কা‘বা গৃহের দেয়াল ধরে কান্নাকাটি করা শরী‘আত সম্মত কি?

k

প্রশ্ন : কা‘বা গৃহের দেয়াল ধরে কান্নাকাটি করা শরী‘আত সম্মত কি?

উত্তর : অনেকে অধিক নেকী ও দো‘আ কবুলের আশায় কা‘বার গিলাফ, দেয়াল, দরজা প্রভৃতি স্থানে মুখ-বুক লাগিয়ে উচ্চৈঃস্বরে কান্নাকাটি করেন। এমনকি অনেকেই সুযোগ পেলে কা‘বার গিলাফ চুরি করে কেটে নিয়ে আসে। যার কারণে সউদী সরকার বাধ্য হয়ে হজ্জের সময় কা‘বার গিলাফকে উপরে উঠিয়ে রাখেন।

অথচ রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম তাওয়াফের সময় পূর্ব রুকনে ইয়ামানী (হাজরে আসওয়াদ) ও পশ্চিম রুকনে ইয়ামানী ব্যতীত কা‘বা গৃহের অন্য কোন অংশ স্পর্শ করতেন না।

(বুখারী হা/১৬০৯; মুসলিম হা/১২৬৭; মিশকাত হা/২৫৬৮)।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি মু‘আবিয়া (রাঃ)-এর সাথে তাওয়াফ করছিলেন। মু‘আবিয়া (রাঃ) কা‘বা গৃহের সকল রুকনেই স্পর্শ করলেন। তখন ইবনু আব্বাস (রাঃ) তাঁকে বললেন, আপনি এই দু’টি রুকন স্পর্শ করলেন কেন? অথচ রাসূল (ছাঃ) এই দু’টি স্পর্শ কনেননি। তখন মু‘আবিয়া (রাঃ) বললেন, বায়তুল্লাহর কোন অংশই বাদ দেওয়া যেতে পারে না।

তখন ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِيْ رَسُوْلِ اللهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ ‘ তোমাদের জন্য তোমাদের রাসূল (ছাঃ)-এর মধ্যেই রয়েছে উত্তম আদার্শ’। তখন মু‘আবিয়া (রাঃ) বললেন সত্য বলেছেন।

(বুখারী হা/১৬০৮; মুসনাদে আহমাদ হা/১৮৭৭)। অতএব ইহা বিদ‘আত; যা অবশ্য বর্জনীয়।


see-comments:-

Mahmud Hossen প্রশ্ন করা হলো ” কা‘বা গৃহের দেয়াল ধরে কান্নাকাটি করা শরী‘আত সম্মত কি?” ( তাওয়াফ ছাড়া সাধারন সময় হাজিদেরকে এমন করতে দেখা যায়।)
অথচ উত্তর দেয়া হলো “রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম তাওয়াফের সময় পূর্ব রুকনে ইয়ামানী (হাজরে আসওয়াদ) ও পশ্চিম রুকনে ইয়ামানী ব্যতীত কা‘বা গৃহের অন্য কোন অংশ স্পর্শ করতেন না”

এটা কি অর্ধ সত্য না কি ইচ্ছাকৃত ???????

জান্নাতুল ফেরদাউস
Mahmud Hossen
Mahmud Hossen হাদিসে সব সময়ের কথা বলা হয় নি, বলা হয়েছে তাওয়াফের সময়ে দুই রুকন ছাড়া অন্য কিছু না ধরার জন্য,
জাযাক আল্লাহ

জান্নাতুল ফেরদাউস
জান্নাতুল ফেরদাউস Tawaf Sara e Jodi doren tahole ki neki hobe? Dalil diye pro man koren.

Mahmud Hossen
Mahmud Hossen হাজরে আসওয়াদ থেকে কাবা শরীফের দরজা পর্যন্ত জায়গাটুকুকে মুলতাজাম বলে (আল মুসান্নাফ লি আব্দির রাজ্জাক: ৫/৭৩)। মুলতাজাম শব্দের আক্ষরিক অর্থ এঁটে থাকার জায়গা। সাহাবায়ে কেরাম মক্কায় এসে মুলতাযামে যেতেন ও দু’হাতের তালু, দু’হাত, ও চেহারা ও বক্ষ রেখে দোয়া করতেন। বিদায় তাওয়াফের পূর্বে বা পরে অথবা অন্য যে কোনো সময় মুলতাযামে গিয়ে দোয়া করা যায়। ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ (রহ.) বলেন, যদি মুলতাযামে আসার ইচ্ছা করে মুলতাজাম হল হাজরে আসওয়াদ ও দরজার মধ্যবর্তী স্থান অতঃপর সেখানে তার বক্ষ, চেহারা, দুই বাহু ও দুই হাত রাখে ও দোয়া করে, আল্লাহর কাছে তার প্রয়োজনগুলো সওয়াল করে তবে এরূপ করার অনুমতি আছে। বিদাযড় তাওয়াফের পূর্বেও এরূপ করতে পারবে। মুলতাজাম ধরার ক্ষেত্রে বিদাযড় অবস্থা ও অন্যান্য অবস্থার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। আর সাহাবগণ যখন মক্কায় প্রবেশ করতেন তখন এরূপ করতেন (শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়ার মজমূউল ফতুওয়া: ২৬/১৪২)।

জান্নাতুল ফেরদাউস
জান্নাতুল ফেরদাউস Mahmud Hossen , Aponi aponar comment balo kore poren in sha Allah.

জান্নাতুল ফেরদাউস
জান্নাতুল ফেরদাউস Ora dua korten, kabar gilafe dore ba 2 stan batitho touch korten na.😀

Mahmud Hossen
Mahmud Hossen ***** বিদায় তাওয়াফের পূর্বে বা পরে অথবা অন্য যে কোনো সময় মুলতাযামে গিয়ে দোয়া করা যায়। (উক্ত কমেন্ট থেকে

Like · Reply · 1 · 21 hrs
জান্নাতুল ফেরদাউস
Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s