মাযহাব মানা ফরজ??

 

আনেকে দাবি করেন,যে চার মাজহাবের কোনো একজনকে না মানলে কাফের,আবার কেউ কেউ দাবি করেন যে মাযহাব মানা ফরজ।

*আসুন সমাধান সরাসরি আল্লাহর কাছ থেকে জেনে নেই।

وَأَنَّ هَـٰذَا صِرَاطِي مُسْتَقِيمًا فَاتَّبِعُوهُ ۖ وَلَا تَتَّبِعُوا السُّبُلَ فَتَفَرَّقَ بِكُمْ عَن سَبِيلِهِ ۚ ذَٰلِكُمْ وَصَّاكُم بِهِ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ

(আল আনআম – ১৫৩)
”আর যে এটিই আমার সহজ-সঠিক পথ, কাজেই এরই অনুসরণ করো, এবং অন্যান্য পথ অনুসরণ করো না, কেননা সে-সব তাঁর পথ থেকে তোমাদের বিচ্ছিন্ন করবে।’’ এইসব দ্বারা তিনি তোমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন তোমরা ধর্মপরায়ণতা অবলন্বন িকরো।

اتَّبِعُوا مَا أُنزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ وَلَا تَتَّبِعُوا مِن دُونِهِ أَوْلِيَاءَ ۗ قَلِيلًا مَّا تَذَكَّرُونَ

(আল আরাফ – ৩)
”তোমাদের প্রভুর কাছ থেকে তোমাদের কাছে যা অবতীর্ণ হয়েছে তা অনুসরণ করো আর তাঁকে বাদ দিয়ে অভিভাবকদের অনুসরণ করো না। অল্পই যা তোমরা মনে রাখো।’’

=>আসুন এ সম্পর্কে আমরা আল্লাহর রাসুল (সাঃ) এর নিকট থেকে কিছু জেনে নেই।


রাসূলুল্লাহ (সা:) থেকে ‘সিরাতে মুস্তাকিম’
সর্ম্পকে হাদীস বর্ণিত হয়েছে:

“আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা:) বলেন
রাসূলুল্লাহ (সা:) আমাদেরকে (সিরাতে
মুস্তাকিম বুঝানোর জন্য) প্রথমে একটি
সোজা দাগ দিলেন। আর বললেন এটা
হলো আল্লাহর রাস্তা । অতপর ডানে বামে
অনেকগুলো দাগ দিলেন আর বললেন এই
রাস্তাগুলো শয়তানের রাস্তা । এ রাস্তাগুলোর
প্রতিটি রাস্তার মুখে মুখে একেকটা শয়তান
বসে আছে যারা এ রাস্তার দিকে
মানুষদেরকে আহবান করে। অতপর
রাসূলুল্লাহ (সা:) নিজের কথার প্রমাণে উপরে
উল্লেখিত প্রথম আয়াতটি তেলাওয়াত
করলেন।” (মুসনাদে আহমদ ৪১৪২; নাসায়ী
১১১৭৫; মেশকাত ১৬৬।)

**এখন প্রশ্ন থেকেই যায়,যে আমরা যারা জানিনা তারা কি করবো??

=>আসুন আমরা এর উত্তরও আল্লাহর থেকে জেনে নেই।

وَمَا أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ إِلَّا رِجَالًا نُّوحِي إِلَيْهِمْ ۚ فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِن كُنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ

[ আন নাহল – ৪৩ ]
আপনার পূর্বেও আমি প্রত্যাদেশসহ মানবকেই তাদের প্রতি প্রেরণ করেছিলাম অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তোমাদের জানা না থাকে।

***এখন নতুন প্রশ্ন তৈরি হল, আর তা হল,অনেক সময় দেখাযায় যে জ্ঞানিদের মধ্যেই মত বিরোধ।
যেন চার ঈমাম এর মধ্যেই অনেক বিষয়ে মতবিরোধ আছে।এখন আমরা কি করবো??

=>আসুন এই প্রশ্নের উত্তরটাও আল্লার কাছ থেকে জেনে নেই।

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنكُمْ ۖ فَإِن تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ۚ ذَٰلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلًا

(আন নিসা – ৫৯)
ওহে যারা ঈমান এনেছ! আল্লাহ্‌কে অনুসরণ করো, ও রসূলের অনুগমন করো, আর তোমাদের মধ্যে যাদের হুকুম দেবার ভার আছে। তারপর যদি কোনো বিষয়ে তোমরা মতভেদ করো তবে ফিরে এসো আল্লাহ্ ও রসূলের কাছে, যদি তোমরা আল্লাহ্‌তে ও আখেরাতের দিনে বিশ্বাস করে থাকো। এটিই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ ও সর্বাঙ্গ সুন্দর সমাপ্তিকরণ।

****শেষ প্রশ্ন,যে সকল বিষয়ে মত বিরোধ আছে তা নিজে যাচাই করতে গিয়ে যদি কোনো ভুল করে ফেলি??

=>আসুন এর উত্তর মোহাম্মদ (সাঃ) এর নিকট থেকে জেনে নেই।

আমর ইবনুল আস (রাঃ) বর্ণনা করেছেন

তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ বিচারক যখন ইজতিহাদ করে (চিন্তাভাবনা করে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছার চেষ্টা করে) বিচার করে, অতঃপর সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছে যায়, তাঁর জন্য রয়েছে দু’টি পুরস্কার। আর সে যখন ইজতিহাদ করে বিচার করতে গিয়ে ভুল করে বসে তবুও তাঁর জন্য রয়েছে একটি পুরস্কার। [২৩১৪]

সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ২৩১৪
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

Al mehdi al hasanbd

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=203639700083465&id=100013123092003

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s