Category Archives: 100-Quranic Ayats

বিপদ/আনন্দ লিপিবদ্ধ আছে তাৰপৰা শিক্ষা লোৱা

#তলৰ_আয়াত_দুটি_খুব_ধ্যান_দি_পঢ়ক #বুজিবলৈ_চেষ্টা_কৰক_আৰু_

#সেইমতে_আমল_কৰক-

 

٢٢:٥٧

مَا أَصَابَ مِنْ مُصِيبَةٍ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي أَنْفُسِكُمْ إِلَّا فِي كِتَابٍ مِنْ قَبْلِ أَنْ نَبْرَأَهَا ۚ إِنَّ ذَٰلِكَ عَلَى اللَّهِ يَسِيرٌ

 

৫৭:২২

পৃথিৱীত আৰু তোমালোকৰ ওপৰত আপতিত হোৱা এনে কোনো বিপদ-আপদ নাই যাক আমি সেয়া সংঘটিত হোৱাৰ আগতে এখন কিতাপত লিপিবদ্ধ কৰি ৰখা নাই। নিশ্চয় আল্লাহৰ পক্ষে এয়া অতি সহজ।

 

٢٣:٥٧

لِكَيْلَا تَأْسَوْا عَلَىٰ مَا فَاتَكُمْ وَلَا تَفْرَحُوا بِمَا آتَاكُمْ ۗ وَاللَّهُ لَا يُحِبُّ كُلَّ مُخْتَالٍ فَخُورٍ

 

৫৭:২৩

এইটো এইবাবে যে, যাতে তোমালোকে যি হেৰাইছা তাৰ প্ৰতি পৰিতাপ নকৰা আৰু তেওঁ তোমালোকক যি প্ৰদান কৰিছে তাৰ বাবে উৎফুল্লিত নোহোৱা। কাৰণ আল্লাহে কোনো উদ্ধত আৰু অহংকাৰী ব্যক্তিক পছন্দ নকৰে।

যে ব্যক্তি রসুন কিংবা পেঁয়াজ খাবে, সে যেন আমাদের থেকে দূরে থাকে:রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

আস্ সালামু আলাইকুম🌍
📇বিষয়:কাঁচা পেঁয়াজ খেয়ে মসজিদে যাওয়ার সম্পর্কে 👓👓👓👇👇👇🌍🌍🌍👈👇

(১৫. পেঁয়াজ-রসুন কিংবা দুর্গন্ধযুক্ত বস্তু খেয়ে মসজিদে গমন)

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَٰبَنِيٓ ءَادَمَ خُذُواْ زِينَتَكُمۡ عِندَ كُلِّ مَسۡجِدٖ﴾ [الاعراف: ٣١]
“হে বনু আদম! তোমরা প্রতি সালাতের সময় তোমাদের সৌন্দর্যকে ধারণ কর” [সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ৩১] [অর্থাৎ তোমরা পোশাক পরিধান কর ও শালীন পরিবেশ বজায় রাখ। কিন্তু দুর্গন্ধ পরিবেশকে কলুষিত করে তোলে।]

জাবির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«مَن أَكلَ ثوماً أو بصَلاً فليعتَزِلْنا، أو قالَ: فليَعتزلْ مسجدَنا، وليقعُدْ في بيتهِ، وفي روايةٍ: فلا يَغشانا في مساجدِنا».
“যে ব্যক্তি রসুন কিংবা পেঁয়াজ খাবে, সে যেন আমাদের থেকে দূরে থাকে। অথবা তিনি বলেছেন, সে যেন আমাদের মসজিদ থেকে দূরে থাকে এবং নিজ বাড়ীতে বসে থাকে”।(সহীহ বুখারী; সহীহ মুসলিম; মিশকাত, হাদীস নং ৪১৭৯।)

সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে,
«مَنْ أَكَلَ مِنْ هَذِهِ الْبَقْلَةِ، الثُّومِ – وقَالَ مَرَّةً: مَنْ أَكَلَ الْبَصَلَ وَالثُّومَ وَالْكُرَّاثَ فَلَا يَقْرَبَنَّ مَسْجِدَنَا، فَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ تَتَأَذَّى مِمَّا يَتَأَذَّى مِنْهُ بَنُو آدَمَ»
“যে ব্যক্তি পেঁয়াজ, রসুন ও কুর্রাছ[কুর্রাছ এক প্রকার গন্ধযুক্ত সব্জি।] খাবে, সে যেন কখনই আমাদের মসজিদ পানে না আসে। কেননা বনী আদম যাতে কষ্ট পায় ফিরিশতারাও তাতে কষ্ট পায়”।(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৬৪।)

উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু একদা জুমু‘আর খুৎবায় বলেছিলেন, হে লোক সকল! তোমরা দু’টি গাছ খেয়ে থাক। আমি ঐ দু’টিকে কদর্য ছাড়া অন্য কিছু মনে করি না। সে দু’টি হচ্ছে পেঁয়াজ ও রসুন। কেননা আমি রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি,
«إِذَا وَجَدَ رِيحَهُمَا مِنَ الرَّجُلِ فِي الْمَسْجِدِ، أَمَرَ بِهِ فَأُخْرِجَ إِلَى الْبَقِيعِ، فَمَنْ أَكَلَهُمَا فَلْيُمِتْهُمَا طَبْخًا»
“কারো মুখ থেকে তিনি এ দু’টির গন্ধ পেলে তাকে মসজিদ থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দিতেন। ফলে তাকে বাক্বী‘ গোরস্থানের দিকে বের করে দেওয়া হতো। সুতরাং কাউকে তা খেতে হলে সে যেন পাকিয়ে খায়”।(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৬৭।)

অনেকেই কাজ-কর্ম শেষে হাত-মুখ ধোয়ার আগেই মসজিদে ঢুকে পড়ে। এদিকে ঘামের জন্য তার বগল ও মোজা দিয়ে বিশ্রী রকমের গন্ধ বের হতে থাকে। এ ধরনের লোকও উক্ত বিধানের আওতায় পড়বে।
আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট হল ধূমপায়ীরা। তারা হারাম ধূমপান করতে করতে মুখে চরম দুর্গন্ধ জন্মিয়ে নেয়। এ অবস্থায় মসজিদে ঢুকে তারা আল্লাহর মুসল্লী বান্দা ও ফিরিশতাদের কষ্ট দেয়।
———————-
Harun Rashid

কোৰআনত মৰুভূমিৰ মৰীচিকা সম্পৰ্কে

aa

প্ৰশ্ন :- কোৰআনত মৰুভূমিৰ মৰীচিকা সম্পৰ্কে কি কোৱা হৈছে ?

= ) এই বিষয়ে এনেকৈ কোৱা হৈছে কোৰআনত —-

” আৰু যিবিলাক অবিশ্বাসী , সিহঁতৰ কাৰ্য্যসমূহ মৰুভূমিৰ মৰীচিকাৰ সদৃশ ; তাকে তৃষ্ণাতুৰ এজনে পানী বুলি অনুমান কৰে ; পিছত যেতিয়া সি তাৰ ওচৰ চাপেহি সি দেখে তাত একোৱেই , বৰং সেই স্থলত নিজৰ সন্মুখত সি আল্লাহকে পায় । তেতিয়া আল্লাই তাক তাৰ যি প্ৰাপ্য পূৰ্ণমাত্ৰাই প্ৰদান কৰে ; আৰু লেখ লোৱাত আল্লাহ বেগৱন্ত ” ( কোৰআন , আল নুৰ 24 : 39 )

Donot forget your aim of akirah

screenshot_20161017_025137

মহান আল্লাহ্‌ সুবাহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন,
.
وَلَا تَكُونُوا كَالَّذِينَ نَسُوا اللَّهَ فَأَنسَاهُمْ أَنفُسَهُمْ أُوْلَئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ
.
“তোমরা তাদের মত হয়ো না, যারা আল্লাহ তা’আলাকে ভুলে গেছে। ফলে আল্লাহ তা’আলা তাদের নিজেদেরকেই (জীবনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে) ভুলিয়ে দিয়েছেন। তারাই অবাধ্য।”
.
.
– সূরা আল হাশর, আয়াত নং- ১৯.

নাৰীমূর্তিকে মাতে আৰু কেৱল অবাধ্য শয়তানাকেই মাতে

 

শাৰদীয় বতৰ !!
——————-

إِنْ يَدْعُونَ مِنْ دُونِهِ إِلَّا إِنَاثًا وَإِنْ يَدْعُونَ إِلَّا شَيْطَانًا مَرِيدًا
1]-আল্লাহক বাদদি তেওঁলোক কেৱল নাৰীমূর্তিকে মাতে আৰু কেৱল অবাধ্য শয়তানাকেই মাতে। আন-নিসা, ৪/১১৭ [https://quran.com/4/117]

وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ لِأَبِيهِ آزَرَ أَتَتَّخِذُ أَصْنَامًا آلِهَةً ۖ إِنِّي أَرَاكَ وَقَوْمَكَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ
2]-স্মৰাণ কৰা, যেতিয়া ইবৰাহীমে তেওঁৰ পিতা আযাৰক কলেঃ আপুনি মূর্তিবোৰক মা‘বূদ মনোনীত কৰিছে? নিঃসন্দেহে আমি আপোনাক ও আপোনাৰ সম্প্রদায়ক প্রকাশ্য ভ্রান্তিৰ মাজত নিপতিত হোৱা দেখিছো। আল-আন’আম, ৬/৭৪ [https://quran.com/6/74]

সকল গুনাহ ক্ষমা হতে পারে কিন্তু শির্কের গুনাহ ক্ষমা করা হবেনা

সকল গুনাহ ক্ষমা হতে পারে কিন্তু শির্কের গুনাহ ক্ষমা করা হবেনা বিশেষ তওবা ছাড়া
======================
কেউ চুরি করলো তার ক্ষমা হতে পারে, কেউ ঘুষ খেলো তার ক্ষমা হতে পারে, কেউ অনেক অন্যায় কাজ করলে তাও আল্লাহ যাকে ইচ্ছে তাকে ক্ষমা করে দিতে পারে।

কিন্তু কেউ যদি #শির্ক করল আর তা থেকে খাছ তওবা করলনা তাহলে তাকে ক্ষমা করা হবেনা জাহান্নাম অবধারিত।

#আল্লাহ বলেন– নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক তাঁর সাথে শরীক করে।
তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন।
আর যে লোক অংশীদার সাব্যস্ত করল আল্লাহর সাথে, সে যেন অপবাদ আরোপ করল
সুরা নিসাসা
আয়াত ৪৮
======================
#রাসুল (সাঃ) এর মনিমুক্তা

#আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:

#আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেন:
হে আদম সন্তান! যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি আমাকে ডাকবে এবং আমার কাছে (ক্ষমা) প্রত্যাশা করবে, তুমি যা-ই প্রকাশ হোক না কেন আমি তা ক্ষমা করে দেব- আর আমি কোন কিছুর পরোয়া করি না।
হে আদম সন্তান! তোমার গোনাহ্ যদি আকাশ সমান হয়ে যায় আর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, তাহলে আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব।
হে আদম সন্তান! যদি তুমি পৃথিবী পরিমাণ গোনাহ্ নিয়ে আমার কাছে আস এবং আমার সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক না করে (আখেরাতে) সাক্ষাত কর, তাহলে আমি সমপরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমার সঙ্গে সাক্ষাত করবো।
:
তিরমিযী (নং-৩৫৪০)
এ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন
======================

Call to dawah with perfect DOLIL,not follow except Allah swt

00

দ্বীনের দাওয়াত দিতে হবে স্পস্ট দলিল সহকারে, অবশ্যই কুরআন এবং সহি হাদিস হলো স্পষ্ট দলিল।। অন্য কোন পীর, অলি আউলিয়া, সুফি, বুজুর্গ, মুফতির কথা যদি কুরআন ও সহি হাদিসের বিরুদ্ধে যায় তবে তা অবশ্যই বাতিল, বাতিল, বাতিল।।
بِعُواْ مَا أُنزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ وَلاَ تَتَّبِعُواْ مِن دُونِهِ أَوْلِيَاء قَلِيلاً مَّا تَذَكَّرُونَ
তোমরা অনুসরণ কর, যা তোমাদের প্রতি পালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য আউলিয়াদের অনুসরণ করো না। (সুরা আরাফ:৩)

নিশ্চয় আল্লাহ ও তাঁর ফিরিশতাগণ নবীর প্রতি সালাত-দরুদ পেশ করেন:দুরুদ পড়ার ফযীলত

455px-darood

মহা নবী (সাঃ) এর উপর দুরুদ পড়ার ফযীলতঃ
_____________________________
প্রথমে আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ

﴿إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِيِّۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ صَلُّواْ عَلَيۡهِ وَسَلِّمُواْ تَسۡلِيمًا ٥٦﴾ (الاحزاب: ٥٦)

“নিশ্চয় আল্লাহ ও তাঁর ফিরিশতাগণ নবীর নবীর প্রতি সালাত-দরুদ পেশ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি সালাত পেশ করো এবং তাঁকে যথাযথভাবে সালাম জানাও।” (সূরা আহযাব ৫৬ আয়াত)

‘আব্দুল্লাহ ইবনে ‘আমর ‘আস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, “যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরূদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার দরুন তার উপর দশবার দুরুদ পাঠ করবেন।” (মুসলিম)।

وَعَنِ ابنِ مَسعُود رضي الله عنه:أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ: «أَوْلَى النَّاسِ بِي يَومَ القِيَامَةِ أَكْثَرُهُمْ عَلَيَّ صَلاَةً» . رواه الترمذي، وقال: حديث حسن .

ইবনে মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামতের দিন সেই ব্যক্তি সব লোকের চাইতে আমার বেশী নিকটবর্তী হবে, যে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী আমার উপর দরূদ পড়বে।” (তিরমিযী, হাসান)।

আওস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের দিনগুলির মধ্যে সর্বোত্তম দিন হচ্ছে জুমুআর দিন। সুতরাং ঐ দিন তোমরা আমার উপর অধিকমাত্রায় দরূদ পড়। কেননা, তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়।” লোকেরা বলল, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি তো (মারা যাওয়ার পর) পচে-গলে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবেন। সে ক্ষেত্রে আমাদের দরূদ কিভাবে আপনার কাছে পেশ করা হবে?’ তিনি বললেন, “আল্লাহ পয়গম্বরদের দেহসমূহকে খেয়ে ফেলা মাটির উপর হারাম করে দিয়েছেন।” (বিধায় তাঁদের শরীর আবহমান কাল ধরে অক্ষত থাকবে।) (আবু দাউদ, বিশুদ্ধ সানাদ)।

আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই অভিশাপ দিলেন যে, “সেই ব্যক্তির নাক ধূলা-ধূসরিত হোক, যার কাছে আমার নাম উল্লেখ করা হল, অথচ সে (আমার নাম শুনেও) আমার প্রতি দরূদ পড়ল না।” (অর্থাৎ ‘সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম’ বলল না।)
(তিরমিযী হাসান)।

উক্ত রাবী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা আমার কবরকে উৎসব কেন্দ্রে পরিণত করো না (যেমন কবর পূজারীরা উরস ইত্যাদির মেলা লাগিয়ে করে থাকে)। তোমরা আমার প্রতি দরূদ পেশ কর। কারণ, তোমরা যেখানেই থাক, তোমাদের পেশ-কৃত দরূদ আমার কাছে পৌঁছে যায়।
(আবূ দাউদ বিশুদ্ধ সূত্রে)।

উক্ত রাবী হতে এটি বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে কোনো ব্যক্তি যখন আমার উপর সালাম পেশ করে, তখন আল্লাহ আমার মধ্যে আমার আত্মা ফিরিয়ে দেন, ফলে আমি তার সালামের জবাব দিই।
(আবূ দাউদ- বিশুদ্ধ সানাদ)।

(এর ধরন আল্লাহই জানেন। অবশ্য এর অর্থ এ নয় যে, তাঁর জবাব কেউ শুনতে পায়।)।

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “প্রকৃত কৃপণ সেই ব্যক্তি, যার কাছে আমি উল্লিখিত হলাম (আমার নাম উচ্চারিত হল), অথচ সে আমার প্রতি দরূদ পাঠ করল না।
(তিরমিযী, হাসান সহীহ)।

ফাযালা ইবনে উবাইদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি লোককে নামাযে প্রার্থনা করতে শুনলেন। সে কিন্তু তাতে আল্লাহর প্রশংসা করেনি এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর দরূদও পড়েনি। এ দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “লোকটি তাড়াহুড়ো করল।” অতঃপর তিনি তাকে ডাকলেন ও তাকে অথবা অন্য কাউকে বললেন, “যখন কেউ দো‘আ করবে, তখন সে যেন তার পবিত্র প্রতিপালকের প্রশংসা বর্ণনা যোগে ও আমার প্রতি দরূদ ও সালাম পেশ করে দো‘আ আরম্ভ করে, তারপর যা ইচ্ছা (যথারীতি) প্রার্থনা করে।
(আবু দাউদ, তিরমিযী)।

আবূ মুহাম্মদ কা‘ব ইবনে ‘উজরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একদা) আমাদের নিকট এলে। আমরা বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনার প্রতি কিভাবে সালাম পেশ করতে হয় তা জেনেছি, কিন্তু আপনার প্রতি দরূদ কিভাবে পাঠাব?’ তিনি বললেন, “তোমরা বলোঃ-

‘আল্লা-হুম্মা স্বাল্লি আলা মুহাম্মাদিঁউ অআলা আ-লি মুহাম্মদ, কামা স্বাল্লাইতা আলা আ-লি ইবরা-হীম। ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ। আল্লা-হুম্মা বা-রিক আলা মুহাম্মাদিঁউ অআলা আ-লি মুহাম্মদ, কামা বা-রাকতা আলা আ-লি ইবরা-হীম। ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।’
(বুখারী ও মুসলিম )।

👉প্রিয় পাঠক! শেষ হাদীছটিতে পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে যে, আল্লাহ্ তাআলা ও তাঁর রাসূল দুরুদ পাড়ার আদেশ করেছেন এবং সাথে সাথে কি দুরুদ পড়তে হবে তাও তাঁর উম্মতকে শিখায়ে দিয়েছেন ।
কাজেই নবীজি (সাঃ) এর শিক্ষা দেওয়া দুরুদ পড়ার চাইতে কারো পেট বানানো বিদ’আতী দুরুদ পড়া উত্তম নয়!
তাই আসুন আল্লাহ্ তাআলার নিকট তাওবা করে বিদ’আতী দুরুদ পরিত্যাগ করে মহা নবী (সাঃ) এর শিক্ষা দেওয়া দুরুদে ইব্রাহীম পড়ি ।
আল্লাহ্ তাআলা আমাদেরকে তাওফীক্ব এনায়েত করুন اللهم آمين

(প্রণয়নেঃ ওয়াহীদুল ইসলাম সালাফী )।

যে ব্যাক্তি আল্লাহর মসজিদসমূহে তাঁর নাম উচ্চারণ করতে বাধা দেয়:ওদের জন্য ইহকালে লাঞ্ছনা এবং পরকালে কঠিন শাস্তি রয়েছে।

Jamiat-Ahle-Hadees-Mosque_023-400x289

وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّن مَّنَعَ مَسَاجِدَ اللّهِ أَن يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُهُ وَسَعَى فِي خَرَابِهَا أُوْلَـئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ أَن يَدْخُلُوهَا إِلاَّ خَآئِفِينَ لهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ وَلَهُمْ فِي الآخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ
 
—————————————————————-
যে ব্যাক্তি আল্লাহর মসজিদসমূহে তাঁর নাম উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং সেগুলোকে উজাড় করতে চেষ্টা করে, তার চাইতে বড় যালেম আর কে? এদের পক্ষে মসজিদসমূহে প্রবেশ করা বিধেয় নয়, অবশ্য ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায়। ওদের জন্য ইহকালে লাঞ্ছনা এবং পরকালে কঠিন শাস্তি রয়েছে।
———————————————–
And who is more unjust than he who forbids that in places for the worship of Allah, Allah.s name should be celebrated?-whose zeal is (in fact) to ruin them? It was not fitting that such should themselves enter them except in fear. For them there is nothing but disgrace in this world, and in the world to come, an exceeding torment.[Quran.2:114]