Category Archives: 100.S.Hadiths

সকলো কালাম (কথা) ৰ ওপৰত কোৰআনৰ শ্রেষ্ঠত্ব।

✍🏻✍🏻✍🏻 … . চহীহ বুখাৰীৰ হাদিচ নম্বৰ :- ৫০২০

☞ সকলো কালাম (কথা) ৰ ওপৰত কোৰআনৰ শ্রেষ্ঠত্ব। ☜

৫০২০. আবূ মূছা আশ্ব‘আৰী (ৰা:) সূত্রে নাবী চাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওৱাছাল্লামৰ পৰা বর্ণিত। তেওঁ ক’লে , যি ব্যক্তিয়ে কোৰআন তিলাওৱাত কৰে , তাৰ দৃষ্টান্ত হৈছে সেই নেমুৰ দৰে সুস্বাদু আৰু সুগন্ধযুক্ত। আৰু যি যে ব্যক্তিয়ে (মু’মিন) কোৰআন পাঠ নকৰে তাৰ দৃষ্টান্ত হৈছে এনে খেজুৰৰ দৰে , যি সুগন্ধহীন, কিন্তু খাওঁতে সুস্বাদু। আৰু ফাচিক-ফাজিৰ ব্যক্তি যিয়ে কোৰআন পাঠ কৰে তাৰ দৃষ্টান্ত হৈছে ৰায়হান জাতীয় লতাৰ দৰে , যাৰ সুগন্ধ আছে, কিন্তু খোৱাত বিস্বাদ। আৰু সেই ফাচিক যিয়ে কোৰআন একেবাৰেই পাঠ নকৰে , তাৰ দৃষ্টান্ত হৈছে সেই মাকাল ফলৰ দৰে , যিটো খাওঁতে বিস্বাদ আৰু যাৰ কোনো সুগন্ধ ও নাই ।

[৫০৫৯, ৫৪২৭, ৭৫৬০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪৬, ইছলামী ফাউন্ডেচনঃ ৪৬৫০)

Afjal Hussain.

যে ব্যক্তি রসুন কিংবা পেঁয়াজ খাবে, সে যেন আমাদের থেকে দূরে থাকে:রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

আস্ সালামু আলাইকুম🌍
📇বিষয়:কাঁচা পেঁয়াজ খেয়ে মসজিদে যাওয়ার সম্পর্কে 👓👓👓👇👇👇🌍🌍🌍👈👇

(১৫. পেঁয়াজ-রসুন কিংবা দুর্গন্ধযুক্ত বস্তু খেয়ে মসজিদে গমন)

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَٰبَنِيٓ ءَادَمَ خُذُواْ زِينَتَكُمۡ عِندَ كُلِّ مَسۡجِدٖ﴾ [الاعراف: ٣١]
“হে বনু আদম! তোমরা প্রতি সালাতের সময় তোমাদের সৌন্দর্যকে ধারণ কর” [সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ৩১] [অর্থাৎ তোমরা পোশাক পরিধান কর ও শালীন পরিবেশ বজায় রাখ। কিন্তু দুর্গন্ধ পরিবেশকে কলুষিত করে তোলে।]

জাবির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«مَن أَكلَ ثوماً أو بصَلاً فليعتَزِلْنا، أو قالَ: فليَعتزلْ مسجدَنا، وليقعُدْ في بيتهِ، وفي روايةٍ: فلا يَغشانا في مساجدِنا».
“যে ব্যক্তি রসুন কিংবা পেঁয়াজ খাবে, সে যেন আমাদের থেকে দূরে থাকে। অথবা তিনি বলেছেন, সে যেন আমাদের মসজিদ থেকে দূরে থাকে এবং নিজ বাড়ীতে বসে থাকে”।(সহীহ বুখারী; সহীহ মুসলিম; মিশকাত, হাদীস নং ৪১৭৯।)

সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে,
«مَنْ أَكَلَ مِنْ هَذِهِ الْبَقْلَةِ، الثُّومِ – وقَالَ مَرَّةً: مَنْ أَكَلَ الْبَصَلَ وَالثُّومَ وَالْكُرَّاثَ فَلَا يَقْرَبَنَّ مَسْجِدَنَا، فَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ تَتَأَذَّى مِمَّا يَتَأَذَّى مِنْهُ بَنُو آدَمَ»
“যে ব্যক্তি পেঁয়াজ, রসুন ও কুর্রাছ[কুর্রাছ এক প্রকার গন্ধযুক্ত সব্জি।] খাবে, সে যেন কখনই আমাদের মসজিদ পানে না আসে। কেননা বনী আদম যাতে কষ্ট পায় ফিরিশতারাও তাতে কষ্ট পায়”।(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৬৪।)

উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু একদা জুমু‘আর খুৎবায় বলেছিলেন, হে লোক সকল! তোমরা দু’টি গাছ খেয়ে থাক। আমি ঐ দু’টিকে কদর্য ছাড়া অন্য কিছু মনে করি না। সে দু’টি হচ্ছে পেঁয়াজ ও রসুন। কেননা আমি রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি,
«إِذَا وَجَدَ رِيحَهُمَا مِنَ الرَّجُلِ فِي الْمَسْجِدِ، أَمَرَ بِهِ فَأُخْرِجَ إِلَى الْبَقِيعِ، فَمَنْ أَكَلَهُمَا فَلْيُمِتْهُمَا طَبْخًا»
“কারো মুখ থেকে তিনি এ দু’টির গন্ধ পেলে তাকে মসজিদ থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দিতেন। ফলে তাকে বাক্বী‘ গোরস্থানের দিকে বের করে দেওয়া হতো। সুতরাং কাউকে তা খেতে হলে সে যেন পাকিয়ে খায়”।(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৬৭।)

অনেকেই কাজ-কর্ম শেষে হাত-মুখ ধোয়ার আগেই মসজিদে ঢুকে পড়ে। এদিকে ঘামের জন্য তার বগল ও মোজা দিয়ে বিশ্রী রকমের গন্ধ বের হতে থাকে। এ ধরনের লোকও উক্ত বিধানের আওতায় পড়বে।
আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট হল ধূমপায়ীরা। তারা হারাম ধূমপান করতে করতে মুখে চরম দুর্গন্ধ জন্মিয়ে নেয়। এ অবস্থায় মসজিদে ঢুকে তারা আল্লাহর মুসল্লী বান্দা ও ফিরিশতাদের কষ্ট দেয়।
———————-
Harun Rashid

Hadith on ফাতেহা, পাঁচ ওৱাক্ত ছালাত ,ছূৰা বাক্বাৰাহ’ৰ শেষৰ আয়াতসমূহ,সন্দেহযুক্ত কথা ও কর্ম -JBR

 

এদিনাখন জিব্ৰাঈল (আঃ)য়ে ৰাছূল্লুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ওৱা ছাল্লামৰ ওচৰত বহি আছিল। এনে সময়ত ওপৰৰ পৰা এক বিকট শব্দ আহিল।

জীব্রাঈল (আঃ)য়ে ওপৰৰ ফালে চাই ক’লে-

‘আজি আকাশৰ পৰা সেই দৰ্জা খুলি গৈছে যিখন ইতিপূর্বে কেতিয়াও খোলা নাই।’

ইয়াৰ পিছত তাৰ পৰা এজন ফিৰিস্তা ৰাছূল্লুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ওৱা চাল্লামৰ ওচৰলৈ আহি ক’লে, ‘আপুনি খুছী হওঁক! এনেকুৱা দুটি নূৰ আপোনাক দিয়া হ’ল যি দুটি ইতিপুর্বে কাকো দিয়া হোৱা নাই। সেয়া হ’ল ছূৰা ফাতিহা আৰু ছূৰা বাক্বাৰাহ’ৰ শেষৰ আয়াতসমূহ। ইয়াৰ প্ৰত্যেকটি আখৰৰ ওপৰত নূৰ আছে”।
– ছহীহ মুছলিম, চুনান নাছাঈ; চুনান নাছাঈ’ৰ শব্দ।

যেতিয়া ৰাছূল্লুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ওৱা ছাল্লামক মিৰাজলৈ লৈ যোৱা হয় আৰু তেওঁ সপ্তম আকাশত অৱস্থিত ছিদৰাতুল মুন্তাহাত উপস্থিত হয় (যি বস্তু আকাশৰ ফালে উঠি যায় সেইটো এই স্থানত উপস্থিত হৈ থাকে আৰু ইয়াৰ পৰাই লৈ যোৱা হয়। আকৌ যি বস্তু ওপৰৰ পৰা নামি আহে সেইটোও ইয়াত উপস্থিত হৈ থাকে আৰু ইয়াৰ পৰাই লৈ অনা হয়)। তাত ৰাছূলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামক তিনিটা বস্তু দিয়া হয়-

১/ পাঁচ ওৱাক্ত ছালাত
২/ ছূৰা বাক্বাৰাহ’ৰ শেষৰ আয়াতসমূহ
৩/ একত্ববাদীসকলৰ সমস্ত পাপৰ ক্ষমা
– ছহীহ মুছলিম।

ইবন আব্বাছ (ৰাঃ)য়ে কৈছে- আমি ৰাছূল্লুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ওৱা ছাল্লামৰ কাষত বহি আছিলোঁ আৰু জিব্ৰাঈল (আঃ)য়েও তেওঁৰ ওচৰত আছিল। এনে সময়ত আকাশৰ পৰা এক ভয়াৱহ শব্দ আহে।

জীব্রাঈল (আঃ)য়ে ওপৰৰ ফালে দৃষ্টি নিক্ষেপ কৰিলে আৰু ক’লে-

‘আজি আকাশৰ পৰা সেই দৰ্জা খুলি গৈছে যিখন ইতিপূৰ্বে কেতিয়াও খোলা নাই।’

ইয়াৰ পিছত তাৰ পৰা এজন ফিৰিস্তা অৱতৰণ কৰিলে আৰু ৰাছূল্লুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ওৱা ছাল্লামক ক’লে-

‘আপুনি সন্তোষ প্রকাশ কৰক! আপোনাক সেই দুটি নূৰ দিয়া হৈছে যি দুটি আপোনাৰ পূর্বে কোনো নাবী’ক দিয়া হোৱা নাই। সেয়া হৈছে ছূৰা ফাতিহা আৰু ছূৰা বাক্বাৰাহ’ৰ শেষৰ আয়াত দুটি। এইবোৰৰ প্রত্যেকটি আখৰৰ ওপৰত আপোনাক নূৰ দিয়া হব।
– ছহিহ মুছলিম ১/১৫৫, নাছাঈ ৫/১২।

=============================

হাছান ইবনু আলী ( ৰাঃ)ৰ দ্বাৰা বর্ণিত তেওঁ কৈছে¸
————————————————————————————————————–
ৰাছূলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে কৈছে-
——————————
তুমি সন্দেহযুক্ত কথা ও কর্ম পৰিত্যাগ কৰি য’ত সন্দেহ নাই সেইফালে উভতি যোৱা। নিশ্চয় সত্য প্রশান্তিৰ নাম আৰু মিছা সন্দেহ ও অশান্তিৰ নাম
—-**********-*—————————-
তিৰমিযী,, আত,তাৰগীব তাৰহীব / হাদিছ, /৪১৮২)

সকল গুনাহ ক্ষমা হতে পারে কিন্তু শির্কের গুনাহ ক্ষমা করা হবেনা

সকল গুনাহ ক্ষমা হতে পারে কিন্তু শির্কের গুনাহ ক্ষমা করা হবেনা বিশেষ তওবা ছাড়া
======================
কেউ চুরি করলো তার ক্ষমা হতে পারে, কেউ ঘুষ খেলো তার ক্ষমা হতে পারে, কেউ অনেক অন্যায় কাজ করলে তাও আল্লাহ যাকে ইচ্ছে তাকে ক্ষমা করে দিতে পারে।

কিন্তু কেউ যদি #শির্ক করল আর তা থেকে খাছ তওবা করলনা তাহলে তাকে ক্ষমা করা হবেনা জাহান্নাম অবধারিত।

#আল্লাহ বলেন– নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক তাঁর সাথে শরীক করে।
তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন।
আর যে লোক অংশীদার সাব্যস্ত করল আল্লাহর সাথে, সে যেন অপবাদ আরোপ করল
সুরা নিসাসা
আয়াত ৪৮
======================
#রাসুল (সাঃ) এর মনিমুক্তা

#আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:

#আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেন:
হে আদম সন্তান! যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি আমাকে ডাকবে এবং আমার কাছে (ক্ষমা) প্রত্যাশা করবে, তুমি যা-ই প্রকাশ হোক না কেন আমি তা ক্ষমা করে দেব- আর আমি কোন কিছুর পরোয়া করি না।
হে আদম সন্তান! তোমার গোনাহ্ যদি আকাশ সমান হয়ে যায় আর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, তাহলে আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব।
হে আদম সন্তান! যদি তুমি পৃথিবী পরিমাণ গোনাহ্ নিয়ে আমার কাছে আস এবং আমার সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক না করে (আখেরাতে) সাক্ষাত কর, তাহলে আমি সমপরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমার সঙ্গে সাক্ষাত করবো।
:
তিরমিযী (নং-৩৫৪০)
এ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন
======================

ডান হাতে তাসবীহ গণনা করা উচিত অ্যান্ড কোন দানা বা কংকরে গণনা করা বেদাত

তাসবীহ পাঠের সুন্নাতী নিয়ম ঃ
আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ)-কে ডান হাতের মুষ্টি বেধে আঙ্গুল দিয়ে তাসবীহ পাঠ করতে দেখেছি।
(আবু দাউদ, তিরমীযি, মিশকাত হা/২৩১৬; নায়ল ২/৩১৬)।
রাসূলুল্লাহ(ছাঃ)ডান হাতে তাসবীহ গণনা করতেন।
(আবু দাউদ, হা/১৫০২, বায়হাকী হা/১৮৭)।
এক মুহাজের নারী ইয়ুসায়ারা (রাঃ) তসবীহ গণনার সহীহ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, রাসূল(ছাঃ)তাকে আঙ্গুল গুলো মুষ্টি বেধে তসবীহ পাঠের নির্দেশ দেন — এবং এ কথাও বলেছেন, কিয়ামতের দিন তসবীহ গণনার জন্য আঙ্গুলগুলো আল্লাহর কাছে সাক্ষী দেবেন। (আবূ দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, মিশকাত ২০২ পৃষ্ঠা)।
‘রাসূল(ছাঃ)আঙ্গুল গুলো মুষ্টি বেধে তসবীহ পাঠের নির্দেশ দেন’ এই প্রসঙ্গে সৌদী আরবের স্থায়ী ফতওয়া বোর্ডের সাবেক প্রধান বলেছেন নবী করিম (ছাঃ)এর অনুসরণের মধ্যে রয়েছে সকল কল্যান।(ফতওয়ায়ে আরকানূল ইসলাম)।
কোন দানা বা কংকর কিয়ামতের দিন স্বাক্ষী প্রদান করবে বলে কোন জাল হাদীসও পাওয়া যায় না। বাজারে ‘হাযারী তাসবীহ’ নামে যে তাসবীহ প্রচলিত আছে তা বানোয়াট।(পিস টিভি আলোচক)।
তাসবীহ ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুল দিয়ে শুরু করতে হয়।
আলবানী বলেন, শারঈ যিকর গণনা এটাই সুন্নাত যা কেবল ডান হাত দিয়ে গুনতে হয়। আর বাম হাত বা দুই হাত একসঙ্গে কিংবা কংকর দ্বারা গণনা সবই সুন্নাত বিরোধী। কংকর দ্বারা এমনকি দানা দ্বারা গণনা করা বিশুদ্ধভাবে সাব্যস্ত হয় নি।
তাসবীহ, পূথী বা দানা দ্বারা তাসবীহ গননা করাঃ
কংকর, পাথর, পুথি দ্বারা তাসবীহ গণনাকারী রিয়া কারী হিসাবে গণ্য (রিয়া করা অর্থাৎ ছোট শিরক করা)।এবং কংকর,পাথর,পুথি দ্বারা তাসবীহ গণনার পক্ষে যে বর্ণনাগুলো আছে তা জাল।
(হাদীস মওযু, জ্বাল, আল বিদউ হা/২১, সিলসিলা যঈফাহ হা/৪৩ এর আলোচনা সনদ সহীহ, মুসনাদে দায়লামী হা/৮৩)।
আমাদের সমাজে দামী পাথর দ্বারা তৈরি তসবীহ দিয়ে যিকর-আযকার করা ব্যাপকভাবে চলছে। অথচ এর কোন সহীহ ভিত্তি নেই।
১। আয়েশা বিনতে সা’দ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তার পিতা রাসূল(ছাঃ) এর সাথে এক মহিলার কাছে প্রবেশ করেন। তখন স্ত্রী লোকটি সম্মুখে কিছু খেজুরের বিচি অথবা কংকর ছিল, যার দ্বারা সে তসবীহ গণনা করছিল।রাসূল (ছাঃ)বললেন, আমি কি তোমাকে এমন কিছু বলে দিব না, যা এটা অপেক্ষা সহজ বা উত্তম হবে? তা হচ্ছে ——। (তিরমিযী হা/৩৫৬৮, আবু দাউদ হা/১৫০০, মিশকাত হা/২৩১১)।
বিশ্লেষণ ঃ উক্ত বর্ণনাটি যঈফ। উক্ত বর্ণনার সনদে খুযায়ামা ও সাঈদ ইবনে আবী হেলাল নামে দুই জন ত্রুটিপূর্ণ রাবী রয়েছেন। তাছাড়া এটি সহীহ হাদীসের বিরোধী। কারণ রাসূল(ছাঃ)ডান হাতের আঙ্গুলে তসবীহ গণনা করতেন। (যঈফ আবু দাউদ হা/১৫০০, যঈফ আত তারগীব হা/৯৫৯, সিলসিলাহ যঈফাহ হা/৮৩)।
২। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ)যে দানা দ্বারা যিকর করে সে কতই না উত্তম।
(দায়লামী, মুসনাদুল ফেরদাউদ ৪/৯৮ পৃষ্ঠা)।
বিশ্লেষণ ঃ বর্ণনাটি জাল। উক্ত বর্ণনার প্রত্যেক রাবীই ত্রুটিপূর্ণ।
(সিলসিলা যঈফাহ হা/৮৩)।
উক্ত পর্যালোচনার পর আলবানী বলেন, নিশ্চয়ই তাসবীহ দানা বিদ’আত। এটা রাসূল(ছাঃ)এর যুগে ছিল না, বরং তার পরে সৃষ্টি হয়েছে।
(সিলসিলা যঈফাহ হা/৮৩ এর আলোচনা)।
৩। আবু হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত নবী করিম(ছাঃ)কংকর দ্বারা তাসবীহ গণনা করতেন।(আবুল কাশেম জুরজানী, তারীখে জুরজান হা/৬৮)।
বিশ্লেষণ ঃ বর্ণনাটি জাল। এর সনদে কুদামা বিন মাযউন এবং ছালেহ ইবনু আলী নামে অভিযুক্ত রাবী আছেন। (সিলসিলাহ যঈফাহ হা/১০০২)।
কংকর বা তাসবীহ দানা দ্বারা তাসবীহ পাঠ করার বিপক্ষে সাহাবীগণ ছিল খড়গহস্ত।
৪। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাস’উদ (রাঃ) এর কাছে কুফার এমন কিছু লোক সম্পর্কে উল্লেখ করা হলো; যারা মসজিদে ছোট ছোট পাথর একত্রিত করে তা দ্বারা গুনে গুনে তাসবীহ পড়ছিল। অতঃপর তিনি তাদের কাছে এসে দেখতে পেলেন যে, তাদের প্রত্যেকের সামনেই ছোট ছোট পাথরের এক একটি স্তুপ রয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি তাদের পাথর নিক্ষেপ করে মসজিদ থেকে বের করে দেন। এবং বলেন, তোমরা অবশ্যই একটি বিদ’আত ও অন্ধকারের উদ্ভাবন করছো। জ্ঞানের রাজ্যে মোহাম্মদ(ছাঃ)এর সাহাবীদের চেয়ে তোমরা প্রাধান্য লাভ করেছো?
(আল ইতিসাম ২/৩০৮ পৃষ্ঠা ইমাম শাতিবী )
৫। ছালত ইবনে বুহরাম (রাঃ) বলেন ইবনে মাসউদ (রাঃ) এক মহিলার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন তার কাছে দানা ছিল তা দ্বারা সেই মহিলা তাসবীহ গননা করছিল। ইবনে মাসউদ তাকে পা দ্বারা লাথি মারলেন। তার পর বললেন, তোমরা অগ্রগামী হয়েছো! তোমরাই কি মোহাম্মদ (ছাঃ)এর সাহাবী হিসাবে ইলমের দিক থেকে বিজয় হয়েছ!
(ইবনে ওয়াযযাহ, আল-বিদিউ পৃষ্ঠা-২৩, হা/২১, সিলসিলাহ যঈফাহ হা/৪৩ এর আলোচনা, সনদ সহীহ)।
৬। ইবনে মাসউদ(রাঃ)এর ছাত্র বিশিষ্ট তাবেঈ ইব্রাহীম আন-নাখ’ঈ তার মেয়েকে মহিলাদের তাসবীহর সুতা (তা দ্বারা তসবীহ পাঠ করার জন্য)পাকিয়ে দিয়ে সহযোগীতা করতে নিষেধ করেছিলেন।
(মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ ২/৮৯/২,যঈফ ও জাল হাদীস সিরিজ, আলবানী হা/৮৩ এর আলোচনা)।
পাথর, পুথি ও দানা দ্বারা তাসবীহ গণনা যায়েজ করা হয়েছে যেভাবে ঃ
সাহাবী আবু হুরায়রা (রাঃ)এর কাছে একটা সুতা ছিল যাতে দুহাজার গিরা ছিল। তিনি যতক্ষন ঐ গিরা গুলো দ্বারা তাসবীহ না পড়তেন ততক্ষন শুতে যেতেন না। (মুসনাদে আহমাদ) এই বর্ণনা সহ কয়েকটি দুর্বল বর্ণনা একত্রে করে কোন কোন আলেম তাসবীহর ছড়া ব্যবহার কে যায়েজ বলেছেন। তবে তারা আঙ্গুলে তাসবিহ গননাকেই উত্তম বলেছেন।

নিজেকে খুব গরীব মনে হয়? তাহলে এই হাদিসটি পড়ুনঃ…..

homeless

নিজেকে খুব গরীব মনে হয়?
তাহলে এই হাদিসটি পড়ুনঃ
আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, আমি এমন অবস্থায়ও নিজেকে দেখেছি যে, যখন আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর মিম্বার ও আয়িশা (রাঃ) এর ঘরের মাঝখানে ক্ষুধার তাড়নায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকতাম। আমাকে পাগল মনে করে কেউ কেউ এসে আমার ঘাড় পদদলিত করত। অথচ আমার মধ্যে পাগলামি ছিল না, বরং ছিল ক্ষুধার তীব্রতা। বুখারী- ৭৩২৪
সুবহান আল্লাহ! এখনও নিজেকে গরীব বলবেন?

দরিদ্র শ্রেণী জান্নাতে / জাহান্নামে প্রবেশ করেছে অধিকাংশই মহিলা জাতি

ax

সহিহ মুসলিম/৬৮৩০

‘উসামাহ্‌ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (মি‘রাজের রাতে) আমি জান্নাতের প্রবেশদ্বারে দাঁড়ালাম। প্রত্যক্ষ করলাম, যারা জান্নাতে প্রবেশ করছে তাদের অধিকাংশই দরিদ্র শ্রেণী, মিস্‌কীন আর ধনীদেরকে দেখলাম বন্দী অবস্থায়। যারা জাহান্নামবাসী হিসেবে পরিগণিত হয়েছে তাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার আদেশ করা হয়েছে। আর আমি জাহান্নামের প্রবেশদ্বারে দাঁড়িয়ে দেখলাম যে, যারা জাহান্নামে প্রবেশ করেছে তাদের অধিকাংশই মহিলা জাতি। (ই.ফা. ৬৬৮৬, ই.সে. ৬৭৪১)

রাসুল (ﷺ) মানত করতে নিষেধ করেছেন।তবে এর মাধ্যমে কৃপণ থেকে কিছু বের করা হয়

mn

রাসুল (ﷺ) মানত করতে নিষেধ করেছেন। আর বলেছেন, তা কোন রকম কল্যাণ বয়ে আনে না। তবে এর মাধ্যমে কৃপণ থেকে কিছু বের করা হয়।
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বা, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) … ইবনু উমার (রাঃ) সুত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত।

সহীহ মুসলিম (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ২৭/ মানত, হাদিস নম্বরঃ ৪০৯৩