প্রসঙ্গ “আমীন” ও একটি পর্যালোচনাঃভুল.sgis

logon-

fb-loudlyAmeen,controverse?

প্রসঙ্গ “আমীন” ও একটি পর্যালোচনাঃ

ইবনে যুবাইর রাযি. ও তাঁর পিছনে যারা মুসল্লি ছিলো, সকলেই “আমীন” বলেছেন এবং মসজিদ গুন্জরিত হয়ে উঠলো । ( বুখারি)
এই আছর কে আমাদের কিছু “সালাফী বন্দুরা “জোরে আমীন” বলার প্রমান হিসাবে উপন্থাপন করে থাকেন।
এখানে আমাদের কিছু কথা :
(ক) সাহাবাদের কথা,আমল আপনাদের মতে দলিল নয়, তাহলে ইবনে যুবাইর রাযি.’র আমল কিভাবে দলিল হইলো?

(খ) এবর্ণনা “মুাল্লক” এরই কারনে ইমাম বুখারি শিরনামে এনেছেন। হাদিসের আলোচনায় আনেন নি । কারন ” মুক্তাদিরা জোরে আমীন” বলার কোন সহিহ হাদিস নেই, তাই বুখারি রাহ. “আমীন বলার অধ্যায়ে” উল্লেখ করেন নি। বরং তাতে এমন হাদিস এনেছেন, যাতে “উচ্চস্বরে” বলার কথা নেই।

(গ) এই হাদিসের সঠিক অনুবাদ এরকম- ইবনে যুবাইর রাযি. ও তাঁর পিছনে যারা মুসল্লি ছিলো, সকলেই “আমীন” বলেছেন এবং মসজিদ গুজ্ঞরিত হয়ে উঠলো।
অথচ আহলে হাদিস গুরু হাকেম শিয়ালকোটি অপব্যাখ্যা করে বলেন- ইবনে যুবাইর রাযি. ও তাঁর পিছনে যারা মুসল্লি ছিলো তারা “এত জোরে” আমীন বলতেন……. ।

দেখুন!! তিনি “এত জোরে” কথাটি নিজ পক্ষ থেকে বাড়িয়েছেন। এখন আমার প্রশ্ন তিনি ইহা কোথায় পেলেন?
কোন আরবী শব্দের অনুবাদ ইহা?

(৪) এই আছরে আছে- ইবনে যুবাইর রাযি. ও তাঁর পিছনে যারা মুসল্লি ছিলো, সকলেই “আমীন” বলেছেন এবং মসজিদ গুজ্ঞরিত হয়ে উঠলো।
অথচ এই শায়খ অনুবাদ করলেন “এত জোরে” আমীন বলতেন , এখানে “বলতেন” অর্থাৎ মাজি মত্বলক কে মাজি ইস্তেমরারি বানিয়ে ফেলেছেন।
( নাউযুবিল্লাহ) ( সুত্র: সলাতুর রসুল পৃ ১৯৭)

(5) ” লাজ্জতুন” এর অর্থ “গুন্জনধবনি ” একথা কোথায় লেখা?
(6) · এঘটনাকে তিনি মসজিদে নববীর সাথে সম্পৃক্ত করেছেন , ইহা কোথায় পেলেন?
(7) কিসের ভিত্তিতে এঘটনাকে ” মসজিদে নববীর” সাথে জুড়িয়ে দিয়েছেন, অথচ তাদের আরেন ধর্মীয় গ্রন্থ ” ইমতিয়াযি মাসাইল” এ মসজিদে মক্কার কথা বলা হয়েছে।
————
দেখুনঃ একটি হাদিসের মধ্য তাদের কত মতভেদ”!!! এখন মোরা জানতে চাই কোনটি সঠিক? আরো
মজার ব্যাপার হইলো শিয়ালকুটি সাহেব বলেন- আজও পর্যন্ত মসজিদে নববীতে “আমীনের গুন্জন ” অব্যাহত আছে, বিশ্বাস না করলে হাজীদেরকে জিজ্ঞাস করুন।
— একথা বলে স্বয়ং শিয়ালকুটি সাহেব নিজেই বেকায়দায় পড়েছেন, কারন মসজিদে নববীতে হানাফি শাফেঈ, হাম্বলী, মালেকী সবই নামায পড়ে, এখন যদি ৫ লক্ষ মুসল্লি থেকে ২ লক্ষ “জোরে আমীন” বলে তাহলে মসজিদ গুন্জরিত হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু অপর দিকে যে, আরো কত লোক ” আস্তে আমীন” বলল তারা কি ” আহলে হাদিসদের রঙ্গিন চশমার নজরে ভেসেছে?

এ নিয়ে তাদের এত লম্ফযম্ফ অথচ মক্কা-মদিনার ইমামরা “তাকলিদ করেন, মাযহাব মানেন, খুতবা আরবীতেই প্রদান করেন, ৩ রাকাত বিতর পড়েন, ২০ রাকাত তারাবিহ পড়েন ও জুমুআয় ২ টি আযান দেন এসব কি তাদের চুখে পড়েনা?
না পড়লে আমি বলব হাজীদেরকে জিজ্ঞেস করে সত্যতা জেনে আজই এসবের ওপর আমল চালু করুন ।

না হলে আমাদের জানতে মন চায় “আমীনের ব্যাপারে ” মসজিদে নববী দলিল হলে অন্যথায় হবেনা কেন?
জনৈক কবি কতই সুন্দর বলেন-
“আমীন বিল জাজরের ক্ষেত্রে হারামের আমলকে পেশ করে দলিল হিসাবে :
তারাবির বেলায় যখন বলি হারামের কথা , তখন চলে যায় অন্য কথায় :
দেখুন: তাদের কারচুপি!!
এভাবেই শায়খরা ” আমার মত অশিক্ষিত, অন্দ্ব, জাহেল মুরিদ কে উল্লু বানিয়ে অজাচিত প্রতারিত করছে।
আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুক। আমীন #
লিখনে: মুহা. উবায়দুল্লাহ আসআদ সিলেট

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s