ইখতেলাফ বা মতপার্থক্য ??

মুহাম্মাদ মুসা বিন নাসির
দেওবন্দী হানাফী ঘরানার কিছু আলেম আহলে হাদীছ/সালাফী শাইখদের মতবিরোধ বিষয়ে ওয়াজ করছেন এবং বইও লিখছেন। তাদের দাবী হচ্ছে, সহীহ হাদীছের উপর দাওয়াত প্রদান ভ্রান্তি এবং ফিৎনা। আসলে আলেমদের মাঝে ইখতেলাফ বা মতপার্থক্য আছে বিধায় সহীহ হাদীছের প্রতি আমলের দাওয়াত অযৌক্তিক- এমন ধারণা ভুল। বিংশ শতাব্দীর মশহুর আলেমত্রয় শাইখ বিন বায, শাইখ আলবানী ও শাইখ উসাইমীনের মধ্যেও বেশ কয়েকটি ফিক্বহী মাসআলায় ইখতেলাফ ছিল। এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। আবার কেউ যদি বলে থাকে ইখতেলাফ একেবারে মিটিয়ে ফেলবে, তবে এটা ভুল কথা। সালাত সহ অন্যান্য মাসআলায় সালাফী আলেমদের মাঝে যে সকল মতভেদ দেখা যায়, তা সাধারণত অস্পষ্ট ও ইজতেহাদী। যেমন রুকূর পর ক্বাওমাতে হাত বাঁধবে না ছেড়ে দিবে ইত্যাদি। আর ফিৎনার কথা যদি বলেন তবে বলবো, যারা বুকের উপর হাত বাঁধা, রফে ইয়াদাইন ইত্যাদি করতে দেখলে ট্যারা চোখে দেখে এমনকি মসজিদ থেকে তাড়িয়ে দেয় তারাই মূলত বড় ফিৎনাবাজ। অন্তত সংখ্যার দিক বিচারে ও আমার অভিজ্ঞতায় এমন দাবীই সঠিক।
একটি বিষয় আমাদের মনে রাখতে হবে যে, এই সকল আমলের প্রতি মানুষকে উৎসাহিত করা যায় কিন্তু এগুলোর ব্যাপারে কাউকে বাধ্য করা যায় না, কাউকে গোমরাহ বলা যায় না। সালাফগণ এমনই ছিলেন। আমাদের সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিতে হবে আক্বীদাকে। সমাজের বেশিরভাগ মানুষ তার রব কোথায় আছেন সেটাই জানে না! কেউ আল্লাহকে নিরাকার বলে থাকে! আমাদের বাহাস-মুনাজারার দিকে অধিক ঝুঁকে পড়া উচিত হবে না। কোমল ও উত্তম পন্হায় দাওয়াতী কাজ চালিয়ে যেতে হবে। আল্লাহই তৌফিকদাতা।

Golam Kabeer Al Abraar আমাদের বাহাস-মুনাজারার দিকে অধিক ঝুঁকে পড়া উচিত হবে না। কোমল ও উত্তম পন্হায় দাওয়াতী কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

Like · Reply · 3 · 7 hrs
হাঃমাওঃ আব্দুশ-শাকুর
Muhammad Mushfiqur Rahman Minar
Rakibul Islam Rifat

Rakibul Islam Rifat ভাই তাহলে ইমামদের মতপার্থক্য নিয়ে এত মাতামাতি করছিলেন কেন? এখন নিজেদের পছন্দের আলেম দের মতপার্থক্য ধরা পড়ছে তাই বলেন “মতপার্থক্য থাকবেই” ।

Like · Reply · 1 · 6 hrs
মুহাম্মাদ মুসা বিন নাসির

মুহাম্মাদ মুসা বিন নাসির সকল মতপার্থক্য গ্রহনীয় নয়। মতপার্থক্য আছে, কিন্তু এটাকে কেন্দ্র করে সহীহ হাদীছ বর্জনের বিপক্ষে আমরা।ইমামদের মতপার্থক্য নিয়ে মাতামাতি কে করলো? আহলে হাদীছগণ সহীহ হাদীছের উপর আমলের কথা বলেন তাই ইমামদের মতপার্থক্যের বিষয়টি চলে আসে।পোস্টেই বিষয়টি clear করেছি

Unlike · Reply · 3 · 6 hrs · Edited
Rakibul Islam Rifat

Rakibul Islam Rifat তাহলে গালিব সাহেব বলেন রুকু পেলে রাকাত হবেনা আবার আকরামুজ্জামান ভাই বলে রাকাত হবে,,,, সহীহ হাদিস মোতাবেক আকরামুজ্জামান ভাই সঠিক,,, তাইলে গালিব সাহেব কোন সহীহ হাদিস থেকে তার মত দিল? মোট কথা মতভেদ সাহাবীদের মাঝেও ছিল এখন ও আছে…. আর মতভেদ দূর করে এক মত প্রতিষ্টা করার চেষ্টা করাই বিদয়াত।

Like · Reply · 2 · 6 hrs
Rakibul Islam Rifat

Rakibul Islam Rifat আর বর্তমানে যেইসব বিষয় নিয়া হানাফী আহলে হাদিস দ্বন্দ্ব প্রত্যেকটা বিষয় মুস্তাহাব পর্যায়ের (বেশির ভাগ) কিন্তু এর ফলে যে বিভক্তি,মনমালিন্য ,ঝগড়া হয় প্রত্যেকটাই ফরজ তরক করে, প্রত্যেকটাই ইসলামে নিষেধ। মুস্তাহাব রক্ষার্থে মানুষ ফরজ কাজ (একতা) নষ্ট করে।

Like · Reply · 1 · 6 hrs
Mahbub Bhairab Dammam
Mahbub Bhairab Dammam মুসা ভাই, দেওবন্দীরা যার করতেছেন সেটা হলো প্রচলিত মাজহাব টিকানোর জন্য। আপপ্রান চেষ্টা করে ও সফল হচ্ছে না।
দলে দলে লোক সহিহ দ্বীন গ্রহন করতেছেন ইনশাহ আল্লাহ

Unlike · Reply · 4 · 6 hrs
Rakibul Islam Rifat

Rakibul Islam Rifat মাহবুব ভাই আর আপনারা আপ্রাণ চেষ্টা করতাছেন নতুন মাজহাব বানানোর জন্য তাইনা?

Like · Reply · 1 · 6 hrs
মুহাম্মাদ মুসা বিন নাসির

মুহাম্মাদ মুসা বিন নাসির রিফাত ভাই, সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) কেউ রুকূ থেকে উঠার সময় রফে ইয়াদাইন না করলে তাকে ছোট পাথর ছুঁড়তেন! ইমাম বুখারীর মতে রফে ইয়াদাইন না করা কোন সাহাবী থেকে প্রমাণিত হয়নি, তাহলে কি তিনি একমত প্রতিষ্ঠা করে নাউযুবিল্লাহ বিদ’আত করেছেন? গালিব সাহেবের মতে রুকূ পেলে রাক’আত হবে না কিন্তু আকরামুজ্জামান সাহেবের মতে হবে। এটা যার যার গবেষণা, তাছাড়া এই মাস’আলা অস্পষ্ট ও ইজতেহাদী। পূর্বেই বলেছি এ সকল বিষয়ে উতসাহিত করা যায়, কিন্তু এর জন্য কাউকে গোমরাহ বলা যায় না।

Like · Reply · 1 · 6 hrs · Edited
Rakibul Islam Rifat

Rakibul Islam Rifat তাহলে তো আপনার মতে ইমাম বুখারী পৃথিবীতে বর্ণিত সকল হাদিস জানতো,, তাইনা?

Rakibul Islam Rifat

Rakibul Islam Rifat আপনার সাথে একমত যে এর জন্য গোমরাহ বলা নিতান্তই মূর্খতা,,,,

মুহাম্মাদ মুসা বিন নাসির

মুহাম্মাদ মুসা বিন নাসির আমি কি একবারও সে কথা বলেছি? অহেতুক বিতর্ক করবেন না ভাই।যার যার গবেষণা অনুযায়ী তিনি ফল পাবেন আপনি সালাফীদের বিষয়ে আরো ভালো করে জানুন।

Like · Reply · 2 · 6 hrs
Mahbub Bhairab Dammam

Mahbub Bhairab Dammam যাদের আকিদায়, শিরেক, বেদায়াত, কল্পিত কিচ্ছা কাহীনি বিশ্বাসী হওয়া সত্তেও নিজের পথকে সরল সঠিক মনে করেন, অন্ধ লোকের দিনরাত সমান,

Unlike · Reply · 4 · 5 hrs
NafizulIslam Niloy

NafizulIslam Niloy Musa vaier post Amar khub valo lage ….. Onek balanced kotha lekhen

Enayet Karim
Enayet Karim তথাকথিত আলিমরা যারা “আহলে হাদীস/সালাফী”দের বিভিন্ন মাস’আলাগত পার্থক্যকে জালিয়াতী বা ফিতনাবাজী বলতে চাচ্ছেন, তারা নিজেরাও জানেন যে, স্বয়ং ইমাম আবূ হানীফার (রাহিমাহুল্লাহ) এর মাস’আলার সাথেও উনার সুযোগ্য ছাত্রবৃন্দ ইমাম আবূ ইউসুফ এবং মুহাম্মাদ (রাহিমাহুল্লাহ) মতপার্থক্য করেছেন।
এর কয়েকটি উদাহরণ দিচ্ছি।
হানাফী ফিক্বহের বিখ্যাত গ্রন্থ “আল-হিদায়া”তে লেখা আছে

=================================================
হালাল পশুর পেশাব কাপড়ে লাগলে,

১) ইমাম আবূ হানীফা এবং আবূ ইউসুফ (রাহিমাহুমুল্লাহ) এর মতে তা বেশী না লাগলে কাপড় নাপাক হবে না।

২) ইমাম মুহাম্মদ (রাহিমাহুল্লাহ) এর মতে বেশী পরিমাণ পেশাব লাগলেও তা কাপড় নাপাক করবে না। কারণ তার মতে হালাল পশুর পেশাব পাক।

অথচ কিছুদিন আগে আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফেরই একই কথায় (গরুর পেশাব কাপড়ে নিয়ে নামায হবে, কারণ হালাল প্রাণীর পেশাব পাক) এক মুফতি কতই না লাফ ঝাপ দিয়েছিলেন। উনার সাথে উনার সমর্থকেরাও হানাফী মাস’আলা না জেনেই হৈ হৈ করে উঠেছিল ।

অথচ উনি জানেনই না, বা জেনেও হয়ত লুকিয়ে গেছেন যে হানাফী মাযহাবের ইমাম মুহাম্মাদ এর মতে হালাল প্রাণীর পেশাব পাক।

==================================================

হারাম পাখির পায়খানা কাপড়ে লাগার ব্যাপারে,

১) ইমাম আবূ হানীফা এবং আবূ ইউসুফ (রাহিমাহুমুল্লাহ) এর মতে এক দিরহাম এর বেশী পরিমাণ লেগে যায়, তাহলে সেই কাপড়ে সলাত জাইজ হবে।
২) ইমাম মুহাম্মদ (রাহিমাহুল্লাহ) এর মতে এক দিরহাম এর বেশী পরিমাণ লেগে গেলে সেই কাপড়ে সলাত জাইজ হবে না।

==================================================

দুইটা মাস’আলাতেই কিন্তু প্রবল মতপার্থক্য হয়েছে, কারণ সলাত জায়িজ-নাজায়িজ এর ব্যাপার এসে পড়েছে।

স্ক্রীনশট দিলাম।

Enayet Karim's photo.
Like · Reply · 1 · 4 hrs
Enayet Karim

Enayet Karim হানাফী ফিক্বহের বিখ্যাত গ্রন্থ “আল-হিদায়া”তে লেখা আছে,

===================================================See More

Enayet Karim's photo.
Enayet Karim

Enayet Karim হানাফী ফিক্বহের বিখ্যাত গ্রন্থ “আল-হিদায়া”তে লেখা আছে,

================================================See More

Enayet Karim's photo.
Enayet Karim

Enayet Karim এই ধরনের মতপার্থক্য আরও অনেক দেয়া যায়… উপরের মাত্র ৪টিতে “জায়িজ, না-জায়িজ” এর মত পার্থক্যই রয়েছে… যা মুস্তাহাব নয়, বরং হারাম-হালালের কাছাকাছি…

মহিলাদের মাসজিদে, ঈদগাহে যাওয়ার ব্যাপারেও হানাফী মাযহাবের তিন ইমামের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে।

সুতরাং নিজেদের মাযহাবের মতপার্থক্য ব্যাপারে জ্ঞান লাভ করলে অন্যদের ব্যাপারে এমনিতেই বুঝ এসে যাবে। সেসব আর “জালিয়াতী, ফিতনা” ইত্যাদি থাকবে না।

Mohsin Kamal

Mohsin Kamal এইসব মতপার্থক্য দিয়ে কি জান্নাত,জাহান্নাম নির্নয় হয়?ঘুষখোর,সুদখোর,বাবার প্রেমিকদের বিষয় কথা বলা দরকার।যাক সাহাবীদের ভিতরেও এই ফিকহ নিয়ে তর্ক দেখা যায়।আমাদের একটু নম্র হওয়া দরকার।

Like · Reply · 2 · 3 hrs
Kamal Abul Gazi

Kamal Abul Gazi আসলে শুধু বুকে হাত বাধা,রাফাদাইন বা এইধরনের মাসয়ালা মাসায়েল নিয়ে যদি মতপার্থক্য হত তাহলে দেওবন্দ,বেরলবিদের সাথে সুন্নাহ আহলে ওয়াল জামায়াতের তেমন দ্বন্দ্ব থাকতো না,কবেই এর সমাধান হয়ে যেতো মতপার্থকের মূলকারন হলো আকিদ্বাগত মাসয়ালা,আপনি যদি দেওবন্দ বা বেরলবিদের গভীরে প্রবেশ করেন তখন বুজতে পারবেন মূল সমস্যা কি? তাদের কেউ কলেমা সাক্ষ্য দেয়ার পর (ওয়াহদাতুল অজুদ) এর দোহাই দিয়ে আল্লাহ্‌র তাওহিদকে ধ্বংস করেছে………???

Like · Reply · 1 · 1 hr
Kamal Abul Gazi

Kamal Abul Gazi ছাহাবি (রা:) এর মাঝে মতপার্থক্য ছিলো কিন্তু তারা কি নিজেদের মতকে প্রাধান্য দিয়েছেন নাকি রাসূল(সাঃ)এর মতকে প্রাধান্য দিয়েছেন অবিশ্যেই রাসূল(সাঃ) এর মতকে,তারা কোন বিষয়ে মতপার্থক্য হলে সেটা কুর- আন সুন্নাহর দিকে ফিরিয়ে দিতেন, আর তাদের আকিদ্বা গত কোন বিষয় নিয়ে মতানৈক্য ছিলোনা, সুন্নাহ আহলে ওয়াল জামাত ! আহলে হাদিস এর মাঝেও আকিদ্বা গত কোন মতপার্থক্য নেই আলহামদুলিল্লাহ্‌…..

Like · Reply · 2 · 1 hr
MH Monir

MH Monir ভাই আকীদার বেশ কয়েকটি মাসয়ালায় সালাফি শাইখদের প্রসিদ্ধ ইখতিলাফ গুলি জানতে পড়ুন – (শাইখ উসাইমিন,লিকায়াতুল বাবিল মাফতূহ, প্রশ্ন ১৩২২ এবং শাইখ ড সাদ আল বুরাইকের “আল ইজাজ”)

মুহাম্মাদ মুসা বিন নাসির

মুহাম্মাদ মুসা বিন নাসির মনির ভাই, সেগুলো মৌলিক পার্থক্য নয়। শাইখ উসাইমীন কিন্তু আশআরী ও মাতুরিদী আক্বীদাকে আহলে সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত করেননি। কিন্তু আমাদের দেশে আশআরী ও মাতুরিদি বিশ্বাস, ওয়াহদাতুল উজুদ, গাউছ-কুতুব সাথে চার তরীকার মিশেল জগাখিঁচুড়ী আক্বীদা পোষণ করা হয়

Sogood Islam Syeds
Write a reply…
MH Monir
MH Monir মুহাম্মাদ মুসা বিন নাসির ভাই তাদের ব্যপারে আপনার এই বাক্যটি ” তাদের দাবী হচ্ছে, সহীহ হাদীছের উপর দাওয়াত প্রদান ভ্রান্তি এবং ফিৎনা।” বিষয়টি এমন নয়, বরং সহিহ হাদিসের দাওয়াতের নামে সকল ইখতিলাফি মাস্যালায় একটি নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত কে সহিহ ও অন্যগুলি প্রত্যাখ্যাত করার ও অন্য সিদ্ধান্তের উপর আমল্কারীদের সম্পর্কে কুধারনার প্রকাশকে দাওয়াহর অংশ বানিয়ে নেয়াকে তারা বিভ্রান্তিকর/ফিতনা বলছেন। হ্যা উভয়পক্ষের প্রসিদ্ধদের দাওয়াহতেই সুনির্দিষ্ট কিছু প্রান্তিকতা/ভ্রান্তি দেখা যায় তবে সত্যিকার কিবারদের থেকে যদি এসব বিষয়ে হিদায়াত দেখেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ ফুরুয়ী ইখতিলাফগুলো একিই উম্মাহর কোন বিচ্ছিন্নতার কারন হবেনা। যেমন – ইখতিলাফে তানাউত সম্পর্কে ইবনে আব্দুল বার আল মালেকী রাহ. এর বর্ননা যা তিনি করেছেন তার পূর্বের সালাফদের সম্পর্কে।এভাবে ইবনে তাইমিয়াহ রাহ. শাইখ উসাইমিন রাহ প্রমুখের পরিস্কার হিদায়াত গুলোর সাথে যদি আমাদের উপমহাদেশের আহলে হাদিস দাঈ ভাইয়েরা নিজেদের অবস্থান কে মিলাবার চেষ্টা করত কতইনা ভাল হত । এছাড়া অনেক সময় ভুল গবেষনাও এক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে, যেমন, দেখুন, রফেদাইনের বিষয়ে আমাদের দেশীয় বই গুলোতে প্রসিদ্ধ যে এর সম্পর্কে ৫০ জন সাহাবি থেকে মুতাওয়াতির রূপে কয়েকশ/চারশ হাদিস এসেছে। অথচ এই হাদিস গুলো রফেদাইনের তবে কেবল সালাতের শুরুর তাকবিরের রফেদাইন সম্পর্কিত।[ শাওকানী(নায়লুল আওতার ২/১৯১) এবং সানআনি (সুবুলুস সালাম ১/২৭৪)] । আমার মনে হয় আহলে হাদিস ভাইএরা যদি একটিবারের জন্য হলেও আব্দুল মালেক সাহেবের ” উম্মাহর ঐক্য পথ ও পন্থা” পড়ে দেখতেন । তাহলে অনেক বিষয়ে সংশোধিত হতে পারতেন।
https://islamiboi.wordpress.com/…/21/bn_unity_ummah-ways/

উম্মাহর ঐক্যঃ পথ ও পন্থা ডাউনলোড
islamiboi.wordpress.com
মুহাম্মাদ মুসা বিন নাসির

মুহাম্মাদ মুসা বিন নাসির এই কিতাব পড়েছি ভাই। বুঝার চেষ্টা করুন। আমি কখনোই ইখতেলাফি বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করি না। এবং আমাদের দেশের অনেক আলেমও এই পথে আছেন। আমরা সহীহ হাদীছের আমল করতে উতসাহিত করি মাত্র। আমার পুরোপুরি জানা নেই এ বিষয়ে ইবনে তাইমিয়ার একটি ক্বওল আছে, “বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে কোন একটি পদ্ধতি ক্ষেত্রবিশেষে উত্তম, তবে দ্বিতীয় পদ্ধতি মাকরূহ নয়”। শাইখ সালিহ আল-উসাইমীনের এ বিষয়ক এ কটি কিতাব আছে। কিতাবটির নাম “উলামার মতপার্থক্য ও আমাদের করণীয়”।

Sogood Islam Syeds
Write a comment…

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যার তার “কিয়ামাতের আলামাত” বইয়ে বিভিন্ন যুগে “মিথ্যা ইমাম মাহদী দাবীদার”-দের তালিকায় “মানসুর হাল্লাজ”-কে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ। এসকল কারণেই হয়তো দেওবন্দী ভাইরা তাকে পছন্দ করেনা। কারণ, মানসুর হাল্লাজের মত বেদ্বীন সূফী তাদের নিকট আল্লাহর বড় ওলী! এমনকি কেউ কেউ উনাকে হানাফী বলে স্বীকৃতি দিতেই রাজী নয়। আমার কথা হলো কে স্বীকৃতি দিল কি দিল না তা কি জানাটা জরুরি? কারো দেওয়া দুনিয়াবী স্বীকৃতির চেয়ে মহান আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টিই আসল।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s