হিজাব কোন ফ্যাশন নয়

 

The holy Quran said – “Udow illa be selme kaffa”. You enter into the Islam fully.

——————————————–

Assalamu Alaikum Wa Rahmatullah Wa Barakatuhu
✔✔হিজাব কোন ফ্যাশন নয়।হিজাবের নাম করে
মাথার উপর আইফেল টাওয়ার বানিয়ে রাখলেই হিজাবী হয়ে গেলাম? হিজাব-নিকাব মুসলিম নারীদের জন্য আল্লাহর বিধান।আর সেই আল্লাহর বিধান নিয়ে ফাজলামি করার সাহস আমরা দেখাচ্ছি! কি দুঃসাহস আমাদের ভাবা যায়!

.
মেয়েটি কত সুন্দর হিজাবী! হিজাব ছাড়া চলেই না।অথচ এমনই হিজাব যে,দুনিয়ার যত কাপড় সব মাথার উপর।অবশ্য শরীরও কাপড় দিয়ে আবৃত তবে সেই কাপড়রের বাইরে থেকে বোঝা যায় শরীরে কোথায় মাংসের স্তুপ আর কোথায় হাড্ডির স্তুপ!

.
মেয়েটি খুব সুন্দর হিজাবী! অথচ লম্বা লম্বা নখ,কতই না বাহারী নেইল আর্ট! রুচি আছে বলতে হবে! আর হিজাবের রং,পাথরের ছড়াছড়ি, ডিজাইনের বাহারে তো চক্ষু চড়কগাছ!দেখলে চোখের পলক পড়তেই চায় না!

.
মেয়েটি কত সুন্দর হিজাবী! অথচ লিপিস্টিকের এমনই ঝলক যে,আমার মুসলিম ভাইয়েরাও দুইবার তাকিয়ে দেখতে বাধ্য হয়। আর চোখের কত রকম সাঁজ!সে চোখের দৃষ্টিতে কোন পুরুষের দিক তাকানো মানেই সেই পুরুষের রাতের ঘুম হারাম! শুরু হবে আপনাকে নিয়ে নোংরা চিন্তার খেলা।

.
মেয়েটি খুব সুন্দর হিজাবী! অথচ মুখের বুলি এতই চমৎকার আর নরম যে,তার কথার জোরালো কর্কশ শব্দে পাশে থাকা ঘুমন্ত ব্যক্তি এক লাফে উঠে বলবে, ভূমিকম্প হচ্ছে নাকি!

.
মেয়েটি খুব সুন্দর হিজাবী! অথচ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা বিশাল ঝামেলার ব্যাপার! বারবার অজু করার মানে বার বার মেকাপ করার আর সাজগুজ করার ঝামেলা! কি দরকার!

ইসলাম নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান। নারী কোন পন্য নয় যে,তাকে শো’রুমে সাজানো জিনিসের মত করে সেজে ঘুরতে হবে। নারী মানে মা,মেয়ে ,বোন,স্ত্রী ইত্যাদি। নারীদেরকে ইসলামে এমন ভাবেই চলতে বলা হয়েছে যে, দেখলেই সবাই সম্মান করবে। কু-চিন্তার তো সুযোগই পাবে না।
.
হিজাব-নিকাবের বিধান শুধুই একটি বিধান নয়। এই বিধানই চিনিয়ে দেয়, সমাজে কারা মুসলিম নারী। এই বিধান একটি মুসলিম মেয়েকে নম্র-ভদ্র বানায়,যাতে সবাই বোঝে কোনটা শান্তির।এই বিধানই মুসলিম মেয়েদের হেফাজত করে পুরুষের লালসার দৃষ্টি থেকে। এই বিধানের জন্যই মুসলিম মেয়েদের জান্নাতের পথ সহজ হবে। আলহামদুলিল্লাহ!
.
হিজাবকে ফ্যাশন করার আগে জানতে হবে এই হিজাব কি? মুসলিম নারীরা এমনভাবে পর্দা করবে যেন তার চোখও দেখা না যায় আর এমনই ঢিলেঢালা বোরখা পরবে যাতে করে তার শরীরের সামান্য গঠনও বোঝা না যায়। আল্লাহর আদেশ সঠিকভাবে না মানলে আমাদের জন্য নিঃসন্দেহে রয়েছে জ্বলন্ত আগুন।
.
একটা কথা মনে রাখতে হবে, পরিবারে যদি ঐরকম কেউ থাকে যে পর্দা করে না তাকে বোঝাতে হবে আল্লাহর এই বিধান মানার জন্য। আর যদি সে না বোঝে তাকে বাধ্য করতে হবে কারণ তার পর্দা না করার জন্য আপনিও হাশরের ময়দানে জিজ্ঞাসিত হবেন।

——পর্দার বিধান—-collected

Mahbubul Islam Khokon ঃপর্দা-নারীঃ
নারীদেরকে আল্লাহতালা নিখুঁত ও বেশী সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন বিধায় তাদের জন্য পর্দা ফরজ করে দিয়েছেন! তাই নারীরা আবৃত থাকারই জন্য!
আল্লাহ্‌ বলেন,”হে নবী(স) তুমি তোমার স্ত্রীদেরকে, কন্যাদেরকে, মুমিন নারীদেরকে বলে দাও যে,তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে দেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজতর হবে। তাদেরকে উত্ত্যক্ত করা হবে না”(সুরা আহযাব:৫৯)
আল্লাহর নিষেধ, তোমরা(নারীগন) (যথাসম্ভব) ঘরের মধ্যে অবস্হান কর এবং নিজের সাজ্ব-সজ্জা অপরকে দেখিয়ে বেড়িও না(সুরা আহযাব:৩৩)
আল্লাহ বলেন, তুমি মুমিন নারীদেরকে বল,তারাও যেন নিজেদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্হান সমূহের হিফাজত করে এবং নিজেদের সৌন্দর্য্যকে প্রকাশ না করে(সুরা নূর:৩২)।

পর্দা মানতে চায় না শয়তান ও লুইচ্ছারা। যেমন, “সব শিয়ালই মুরগীর স্বাধীনতা চায়,কারণ মুরগী স্বাধীন হলে, শিয়াল ভাল খাবার পায়, তেমনি ভাবে সব লুইচ্ছারাই নারীর স্বাধীনতা চায়, কারণ নারী স্বাধীন হলে, লুইচ্ছারা লুইচ্ছামির সুযোগ পায়।”

খৃষ্টপূর্ব ১৩শ শতাব্দী থেকে বিভিন্ন ধর্মে হিজাব বা চুল আবৃত করার পোষাক ব্যবহৃত হয়ে আসছে!

 

 

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s