কুরআন-হাদীছ দ্বারা যারা ঝাড়-ফুঁক করে তাদের চিকিৎসা নেওয়া যাবে

প্রশ্ন : জিনের আছর হলে কবিরাজের ঝাড়ফুঁক বা তাবীয নাজায়েয হলেও এর দ্বারা অধিকাংশ ক্ষেত্রে জিনের আছর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। অন্য দিকে এর আশ্রয় না নিলে চরম বিপদে পড়তে হয়। এক্ষেত্রে করণীয় কি?

উত্তর : কুরআন-হাদীছ দ্বারা যারা ঝাড়-ফুঁক করে তাদের চিকিৎসা নেওয়া যাবে (বুখারী হা/৫৭৩৬, ‘চিকিৎসা’ অধ্যায়)।
এছাড়া আরো কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করা যায়। যেমন:
(১) আঊযুবিল্লাহি মিনাশ শায়ত্বা-নির রজীম’ পাঠ করা (আ‘রাফ ৭/২০০, বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/২৪১৮)।
(২) নাস ও ফালাক সূরাদ্বয় পাঠ করা (তিরমিযী হা/২০৫৮)।
(৩) আয়াতুল কুরসী পাঠ করা (বুখারী হা/২৩১১)।
(৪) সূরা বাক্বারাহ তেলাওয়াত করা (মুসলিম হা/৭৮০, মিশকাত হা/২১১৯)
অথবা সূরা বাক্বারাহরর শেষের দু’টি আয়াত বেশী বেশী পাঠ করা (তিরমিযী হা/২৮৮২, মিশকাত হা/২১৪৫)।

তবে কোন অবস্থাতেই তাবীয ঝুলানো বা দরজা-জানালায় কাগজে লিখে ঘর বন্ধ করা, খুটি বা লোহা পোঁতা ইত্যাদি করা যাবে না। কারণ তাবীয ব্যবহার করা শিরক। অনুরূপ শিরকী কলেমা দ্বারা ঝাড়-ফুঁক করাও শিরক (সিলসিলা ছহীহাহ হা/৪৯২ ও ৩৩১; আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৪৫৫২)।

[[fb-Jobrul Miah]]
Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s