তারা জ্বীন,তাবীজ কন্ট্রোল করতে পারে তারা মূলত ভন্ড

z3

যারা বলে, তারা জ্বীন কন্ট্রোল করতে পারে
তারা মূলত ভন্ড। তারা কন্ট্রোল করে না।
তারা করে দুষ্ট জ্বীনদের সাথে চুক্তি। এর
জন্য তারা কিছু শিরকি ও কুফরি কাজ করবে
এবং যারা তাদের কাছে যাবে তাদের
দিয়েও কিছু কুফরি কাজ করাবে। যেমন-
তাকে বলবে আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কারোর
নামে কোন প্রাণী হত্যা করতে।
অনেকের মুখ থেকে হয়ত শুনবেন তাবীজ কাজ
করার কথা। মূলত তাবীজ কোন কাজই করে না।
এটি হল শয়তান বা দুষ্ট জ্বীনের সাথে ওঝা
বা ঐ ভন্ড কবিরাজ বা ভন্ড হুজুরের সাথে
একটি চুক্তি। অর্থাৎ তার দেয়া তাবীজ বা
আংটি পরলে যেন ক্ষতি না করে।
আবূ দাউদ ৩৮৪৩. মুহাম্মাদ ইবন আলা (রহঃ) – – –
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ
আমি রাসূলুল্লহ (সঃ) কে বলতে শুনেছিঃ
মন্ত্র, তাবিজ ও তাওলা* করা শিরক। একথা
শুনে যয়নব (রাঃ) বলেনঃ তুমি এ কি বলছ,
আল্লাহর শপথ ! আমার চোখে ব্যথা হলে আমি
একজন ইয়াহূদীর কাছে যেতাম, যে মন্ত্র
পাঠের পর আমার চোখে ফু দিলে ব্যথার উপশম
হতো। তখন আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেনঃ এতো
শয়তানের অপকর্ম ছিল, যে তার হাত দিয়ে
চোখে ব্যথা দিত। আর যখন ঐ ইয়াহূদী তাতে ফু
দিত, তখন সে বিরত থাকতো। তোমার জন্য তা-
ই পাঠ করা উচিত ছিল, যা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)
পাঠ করতেন। আর তা হলোঃ হে মানব জাতির
রব! যন্ত্রণা দূর করে দিন, আরোগ্য দান করুন,
আপনিই আরোগ্যদাতা, আপনার দেয়া নিরাময়ই
যথার্থ নিরাময়, যার পরে আর কোন রোগ
বাকী থাকে না।
* তাওলা এক প্রকার যাদু, যা দিয়ে বেগানা
স্ত্রী-পুরুষের মধ্যে অবৈধ প্রেম সৃষ্টি করা হয়।
নিঃসন্দেহে এটি হারাম কাজ। হাদিসের
মানঃ সহিহ (Sahih)
বুখারী ৪৪৭। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ)…….
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন;
গত রাতে একটা অবাধ্য জ্বীন হঠাৎ করে
আমার সামনে প্রকাশ পেল। রাবী বলেন,
অথবা তিনি অনুরূপ কোন কথা বলেছেন, যেন
সে আমার সালাত (নামায/নামাজ) বাধা সৃষ্টি
করে। কিন্তু আল্লাহ আমাকে তার উপর ক্ষমতা
দিলেন। আমি ইচ্ছা করেছিলাম যে, তাকে
মসজিদের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখি, যাতে
ভোরবেলা তোমরা সবাই তাকে দেখতে পাও।
কিন্তু তখন আমার ভাই সুলায়মান (আলাইহিস
সালাম) এর উক্তি আমার স্মরণ হল, “হে রব!
আমাকে দান কর এমন রাজত্ব যার অধিকারী
আমার পরে কেউ না হয়। ”(৩৮:৩৫)(বর্ণনাকারী)
রাওহ (রহঃ) বলেন; নাবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই শয়তানটিকে
অপমানিত অবস্থায় তাড়িয়ে দিলেন।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
অর্থাৎ সুলাইমান (আ) এর অধিকার এটি। কিন্তু
আমাদের নবী (স) কে এই অধিকার ঐ সময়ের
জন্য দেয়া হলেও তিনি তা করেননি। সুতরাং
যারা বলে কন্ট্রোল করতে পারে তারা ভন্ড।
তাবীজ যারা দেয় তারাও ভন্ড। এর সুধু চুক্তি
করে। আর এসবের চিকিৎসার সুরা রয়েছে।
তাবীজ নয়।
——————–

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s