A-হাদীছ কাক বোলে? B-হাদীছ শাস্ত্রের কিছু পরিভাষা

(A)

প্রশ্নঃ হাদীছ কাক বোলে?
উত্তৰঃ নৱী (ছঃ)ৰ কথা, কাম ও সমর্থনক হাদীছ বোলে।
2. প্রশ্নঃ হাদীছ কেই প্রকাৰ আৰু কি কি?
উত্তৰঃ হাদীছ দুই প্রকাৰঃ মাকবুল (গ্রহণযোগ্য)হাদীছ আৰু (মাৰদুদ) অগ্রহণযোগ্য হাদীছ।
3. প্রশ্নঃ মাকুূল হাদীছ কেই প্রকাৰ আৰু কি কি?
উত্তৰঃ মাকবুল হাদীছ দুই প্রকাৰঃ ছহীহ ও হাছান।
4. প্রশ্নঃ মাৰদুদ বা অগ্রহণযোগ্য হাদীছ কেই প্রকাৰ আৰু কি কি?
উত্তৰঃ দুই প্রকাৰঃ যঈফ (দুর্বল) আৰু জাল (বানোয়াট)।
5. প্রশ্নঃ ছহীহ হাদীছ কাক বোলে?
উত্তৰঃ যিটো হাদীছ নির্ভৰযোগ্য ও পূর্ণ স্মৃতিশক্তি সম্পন্ন বর্ণনাকাৰীৰ দ্বাৰা বর্ণণা কৰা হৈছে, তাৰ চনদ পৰস্পৰ সম্পৃক্ত, তাৰ মাজত গোপন কোনো ত্রুটি নাই আৰু সেইটো শাযও (তথা অন্য কোনো অধিকতৰ নির্ভৰযোগ্য বর্ণনাকাৰীৰ বর্ণণাৰ বিৰোধী) নহয় তাকে ছহীহ হাদীছ বোলে।
6. প্রশ্নঃ প্রসিদ্ধ হাদীছ গ্রন্থ কেইখন আৰু কি কি?
উত্তরঃ ৬ খন। ছহীহ বুখাৰী, ছহীহ মুছলিম, চুনানে তিৰমিজি, চুনানে আবু দাউদ, চুনানে নাচাঈ, চুনানে ইবনে মাজাহ।
7. প্রশ্নঃ ছিহাহ ছিত্তা বুলিলে কি বুজায়?
উত্তৰঃ হাদীছৰ ছয়খন গ্রন্থক বুজোৱা হয়। ছহীহ বুখাৰী, ছহীহ মুছলিম, চুনানে তিৰমিজি, চুনানে আবু দাউদ, চুনানে নাচাঈ, চুনানে ইবনে মাজাহ। (বুখাৰী ও মুসলিমৰ সকলো আৰু অন্য কিতাপবোৰৰ অধিকাংশ হাদীছ বিশুদ্ধ, সেইবাবে এইকেইখনক একেলগে ছিহাহ ছিত্তা বা ছয়টি বিশুদ্ধ হাদীছ গ্রন্থ বোলা হয়)
8. প্রশ্নঃ ছহীহ বুখাৰীত কিমানটা হাদীছ আছে?
উত্তৰঃ ৭০০৮টা। মতান্তৰেঃ ৭৫৬৩টা।
9. প্রশ্নঃ ছহীহ মুসলিমত কিমানটা হাদীছ আছে?
উত্তৰঃ ৩০৩৩টা।
10. প্রশ্নঃ চুনানে তিৰমিজিত কিমানটা হাদীছ আছে?
উত্তৰঃ ৩৯৫৬টা।
11. প্রশ্নঃ চুনানে আবু দাউদত কিমানটা হাদীছ আছে?
উত্তৰঃ ৫২৭৪টা।
12. প্রশ্নঃ চুনানে নাচাঈত কিমানটা হাদীছ আছে?
উত্তৰঃ ৫৭৫৮টা।
13. প্রশ্নঃ চুনানে ইবনে মাজাহত কিমানটা হাদীছ আছে?
উত্তৰঃ ৪৩৪১টা।
14. প্রশ্নঃ হাদীছ গ্রন্থসমূহৰ মাজত কোনখন কিতাপত সকলোতকৈ বেছি হাদীছ সংকলিত হৈছে? উত্তৰঃ মুচনাদে আহমাদত।
15. প্রশ্নঃ মুচনাদে আহমাদত কিমানটা হাদীছ আছে?
উত্তৰঃ ২৭৭৪৬টা।
16. প্রশ্নঃ ছয়খন প্রসিদ্ধ হাদীছ গ্রন্থৰ বাহিৰে আৰু ৫খন হাদীছ গ্রন্থৰ নাম কি কি?
উত্তঃ মুচনাদে আহমাদ, মুআত্ত্বা মালিক, দাৰাকুত্বনী, চুনানে দাৰেমী, চুনানে বায়হাক্বী।
17. প্রশ্নঃ ৰিয়াযুস্ সালেহীন কিতাপখনৰ লিখক কোন?
উত্তৰঃ ইমাম নভবী।
18. প্রশ্নঃ জাল হাদীছ কাক বোলে?
উত্তৰঃ যি কথাটো মানুহে তৈয়াৰ কৰিছে, ইয়াৰ পিছত সেইটো নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওৱা ছাল্লাম)ৰ নামত প্ৰচাৰ কৰিছে, তাকে জাল হাদীছ বোলে।
19. প্রশ্নঃ আল্লাহৰ কুৰআনৰ পিছত সর্বাধিক বিশুদ্ধতম গ্রন্থ কোনখন?
উত্তৰঃ ছহীহ বুখাৰী।
20. প্রশ্নঃ ছহীহ বুখাৰীৰ এখন সকলোতকৈ প্রসিদ্ধ ভাষ্য (ব্যাখ্যা) গ্রন্থৰ নাম কি?
উত্তৰঃ হাফিজ ইবনে হাজাৰ আচকালানী (ৰহঃ) প্রণীত ফাতহুল বাৰী।
21. প্রশ্নঃ কোন দুখন হাদীছ গ্রন্থক ছহীহায়ন বোলা হয়?
উত্তৰঃ ছহীহ বুখাৰী ও ছহীহ মুছলিম।
22. প্রশ্নঃ মুত্তাফাকুন আলাইহি বুলিলে কি বুজোৱা হয়?
উত্তৰঃ যিটো হাদীছ ইমাম বুখাৰী ও ইমাম মুছলিম নিজ নিজ গ্রন্থত বর্ণনা কৰিছে, সেই হাদীছ সম্পর্কে কোৱা হয় মুত্তাফাকুন আলাইহি।
23. প্রশ্নঃ চুনানে তিৰমিজিৰ এখন প্রসিদ্ধ ভাষ্য (ব্যাখ্যা) গ্রন্থৰ নাম উল্লেখ কৰা?
উত্তরঃ তুহফাতুল আহওয়াযী। লিখকঃ আবদুৰ্ ৰহমান মুবাৰকপুৰী (ৰহঃ)।
24. প্রশ্নঃ চুনানে আবু দাউদৰ এখন প্রসিদ্ধ ভাষ্য (ব্যাখ্যা) গ্রন্থৰ নাম উল্লেখ কৰা?
উত্তরঃ আউনুল মাবুদ। লিখকঃ চামছুল হক আযীমাবাদী (ৰহঃ)।
25. প্রশ্নঃ মাৰফু হাদীছ কাক বোলে?
উত্তৰঃ যিটো হাদীছ নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া ছাল্লাম) ৰ কথা, কাম বা সমর্থন হিচাবে উল্লেখ কৰা হৈছে তাকে মাৰফু হাদীছ বোলে।
26. প্রশ্নঃ মাওকুফ হাদীছ কাক বোলে?
উত্তৰঃ যিটো হাদীছ কোনো চাহাবীৰ কথা, কাম বা সমর্থন বুলি উল্লেখ কৰা হৈছে, তাকে মাওকুফ হাদীছ বোলে।
27. প্রশ্নঃ মাক্কতু হাদীছ কাক বোলে?
উত্তৰঃ যিটো হাদীছ কোনো তাবেঈৰ কথা, কাম বা সমর্থন বুলি উল্লেখ কৰা হৈছে, তাকে মাক্বতু হাদীছ বোলে।
28. প্রশ্নঃ যঈফ হাদীছৰ কেইটামান প্রকাৰ উল্লেখ কৰা?
উত্তৰঃ মুৰচাল, মুনকাতে, মুযাল, মুনকাৰ, মাক্বলুব, মুয্তাৰাব ইত্যাদি।
29. প্রশ্নঃ যঈফ হাদীছৰ ওপৰত আমল কৰাৰ হুকুম কি?
উত্তৰঃ যঈফ হাদীছৰ ওপৰত আমল কৰা উচিত নহয়।
30. প্রশ্নঃ হাদীছৰ চনদ বুলিলে কি বুজায়?
উত্তৰঃ হাদীছ বর্ণনাৰ সময় বর্ণনাকাৰীসকলৰ চিলচিলা বা ধাৰাবাহিকভাৱে তেওঁলোকৰ নাম উল্লেখ কৰাকে চনদ বোলা হয়।
31. প্রশ্নঃ হাদীছৰ মতন কাক বোলা হয়?
উত্তৰঃ হাদীছৰ মূল বক্তব্যটোকে মতন বোলা হয়।
32. প্রশ্নঃ কোন খলীফাৰ যুগত সর্বপ্রথম হাদীছ কিতাপ আকাৰে লিপিবদ্ধ কৰা আৰম্ভ হয়?
উত্তৰঃ খলীফা ওমৰ বিন আবদুল আজিজ (ৰহঃ) ৰ যুগত।
33. প্রশ্নঃ হাদীছৰ গ্ৰন্থ জগতত সর্বপ্রথম কোনখন কিতাপ লিপিবদ্ধ কৰা হয়?
উত্তৰঃ মুআত্ত্বা ইমাম মালিক। ইয়াত ১৭০০টা হাদীছ লিপিবদ্ধ কৰা হৈছে ।

courtesy-wapp-IRE

————————————————-

(B)

প্রশ্ন:-হাদীছ শাস্ত্রের কিছু পরিভাষা সম্পর্কে
সংক্ষেপে কিছু আলোচনা করুন।
___________________________
উত্তর :-হাদীছ তিন প্রকারঃ 1: ক্বাওলী তথা
কথা জাতীয় হাদীছ, যেমন নবী (সাঃ) বলেছেন
•••••• ।
2: ফে’লী” তথা কর্ম জাতীয় হাদীছ, যেমন নবী
(সাঃ) কে করতে দেখেছি •••• ।
3: তাকরিরী তথা সম্মতিসূচক হাদীছ, যেমন
নবীজির (সাঃ) সামনে “যব” সানডা গুইসাপ
সাদৃশ্য প্রাণী সাহাবাগণ ভূনা করে খেয়েছেন
তাতে তিনি সম্মতি প্রকাশ করেছিলেন ।
উল্লেখিত তিন প্রকার হাদীছের শ্রেণীবিভাজন
নিম্নরুপঃ
(1) ”ছহীহ” হাদীছ :
যে হাদীছের সনদের প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ
গুণসম্পন্ন (‘আদালত’ ও ‘যবত’)
এবং ( ‘শুযুয’ও ‘ইল্লত) সকল দোষমুক্ত
হাদীছকেই “ছহীহ” হাদীছ বলে।
অর্থাৎ যে হাদীছটি ‘মুনকাতে’ নয়, ‘মু’দাল’ নয়,
‘মুআল্লাক’ নয়, ‘মুদাল্লস’ নয়, ‘মুরসাল’
নয়•••••• এমন হাদীছকেই “ছহীহ” বলে।
(2) “হাসান” হাদীছ:
যে হাদীছটি ছহীহ হাদীছের রাবীর “যবত” গুণে
পরিপূর্ণতর কিছু অভাব রয়েছে সে হাদীছকেই
“হাসান” বলে।
☆জেনে রাখা প্রয়োজন যে, ইসলামী শরীয়াতের
হুকুম আহকাম সর্ব ক্ষেত্রেই উপরে উল্লেখিত
দু’প্রকার হাদীছ তথা “ছহীহ” ও “হাসান” হাদীছের
আলোকেই আইন প্রণয়নের সাহায্যে নিতে হবে।
(3) “যঈফ” হাদীছ :
সংক্ষেপে বলা যায় যে, যে হাদীছের রাবী ‘হাসান’
হাদীছের রাবীর গুণসম্পন্ন নয় তাকেই যঈফ
হাদীছ বলে।(যঈফের অনেক প্রকার রয়েছে )
( বিঃদ্রঃ মুলনীতি অনুযায়ী য্ঈফ হাদীছ দ্বারা
দলীল গ্রহণ করা বৈধ নয়)।
(4) “গারীব” হাদীছ :
যে ছহীহ হাদীছ কোন যুগে মাত্র একজন রাবী
বর্ণনা করেছেন সে হাদীছকে ‘গারীব’ বলে।
(5) “মাওযু” হাদীছ :
যে হাদীছের রাবী জীবনে কখনও আল্লাহর
রাসূলের (সাঃ) নামে ইচ্ছা করে মিথ্যা কথা রচনা
করেছে বলিয়া সাব্যস্ত হয়েছে তার বর্ণনা করা
হাদীছকেই “মাওযু” হাদীছ বা জাল হাদীছ বলে।
(6) “মাতরুক” হাদীছ :
যে রাবী হাদীছের ক্ষেত্রে নয় বরং সাধারণ
কাজকারবারে মিথ্যা কথা বলেন বলিয়া সাব্যস্ত
হয়েছে এরুপ রাবীর বর্ণনা কৃত হাদীছকেই
‘মাতরুক’ বলে।
(7) মারফু হাদীছ :
যে হাদীছের সনদ নবী (সাঃ) পর্যন্ত পৌছিয়াছে
বা যেটা রাসূলের (সাঃ) হাদীছ বলেই সাব্যস্ত
হয়েছে তাকেই “মারফু” হাদীছ বলে।
(8) মাওকূফ” হাদীছ :
যে হাদীছের সনদ সাহাবী পর্যন্ত পৌছিয়াছে বা
যেটা সাহাবীর হাদীছ বলে সাব্যস্ত হয়েছে
সেটাকেই “মাওকূফ” হাদীছ বলে।
(9) মাকতূ” হাদীছ :
যে হাদীছের সনদ কোন তাবয়ী পর্যন্ত
পৌছিয়াছে বা যেটা তাবীয়র হাদীছ বলিয়া
সাব্যস্ত হয়েছে সেটাকেই “মাকতূ” হাদীছ বলে।
(10) “মুনকাতে” হাদীছ :
যে হাদীছের সনদে কোন স্তরে রাবীর নাম বাদ
পড়েছে তাকেই ‘হাদীছে মুনকাতে’ বলে ।
উল্লেখিত হাদীছকে “মুরসাল” ও “মুআল্লাক” ও
বলা হয়।
(11) “মুরসাল” হাদীছ : যে হাদীছে সাহাবীর
নাম বাদ পড়েছে অর্থাৎ তাবেয়ী সরাসরি নবী
(সাঃ) এর নাম করিয়া হাদীছ বর্ণনা করেছেন
তাহাকেই ‘মুরসাল’ হাদীছ বলে।
(12) ‘মুনকার’ হাদীছ:
দুর্বল বা যঈফ হাদীছ বর্ণনাকারী রাবী,
নির্ভরযোগ্য বা ছহীহ হাদীছ বর্ণনাকারীর
বিরোধিতা করে বর্ণনা করাকেই বলা হয় ‘মুনকার’
হাদীছ।
(13) ” সনদ” কাকে বলে?
উঃ হাদীছের ‘রাবী’ পরস্পরকে ‘সনদ’ বলে , আর
‘সনদ’ বর্ণনা করাকে ‘ইসনাদ’ বলে।
(14) “মতন” কাকে বলে?
উঃ সনদ বর্ণনার পর হাদীছের মূল কথাকে “মতন”
বলে।
(15) “রেওয়ায়ত” কাকে বলে?
উঃ হাদীছ বর্ণনা করাকে ‘রেওয়ায়ত’ বলে।
(16)’শায়খাইন’ কাকে বলে?
উঃ ইমাম বুখারী ও মুসলিম কে একত্রে
‘শায়খাইন’ বলে।
(17) ” শায়খ” কাকে বলে?
উঃ হাদীছ শিক্ষাদাতাকে ‘শায়খ’ বলে।
(18) “মুহাদ্দীছ কাকে বলে? উঃ যিনি হাদীছ
চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীছের সনদ ও
মতন সম্পর্কে যার বিশেষ ইলেম আছে তাকে
‘মুহাদ্দীছ ‘ বলে।
(19) ” সাহাবী” কাকে বলে?
উঃ যিনি ঈমানের সহিত নবীজির (সাঃ) এর
সাক্ষাতে ধন্য হয়েছেন এবং একটি হাদীছ বর্ণনা
করেছেন অথবা একবার তাকে দেখেছেন এবং
ঈমানের সহিত মৃত্যুবরণ করেছেন তিনিই
‘সাহাবী’।
(20) “তাবেয়ী” কাকে বলে?
উঃ যিনি কোন সাহাবীর নিকট হাদীছ শিক্ষা
করেছেন অথবা তাকে দেখেছেন তাকেই ‘তাবেয়ী’
বলে।
(21) ‘মতাওয়াতির’ হাদীছ কাকে বলে?
উঃ যে ছহীহ হাদীছকে প্রত্যেক যুগে এত অধিক
লোক বর্ণনা করেছেন যে, যত লোকের পক্ষে
মিথ্যার জন্য দলবদ্ধ হওয়া অসম্ভব! আর সে
হাদীছকেই ‘মুতাওয়াতির’ হাদীছ বলে।
রচনায়: [ আবু নুহা সালাফী ]

courtesy-সহীহ্ ইসলামী জিজ্ঞাসা ভিডিও

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s