডাক শুনার মত আপনি ছাড়া কেউ নেই। আমি অপরাধ করে ফেলেছি, যে কারণে এ বিপদ। আপনি এ অপরাধ ক্ষমা করে বিপদ কাটিয়ে দিন।” আল্লাহ্‌র একত্বের ও নিজের অপরাধের এ আন্তরিক স্বীকারোক্তি আলাহ এত পছন্দ করেন যে, এর কারণে আল্লাহ্‌ বিপদ কাটিয়ে দেন।

(৬) “খতম” ব্যবস্থা চালু করার কারণে এখন আর বিপদগ্রস্ত ব্যক্তি নিজে দুআ ইউনূস পাঠ বা খতম করে কাঁদেন না। বরং তিনি নির্দিষ্ট সংখ্যক আলিম-বুজুর্গকে দাওয়াত দেন। যারা সকলেই বলেন: “নিশ্চয় আমি যালিম বা অপরাধী।” আর যার অপরাধে আল্লাহ্‌ তাকে বিপদ দিয়েছেন তিনি কিছুই বলেন না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, দাওয়াতকৃত আলিমগণ প্রত্যেকেই যালিম বা অপরাধী, শুধু দাওয়াতকারী ব্যক্তিই নিরপরাধ!

মহান আল্লাহ্‌ আমাদেরকে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা অনুধাবনের তাওফীক প্রদান করুন।

লিখেছেনঃ ডঃ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর

four characters of bi’dath

Afjal Hussain
Afjal Hussain বিদাতৰ চাৰিটা বৈশিষ্ট্য – ১) বিদাতক বিদাত হিচাপে চিনি পোৱাৰ কোনো নিৰ্দিষ্ট দলীল পোৱা নাযায় তবে নিষিদ্ধ হোৱা সংক্ৰান্তে সাধাৰণ দলীল পোৱা যায় । ২) সকলো সময়ত বিদাতে শ্বৰীয়তৰ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যৰ বিপৰীত অবস্থানত থাকে, এই কাৰণেই বিদাত নিকৃষ্ট আৰু বাতিল হোৱাৰ ডাঙৰ কাৰণ যাৰবাবে হদীচত বিদাতক ভ্ৰষ্টতা বুলি অভিহিত কৰিছে । ৩) অধিক ক্ষেত্ৰত বিদাত এনে কাৰ্যৰ দ্বাৰা কৰা হয় যিটো ৰচুলুল্লাহ (চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱচাল্লাম) বা চাহাবা সকলৰ সময়ত প্ৰচলিত নাছিল । ৪) বিদাতৰ লগত শ্বৰীয়তী কোনো ইবাদতৰ মিল নাথাকে । এই মিল দুই ধৰণে লক্ষ্য কৰা হয়, প্ৰথমতঃ দলিলৰ ফালৰ পৰা দেখা যায় কোনো এক সাধাৰণ দলিলৰ ওপৰত সংশয় বা ধাৰণাৰ ভিত্তিত বিদাত প্ৰচলিত হয় আৰু প্ৰকৃত দলীল সামান্য সলনি কৰি সঠিক দলিলৰ ৰূপ দিয়া হয় । দ্বিতীয়তে শ্বৰীয়ত প্ৰণিত ইবাদতৰ ৰূপ-ৰেখা আৰু পদ্ধতিৰ সৈতে বিদাতক মিলাই একে কৰা হয় । এই মিল সমূহ সংখ্যা, আকাৰ-আকৃতি, সময় বা স্থান তথা নিৰ্দেশৰ সতে কৰা হয়, সেয়ে বহুতে বিদাতক ইবাদত হিচাপে গণ্য কৰে । আয়েশ্বা (ৰাঃ) দ্বাৰা বৰ্ণিত ৰচুলুল্লাহ (চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱচাল্লামে) কৈছে – দ্বীনত অন্তৰ্ভুক্ত নোহোৱা নতুন আবিষ্কাৰ সমুহ পৰিত্যক্ত (বুখাৰী ২৫১২, মুচলিম ৩২৪৮) । ৰাছূল চাল্লাল্লাহু আলাইহি ওৱা ছাল্লাম কৈছে: “যিজনে দ্বীনত (ধৰ্মত) নতুন কিবা আবিস্কাৰ কৰিব বা কোনো নবাৱিস্কাৰকাৰীক (বিদ’আতীক) আশ্রয় দিবে তাৰ উপৰত আল্লাহ, সকলো ফিৰিশ্তা আৰু মানুহৰ অভিশাপ……. তাৰ ফৰয ইবাদাত বা তাওবাহ, নফল ইবাদাত বা ফিদইয়া কবুল কৰা নহব ….।” বুখাৰী, কিতাবুল জিযিয়াহ, হা/৩১৮০। ই এক বিদাতৰ কাৰণ এই নতুন পদ্ধতি ইবাদতৰ স্থলাভিষিক্ত। বিদ’আতীৰ কোনো আমল কবুল কৰা নহব।
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++
Arfan Ali কোনো পীৰ- বুজুৰ্গ, অলী- আউলীয়া, ইমাম-মুফতি, বাপ- দাদা, চৈধ্য পুৰুষ পৰম্পৰা, ভোগোলিক পৰিবেশ, ৰাজনীতি কুটনীতি আদি বাৰভূজিয়াৰ দোহাই দি ইছলাম নচলে।

ইছলাম এজন মানুহৰ মতে চলিব সেইজন হল মুহাম্মাদুৰ ৰাছূলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লাম।‌ তেওঁৰ মত কত পাব? একমাত্ৰ ক্বোৰআন আৰু ছহীহ হাদীছত। মক্কা মদিনা নহয়, ইছলামৰ দলীল ক্বোৰআন ও বিশুদ্ধ হাদীছ।

ৰাছূলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে কি কৰিছে আৰু আমি কি কৰিছো সেয়া মিলাই চাব লাগিব পবিত্র কুৰআন আৰু ছহীহ ছূন্নাহৰ লগত। সকলো প্রকাৰৰ আবেগ আৰু অতিৰঞ্জনৰ পৰা আতৰি থাকিব লাগিব আৰু প্রচলিত শ্বিৰ্ক আৰু বিদ‘আতী আক্বীদা-বিশ্বাস আৰু ৰছম-ৰিৱাজ-পৰম্পৰা পৰিহাৰ কৰিব লাগিব। আল্লাহ তাআলাই আমাক বিদ‘আত মুক্ত জীৱন-যাপন কৰাৰ তাওফীক্ব দান কৰক- আমীন!##

যেই আমলগুলি সহিহ নয়

y

 

যেই আমলগুলি সহিহ নয়–
১. ৩৩ আয়াতের আমল – এর কোনো দলীল নেই, মানুষের বানানো ইবাদত। এটা মোটেই আমল করা যাবেনা। এখানে মানুষ নিজের মনমতো কুরআনের বিভিন্ন জায়গা থেকে ৩৩টা আয়াত নিয়ে একটা ওযীফা বানিয়ে নিয়েছে। মানুষের বানানো এটা বেদাত। এছাড়া এভাবে বিভিন্ন জায়গা থেকে অংশ অংশ নিয়ে পড়া এটা নিয়মের বাইরে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এই আমল আমাদেরকে করতে বলেন নি, তাই এটা করা যাবেনা।২. সুরা ইয়াসীন ১ বার পড়লে ১০ বার কুরআন খতমের সওয়াব পাওয়া যায় এটা ঠিক না। সুরা ইয়াসীন হচ্ছে কুরআনের অন্তর এই হাদীসও সহীহ না।
এই কথাগুলো বিশ্বাস করা যাবেনা, কারণ এই হাদীসগুলো জাল অথবা জয়ীফ।

৩. সুরা হাশরের শেষ ৩ আয়াত পড়লে ঐদিন ৭০ হাজার ফেরেশতা দোয়া করবে ও শহীদ হিসবে মৃত্যু বরণ করবে এটা ঠিকনা। এই সম্পর্কিত তিরমিযীতে যে হাদীসে সেটা জয়ীফ।

৪. সুরা আর-রাহমানের আলাদা কোনো ফযীলত নেই।

উপরের গুলো কুরআনের সুরা বা আয়াত। কেউ ইচ্ছা করলে যেকোনো সময় এইগুলো তেলাওয়াত করতে পারবেন। কুরআনের প্রত্যেকটা হরফের যে ১০টা নেকী, সেটা পাবেন। কিন্তু এই সম্পর্কিত ফযীলতের যেই কথাগুলো সেগুলো ঠিকনা, তাই সেইগুলো আশা করে পড়বেন না। এমনিতে পড়তে ভালো লাগে বা কুরআন তেলাওয়াতের অংশ হিসেবে পড়তে পারেন।
-আন্সারুস সুন্নাহ

bi’dath-আল্লাহ এবং সকল ফেরেশতা ও মানুষের অভিশাপ ও লানত

রাসুল (সাঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু আবিষ্কার করবে বা কোন নব-আবিষ্কারকারীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ এবং সকল ফেরেশতা ও মানুষের অভিশাপ ও লানত। তাদের ফরয, নফল ইবাদাত কবুল করা হবে না”…….! [ বুখারী- হা/৩১৭৯, (ইঃফাঃ ২৯৫২..), পর্বঃ৫৮, অধ্যায়ঃ১৭ ] রাসুল (সাঃ) বলেন, “নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী আল্লাহ’র কিতাব এবং সর্বোত্তম আদর্শ মুহাম্মদের আদর্শ। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হল (দ্বীনের মধ্যে) নব উদ্ভাবিত বিষয়। আর নব উদ্ভাবিত প্রত্যেক বিষয় বিদআত”। [ মুসলিম- হা/৮৬৭, (ইঃফাঃ ১৮৭৫) পব-৮: জুমু-আহ, অধ্যায়-১৩) // (মেশকাত- হা/১৪১ :: ৫ম আধ্যায়, কিতাব ও সুন্নাহকে আকড়ে ধরা) ] রাসুল (সাঃ) বলেন, “নিকৃষ্ট কাজ বিদআত, প্রত্যেক বিদ’আত হচ্ছে ভ্রষ্টতা, আর ভ্রষ্টতার পরিনাম জাহান্নাম” [ নাসাঈ- হা/১৫৭৮ ; পব:১৯ – ইস্তিস্কা, অধ্যায়:২২ – নবী’র (সাঃ) খুতবা কিরূপ ] রাসুল (সাঃ) বলেন, “হালাল স্পষ্ট, হারাম স্পষ্ট এবং এর মাঝে কিছু সন্দেহের বস্তু আছে যার ব্যাপারে অনেকেই জানে না। যে এসব সন্দেহের বিষয়গুলো এড়িয়ে চলল সে নিজের দ্বীন এবং সম্মানকে রক্ষা করল। কিন্তু যে সন্দেহের বিষয়ে জড়িয়ে গেল সে (যেন) হারামে জড়িয়ে গেল।” [ বুখারী- হা/৫২ ;; (ইঃফাঃ ৫০) ;; পর্ব ২ঃ ঈমান; ৩৯ঃ দ্বীন রক্ষার মর্যাদা) (মুসলিম- ২৩/২০, হা/১৫৯৯, পর্বঃ২৩, অধ্যায়ঃ২০) (আহমদ- হা/১৮৩৯৬, ১৮৪০২ ] রাসুল (সাঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি এমন আমল করবে যার ব্যাপারে আমার শরীতের নির্দেশনা নেই, উহা প্রত্যাখ্যাত।” [ বুখারী- ৫৩/৫, হা/২৬৯৭, ইঃফাঃ ২৫১৪, পব:৫৩, আধ্যায়:৫) ;; (মুসলিম- ৩০/৮, হা/ ১৭১৮, ইঃফাঃ ৪৩৪৩, ৪৩৪৪, পব-৩০, অধ্যায়-৮) ;; (মেশকাত হা/১৪০, আহমদ- হা/২৬০৯২) ] ==> শিরক এর পর বেদআত হল মারাত্মক গুনা। যা মানুষকে পথ ভ্রষ্ট করে, জাহান্নাম নিয়ে যাবে। (নাসাঈ- হা/১৫৭৮, ১৯/২২)[http://sunnah.com/nasai/19/23]

আপনার সালাত কবুল হচ্ছে কি ?

আপনার সালাত কবুল হচ্ছে কি ???
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লাম বলেছেন :
“যে ব্যক্তি দ্বীনের মধ্যে বিদআত করবে বা কোন বিদাতিকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ এবং সকল ফেরেশতা ও মানুষের অভিশাপ । তার ফরয ইবাদাত , তাওবাহ , নফল ইবাদাত , ফিদইয়া কবুল করা হবে না ।” ( সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ৩১৮০)

“নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী আল্লাহ্‌র কিতাব এবং সর্বোত্তম আদর্শ মুহাম্মদের আদর্শ। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হল (দ্বীনের মধ্যে) নব উদ্ভাবিত বিষয়। আর নব উদ্ভাবিত প্রত্যেক বিষয় বিদআত এবং প্রত্যেক বিদআত হল ভ্রষ্টতা এবং প্রত্যেক ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম। ( সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ১৫৩৫ )

আপনি তো বিদআতি নিয়ত দিয়ে সালাত শুরু করছেন, আর বিদআতি তরিকায় মুনাজাত করে সালাত শেষ করছেন । আর সহিহ ভাবে সুন্নাতি তরিকায় সালাতের কথা কেউ বললেই মনে করেন ওরা ‘লা-মাযাহবি’ !! তাহলে এক বার ভাবুন আল্লাহর রাসুল (সাঃ) এর এই কথাটি !! আমরা আপনাকে বার বার সতর্ক করছি কিন্তু আপনি তো আমলেই নিছেন না !! ভাবুন তো যদি আপনার সালাত কবুল না হয়, তবে কি হবে ??