তারাবির রাকাত সংখ্যার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত

>>>>>>>>তারাবির রাকাত সংখ্যার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত <<<<<<<
————————- সম্পুর্ন্ন নতুন পোস্ট ———————————-

জেনে রাখুন! তারাবীহ কিয়ামে রমযান,স্বলাতুল্লাইল ও স্বলাতৃত্ব তাহাৰ্জ্জুদ একই বিষয়ের বিভিন্ন নাম (মিরআত ২/২২৪)।

নবী (স) তারাবীহর নামায বিতর সহ ১১ রাকআতই পড়েছেন (স্বলাতুত্তারাবীহ ১৬-১৮, হিদায়াহ মাআ দিরায়াহ ১/১৫১. আরফুশ শায়ী ১/১০১, মারাকিউল ফালাহ ২৭৪,ফাৎহুল কাদীর ১/৪৬৮,আৰ্য্যাখীরাহ ২/৪০৭, মিরকাত ৩/৯৭৩, শারহু মুখতাসার খলীল ২/৯, মিরআত ১৩১২ নং হাদীসের ভাষ্য)।

আবু সালামাহ ইবনু আব্দুর রহমান হতে বর্ণিত, তিনি
আয়িশাহ(রাযি) কে জিজ্ঞাসা করেন যে, রমযানে আল্লাহর রসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি অ সাল্লাম) এর নামায কী রূপ ছিল? তিনি বলেন, রমযান মাসে ও অন্য সময়ে তিনি ১১ রাকআত হতে বৃদ্ধি করতেন না (বুখারী হা/২০১৩,মুসলিম হা/ ৭৩৮, আবুদাউদ হা/১৩৪১,তিরমিয়ী হা/৪৩৯,নাসাঈ হা/১৬৯৯,মুয়াত্রা মালিক হা/৩৯৪, আহমাদ হা/২৪০৭৩,ইবনু হিব্বান হা/২৬১৩,ইবনু খুযাইমাহ হা/১১৬৬, বাই হাকীর কুবরা হা/৪২৮৫,মুয়াত্তা মুহাম্মাদ হা/২৪১)।

এই হাদীস তারাবীহ সংক্রান্ত হওয়ার ব্যাপারে মুহাদিসীনদের নিকট কোনো দ্বিমত নেই। সুতরাং ইমাম বুখারী তাহাৰ্জ্জুদ ও তারাবীহ নামে দুটি অধ্যায় কায়েম করেছেন এবংআয়িশাহ (রাযি) বর্ণিত উক্ত হাদীসটি উভয় জায়গাতে বর্ণনা করেছেন (বুখারী হা/১১৪৭, ২০১৩)

>>>>>>>>>>>> দেওবন্দীদের আদালতে তারাবির রাকাত সংখ্যা <<<<<<<<<<<<<<<

ইমাম মুহাম্মাদও দুটি অধ্যায় কায়েম করেছেন এবং তারাবীর অধ্যায়ে নাবী (স) এর তারাবীহর রাকআত সংখ্যার ব্যাপারে একমাত্র উপরোক্ত বর্ণিত আয়িশাহ (রাযি) এর হাদীসটিই বর্ণনা করে বর্তমান স্বঘোষিত মুফতীদের বিরুদ্ধে শীলমোহর লাগিয়ে দিয়েছেন (মুয়াত্তা মুহাম্মদ ২৪১)।

>>>>>>> আহমাদ আলী সাহারানপুরী (বুখারী ১/১৫৪,টকা নং ৩),
>>>>>>> আল্লামা যাইলাঈ (নাস বুর রায়াহ ২/১৫৩),
>>>>>>> আল্লামা ইবনু হাজার আসকালানী (ফাৎহুল বারী ৪/৩০০),
>>>>>>> আনওয়ার শাহ কাশিমীর (আল আরফুশ শায়ী ১/১০১)

এবং ইবনুল হুমাম হানাফী বলেন, “নাবী (স) বিতর ব্যতীত ২০ রাকআত তারাবীহ পড়েছেন” মর্মে বর্ণিত হাদীসটি সমস্ত মুহাদিসীনদের নিকট যঈফ এবং মা আয়িশাহ(রাযি) বর্ণিত ১১ রাকআত তারাবীহর বিশুদ্ধ হাদীসের পরিপন্থী (মিরকাত ৩/৯৭২)।

বরং আল্লামাহ সুয়ূতী (আল হাবী ২/৭৩) ও আব্দুর রহমান মুবারকপুরী (তুহফাতুল আহওয়ামী ৫/৪৮৯) গ্রন্থে ২০ রাকআতের উক্ত হাদীসকে অত্যন্ত দুর্বল এবং আল্লামাহ নাসিরুদ্দীন আলবানী জাল বলেছেন (সিলসিলাহ্ঈফাহ হা/৫৬০, ইরওয়াউল গালীল হা/৪৪৫)।

তাই তো আনওয়ার শাহ কাশ্মিরী দেওবন্দী বলেন,নবী (স) )তারাবীহর নামায ৮রাকআতই পড়েছেন – একথা অস্বীকার করা ব্যতীত কোনো গতি নেই। কেননা, নাবী (স) তারাবীহ ও তাহাৰ্জ্জুদ রমযান মাসে পৃথকভাবে পড়েছেন মর্মে কোনো বর্ণনা নেই; বরং তারাবীহ ও তাহাৰ্জ্জুদের মধ্যে নাবী (স)এর যুগে কোনো পার্থক্য ছিল না (আরফুশশায়ী ১/১৬৬)। আর এটাই সঠিক।

কারণ জাবির (রাযি) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (স) আমাদের ৮ রাকআত তারাবীহ ও বিতর পড়িয়েছেন (সহীহইবনু হিব্বান হা/২৪১৫,সহীহ ইবনু খুযইমাহ হা/১০৭০,আল মাকসুদুল আলী হা/৫২৯,আল মুজামুস সাগীর হা/৫২৫,ইবনু নাসর ১/২১৭,হিদায়াহ মাআদিরায়হ ১/১৫১)। – –

দ্বিতীয়তঃবিশুদ্ধ সুত্রে প্রমাণিত নাবী (সল্লা) ঈশার পর হতে সুবহি সাদিক (ফজর নামাযের পূর্ব) পর্যন্ত ১১ রাকআত পড়তেন (মুসলিম হা/৭৩৬,আহমাদ হা/২৪৫৩৭, আবু দাউদ হা/১৩৩৬, নাসাঈ হা/৬৮৫, ইবনু মাজাহ হা/১৩৫৮, ইবনু হিব্বান হা/২৪৩১, দারাকুতনী হা/১৫৮৫, শারহু মা আনিল আসার হা/১৬৮৩, কানযুল উম্মাল হা/১৮৫৮৯, আবু ইয়ালা হা/৪৭৮৭)।

কোন কোনো বর্ণনায় ১৩ রাকআত বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু তা ফজরের সুন্নাতসহ (মুসলিম হা/৭৩৭, আবু দাউদ হা/১৩৬০,আহমাদ হা/২৪১১৬, নাসাঈ হা/১৭০৯, শারহু মাআনিল আসার হা/ ১৬৭৮)।

LikeShow More Reactions

Comment

Asadullah Al Galib Ha ha হা হা।।।।।

Hasanuzzaman Rinku
Hasanuzzaman Rinku Zazakallah khayer bhaijan

শাহরিয়ার্ ইমন
শাহরিয়ার্ ইমন ভাই উমর(রা) এর ২০ রাকাত তারবীহ এর ব্যাপারটা একটু ক্লিয়ার করে দিবেন?

Duronto Akla Pothik
Duronto Akla Pothik সব গাজাখুরি কথা

Sogood Islam Syeds
Write a reply…
 
Duronto Akla Pothik
Duronto Akla Pothik ৮রাকাআতেরর কোন সহীহ হাদীস নেই

Ahmad Sdp
Ahmad Sdp ভাউ আব্দুল মালেক বলেছেন বুখারিতে তারাবির অধ্যায় আছে। তঅ বুখারিতে কত রাকাত আছে?

Sogood Islam Syeds
Write a reply…
 
Rahul Hossain Ruhul Amin
Rahul Hossain Ruhul Amin আয়িশাহ(রাযি) কে জিজ্ঞাসা করেন যে, রমযানে আল্লাহর রসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি অ সাল্লাম) এর নামায কী রূপ ছিল? তিনি বলেন, রমযান মাসে ও অন্য সময়ে তিনি ১১ রাকআত হতে বৃদ্ধি করতেন না (বুখারী হা/২০১৩,মুসলিম হা/ ৭৩৮, আবুদাউদ হা/১৩৪১,তিরমিয়ী হা/৪৩৯,নাসাঈ হা/১৬৯৯,মুয়াত্রা মালিক হা/৩৯৪, আহমাদ হা/২৪০৭৩,ইবনু হিব্বান হা/২৬১৩,ইবনু খুযাইমাহ হা/১১৬৬, বাই হাকীর কুবরা হা/৪২৮৫,মুয়াত্তা মুহাম্মাদ হা/২৪১)।
এই হাদীস তারাবীহ সংক্রান্ত হওয়ার ব্যাপারে মুহাদিসীনদের নিকট কোনো দ্বিমত নেই। সুতরাং ইমাম বুখারী তাহাৰ্জ্জুদ ও তারাবীহ নামে দুটি অধ্যায় কায়েম করেছেন এবংআয়িশাহ (রাযি) বর্ণিত উক্ত হাদীসটি উভয় জায়গাতে বর্ণনা করেছেন (বুখারী হা/১১৪৭, ২০১৩)

Rahul Hossain Ruhul Amin
Rahul Hossain Ruhul Amin তাই তো আনওয়ার শাহ কাশ্মিরী দেওবন্দী বলেন,নবী (স) )তারাবীহর নামায ৮রাকআতই পড়েছেন – একথা অস্বীকার করা ব্যতীত কোনো গতি নেই। কেননা, নাবী (স) তারাবীহ ও তাহাৰ্জ্জুদ রমযান মাসে পৃথকভাবে পড়েছেন মর্মে কোনো বর্ণনা নেই; বরং তারাবীহ ও তাহাৰ্জ্জুদের মধ্যে নাবী (স)এর যুগে কোনো পার্থক্য ছিল না (আরফুশশায়ী ১/১৬৬)। আর এটাই সঠিক।

Duronto Akla Pothik
Duronto Akla Pothik আনওয়ার শাহ কাশ্মিরী দেওবন্দী একথা বলেছেন, যেকিতাবে আছে তার স্কিন শট দাও

Jundullah Bashir
Duronto Akla Pothik
Duronto Akla Pothik আর (আয়শা রাঃ এর) হাদীস টা যে তারাবিহ এর বেপারে না, এটা বোকাও বুঝে

Md Sarower Hossain
Md Sarower Hossain http://m.facebook.com/mdsarowerhossain.hasan/posts/1749799871929609 কিরে মিথ্যুক পথিক

Md Sarower Hossain

একে বলে মুকাল্লীদ ???

যার কি না দলিল খুজার দরকার নাই কারণ দলিল খুজলে মুকাল্লীদ তো আর মুকাল্লীদ থাকে না !!?!

যে কিনা বলে মুহাদ্দিসনে কিরাম এই হাদিস তারাবাহ এর অধ্যায়ে আনেনি !!!!!

আর আমি ইমাম বুখারীর কিতাব থেকে দেখাচ্ছি তিনি এনেছেন কি না????

লিংক দেখুন http://m.facebook.com/mdsarowerhossain.hasan/posts/1749076615335268

///(ii) মুহাদ্দিসীনে কিরাম এই হাদিসকে তারাবীহ এর অধ্যায়ে উল্লেখ করেননি। বরং তাহাজ্জুদ অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন। ইমাম বুখারী রহঃ তার প্রণিত বুখারী শরীফে এই হাদিসটি নিম্ন বর্ণিত অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন- বিতর অধ্যায়-(১/১৩৫) ইমাম মুহাম্মদ বিন নসর মারওয়াজী তার কিতাব “কিয়ামুল লাইল” এর “ ﻋﺪﺩ ﺍﻟﺮﻛﻌﺎﺕ ﺍﻟﺘﻰ ﻳﻘﻮﻡ ﺑﻬﺎ ﺍﻻﻣﺎﻡ ﻟﻠﻨﺎﺱ ﻓﻰ ﺭﻣﻀﺎﻥ ” (রামযানে ইমাম কত রাকাত তারাবীহ পড়বে) অধ্যায়ে অনেক হাদিস আনলেও আয়েশা রাঃ থেকে বর্ণিত এই হাদিসটি সহীহ হওয়া সত্বেও তিনি আনেননি। সাথে এদিকে কোন ইশারাও করেননি।Akla Pothik@ [100009333785600:]//

Sogood Islam Syeds
Write a reply…
 
Rahul Hossain Ruhul Amin
Duronto Akla Pothik
Duronto Akla Pothik কিতাবের স্কিন শট

মুহাম্মাদ উল্লাহ উজানী
মুহাম্মাদ উল্লাহ উজানী এডমিন@ এখানে আল্লামা আনওরা শাহ কাশমিরী কোথায় বলেছেন – তারাবীহ ৮ রাকাত। দেখিয়ে দিন-

মুহাম্মাদ উল্লাহ উজানী's photo.

Hide 22 Replies
Ahmad Sdp
Ahmad Sdp কাক্কু@ এই যে। ইবারত পড়তে পারো তো?

Ahmad Sdp's photo.

Ahmad Sdp
Ahmad Sdp কালো হাইলাইট করাটা দেখো ভাল করে কাক্কু

মুহাম্মাদ উল্লাহ উজানী
মুহাম্মাদ উল্লাহ উজানী কিসের এবারত দিলেন এটা, এটাতো কোন কিতাবই নয়। আর এবারত বুঝাই যাচ্ছে না। আর এটাকি আরফুশশায়ী ১নং খন্ডে ১৬৬ পৃঃ?

Ahmad Sdp
Ahmad Sdp জি ইহা আল আরফুশ শাযী, শামেলা হতে

Ahmad Sdp
Ahmad Sdp ২ খন্ড ২০৮ পেজ। ভাল করে দেখ চাচ্চু

Ahmad Sdp
Ahmad Sdp হাদিছ ৮০৬

মুহাম্মাদ উল্লাহ উজানী
মুহাম্মাদ উল্লাহ উজানী এই যে আমি স্কিনশট দিলাম,রেফারেন্স তো এখান থেকেই দেওয়া হয়েছেন। তাহলে-

Ahmad Sdp
Ahmad Sdp ওয়া আম্মান নাবী ছা. ফাছহ্হা আনহু ছামানু রাকআত। ওয়া আম্মা ইশরুনা রাকআতান ফাহুয়া আনহু বিসানাদিন যইফ…..

Ahmad Sdp
Ahmad Sdp ওটা বাদ দাও। কাক্কু এটা মুল বই। এখাছে নযর ডালো

Ahmad Sdp
Ahmad Sdp ইবারতটা বাংলায দিলাম

Ahmad Sdp
Ahmad Sdp ইবারতটা বাংলায দিলাম

মুহাম্মাদ উল্লাহ উজানী
মুহাম্মাদ উল্লাহ উজানী তাহলে কি অবশেষে কাশমিরী তাকলিদ শুরু করলেন? আর তারাবি, তাহাজ্জুদ আলাদা, নাকি এক। এর স্পষ্ট নস নেই। তবে গভীর ভাবে তথ্য, তালাশ করলে বুঝা যায় আলাদা। আর আরফুশশায়ী নামা কাশমীর কোন কিতাব নেই।

Ahmad Sdp
Ahmad Sdp হাহা। দিজ ইজ ফর ইউ। দরসে তিরমিযিও তাকি উছমানির নয় তোমার কথানুসারে

Ahmad Sdp
Ahmad Sdp কার দরস আরফুশ শাযিতে স্থান পাইছে গো উজানি কাকা

মুহাম্মাদ উল্লাহ উজানী
মুহাম্মাদ উল্লাহ উজানী হা হা হা, কিতাবের নামটা পর্যন্ত শুদ্ধ করে বলতে পারে না। না হবে উরফুশ শাযি, আর লিখে দিল আরফুশ শাযি। এই জন্যেই বলেছি এটা কাশমীর কিতাব নয়। আর মূলত এটা আল্লামা কাশমীর নিজের লিখিত কিতাব নয়। আর চার ইমামের মত ছেড়ে কাশমী সাহেবের তাকলিদ করতে গেলেন কোন দু:খে?

Ahmad Sdp
Ahmad Sdp হিহি। আব্দুল মতিন আরফুশ শাযি লিখেছেন। এটাই ঠিক। মিযান থেকে দরস নেয়া শুরু করো আবার

Somun Khan
Somun Khan Ahmadullah Saidpur ভাই, হেতে তো উজানে উঠতে উঠতে হাশিয়া কে বুখারীর হাদীস বানায়া ফালায় 😀 আর এইটাত কিছুই না।

ঠিক কিনাS.A. Abdullah ভাই?

Ahmad Sdp
Ahmad Sdp উজানী@ আনওরা কাশ্মিরি বলে কেউ নেই। যেটা উপরের কমেন্টে লিখেছেন

Md Sarower Hossain

S.A. Abdullah
shared মুহাম্মাদ
উল্লাহ উজানী’s
note.
একটি মুক্বাল্লিদি

See more

Ibn Ubaidullah
Ibn Ubaidullah Somun Khan উজানী মিয়াকে সত্য ও সততা, হক্ব ও সুন্দর, সম্মান ও হিদায়েত – এর উজানে চলার উপর ছেড়ে দেয়া যেতে পারে। বেচারার জালিয়াতি দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত!!

Somun Khan
Md Sarower Hossain
Md Sarower Hossain চিন্তা

Md Sarower Hossain's photo.

Sogood Islam Syeds
Write a reply…
 
Amir Hamza
Amir Hamza ভাইজান… আল্লাহর কসম করে বলছি… আপনি যদি নিচের লিংক এর ভিডিওটি বোঝার নিয়্যাতে দেখেন… অবশ্যই তাহলে আপনার কাছে স্পষ্ট হবে যে… বুখারীতে ১১ রাকাত আসলেই তাহাজ্জুদ নামাজ… লিংকঃ- https://m.facebook.com/story.php…

"হযরত আয়েশা রা. এর ১১ রাকাআতের হাদীসটি কি তারাবিহ নাকি তাহাজ্জুদের ?

Youtube link-
https://www.youtube.com/watch?v=D0eG1zL9cFg&index=14&list=PLEKjfSe2aCmCMITzZYUxqyPHVnjFqECLY

আলোচক: মাওলানা তাহমিদুল মওলা দা.বা.
উস্তাজুল হাদীস : জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া ঢাকা
খতিব : মহানগর জামে মসজিদ, রামপুরা, ঢাকা

Our Fb page - https://www.facebook.com/TalimuddinF
Our Website- http://talimuddin.com/ (under construction)"
আয়েশা রা. এর ১১ রাকাআতের হাদীসটি কি তারাবিহ নাকি তাহাজ্জুদের ?
04:57
2,529 Views

হযরত আয়েশা রা. এর ১১ রাকাআতের হাদীসটি কি তারাবিহ নাকি তাহাজ্জুদের ?

Youtube link-
https://www.youtube.com/watch…

আলোচক: মাওলানা তাহমিদুল মওলা দা.বা.
উস্তাজুল হাদীস : জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া ঢাকা
খতিব : মহানগর জামে মসজিদ, রামপুরা, ঢাকা

Our Fb page – https://www.facebook.com/TalimuddinF
Our Website- http://talimuddin.com/ (under construction)