আল্লাহর প্রথম আদেশ,পড়! এবং তা পড়তে বলেছেন রবের (তার) নামে: যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই সেই বিষয়ে অনুমান দ্বারা পরিচালিত হয়োনা

11825802_691510187646555_1968921689663605881_n

Sharifkhanbd.blogspot.com – কোরআন ও হাদিস

########আল্লাহর প্রথম আদেশ,পড়! এবং তা পড়তে বলেছেন রবের (তার) নামে।

######(দাওয়াত, সালাত,সিয়াম,হজ্জ,যাকাত,জিহাদ ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে) সমাজে দ্বীনি বিধান নিয়ে নানা বিভ্রান্তী রয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে আলেমদের যৌক্তিক ও কথিত আলেমদের অযৌক্তিক মতভেদ। সে কারণে আমরা অনেকে (ইখতিলাফ) মতভেদ ও (তানবী) প্রকারভেদ কে গুলিয়ে ফেলছি। কারণ কিছু মতভেদ সম্পুর্ণ (জাল,যঈফ হাদীস) মিথ্যার উপর প্রতিষ্ঠিত রয়েছে এবং আমরা তার উপর আমল করে চলেছি সম্পুর্ণ অন্ধ বিশ্বাসে। কিন্তু আশ্চর্য হতে হয় তখন,যখন আমাদের শরীয়প্রণেতা রাসূলে করিম (ছাঃ) যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন যে দেশে ইসলাম পরিপূর্নতা লাভ করেছে। সে দেশের ইবাদতের পদ্ধতির সঙ্গে আমাদের দেশের ইবাদতের পদ্ধতির কোন মিল খুজে পওয়া না যায়! সৌদি আলেমদের যে গ্রন্থগুলো পায় যেমন-ইবনে বায(রহঃ),ইবনে উসাইমিন (রহঃ),মুহাম্মদ বিন আত তুয়াইজুরি(রহঃ)ইত্যাদি সহ বিগত শ্রেষ্ট মুহাদ্দিস এবং বর্তমান শ্রেষ্ট মুহাদ্দিস গণের লিখিত গ্রন্থসহ কোরআন ও সহীহ হাদীসে পেশকৃত বিধানের সঙ্গে অনেকাংশেই মিল নেই আমাদের ইবাদতের বিধানের ।আমাদের সমাজে যারা নিজেকে আলেম বলে প্রতিষ্টিত তাদের ফতওয়া ও কথা শুনলে মনে হবে ঐসকল অোলেমরা কিছুই বোঝেনা!এর কারণ ও আছে রাসূল(ছাঃ এর এক বর্ণনায় এসেছে পূর্বের দিকে ইরাক থেকে ফেৎনা,শুরু হবে।(আহমাদ হা/৬৩০২ সহীহ সনদে)
সেই ইরাক থেকে আমাদের ইসলাম এর আগমণ। তাই আমাদের পড়তে হবে,জানতে হবে। ভ্রান্ত আবেগ দিয়ে সঠিক ইসলাম জানা যাবে না। ভ্রান্ত আবেগের কোন মুল্য নেই, অতএব জেনে বুঝে সঠিক দলীল অনুযায়ী নিজের দ্বীনি আমলটা ঠিক করে নেওয়াই মুমিনের কাজ। প্রকৃত সত্য এই যে, আমাদের আছে ধর্মের উপর পরিপূর্ণ বিশ্বাস,কিন্তু মানার ক্ষেত্রে আমরা উদাসীন। আর সঠিক ভাবে ধর্ম মানার প্রধান শর্ত হল পড়া এবং জানা। সেজন্য ইমাম তাইমিয়া (রহঃ) বলেন, বড়ই দুঃখের বিষয়! এই ভ্রান্ত আবেগের কারণে ১৪শ বছর পার হয়ে গেলেও মাযহাবী গোড়ামী পন্থীদের এমনই দশা যে, এখনও ঐ পন্থী আলেমগণ সহীহ হাদীস জানা এবং আমল করা থেকে সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করছে।

########আল্লাহর প্রথম আদেশ,পড়! এবং তা পড়তে বলেছেন রবের (তার) নামে। যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন।(সূরা আলাক্ব-১)এর অর্থ জ্ঞান অর্জন করতে বলেছেন। আর এ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা প্রতেকের জন্য ফরয। (ইবনে মাজহা হা/২২৩) ।
ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা আল্লাহর পথে জিহাদ সমতুল্য (ইবনে মাজহা হা/২২৬)
অথচ্ কাউকে পড়তে বললে বলবে বড় বড় আলেমরা কি কিছুবোঝেনা
? তারা যেটা বুঝেছে ওটাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। কিন্তু ঐসব আলেমরা আলেম কিনা ! তারা যে ফতওয়া বা দলীল দিচ্ছে তা যাচাই বাছাই করার প্রয়োজন আছে কি না তা ভেবে দেখছিনা! কাউকে যাচাই বাছাই করতে বললে বলবে প্রয়োজন নেই অতঃপর বিভিন্ন ভিত্তিহীন যুক্তি পেশ ও ভ্রান্ত আবেগের বশবর্তি হয়ে বলবে আমাদের মাযহাবী মুফতিরা যা বলবে (যে ফতওয়া দেবে) আমরা তা মেনে নেব,না থাকলে তারা কি বলছে! লক্ষণীয়, সমাজে অনেক কথিত আলেমকে পরামর্শ দিতে দেখা যায় এই বলে যে, যারা দ্বিনী বিধান সম্বন্ধে জ্ঞান রাখেনা তাদের মাযহাব বা কোন আলেমের অবশ্যই তাক্বলীদ (অনুসরন) করতে হবে।সাহাবারও এক সাহাবা অন্য সাহাবার তাক্বলীদ করেছে।যেমন বলা হয়েছে‘মোট কথা,এ বিষয়ে উম্মার ইজমা সম্পন্ন হয়েছে যে,সাধারণ মানুষ নিঃশর্তভাবে মুজতহিদের অনুসরণ করতে পারেবে।
(আমিদী,আল-ইহকাম,দারুল ফিকর,৩/২৫০,নবীযীর নামায পৃঃ৮২))
কিন্তু (নিঃশর্তভাবে)একথার দলীল অনুসন্ধান করতে যেয়ে দেখেছি এ একটা মহা সর্বনাশের কথা এবং জাহান্নামে যাবার জন্য একটা সরল পথের সন্ধান! কারণএ ধরনের তাক্বলীদ করা হারাম। আল্লাহ বলেনঃ
ابن والمسيح الله ون د اربابامن نهم ورهبا رهم ااحبا و اتخذ

‘তারা(ইয়াহুদী ও নাসারাগণ)আল্লাহকে ত্যাগ করে তাদের আলেমও দরবেশ গণকে রব রুপে গ্রহন করেছে’ (সুরা তাওবা-৩১)।

‘আল্লাহ না জানা লোকদের বলেন, যদি তোমরা না জান তাহলে বিজ্ঞগণকে জিজ্ঞাসা করে নাও—’ (সূরা আম্বিয়া-৭)।

আরও বলেছেন,
(بر والز لبينت با لاتعلمون كنتم ان كر الذ فسءلوااهل)
‘তোমরা না জানলে জ্ঞানীদেরকে প্রশ্ন করে স্পষ্ট দলীল সহকারে জেনে নাও।’—- (সুরা নাহল-৪৩,৪৪)।
—اان بنبافتبين فاسق جاءكم اان امنو ين الذ يايها

‘তোমাদের নিকট যদি কোন বার্তা আসে, তাহলে সেটা যাচাই বাছাই ও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নাও।’— (সুরা হুযরাত আয়াত-৬)।

রাসূল(ছাঃ)বলেছেন,‘যখন তাদের জানা ছিলনা তখন কেন জিজ্ঞাসা করলো না?অজ্ঞতার সমাধান হল জিজ্ঞাসা করা।’
(সুনানে আবু দাউদ:১/৪৯)

#### ব্যাপারে রাসূল(ছাঃ)-বলেছেন তুমি তোমার হৃদয়ের কাছে ফতওয়া নাও, যদিও মুফতিরা তোমাকে ফতওয়া দিয়েছে।
(আহমাদ,দারেমী,সহিহুল জামে-হা/৯৪৮)।

ইমাম আবূ হানীফা(রহঃ)বলেন,আমি কোরান ও হাদীসের ফৎওয়া কোন দলীল অবলম্বন করে দিয়েছি। ইহা যে ব্যক্তি অবগত নহে তাহার পক্ষে আমার ফৎওয়া অনুসরণ করা হালাল নয়।
(বাহরুর রায়েক, মিলহাতুল খালেক, উমদাতুর রি আয়া)।

“হারাম তাক্বলিদ এইযে মুজতাহিদকে সকল ভুল-ত্রুটির উর্ধে মনে করা।এমনকি তার কোন সিদ্ধান্ত হাদীস-পরিপন্থি হলেও তা পরিত্যাগ না করা।”(শাহওয়ালিউল্লাহ,ইক্বদুলজী,আলবাআতুস সালাফিয়া,কায়রো,পৃঃ৪২)
অতএব নিঃশর্তভাবে মুজতাহিদের অনুসরণ অথবা ফিক্বাহ গ্রন্থ থেকে কেউ যদি কোন দলীল পেশ করে তাকে অবশ্যই দলীলের উৎস এবং দলীল উল্লেখ করতে হবে।তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে। তা না হলে নয়।
যখন মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখা হয়—- তখন সে বলে আমি বলতে পারি না। মানুষ যা বলতো আমিও তাই বলতাম, (প্রকৃত সত্য কি ছিল তা আমার জানা নেই) তখন তাকে বলা হয়, তুমি তোমার বিবেক দ্বারা বুঝতে চেষ্টা কর নি কেন? আল্লাহর কিতাব পড়ে বুঝার চেষ্টা কর নি কেন? —(বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১১৯)।
এসকল আয়াত ও হাদীসে বোঝা যায় মুফতিরা বা অন্য কেউ ফতওয়া দিলেও যে দলীল দ্বারা ফতওয়া দিচ্ছে তা কোরআন ও সহীহ হাদীসের সঙ্গে কতটুকু সম্পৃক্ত তা নিজ হৃদয় দ্বারা যাচাই বাছাই করতে হবে। তা না হলে মৃত্যর পরও ছাড় পাওয়া যাবেনা, অতএব তাক্বলীদ (অনুসরন) করার কোন সুযোগ নেই। সে জন্যেই আমাকে আপনাকে অবশ্যই পড়তে হবে। ঐ সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। ইলম অর্জনের পর তা আমল করা ওয়াজীব।(সুরা মুহাম্মদ-১৯)
নিজে না জেনে অপরকে জানানো বা আমল করা যেমন অর্থহীন,এর কোন নির্দেশ নেই;

#####ইমাম আবূ হানিফা(রহঃ)সহ প্রত্যেক মুজতাহিদ বলেছেন,সহীহ হাদীস তাদের মাযহাব।কিন্তু এই মাযহাব নিয়ে টানাটানি করতে যেয়ে এবং নিজ মাযহাবের পক্ষে ফতওয়া দিতে যেয়ে নির্বিচারে জাল যঈফ হাদীস প্রয়োগ এবং ফতওয়ার পক্ষে দলীল নিতে নিজেরাও জাল হাদীস তৈরি করেছে সাধারণ মাযহাব ভক্তরা ।যা কোর‘আন হাদীস থেকে সঠিকটা জানতে যে সময় তারা দিচ্ছেনা তার চেয়ে অনেক বেশি সময় দিচ্ছে কুর‘আন হাদীসের অপব্যাখা দিতে! কখনো হাদীসকে মানসুখ ঘোষণা করা হচ্ছে। এভাবে যেকোন মুল্যে নিজ মাযহাবের পক্ষে ফতওয়া টিকিয়ে রাখতেই তারা অনেক মুল্যবান সময় ন্ষ্ট করেছে বা করছে! আর এজন্যই আমাদের সমাজে মাযহাব নিয়ে এত টানাটানি আর বিভ্রান্তি।

#####মাযহাব মানার সিমাবদ্ধতা আমাদের একান্ত জানা প্রয়োজন। এখনও যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তির উপর ইজতিহাদ করার সুযোগ রয়েছে। আমাদের মনে রাখতে হবে, ফকীহদের মাযহাব দ্বীনের কোন অংশ নয়, ইবাদতও নয়। ইবাদতের সাহায্যের উদ্দেশ্যে তা অবলম্বন করা যাবে। যেমন, বিল্ডিং তৈরি করার জন্য ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন কিন্তু ইঞ্জিনিয়ার বিল্ডিং এর কোন অংশ নয় এবং এর অর্থ (টাকা) বিল্ডিং এর কোন অংশ নয়। কিন্তু বিল্ডিং তৈরি করতে এদুটোই একান্ত প্রয়োজন। তেমনই ফকীহদের মাযহাব দ্বীন বা ইবাদত পালন করতে আমাদের প্রয়োজন দেখা দেয়।
এখন আমাদের প্রশ্ন আসতে পারে, একনিষ্টভাবে মাযহাব না মানলে আমাদের দ্বীনি আমল চলবে কিভাবে? এ কথার উত্তরে জেনে নিতে পারেন ইসলামের স্বর্ণযুগের ইতিহাস।

#####আল্লাহ বলেন,যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই সেই বিষয়ে অনুমান দ্বারা পরিচালিত হয়োনা।(সুরা ইউসুফ-১০৮)
যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই তার পিছে পড়ো না।(অর্থাৎ যা জনো না তা করোনা অনুমানের ভিত্তিতে )(সুরা বণী ঈসরাইল-৩৬)।
হাসান বসরী (রহঃ)বলেন,অজ্ঞ আমলকারী পথহারা পথিকের ন্যায়। সে কল্যানের চেয়ে অকল্যানই বেশি করে। অতএব তুমি এমনভাবে জ্ঞান অর্জন করো-যাতে আমল ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।–(ইবনে হাজার,ফাতহূল বারী-১/২২৮পৃঃ)
তোমরা বিশুদ্ধ চিত্তে আল্লাহর ইবাদত কর।(সুরা-যুমার-২)
ইমাম বূখারী একটি অধ্যায়ের শিরোনাম দিয়েছেন,বিদ্যার স্থান হচ্ছে কথা কাজের পূর্বে—।
স্বংয় রাসূল(ছাঃ)এর সাহাবীগণও কোন বিষয়ে জানা না থাকলে, সমস্যা দেখা দিলে একাধিক সাহাবীর কাছে জানতে চাইতেন।
(আহমাদ,দাউঃ,ইঃমাজাহ, মিশকাত হা/১১৫)।
এবং যাচাই বাছাইয়ের জন্য পরষ্পর পরষ্পরের নিকট দলীল চাইতেন
(তিরঃ,মিশঃ-হা/৩৫৩৪)।
আর এটা চাওয়ার কারণ হল আসলে যেটা তারা জানছে সেটা রাসূল(ছাঃ)থেকে সত্যায়িত কিনা!কারো মন গড়া কিনা তা নিশ্চিত হতে।কিন্তু্ আমাদের সমাজে যারা নিজেকে আলেম বলে প্রচার করেছে বা না জানা মানুষের মাঝে সামাজিক প্রতিষ্ঠা পেয়েছে কোন বিষয়ে তাদের কাছে সুস্পষ্ট দলীল চাইলে বলবে কোর‘আন হাদীস খুব জটিল ব্যাপার এ আপনার মাথায় ঢুকবে না। অথচ্ আল্লাহ নিজে বলছে কোরানকে আমি সহজ করেছি যাতে সকলে বুঝতে পারে।
(সূরা হাদিদ-৯;ইউসূফÑ২;ক্বামারÑ১৭)।
আপনার মাথায় ঢুকবে না এ কথা বলার কারণ কি জানেন ? সে নিজে জানে সে এত দিন যা বলেছে তা না জেনে বলেছে এবং সেটাকেই সে সঠিক মনে করেছে,এখন ইলম সন্ধানীরা সঠিকটি জেনে গেলে এবং পরবর্তীতে তার দেওয়া ফতওয়া ভুল প্রমানিত হলে ঐ ফতওয়া প্রদান কারীর নিজ আধিপত্য হারিয়ে যাবে এ আশংকায় উল্টা-পাল্টা বকতে থাকেন এবং সবজান্তা সেজে বসেন, রাগাম্বিত হন। আর এই রাগাম্বিত হওয়ার কারণ আসলে তার ভিতরে ইলম (জ্ঞান) নেই, একটি মেশিনের ভিতর যদি সঠিক পার্টস না থাকে সেটা চালু করলে শুধু শুধু গরম হয়ে যাবে এবং উল্টো পাল্টা একটা কিছু ঘটবে। ঠিক তেমনি আলেম নামের এদের অবস্থা! আপনি যখন জানার জন্য নাছোড় হবেন তখন বলবে,এরকমও হবে,ওরকমও হবে। দলীল চাইলে বলবে আছে, কিন্তু কোথাই! তখন বলবে আলেমদের সঙ্গে এরকম বেআদবী করতে নেই। অতঃপর সেই নামধারী আলেম সাহেব না জানা ভ্রান্ত মানুষদের ইসলামের প্রতি দুর্বলতাকে পুজি করে তাদের একত্রিত করে সমাজে বলে বেড়াবে, অমুক ব্যক্তি কিছু হাদীস পড়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে, হ্যাঁ, সে কি জানে?কতটুকু জানে? হ্যাঁ,নতুন নতুন সব হদীস বের করছে! উনার কি সব হাদীস জানা হয়ে গেছে! কয়েকটা বাংলা হাদীস ও বাংলা তাফসীর পড়ে বড় বড় কথা! কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, এ কথা যে বলছে হাদীসের নীতি সম্বন্ধে তার নিজেরই কোন জ্ঞানই নেই। এবং সে নিজেই একটি আরবী অক্ষরের সঠিক উচ্চারণ ও অর্থ জানেনা ব্যাখা জানেনা তারপর ও সে যা আমল করছে বা আমল করার ফৎওয়া দিচ্ছে যার পক্ষে কোন দলীলই নেই (কুরআন, সহীহ ও হাসান হাদীস)। এদেরকে সুস্পষ্ট দলীল দেখালেও বলবে আমরা এসব মানিনা। উপর থেকে আগে অর্ডার আসুক। ভাব দেখে মনে হবে উনাদের কাছে নতুন করে আল্লাহর অহি আসবে! আপনি সঠিক কুর‘আন হাদীস জানার চেষ্টা করেন দেখবেন তারা এতদিন যা বলছে সেটাই নতুন সৃষ্ট। আপনি যেটা জেনেছেন সেটা আদি আসল এবং পুরাতন। সেজন্য এদের সম্বন্ধে আল্লাহ বলেন,তারা সুস্পষ্ট প্রমান পাওয়া সত্বেও গ্রহন করে না।( বাইয়্যেনাহ-৪)}
কোরানে যাই বলুক, মহা বিপদ আপনার! তখন সবাই আপনার বিপক্ষে। অথচ্ আপনি জানেন না বলেই যে ঐ নামধারী আলেমের কাছে জানতে চেয়েছেন এ কথা একবারও প্রকাশ করবে না ! সে যে নিজেই হাদীস বিকৃত করে মন গড়া কথা বলে নতুন দ্বীন আবিষ্কার করে বিদ‘আত,শিরকে সমাজ পরিপূর্ণ করে ফেলেছে; জনগণ সে বিষয়টি সম্পূর্ণ না শুনে না জেনে যাচাই বাছাই না করে অন্ধ ভাবে আপনার বিরোধীতা করতে থাকবে এবং তাকে সমর্থন ও শক্তি যোগাবে আর এরই সুযোগে ঐ কথিত আলেম সমাজের কিছু প্রভাবশালীকে একত্রিত করে আপনার সঙ্গে সমাজের লোকজনকে মিশতে নিষেধ পর্যন্ত করবে যেমন ভাবে আবু জেহেল,আবু লাহাব ও তার দল বল করেছিল নবী মুহম্মদ(ছাঃ)এর ক্ষেত্রে ! আর আজকাল তো প্রভাবশালীরাও আসল নয়, নকল প্রভাবশালী! (এ ক্ষেত্রে এদের সঙ্গে অনেক ইসলাম নাম ধারী ছোট বড় অনেক দলও আছে) এরা বুঝাতে থাকে দশ যেখানে আল্লাহ সেখানে। টিপ্পনী করে বলে তোমার দলে কয়টা লোক আছে ! এ যারা করে বা বলে তারা জানতে পারেনা যে তারা নিজেদের অজান্তে নিজেরাই মহাপাপে জড়িয়ে পড়েছে,কারণ তারা দু‘টি নিষিদ্ধ কাজে জড়িয়ে পড়ছেঃ
১.তারা হক জানতে এবং জানাতে বাঁধা সৃষ্টি করছে ,
২. যাচাই বাছাই না করে বিরোধিতা এবং মিথ্যা প্রচার করছে।
রাসূল(ছাঃ)বলেছেন মানুষের মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে সে যা কিছু শুনবে তাই (সত্য-মিথ্যা যাচাই ছাড়া) আমার বাণী হিসাবে বর্ণনা করবে।(মুসলিম হা/৫)।
অতএব কোন কিছু দেখলে বা শুনলে তা যাচাই বাছাই না করে বর্ণনা করাই মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য যথেষ্ট। আবার তাদের এ কথাও জানা নেই

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s